GeoRenus Editorial Team

আপনারা প্রায়ই এখানে সেখানে বিভিন্ন বিলিওনারি কিংবা মিলিওনারিদের নেট ওয়ার্থ নিয়ে পড়ে থাকবেন। কিন্তু আপনাদের মাঝে অনেকেই আছে যারা হয়তোবা নেট ওয়ার্থ সম্পর্কে জানেন না। নেট ওয়ার্থ আসলে কী? একজন মানুষ যা রোজগার করে কিংবা বছরে তার টোটাল রোজগার কিংবা তার ঋণ বা বিনিয়োগ ইত্যাদি - এ সব কোনো কিছুই আসলে নেট ওয়ার্থ নয়। বরং, এ সব কিছুর এক সংমিশ্রণই হচ্ছে নেট ওয়ার্থ। একটি কোম্পানির জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মেট্রিক, যার মাধ্যমে একটি কোম্পানির আর্থিক অবস্থানের একটি স্ন্যাপশট উঠে আসে।
আপনার মালিকানাধীনে যেসকল সম্পদ রয়েছে সে সব সম্পদ থেকে আপনার আর্থিক কিংবা অ আর্থিক কিংবা আপনার পাওনা কোনো ঋণ বিয়োগ করলে যা থাকে- সে সব সম্পদকে নেট ওয়ার্থ বলা হয়। নেট ওয়ার্থ আসলে আর্থিক অবস্থানের একটি সূচক হিসেবে কাজে করে।
নেট ওয়ার্থ এর আকর্ষণীয় দিক হচ্ছে নেট ওয়ার্থ ক্যালকুলেটর। নেট ওয়ার্থ ক্যালকুলেটরের মাধ্যমে খুব সহজেই কোনো ব্যক্তি কিংবা ব্যবসার নেট ওয়ার্থ হিসেব করা যায়।
কিন্তু নেট ওয়ার্থ আসলে কেন গুরুত্বপূর্ন বা কীভাবে কাজ করে কিংবা এটি কীভাবেই বা ক্যালকুলেট করতে হয়? আপনি যদি এ সকল প্রশ্নের উত্তর খুঁজে থাকেন, তবে আর্টিকেলটি বিশেষভাবে আপনার জন্য, যা আপনাকে নেট ওয়ার্থ নিয়ে বিস্তারিত ধারনা দিতে সাহায্য করবে।
নেট ওয়ার্থ হচ্ছে একজন ব্যক্তি কিংবা ব্যবসার ক্ষেত্রে তাদের মালিকানাধীন সম্পদের মূল্য এবং তাদের পাওনা দায়গুলোর বিয়োগফল। সম্পদ থেকে সাধারণত সকল দায় বিয়োগ করে নেট ওয়ার্থ হিসেব করা হয়। এখানে সম্পদ বলতে সে সব কিছুকে বুঝানো হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য রয়েছে যেখানে দায়গুলো হচ্ছে এমন কিছু যা সম্পদকে হ্রাস করে যেমন ঋণ, বন্দক কিংবা এপি একাউন্ট ইত্যাদি।
নেট ওয়ার্থ ইতিবাচক এবং নেতিবাচক, উভয়ই হতে পারে। যেখানে ইতিবাচক নেট ওয়ার্থ আর্থিক সম্পদ হ্রাসের ব্যপারটি নির্দেশ করে। অন্যদিকে, সম্পদের পরিমাণ হ্রাসের ইঙ্গিত দেয় নেতিবাচক নেট ওয়ার্থ।
নেট ওয়ার্থ হিসাব করার জন্য প্রথমে আপনার সমস্ত সম্পদ এবং দায়গুলোর সকল তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।
সব সম্পদ এবং দায়বদ্ধতার তথ্যগুলো একটি সুরক্ষিত ফোল্ডারে একত্রে রাখতে হবে এবং বছরে অত্যন্ত একবার হলেও সেগুলো আপডেট করতে হবে।
নেট ওয়ার্থ হিসেবের সূত্রটি হচ্ছে-
নেট ওয়ার্থ = মোট সম্পদ- মোট দায়
এবার আপনার নেট ওয়ার্থ হিসাব করতে মোট সম্পদ থেকে মোট দায় কিংবা ঋণ বিয়োগ করতে হবে।
বছরে অত্যন্ত একবার হলেও আপনার নেট ওয়ার্থ হিসেব করতে পারেন এবং গত বছরের সাথে বর্তমান বছরের নেট ওয়ার্থ এর পরিমাণ তুলনা করতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার আর্থিক অবস্থার অগ্রগতি নিয়ে জানতে পারবেন।
ব্যপারটি আপনার কাছে পরিষ্কার না হলে, চলুন একটি উদাহরণের মাধ্যমে আরও পরিষ্কার ধারনা নেওয়া যাক!
