GeoRenus Editorial Team

সুব্রতো বাগচীর "হাই পারফমেন্স উদ্যোক্তা: আজকের বিশ্বে সাফল্যের জন্য লেখা একটি বই যেখানে লেখক নিজের ব্যক্তিগত যাত্রা এবং তার উদ্যোক্তা হওয়ার সাথে জড়িত কিছু লেসন নিয়ে কাজ করে। নৈতিকতা, মূল্যবোধ এবং উদ্দেশ্যের উপর বাগচির চিন্তাধারা বইটিকে অন্যান্য বই থেকে আলাদা করেছে। বাস্তব-বিশ্বের উদাহরণএবং ব্যবহারিক উপদেশের মাধ্যমে, বাগচি বিদ্যমান উদ্যোক্তাদের তাদের মূল মূল্যবোধ এবং নীতির প্রতি অটল থাকার পাশাপাশি সাফল্য অর্জনের জন্য উত্সাহিত করে।
Book Name - High Performance Entrepreneur
Author- Subroto Bagchi
Page - 245
Genre- Business & Entrepreneur
সুব্রতো বাগচীর "হাই পারফমেন্স উদ্যোক্তা: আজকের বিশ্বে সাফল্যের জন্য বিদ্যমান উদ্যোক্তাদের জন্য একটি গাইডলাইন, যা আধুনিক ব্যবসায়িক ল্যান্ডস্কেপে সাফল্যের জন্য কি করা যেতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করে। বাগচী কিছু নীতি অনুশীলনের জন্য মূল্যবান কিছু কথা বলেন ৷ সুব্রতো বাগচী একটি সফল আইটি পরিষেবা সংস্থা মাইন্ডট্রি -এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে তাঁর বিস্তৃত অভিজ্ঞতা থেকে উদ্যোক্তাদের তাদের যাত্রার সমস্ত পর্যায়ে ব্যবহারিক পরামর্শ এবং নির্দেশিকা প্রদান করেন।
একটি সফল ব্যবসা গড়ে তোলার ভিত্তি হিসাবে একটি শক্তিশালী অর্থ ব্যবস্থা এবং উদ্দেশ্যের একটি স্পষ্ট ধারণার গুরুত্বের উপর জোর দিয়ে বইটি শুরু হয়। বাগচির মতে একটি সম্পূর্ণ সমাজের সেবা করতে হলে আপনার মধ্যে সততা, নৈতিকতা এবং মূলত গ্রাহক ও সমাজকে সেবা দেওয়ার জন্য গভীর অঙ্গীকারের প্রয়োজন। তিনি বলেন উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য শুধু প্রফিট করার দিকে হলে চলবে না। তাদের প্রফিট এর পাশাপাশি সমাজে একটি ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টির মনোভাব থাকতে হবে।
বাগচী উদ্যোক্তাতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন। প্রথমত আপনি কোন মার্কেট বিজনেস করতে চান সেটি চিহ্নিত করা, একটি ফ্লেক্সিবল মার্কেটিং অর্গানাইজেশন তৈরি করা এবং রিসার্চ এ ইনভেস্ট করা, কনজিউমার ফোকাসড হওয়া । তিনি এই নিয়মগুলো ব্যাখ্যা করার জন্য বিভিন্ন কেস স্টাডি শেয়ার করেন এবং লিডারশিপ, দল নিয়ে কাজ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের মতো বিষয়গুলিতে ব্যবহারিক পরামর্শ প্রদান করেন।
বইটির মূল বার্তাগুলির মধ্যে একটি হল ক্রমাগত শেখার এবং আত্ম-উন্নতির ইচ্ছা। বাগচি উদ্যোক্তাদের কৌতূহলী থাকতে, পরিবর্তনকে মেনে নিতে এবং বিভিন্ন উৎস থেকে জ্ঞান খোঁজার জন্য উৎসাহিত করে। তিনি পরামর্শের মূল্য এবং ব্যক্তিগত এবং পেশাদার বৃদ্ধিতে এটি যে ভূমিকা পালন করে তার উপর জোর দেন।
