GeoRenus Editorial Team

এক্রুয়াল একাউন্টিং আপনাকে আপনার বিজনেসের ইনকাম, এক্সপেন্স, লসেস কিংবা সেভিংস এর একটি টোটাল ওভারভিউ প্রোভাইড করে। সাথে আপনার কোম্পানির প্রেজেন্ট ফাইনান্সিয়াল কন্ডিশনের একটা একুরেট লে আউট অফার করে। সার্বজনীনভাবে, আয় পরিমাপ করার জন্য এক্রুয়াল একাউন্টিং, বিজনেসের আর্থিক পরিস্থিতি এবং গ্রোথ এর একটি দৃঢ় ভিত্তি প্রদান করে।
যেকোনো বিজনেস বা অর্গানাইজেশন এর আর্থিক কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন করতে ও ওয়াইজ সিদ্ধান্ত নিতে প্রয়োজন ইনকাম, খরচ আর জমার, accurate হিসাব। আর এই উদ্দেশ্যে সর্বাধিক ব্যবহৃত অ্যাকাউন্টিং পদ্ধতিগুলির মধ্যে একটি হল এক্রুয়াল অ্যাকাউন্টিং।
অ্যাক্রুয়াল অ্যাকাউন্টিং হল একটি অ্যাকাউন্টিং মেথড যা আপনার বিজনসের খরচ, ইনকাম, রেভিনিউ, ক্যাশ ফ্রো ইত্যাদি রিকগনাইজ করে এবং আপনার বিজনেসের বর্তমান আর্থিক অবস্থানের একটা ক্লিয়ার পিকচার শো করে। অর্থাৎ বিজনেসের শুরু থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত আপনার বিজনেস কতটুকু গ্রো করেছে, প্রোফিট কিংবা লস করেছে সব কিছুর একটা ওভারভিউ প্রোভাইড করে।
সহজ কথায়, টোটাল বিজনেজ পিরিয়ডের মধ্যে ব্যয়ের সাথে আয়ের মিল করে একটি কোম্পানির আর্থিক অবস্থার একদম একুরেট একটা চিত্র উপস্থাপন করাই হল অ্যাক্রুয়াল একাউন্টিং। একটি কোম্পানির আর্থিক কর্মক্ষমতার আরও detailed এবং সঠিক চিত্র প্রদান করে আয় পরিমাপের ক্ষেত্রে অ্যাক্রুয়াল অ্যাকাউন্টিং একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এই নীতি অনুসারে যখন আপনার বিজনেস এ উপার্জন হবে ঠিক তখনই রেভিনিউ রিকগনাইজ করতে হবে এবং ইনকাম ও এক্সপেন্স এর মধ্যে ডিফারশিয়েট করতে হবে। অর্থাৎ, এই নীতিটি বলে যে, রাজস্ব যখন অর্জিত হয় তখনই তা স্বীকৃত হওয়া উচিত, পেমেন্টের সময়ে নয়।
উদাহরণস্বরূপ, একটি কোম্পানি জুলাই মাসে Consulting Service প্রদান করে কিন্তু আগস্টে পেমেন্ট পায়। অ্যাক্রুয়াল অ্যাকাউন্টিংয়ের অধীনে, service প্রদানের সময় জুলাই মাসে Revenue Recognition হয়, পেমেন্ট পাওয়ার সময় আগস্টে নয়।
অথবা,
একটি সফ্টওয়্যার কোম্পানি তখনই রেভিনিউ রেকর্ড করে যখন একজন কাস্টমার সাবস্ক্রিপশনের জন্য অর্থ প্রদান করে, যখন পেমেন্ট করা হয় তখন নয়।
এই নীতিটি বলে যে, Expense বা ব্যায় গুলো একই সময়ে রিকগনাইজড হওয়া উচিত যেহেতু তারা রেভিনিউ তৈরি করতে সহায়তা করে।
উদাহরণস্বরূপ, একটি কোম্পানি আগস্টে প্রোডাক্ট বিক্রি করার জন্য জুলাই মাসে ইনভেন্টরি ক্রয় করে। এক্রুয়াল অ্যাকাউন্টিং এর অধীনে, ইনভেন্টরির খরচ জুলাই মাসে recognised হয়, এবং আগস্টে উৎপন্ন রেভিনিউর সাথে এনলিস্ট করে।
অ্যাক্রুয়াল অ্যাকাউন্টিংয়ের সামঞ্জস্য নীতি বলে যে, একটি কোম্পানির আর্থিক Compatibility এবং Consistency নিশ্চিত করতে একই অ্যাকাউন্টিং পদ্ধতি এবং নীতিগুলি বিভিন্ন ডিফারেন্ট পিরিয়ডে ইউজ করতে হবে। অর্থাৎ, সেইম প্রিন্সিপাল গুলো বার বার এপ্লাই করুন এবং কম্পেয়ার করুন যাতে করে সঠিক ওয়ে টা আইডেন্টিফাই করা যায়।
উদাহরণ: যদি একটি কোম্পানি একটি অ্যাকাউন্টিং পিরিয়ডের মধ্যে স্ট্রেইট লাইন পদ্ধতি ব্যবহার করে তার সম্পদের depreciate করতে পছন্দ করে, তাহলে পরবর্তী সময়ে একই পদ্ধতি ব্যবহার করা চালিয়ে যেতে হবে, যদি না এটি পরিবর্তন করার কোনো বৈধ কারণ থাকে।