এখানে আমি একটি ব্যক্তিগত নেট ওয়ার্থ হিসাবের উদাহরণ ব্যবহার করেছি।
ব্যক্তিগত নেট ওয়ার্থ এর উদাহরণ-
সম্পদঃ
| ক্যাটেগরি | আইটেম | পরিমাণ (টাকা) |
| ক্যাশ | সেভিংস | ২৫,০০০ |
| সম্পদ | বাড়ি | ৯০০,০০০ |
| সম্পদ | গাড়ি | ৫০০,০০০ |
| ইনভেস্ট | ব্যবসা | ১০০,০০০ |
| ইনভেস্ট | দোকান | ৫০,০০০ |
| | মোট সম্পদ | ১৫,৭৫,০০০ |
দায়ঃ
| ক্যাটেগরি | আইটেম | পরিমাণ (টাকা) |
| বর্তমান ঋণ | ঋণ | ৩,০০,০০০ |
| দীর্ঘ ঋণ | বন্দক | ৫,০০,০০০ |
| | মোট দায় | ৮,০০,০০০ |
নেট ওয়ার্থঃ
| মোট সম্পদ | ১৫,৭৫,০০০ |
| মোট দায় | ৮,০০০,০০ |
| নেট ওয়ার্থ | ৭,৭৫,০০০ |
এভাবে প্রতিবছর আপনি যদি আপনার নেট ওয়ার্থ হিসেব করেন, তাহলে দেখবেন প্রতিবছর কিছু না কিছু পার্থক্য ঘটেছে। সেক্ষেত্রে আপনার উচিত পার্থক্যটুকু বিশ্লেষণ করা যেমন পার্থক্যটুকু ইতিবাচক নাকি নেতিবাচক।
নেট ওয়ার্থে দুটি জিনিস থাকে। যথা- সম্পদ এবং দায় বা ঋণ। কিন্তু সম্পদের কিংবা দায়গুলোর অন্তর্ভুক্ত কী থাকতে পারে? চলুন নেওয়া যাক!
নেট ওয়ার্থের অন্তর্ভুক্ত সম্পদগুলোঃ
নেট ওয়ার্থে অন্তর্ভুক্ত দায়গুলোঃ
নেট ওয়ার্থ এর সবচাইতে বড় গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে এটি ট্র্যাক করার মাধ্যমে আপনি আপনার ব্যক্তিগত কিংবা ব্যবসায়িক আর্থিক অবস্থার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে পারেন।
আপনার নেট ওয়ার্থে যখন নেতিবাচক কিংবা ঋণাত্মক দিকটি দেখবেন তখন আপনি আপনার সম্পদ কিংবা ঋণ নিয়ে সতর্ক হবেন। অর্থ্যাৎ নেট ওয়ার্থ আপনাকে আপনার সম্পদ এবং দায়বদ্ধতার ব্যপারে সতর্ক করতে সাহায্য করবে।
অন্যদিকে, ইতিবাচক নেটওয়ার্থ আপনাকে আপনার লভ্যংশ ধরে রাখতে এবং ঋণ দূর করতে এলার্ট দিবে যা ব্যবসায়িক এবং ব্যক্তি জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং দরকারী।
নেট ওয়ার্থের নির্দিষ্ট কোনো প্রকারভেদ না থাকলেও এটি কোনো ব্যক্তি কিংবা ব্যবসা বা কোনো সেক্টর এমনকি দেশেও প্রয়োগ করা যেতে পারে। তবে এ অংশে আমি নেট ওয়ার্থ এর সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ দুটি প্রয়োগ ক্ষেত্র - ব্যক্তিক্ষেত্র এবং ব্যবসায় ক্ষেত্রে।
এ দুটি ক্ষেত্র নিয়ে চলুন বিস্তারিত জেনে আসি!