পুরো বই জুড়ে, বাগচি চ্যালেঞ্জ এবং বিপত্তির মুখে উদ্যোক্তাদের স্থির হয়ে মোকাবেলা করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছেন। তিনি স্বীকার করেন যে উদ্যোক্তা যাত্রা প্রায়শই বাধা-বিপত্তিতে ভরা কিন্তু অধ্যবসায়, নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা এবং বৃদ্ধির মানসিকতার গুরুত্ব তাকে সামনের দিকে নিয়ে যাবে।
সুব্রতো বাগচীর "হাই-পারফরম্যান্স উদ্যোক্তা" হল যারা উদ্যোক্তা হতে চায় বা তাদের বিদ্যমান ব্যবসাগুলিকে উন্নত করতে চায়। বাগচীর উদ্যোক্তাদের তাদের মূল্যবোধ এবং দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি সৎ থাকার পাশাপাশি ব্যবসা জগতের জটিলতাগুলি নেভিগেট করার জন্য একটি রোডম্যাপ প্রদান করে। বইটি একটি গাইড হিসাবে কাজ করে যেখানে বলা হয়েছে উদ্যোক্তার সাফল্য কেবল আর্থিক লাভের জন্য নয় বরং সমাজে একটি অর্থবহ এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব তৈরি করার বিষয়ও বটে ।
লেখক একজন সফল উদ্যোক্তা হিসাবে তার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে নেওয়া বাস্তব উদাহরণ এবং কার্যকর পরামর্শ শেয়ার করেছেন, যা ব্যবসায়িক জগতের জটিলতাগুলি নেভিগেট করতে চাওয়াদের জন্য এটি একটি মূল্যবান ভিত্তি গড়ে তুলেছে।
লেখকের ব্যক্তিগত যাত্রা এবং তিনি যে গল্পগুলি শেয়ার করেছেন তা পাঠকদের তাদের মূল্যবোধ এবং নীতির প্রতি সত্য থাকার পাশাপাশি তাদের উদ্যোক্তা স্বপ্নগুলি অনুসরণ করতে অনুপ্রাণিত করে।
সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য একটি শক্তি হিসাবে উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন বাগচী দেখে । তার দৃষ্টিভঙ্গি এমন ব্যক্তিদের সাথে অনুরণিত হয় যারা এমন ব্যবসা তৈরি করতে চায় যা লাভের বাইরে যায় এবং সমাজের ভালোতে অবদান রাখে।
ব্যবসায় কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণের কিছু উপায় এখানে দেওয়া আছে। এছাড়া ব্যবসায় বিশেষ কিছু সমস্যা থেকে বের হওয়ার উপায় নিয়েও বলা হয়েছে এই বইটিতে
ব্যবসা জগতে বিভিন্ন স্ট্র্যাটিজিক পরিকল্পনা নিয়ে এই বইয়ে লেখা হয়েছে।
সবাই চাইলে উদ্যোক্তা হতে পারে না এবং দেখা গিয়েছে একটি ব্যবসা শুরু হওয়ার পর ৯০ শতাংশ সুযোগ রয়েছে যে ব্যবসাটি বন্ধ হয়ে যাবে। এই সকল বিষয় মাথায় রেখে অনেকে ঝুঁকি নিতে চায় না। অনেকে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না তাদের চাকরি ছেড়ে কি উদ্যোক্তা হওয়া উচিৎ কিনা। এই বিষয়ে বাগচি কিছু বৈশিষ্ট্যের কথা বলেছেন যেগুলো থাকলে আপনার উদ্যোক্তা বিষয়ক চিন্তা করা উচিত।
