দ্যা পার্সোনাল এমবিএ (The Personal MBA)

জস কফম্যান এর এই বইটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে করে একজন সাধারণ মানুষ ও এমবিএ নিয়ে একটি শক্তপোক্ত ধারণা লাভ করতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচলিত এমবিএ শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরো সহজভাবে এই বইয়ে তুলে ধরা হয়েছে যাতে করে একজন এই বইটি পড়ে ব্যবসা জগতে খুব সহজেই এগিয়ে যেতে পারে। বইটি একজন ব্যক্তিকে ব্যবসা জগত এর জন্য একটি শক্ত ভিত্তি গড়ে দিবে এবং তার প্র্যাক্টিকাল লাইফকে আরো ইফেক্টিভ করে তুলবে।
Key Points
- বিজনেস ফান্ডামেন্টালস কে সহজ ভাষায় তুলে ধরা: বইটি ব্যবসার প্রয়োজনীয় ধারণাগুলিকে সহজবোধ্য ভাষায় তুলে ধরে যা যে কেউ বুঝতে পারে।
- প্র্যাক্টিকাল ইমপ্লিকেশন- কফম্যান শুধু বইটি পড়ে বসে থাকতে বলেননি তিনি সকলকে তার লেসনগুলোকে ইমপ্লিমেন্ট করার কথাও বলেছেন।
- ডিসিশন মেকিং - বইটি ডিসিশন মেকিং এর উপর খুব জোর দিয়েছেন। তিনি অনেকগুলো টুলস প্রোভাইড করেছেন যেগুলো একজনের ডিসিশন মেকিং পাওয়ার বিল্ডাপ করতে সাহায্য করবে।
- ভ্যালু ক্রিয়েশন- বইয়ের সেন্ট্রাল থিম এর মধ্যে রয়েছে ভ্যালু ক্রিয়েশন। বিজনেস শুধু নাম্বারে জন্য নয় বরং একটি ভ্যালু ক্রিয়েট করতে পারে যা নাম্বারের থেকেও অনেক ক্ষেত্রে বড় এই বিষয়টি সম্পর্কে সকলকে ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন । কাস্টমার রিলেশনশিপ , সাস্টেনেবল বিজনেস এর জন্য কত গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয় নিয়ে তিনি আলোচনা করেছেন।
- ফরম্যাল এডুকেশন সবসময় দরকার পড়ে না- জস প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থাকে ক্রিটিসাইজ করেন এবং জানান একটি এমবিএ কোর্সে যা পড়ানো হয় সব কিছু আপনি কাজে লাগাতে পারবেন না। তাই আপনার বিজনেসে এক্সেল করতে হলে যে এই ফরমাল এডুকেশন দরকার তা সবসময় সত্য নয়।
দ্যা পার্সোনাল এমবিএ
Book Name - The Personal MBA
Author- Josh Kaufman
Page - 496
Genre- Business, Entrepreneur
বইয়ের পাতায়
বর্তমান সময়ে আপনি একটি সরকারি কিংবা বেসরকারি কলেজ থেকে এমবিএ পড়তে গেলে অনেক টাকা খরচ করতে হবে যা অনেকের জন্যই সম্ভব হয়ে উঠে না। এই সমস্যাটিকে সমাধান করতেই জস কফম্যানের এই বইটি লেখা। বইটিতে জস বিজনেসের অনেকগুলো কোর কনস্পেট নিয়ে আলোচনা করেছে এবং এই বইটি সকলের জন্য এক্সেসেবল করেছেন যাতে করে সকলেই বিজনেস নলেজ অর্জন করতে পারে।
বইটের মূল থিম হলো আপনাকে বিজনেসের কোর কনসেপ্ট এর জন্য স্কুল নির্ভর হতে হবে না। আপনি কম সময়েই নিজে নিজেই এই কনসেপ্ট গুলোকে আয়ত্ত্ব করতে পারবেন। জস বলেন একটি এমবিএ কোর্সে আপনাকে যা শিখানো হয় সব কখনই আপনার কাজে আসবে না। তাই শুধু শুধু অপ্রয়োজনীয় জিনিসের উপর ফোকাস না করে যেই বিষয়গুলো আপনার প্র্যাক্টিকাল লাইফে কাজে দিবে সেগুলো শিখলে আপনি আরো দ্রুত এগিয়ে যাবেন।