ব্যক্তিগত নেট ওয়ার্থ বলতে বোঝায়, একজন ব্যক্তির সকল সম্পদ এবং দায়বদ্ধতা কিংবা ঋণ এর পরিমাণ এবং মোট সম্পদ থেকে দায়বদ্ধতা বাদ দিলে যে পরিমাণ টুকু থাকে।
ব্যক্তির সম্পদের উদাহরণ হিসেবে- সেভিংস, একাউন্ট ব্যালেন্স, সম্পদ, জমি কিংবা ইনভেস্ট ইত্যাদি রাখা যেতে পারে। অন্যদিকে দায়াবদ্ধতা কিংবা ঋণ এর উদাহরণ হিসেবে- লোন, বন্দক কিংবা ঋণ- ধরা যেতে পারে।
একটি ব্যবসার ক্ষেত্রে নেট ওয়ার্থ বলতে আসলে কোম্পানি নিজস্ব আয় এবং দায়গুলোকে বুঝিয়ে থাকে এবং কোম্পানির মোট সম্পদ থেকে দায়গুলোর বিয়োগফল।
একটি কোম্পানির ক্ষেত্রে সম্পদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে ইনভেন্টরি, একাউন্ট প্রাপ্য, জমি, সরঞ্জাম, মেধা সম্পত্তি ইত্যাদি। অন্যদিকে, দায়বদ্ধতার উদাহরণ গুলো হতে পারে- বেতন, ভাড়া, আয়নি রায়, প্রদেয় একাউন্ট ইত্যাদি।
ব্যবসার ক্ষেত্রে নেট ওয়ার্থ অনেক সময় “book value or shareholders' equity” নামে পরিচিত।
নেট ওয়ার্থ হিসাবের যে ফরমুলাটি এবং এর ডিটেইলস আর উদাহরণ উপরে দেওয়া হয়েছে, সেভাবেই মুলত ধণী সকল ব্যক্তির নেট ওয়ার্থ হিসেব করা হয়।
এখন হয়তো-বা আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে ধণী ব্যক্তিদের ইনকাম এর পরিমাণ বা রেট তো সবসময় একই থাকে না, আবার তাদের ইনকাম সোর্স সবসময় একই হারে চলে না! এক্ষেত্রে তাদের নেট ওয়ার্থ কীভাবে হিসেব করা হয়?
নেট ওয়ার্থ মূলত যেকোনো একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর হিসেব করা হয়। সেটা হতে পারে ৬ মাস কিংবা ১ বছর কিংবা তারও বেশি হতে পারে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ১ বছরই প্রাধান্য পায়।
নেট ওয়ার্থ নিয়ে আমরা অনেক কিছু জানলাম। তবে এবার সময় এসেছে কিছু বিখ্যাত মানুষজন এর উচ্চ নেট ওয়ার্থ এর পরিমাণ দেখা। তাহলে চলুন দেরি না করে দেখে আসি!
এলন মাস্ক সবার কাছে পরিচিত একটি নাম। পাশাপাশি তিনি বিলিওনারি হিসেবেও পরিচিত। তাছাড়াও তিনি বর্তমান প্রজন্মের কাছে বিশাল এক মোটিভেশন এবং প্রচুর পরিমাণে হার্ড ওয়ার্ক করার জন্য আইডল। তবে জানেন কি তার নেট ওয়ার্থ সম্পর্কে?
এলন মাস্কের নেট ওয়ার্থ এর পরিমাণ - $203.3 B
ইনকাম এর উৎস- Tesla, SpaceX
দেশ- United States
বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় এক বিলিওনারি হচ্ছেন বার্নার্ড আর্নল্ট। তাকে হয়তো বা আপনারা অনেকেই চিনে থাকবেন। তার নেট ওয়ার্থ এর পরিমাণ কত? চলুন জেনে আসি!
বার্নার্ড আর্নল্ট এর নেট ওয়ার্থ- $140.0 B
ইনকাম উৎস- LVMH
দেশ- France
আমাযন প্রেমীদের কাছে জেফ বেজোস অন্যতম চমৎকার একটি নাম। জেফ বেজোস হচ্ছে অন্য আরেক জনপ্রিয় ব্যক্তি। তিনি বিলিওনারি জেফ বেজোস হিসেবেই অধিক পরিচিত।
জেফ বেজোস এর নেট ওয়ার্থ- $129.4 B
ইনকাম উৎস- Amazon
দেশ- United States
বর্তমান বিশ্বে অন্যতম এক বিলিওনারি এবং মহান ব্যক্তি হচ্ছেন বিল গেটস। যিনি কি না আমাদের সবার পরিচিত মাইক্রোসোফট এর প্রতিষ্ঠাতা। জানেন কি তার নেট ওয়ার্থ সম্পর্কে?