সন্দ্বীপ মাহেশওয়ারীর একটি কথা বলেছেন “ ব্যবসা তখন করবেন না যখন আপনার ইচ্ছা করছে। বরং আপনার তখনই ব্যবসা করা উচিত যখন আপনি নিজেকে আটকে রাখতে পারছেন না।” ব্যবসা পরিচালনা একটি সন্তান পালনের মতো। সন্তানের সব দায়িত্ব যেভাবে মা বাবা নেয়। ঠিক একইভাবে একটি ব্যবসার দায়িত্ব সেভাবে নিতে হবে। আপনি কয়েকদিন পর বলতে পারবেন না এই সন্তান আমার চায় না। এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। আর তার জন্য আপনার প্রবল ইচ্ছাশক্তি থাকতে হবে।
অনিশ্চয়তা হল ব্যবসার সব থেকে বড় ভয় যার কারণে মানুষ ব্যবসা ছেড়ে চাকরি শুরু করে। ব্যবসা জগত সম্পূর্ণ অনিশ্চিত হওয়ার কারণে প্রতিদিন এখানে প্রতিনিয়ত অনেক ঘটনা ঘটতে পারে যেটি একটি ব্যবসাকে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে পারে। অনেক কোম্পানির উদাহরণ রয়েছে যাদের এই ঝুঁকির মুখে পড়ে সম্পূর্ণ ব্যবসা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যেমন হোন্ডা কোম্পানি যখন ব্যবসা পরিচালনা করছিল তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে তাদেরকে তাদের সম্পূর্ণ কলকারখানা বন্ধ করতে হয়েছিল যার কারণে তাকে অনেক ক্ষতি গুনতে হয়েছিল এবং সম্পূর্ণ নতুনভাবে শুরু করতে হয়েছিল। যেটা হয়তো সবার ক্ষেত্রে সম্ভব নয়। আর এই বিষয় মাথায় রেখে এবং পরবর্তী পরিকল্পনা মাথায় রেখেই একজন উদ্যোক্তা সামনে এগিয়ে যেতে হবে যদি সে এই ফিল্ডে আগাতে চায়।
পৃথীবির কিছু বড় উদ্যোক্তা যেমন বিল গেটস, জেফ বেজোস, আম্বানি; এদের সবার জীবনে একটি জিনিস কমন পাবেন। সেটি হচ্ছে ডিসিপ্লিন। নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ না থাকলে আপনি কি করতে চান সেটিই আপনি জানবেন না। একজন উদ্যোক্তা হলে আপনাকে প্রতিদিন প্রতিনিয়ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তার জন্য নিজের লাইফস্টাইলের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকা জরুরী। উদ্যোক্তারা যে সেলফ ডিসিপ্লিন্ড সেই ধারণাটি তাদের লক্ষ্য নির্ধারণ এবং অধ্যবসায়ী চিন্তা , সততার সাথে সব কিছু করা, কার্যকরভাবে তাদের সময় এবং অর্থ পরিচালনা করার ক্ষমতা এই সকল বিষয় থেকে জানা যায়। সেলফ ডিসিপ্লিন থাকলে নিজের চারপাশের সবকিছুকে গুছিয়ে রাখা সহজ হয়ে উঠে যা অগ্রগতিতে সাহায্য করে।
ডিসিপ্লিন এর পরে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ধারাবাহিকতা। ধারাবাহিকতা আপনার ধৈর্্যের পরীক্ষা নিবে। আপনাকে প্রতিদিন একই কাজ করে যেতে হবে। ব্রুস লি এর একটি জনপ্রিয় কথা রয়েছে যেখানে তিনি বলেছেন “ আমি তাকে ভয় পায় না যে ১০০ টি মুভ একবার করে অনুশীলন করেছে কিন্তু আমি তাকে ভয় পায় যে একটি মুভ ১০০ বার অনুশীলন করেছে।” আপনি একই জিনিস যতবার করবেন আপনার সেই বিষয় নিয়ে ধারণা এবং জ্ঞান বাড়তে থাকবে এবং আপনি আগের থেকে ভালো করবেন সেই কাজ করার সময়। ধারাবাহিকতার কথাটি বইয়ে বারবার উঠে এসেছে যা উদ্যোক্তার