যখন পেমেন্ট করা হয় তখন রেভিনিউ আইডেন্টিফাই না করে, যখন উপার্জন করা হয় তখন রেভিনিউ সনাক্ত করা হয়।
উদাহরণস্বরূপ, একটি সফ্টওয়্যার কোম্পানি একটি সম্পূর্ণ প্রকল্পের জন্য রাজস্ব রেকর্ড করে এমনকি যদি ক্লায়েন্ট এখনও অর্থ প্রদান না করে থাকে।
এখানে অর্থপ্রদান/ পেমেন্ট না করা হলেও খরচের রেকর্ডিং রাখা হয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি কোম্পানি প্রকৃত বিল পাওয়ার আগে মাসিক ইউটিলিটি খরচ রেকর্ড করে।
অগ্রিম অর্থ প্রদান করা হলেও একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্ভ্যাব্য এমন সকল ব্যয়কে recognition দেওয়া। উদাহরণ স্বরূপ, একটি ব্যবসা এক বছরের মূল্যের বীমা পূর্বে প্রদান করে এবং প্রতি মাসে ব্যয় হিসাবে একটি মাসিক অংশ রেকর্ড করে।
রাজস্ব (revenue) অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত তার স্বীকৃতি স্থগিত করা, অর্থাৎ রেভিনিউ রিকগনিশন না করা। উদাহরণস্বরূপ, একটি কোম্পানী একটি সার্ভিস Agreement এর জন্য অগ্রিম অর্থ প্রদান করে এবং সার্ভিস গুলো সরবরাহ না করা পর্যন্ত এটিকে অর্জিত রাজস্ব হিসাবে রেকর্ড করে।
Accrual Accounting এর বেসিক প্রিন্সিপল গুলো অনুসারে সিম্পল প্রোসেস হল-
এক্রুয়াল একাউন্টিং ব্যয়ের সাথে রেভিনিউর মিল করে একটি কোম্পানির আর্থিক অবস্থার একটি বাস্তবসম্মত চিত্র প্রোভাইড করে।
অনেক ফাইনান্সিয়াল reporting standards , যেমন Generally Accepted Financial Principle (GAAP) এবং ইন্টারন্যাশনাল ফিনান্সিয়াল রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ডস (IFRS), এর মত আর্থিক প্রতিবেদনের জন্য এক্রুয়াল একাউন্টটি ব্যবহার করা প্রয়োজন।
এই একাউন্টটিং মেথডের মাধ্যমে, একজন ব্যক্তি ক্যাশ মুভমেন্টের মত জটিল ও ম্যানুয়্যাল মেথডের পরিবর্তে প্রকৃত ফাইনান্সিয়াল পারফরম্যান্সের উপর ভিত্তি করে ওয়াইজ ডিসিশন নিতে পারে।
অ্যাক্রুয়াল অ্যাকাউন্টিং আর্থিক স্টেটমেন্ট গুলোর অর্থপূর্ণ তুলনা করতে সক্ষম। এবং এক সময়ের থেকে অন্য সময়ে, বিজনেস কতটুকু গ্রো করেছে বা লস করেছে তা হিসাব করতে পারে। অর্থাৎ, পার্থক্য করার মাধ্যমে বিজনেসের ডেভেলপমেন্ট এর ওভারভিউ দিতে পারে।
এটি জটিল আর্থিক লেনদেনগুলিকে আরও কার্যকরভাবে accommodate করে। যেমন, কিস্তি বিক্রয়, দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি এবং Delayed revenue recognition ইত্যাদিকে বেশ সহজ ভাবে এক্সপ্লেইন করতে পারে এবং ম্যানেজ করতে পারে।
ইতিমধ্যে জেনেছি যে, অ্যাক্রুয়াল অ্যাকাউন্টিং হল আয় পরিমাপে ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি যেখানে নগদ বিনিময়ের সময় নির্বিশেষে উপার্জন বা ব্যয়ের সময় রেকর্ড করা হয়। যেহেতু, এই পদ্ধতিটি একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটি কোম্পানির আর্থিক কর্মক্ষমতা সম্পর্কে একদম accurate দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে, সেহেতু কোম্পানির অর্থনৈতিক ঘটনাগুলির আরও বাস্তবসম্মত চিত্র প্রতিফলিত হয়। তাই, ইনকাম মেজারমেন্ট এ এক্রুয়াল একাউন্টিং এর ভূমিকা অপরিহার্য।

কাস্টমার এক্সপ্লোরেশন ম্যাপ মূলত এক ধরনের টেমপ্লেট বা চার্ট। যা অনেকাংশে একটা স্টোরিবোর্ড এর মতো ও কাজ করে থাকে। নিতান্তই ছোট এবং সংক্ষিপ্ত কিন্তু অর্থবহ এই টেমপ্লেট কিংবা স্টোরিবোর্ড আপনার ব্যবসার উন্নতির জন্য অনেক কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে।