বইটি ভ্যালু ক্রিয়েশন, মার্কেটিং, সেলস, ফিন্যান্স, ডিসিশন মেকিং এর মতো কনসেপ্ট যেগুলো আপনার প্রতিদিন ব্যবসা জগতে কাজে লাগবে সেগুলো নিয়ে আলোচনা করেছে। জস এই কনসেপ্টগুলো ব্রেক ডাউন করে অনেক সিমপ্লিফাইড ফর্মে তুলে ধরেছে বইটির স্ট্রং পয়েন্ট হলো এটির প্র্যাক্টিকাল ইউসেজ। কফম্যান বলেছে আপনি এটি শুধু পড়ে রেখে দিলে হবে না। আপনি এগুলো কাজে লাগালেই বুঝতে পারবেন আপনার এই বিষয়গুলো কত কাজের।
বইয়ে অনেক কেস স্টাডি দেওয়া হয়েছে এবং প্রতিদিনের বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে যার কারণে প্রতিটি কনসেপ্টকে রিলেট করা যায় । হতে পারে একটি নতুন বিজনেস, হতে পারে এস্টাব্লিস বিজনেস অথবা কোনো ভেনচার ক্যাপিটালিস্ট ফার্ম সবক্ষেত্রেই কোন না কোন উদাহরণ রয়েছে আ আপনাকে পড়া কনসেপ্টগুলোর অ্যাপ্লিকেশন বুঝতে সাহায্য করবে।
বইটির একটি সেক্টরে তিনি ক্রিটিক্যাল থিংকিং এবং ডিসিশন মেকিং এর গুরুত্ব কে তুলে ধরেছেন কারণ এগুলো ব্যবসার বাইরেও রেগুলার লাইফে প্রয়োজন। বইটি বলতে গেলে সকলের জন্য একটি অ্যাসেট যারা ব্যবসায় একটি শক্ত ভিত্তি গড়ে তুলতে চান। এটি আপনাকে যেমন আপনার ব্যবসাকে নিয়ন্ত্রণ করা শিখাবে, এছাড়া আপনার ব্যবসার সাফল্যের জন্য একটি রোডম্যাপ ও প্রদান করবে। এটি একজন বিগিনার থেকে শুরু করে প্রফেশনাল উদ্যোক্তা সকলের জন্য প্রযোজ্য।
আপনি কেন বইটি পড়বেন
- বইটি একটি প্রফেসনাল লেভেল এবং রিয়েল লাইফ বিজনেস সিনারিওকে সবার জন্য এক্সেসেবল করে দিয়েছেন ।
- বইটি যেমন ইফেক্টিভ তেমন সেলফ লার্নিং এর জন্য পারফেক্ট । আপনি নিজে নিজেই এই বইয়ের কনসেপ্টগুলো আলোচনা করতে পারবেন ।
- আপনি বইটিতে ওয়াইড রেঞ্জ বিজনেস নলেজ দেখবেন যেগুলোর জন্য অনেক অ্যাপ্লিকেবল ফিল্ড রয়েছে ।
- বইটি আপনার চিন্তাকে কয়েক ধাপ এগিয়ে দিবে এবং আপনার মধ্যে লার্নিং এর প্রতি একটি ফেসিনেশন তৈরি করবে ।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ উক্তি
Business schools don't create successful people. They simply accept them, then take credit for their success-
বিজনেস স্কুল কোন প্রফেশনাল বিজনেস পিপল ক্রিয়েট করে না। তারা শুধু ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্টদের তাদের স্কুলে ভর্তি করিয়ে নেয়। পরে তাদের সাফল্যের জন্য ক্রেডিট নেয়।
Every successful business (1) creates or provides something of value that (2) other people want or need (3) at a price they're willing to pay, in a way that (4) satisfies the purchaser's needs and expectations and (5) provides the business sufficient revenue to make it worthwhile for the owners to continue operation.-