সাফল্যের ভিত্তিকে তুলে ধরে। ধারাবাহিকতা অত্যাবশ্যক কারণ এটি উদ্যোক্তাদের তাদের লক্ষ্য ও মূল্যবোধের প্রতি অটল প্রতিশ্রুতি বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি গ্রাহক, কর্মচারী এবং অংশীদারদের সাথে বিশ্বাস এবং নির্ভরযোগ্যতা তৈরি করতে সাহায্য করে। ধারাবাহিকভাবে মানসম্পন্ন পণ্য বা পরিষেবা সরবরাহ করে এবং নৈতিক মান বজায় রাখার মাধ্যমে, উদ্যোক্তারা বাজারে একটি শক্তিশালী অবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারে। এছাড়া , নেতৃত্ব এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে ধারাবাহিকতা একটি স্থিতিশীল এবং মনোযোগী ব্যবসায়িক পরিবেশ গড়ে তোলে, যা দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংক্ষেপে, বইটি হাইলাইট করে যে ধারাবাহিকতা একটি স্থিতিশীল এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার মূল ভিত্তি।
সময়ের সাথে চলা এবং প্রতিনিয়ত ইনোভেট করতে থাকা কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ তা যদি আপনি নোকিয়ার দিকে তাহলে বুঝতে পারবেন। আজ থেকে ১০০ বছর আগে যেই কোম্পানি ছিল এবং এখনো টিকে আছে তার কারণ হলো তারা সময়ের সাথে সাথে নিজেদের উন্নত করেছে। কাস্টমার চয়েজ এর সাথে তারা একমত হয়ে নিজেদের কন্টিনিউয়াশলি ডেভেলপ করেছে নোকিয়া কোম্পানি একসময় পৃথিবীর সবথেকে বড় মার্কেট সাইজ হোল্ড করতো টেলিফোন ইন্ডাস্ট্রি তে।ঙ্কিন্তু তারা একটি নির্দিষ্ট সময় পর নিজেদের ডেভেলপ করা বন্ধ করে দেয় এই ভেবে যে এখন কাস্টমাররা তাদের থেকে আর শিফট করবে না। সময়ের সাথে কনজিউমার এর টেস্ট বদলায়। এবং যখন তারা দেখে অন্য কোম্পানিরা তাদের টেস্ট এর সাথে মিল রেখে প্রোডাক্ট ডেভেলপ করেছে তখন তারা নোকিয়া থেকে শিফট করে। আর এভাবেই নোকিয়া হারিয়ে যায়। ব্যবসায় তাই টিকে থাকতে হলে প্রতিনিয়ত শিখতে হবে।
যারা উদ্যোক্তা হতে চায় তারা মনে করে নিজে ব্যবসা করলে অনেক স্বাধীনতা পাওয়া যায়। কথাটি সম্পূর্ণ ঠিক নয় কারণ আপনার ব্যবসা যত বড় হবে আপনাকে প্রতিনিয়ত তত বেশি কষ্ট করতে হবে। আপনার আন্ডার এ কাজ করা লোক যত বেশি বাড়বে তাদের প্রতিদিন এর খরচ চালানোর জন্য আপনাকে প্রতিনিয়ত খাটতে হবে। আপনাকে সপ্তাহে একজন চাকরীজীবী এর থী ১০-১২ ঘণ্টা কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে । ভারতীয় একজন টপ ম্যানেজমেন্ট অফিসিয়াল বাগচীকে বলে আপনাকে সকাল ৯ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত অর্থাৎ দৈনিক ১২ ঘণ্টা করে ছয় দিনে ৭২ ঘণ্টা কাজ করার কথা বলেন। যেখানে তিনি নিজে কাজ করেন সপ্তাহে ৮০ ঘণ্টা। একজন সত্যিকারের উদ্যোক্তা তার ব্যবসাকে নিয়ে সবসময় কমিটেড থাকে এবং সেতির জন্য পরিশ্রম করতে ২ বার চিন্তা করেন না।
বাগচী উদ্যোক্তাদের কিছু ভ্যলুর কথা বলেন যেগুলো তার মধ্যে থাকা উচিত। সেই মূল্য গুলোর শুরুর দিকে একটি অংশ হলো সততা । বইটিতে বাগচী সততা দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা, সততা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে বিশ্বাস গড়ে তোলা এবং ব্যবসায়িক অনুশীলনের সাথে ব্যক্তিগত মূল্যবোধকে সারিবদ্ধ করার গুরুত্বকে বোঝায়। সততাকে দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের ভিত্তি হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। বাগচি উদ্যোক্তাদেরকে উদাহরণের মাধ্যমে নেতৃত্ব দেওয়ার, চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে নৈতিক পছন্দ করার এবং তাদের উদ্যোক্তা যাত্রা জুড়ে নির্দেশক নীতি হিসাবে সততাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দেন।"
একজন বিনিয়োগকারী হলেন যিনি আপনার ব্যবসায় বিনিয়োগ করবে আরো সহজ ভাষায় বলতে গেলে তিনি আপনাকে টাকা ধার দিতে হবে। এক্ষেত্রে আপনাকে তার অফার এক্সেপ্ট করার আগে কিছু জিনিস মাথায় রাখতে হবে।
লং টার্ম এই ডিল কি আপনার জন্য ভালো - আমাদের সবার মধ্যে এই সমস্যাটি রয়েছে যে আমরা খুব তাড়াতাড়ি ফলাফল খুঁজে থাকি। যার কারণে আমরা অনেক কিছুর জন্য লং টার্ম প্ল্যান করি না। এই দরুণ আমরা শুরুর দিকে টাকা নিলে দেখা যায় পরে সেই ইনভেস্টরের সাথে অথবা নিজের লোকদের বিভিন্ন বিষয়ে ঝগড়া বেঁধে যায়। তাই ইনভেস্টরের সাথে ডিল করার সময় বোথ পার্টির থট আর ভিশন টা মিলিয়ে নিয়ে লং টার্ম এ কি হতে পারে সেগুলো বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
ব্যবসার সাথে নৈতিকতা কে যোগ করা। একটি সত্যি কথা হলো আমাদের আশেপাশে অধিকাংশ ব্যবসায় চলে লাভ করার জন্য। লাভ করা যে খারাপ সেটি বলছি না । কিন্তু মানুষকে ঠকিয়ে লাভ করাটা ঠিক নয়। এভাবে জনগণের মনে এই ব্যবসা এবং ব্যবসায়ী সম্পর্কে একটি নেতিবাচক ছবি তৈরি হয়। এই কারণে বাজারে সৎভাবে ব্যবসা করা অনেকে বিপদে পড়ে যায়। বাগচী বলেছেন আপনি যদি সৎভাবে ব্যবসা করেন তাহলে আপনি যে শুধু লাভ করবেন তাই নয় বরং আপনি সমাজকে অনেক কিছু শিখাতে ও পারবেন যা পরবর্তীতে একটি আদর্শ পৃথিবী সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখবে।

সামাজিক উদ্যোক্তার প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা আরো সহজ করে দেয় সোশ্যাল বিজনেস মডেল ক্যানভাস টুল। মূলত বহুল ব্যবহৃত বিজনেস মডেল ক্যানভাস টুল থেকেই সামাজিক সংগঠনের কিংবা প্রতিষ্ঠানের জন্য উপযোগী করে এই মডেলটি তৈরি করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের সামাজিক উন্নয়নে কোনো আইডিয়া এই টুলের মাধ্যমে পর্যালোচনা করে সুনির্দিষ্ট সিন্ধান্তে আসা সম্ভব বলে আমরা বিশ্বাস করি।