প্রতিটি সফল ব্যবসা এই শর্ত গুলো পূরণ করে (ক) কোন ভ্যালু ক্রিয়েট বা সমস্যা সমাধান করে (খ) যা অন্য মানুষ এর জন্য উপকারী (গ) একটি কেনার মতো মূল্য দাবি করে (ঘ) ক্রেতার নিড আর এক্সপেক্টেশন কে ফুলফিল করে (ঙ) বিজনেসে একটি রেভেনেউ জেনারেট করে যেটি তাদের ভবিষ্যতের জন্য চালিয়ে যেতে সাহায্য করে
Every time your customers purchase from you, they’re deciding that they value what you have to offer more than they value anything else their money could buy at that moment.-
যতবারই কোনো কাস্টমার আপনার থেকে কিছু কিনে তখনই তারা এই চিন্তা করে কিনে যে আপনি এই টাকায় যে ভ্যালু দিচ্ছেন তা অন্য কিছুর তুলনায় অনেক ভালো ।
Motivation is an emotion—NOT a logical, rational activity. Just because your forebrain thinks you should be motivated to do something does not mean you’ll automatically become motivated to do that thing. (If only it were that easy, right?) Very often, Mental Simulations, Patterns, Conflicts, and Interpretations hidden in the midbrain can get in the way of making progress toward what we want to accomplish. As long as there are “move away from” signals being sent, you’ll have a hard time feeling motivated to move toward what you want.-
মোটিভেশন কোন রেশনাল থিংকিং না। এমন যদি হতো তাহলে যেকোনো রেশনাল পরিস্থিতে আপনি মোটিভেটেড হতে পারতেন। মোটিভেশন আমাদের ইমোশনের সাথে বেশি জড়িত। আমাদের মাইন্ডে চলতে থাকা বিভিন্ন কনফ্লিক্ট, সিমুলেশন, প্যাটার্ন এর কারণে আমরা অনেক কিছু করতে পারি না। যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার ইমোসন কন্ট্রোল এ আসবে না এবং আপনি নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারবেন না আপনি যতই রেশনাল হোন না কেন আপনি মোটিভেটেড হতে পারবেন না।
Goods in any storehouse are useless until somebody takes them out and puts them to the use they were meant for. That applies to what man stores away in his brain, too.-
পণ্য কিনে স্টোরহাউজে ফেলে রাখলে সেটি আপনার কোনো আসবে না। একইভাবে আপনি শুধু নলেজ গেইন করে গেলে চলবে না। আপনাকে অ্যাপ্লাই ও করতে জানতে হবে যথাযথ ফল পেতে হলে।
Ideas are cheap—what counts is the ability to translate an idea into reality, which is much more difficult than recognizing a good idea.-
আইডিয়া অনেকেই জেনারেট করতে পারে। দেখার বিষয় হলো একটা আইডিয়া রিয়েল লাইফে নিয়ে আসা যেটি একটি ভালো আইডিয়া জেনারেট করা থেকেও কষ্ট।
Options are often an overlooked form of value—flexibility is one of the Three Universal Currencies (discussed later). Find a way to give people more flexibility, and you may discover a viable business model.-
ফ্লেক্সিবিলিটি আপনাকে অনেক পসিবিলিটি আনলক এর সুযোগ করে দেয় । আপনি কাউকে ফ্লেক্সিবিলিটি দিলে অনেক ডিফারেন্ট কিছু মডেল জেনারেট করাতে পারবেন।
There is only one boss: the customer. And he can fire everybody in the company from the chairman on down, simply by spending his money somewhere else.-
কাস্টমার হলো রিয়েল বস যে একটি কোম্পানির সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে বসকেও ফায়ার করতে পারে। এরজন্য তাকে শুধু ঐ কোম্পানি থেকে কেনাকাটা বন্ধ করতে হবে।
কিছু ইন্টারেস্টিং টপিক
আইরন ল অফ মার্কেট
সহজ ভাষায় আয়রন ল বোঝায় একটি ফ্রি মার্কেট যেখানে অনেক কম্পিটিটর রয়েছে, সাপ্লাই এবং ডিমান্ড এর বিষয় রয়েছে সেখানে কাস্টমাররাই ঠিক করে যে কোনটা তাদের কাছে ভ্যালুয়েবল। আপনি যদি একজন সেলার হন এবং ফ্রি মার্কেট এ অবস্থান করেন তাহলে আপনার কাজ হলো বায়ার সম্পর্কে যথেষ্ট ইনফরমেশন রাখা এবং এটা এনসিয়র করা যাতে বায়ারদের কাছে আপনার যথেষ্ট ইনফরমেশন থাকে। আয়রন ল এর কি কনসেপ্ট হলো আপনাকে আপনার কাস্টমারদের ডিমান্ড এবং নেসেসিটি বুঝতে হবে । আপনি কাস্টমারদের কাছে আপনার ডিমান্ড না তুলতে পারলে আপনাকে সরিয়ে দেওয়া হবে।
একটি মার্কেট কে ইভ্যালুয়েট কিভাবে করবেন
আপনি যেই ফিল্ড ব্যবসা করবেন এই ফিল্ড সম্পর্কে আপনাকে পর্যাপ্ত ধারণা থাকতে হবে। তাই আগানোর আগে এই বিষয়গুলো বিবেচনা করবেন
১ আরজেন্সি-
আপনি যেই জিনিসটি বাজারে লঞ্চ করতে চান সেটির ডিমান্ড কতটুকু? কাস্টমাররা কি এটি এখনই ব্যবহার করবে? এটা না পেলে তাদের কি সমস্যা হতে পারে
২ মার্কেট সাইজ-
আপনি কি এই মার্কেটে একমাত্র মানুষ ? নাকি আরো অনেকে আছে। তারা কারা এবং তাদের প্রত্যেকের কাছে কি পরিমাণ লয়েল কাস্টমার রয়েছে ।
৩ দাম-
বাজারে আপনার প্রোডাক্ট এর জন্য আদর্শ দাম কত? কোন দামে মানুষ এটি কিনতে বেশি আগ্রহ বোধ করবে
৪ কাস্টমার ধরতে কি পরিমাণ খরচ হবে-
আপনি যদি অন্য একটি কোম্পানি থেকে কাস্টমারকে নিজের কোম্পানির দিকে আনতে চান তাহলে সেক্ষেত্রে আপনাকে অতিরিক্ত খরচ করতে হবে। সেটি বের করুন। সেটির উপর বেইস করে আপনার প্রাইসিং সেট করুন।
৫ কস্ট অফ ভ্যালু-
আপনি যেই প্রোডাক্ট টি তৈরি করবেন তার জন্য আপনার কিরকম কস্ট হচ্ছে? মনেটারি, টাইম, এনার্জি এই সবরকম কস্ট বিবেচনা করে সবথেকে লো কস্ট টি সেট করুন
৬ ইউনিকনেস-
একটি ফ্রি মার্কেটে একইরকম পণ্য বিক্রি করে এমন অনেকে রয়েছে। তা মানুষ কেন আপনার প্রোডাক্ট টি কিনবে? এর জন্য আপনার প্রোডাক্ট এর মধ্যে একধরনের ইউনিকনেস থাকতে হবে।
৭ কত দ্রুত আপনি বাজারে আপনার পণ্য ছাড়তে পারবেন-
যদি বাজারে প্রোডাক্ট এর শর্টেজ হয় এবং ডিমান্ড হাই থাকে তাহলে কত দ্রুত আপনি প্রোডাক্ট বাজারে ছাড়তে পারবেন তা নিশ্চিত করুন।
৮ আপনার কত ইনভেস্টমেন্ট দরক্কার-
আপনার কত টাকা প্রয়োজন বিজনেস শুরু করার জন্য সেটি বের করুন এবং পরিকল্পনা করুন কিভাবে টাকা বের করবেন
৯ আপসেল পয়েন্ট -
আপনার প্রোডাক্ট এর সাথে কি আরেকটা সেকণ্ডারি প্রোডাক্ট বিক্রি সম্ভব যেমন প্রিন্টার যারা ব্যবহার করে তাদের কিন্তু প্রিন্টিং মেশিনের জন্য কালির প্রয়োজন হয়। তাই আপনি চাইলে একটি জিনিস বিক্রি করে তার সাথে আরেকটি বাই প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারবেন কিনা তা বের করুন
১০ এভারগ্রিন পটেনশিয়াল-
একবার বাজারে ছাড়ার পর আপনাকে এর জন্য এডভারটাইজিং, মার্কেটিং এর জন্য কি পরিমাণ খরচ করতে হতে পারে তা হিসেব করুন।
রেভেনিউ কিভাবে জেনারেট করবেন
৩ টি উপায় রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি রেভেনিউ জেনারেট করতে পারেন ।
১ কাস্টমার এর সংখ্যা বাড়াতে হবে
আপনার প্রোডাক্ট যদি এমন হয়ে থাকে যে একবার কিনলে পরবর্তীতে আর আপনার কাছে আসতে হবে না সেই ক্ষেত্রে আপনাকে আপনার কাস্টমার এ সংখ্যা বাড়াতে হবে।
২ কাস্টমার প্রতি ট্রান্সেকশন বাড়াতে হবে
এতে করে একজন কাস্টমার আপনার কাছে বার বার আসবে এবং আপনার রেভেনিউ বাড়তে থাকবে।
৩ প্রোডাক্ট এর দাম বাড়ানো
এটা শুধু শুধু বাড়িয়ে দিলে আপনার জন্য হয়তো ক্ষতি হয়ে আসতে পারে কারণ বাজারে অন্য একজন লো প্রাইসে প্রোডাক্ট দিলে কাস্টমার তার দিকে যাবে। বরং চেষ্টা করুন আপনার প্রোডাক্ট এ ইউনিক কোন ভ্যালু অ্যাড করতে যতে করে কাস্টমাররা হুকড থাকে ।
মনে রাখুন একটি বিষয়
কনসেপ্ট অফ ভ্যালু ক্রিয়েশন। সফল ব্যবসাগুলি শেষ পর্যন্ত বাকিদের থেকে এগিয়ে যায় কারণ তারা তাদের কনজিউমারদের সেটিসফাইড করতে পেরেছেন। এই কথাটির মেসেজ হলো ব্যবসা শুধুমাত্র প্রফিট এর জন্য নয় বরং সমস্যা সমাধান, চাহিদা মেটানো এবং কাস্টমারদের কাছে ভ্যালুয়েবল ইম্প্যাক্ট তৈরি করাও বটে । ভ্যালু ক্রিয়েশন এর উপর ফোকাস করে, যে কেউ তাদের গ্রাহকদের সাথে শক্তিশালী এবং লং টার্ম সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে, যা ব্যবসায়িক জগতে দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। এই মেন্টালিটিই একটি বিজনেসকে বাকিদের থেকে আলাদা করে এবং সামনের দিকে এগিয়ে যেতে উৎসাহিত করে।
Next to read
অ্যাড অন মডেল (Add On Model)


শেয়ারিং ইকোনমি মডেল (Sharing Economy Model)

কাস্টমার এক্সপ্লোরেশন ম্যাপ (Customer Exploration Map)

Needs, Wants, Demands (প্রয়োজন, চাওয়া এবং চাহিদা)

লোগো ব্যবহারের সুবিধা অসুবিধা (Pros and Cons of Logo Usage)

সেলস ফানেল বা বিক্রয় ফানেল কি?

বিক্রয়ের ১০টি ভুল যেগুলো প্রতিটি বিক্রয়কর্মীর এড়ানো উচিৎ

‘SWOT’ Analysis

World Trade Organization (WTO) Agreements