বিল গেটস এর নেট ওয়ার্থ- $121.3 B
ইনকাম উৎস- Microsoft
দেশ- United States
ওয়ারেন বাফেট হচ্ছেন অন্যতম একজন জনপ্রিত ব্যক্তি। আপনারা অনেকেই হয়তোবা এই মহান ব্যক্তিটিকে চিনে থাকবেন। কিন্তু জানেন কি তাঁর নেট ওয়ার্থ সম্পর্কে?
ওয়ারেন বাফেট এর নেট ওয়ার্থ- $102.2 B
ইনকাম উৎস- Berkshire Hathaway
দেশ- United States
সেরা ৫ বিলিওনারিদের নেট ওয়ার্থ সম্পর্কে জেনে হয়তোবা আপনার ইচ্ছে হতে পারে সেরা ৫টি কোম্পানির নেট ওয়ার্থ নিয়ে জানার। উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, এই অংশ বিশেষভাবে আপনার জন্য।
তাহলে দেরি না করে দেখে আসুন সেরা ৫ কোম্পানির নেট ওয়ার্থ!
এপল প্রোডাক্ট নিয়ে আপনারা কম বেশি সবাই জানেন। আমাদের দেশে এপল প্রোডাক্ট এর চাহিদা ব্যপক, যদিও বা এটি অনেক ব্যয়বহুল। যাই হোক, এপল প্রোডাক্ট এর কোম্পানির নাম হচ্ছে অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড।
অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড নেট ওয়ার্থ- $2.450 Trillion ($2450 Billion)
অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড এর ইন্ডাস্ট্রি- ইলেকট্রনিক্স, তথ্য প্রযুক্তি
পণ্য- মোবাইল, আই প্যাড, আই পড, পিসি, ম্যাক এবং ট্যাবলেট
বর্তমান সময়ে সাড়া জাগানো অন্য আরেকটি টপ কোম্পানি হচ্ছে সৌদি এরামকো। এটি সৌদি আরবের জাতীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস ভিত্তিক কোম্পানী। সাড়া জাগানো এই কোম্পানিটির নেট ওয়ার্থ জাননে ভুলবেন না!
সৌদি এরামকো এর নেট ওয়ার্থ- 1.987 Trillion USD
ইন্ডাস্ট্রি- তেল এবং গ্যাস উৎপাদন এবং পরিশোধন
পণ্য- অপরিশোধিত তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং পেট্রোকেমিক্যাল ডেরিভেটিভস।
আমাদের মধ্যে বেশিরভাগই মাইক্রোসোফট এর সাথে খুব ভালোভাবেই পরিচিত। বিশেষ করে যারা রেগুলার কম্পিউটার ব্যবহারকারী। সে মাইক্রোসোফট কোম্পানির নেট ওয়ার্থ কত জানেন?
মাইক্রোসোফট কোম্পানির নেট ওয়ার্থ- $1892 Billion
ইন্ডাস্ট্রি- তথ্য প্রযুক্তি, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ইলেকট্রনিক।
পণ্য- মাইক্রোসোফট অফিস, উইনডোজ অপারেটিং সিস্টেম, সার্চ ইঞ্জিন, এক্সবক্স এবং ল্যাপটপ।
আলফাবেট অন্যতম টপ একটি কোম্পানি। আলফাবেট ইনকর্পোরেটেড হল একটি মার্কিন বহুজাতিক প্রযুক্তি সমষ্টি হোল্ডিং কোম্পানি যার সদর দফতর মাউন্টেন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত।
আলফাবেট এর নেট ওয়ার্থ- 1.773 Trillion USD
ইন্ডাস্ট্রি- সফটওয়্যার এবং ইন্টারনেট সেবা
পণ্য- অপারেটিং সিস্টেম, সার্চ ইঞ্জিন এবং মোবাইল ফোন
এবার সময় হয়েছে এমাজন এর নেট ওয়ার্থ সম্পর্কে জানা। আপনারা সবাই কম বেশি এমাজন এর কথা শুনে থাকবেন কিংবা এমাজন ব্যবহার করে থাকবেন। সারা বিশ্বের নামিদামি কোম্পানিগুলোর মধ্যে এমাজন এর অবস্থান ৫ম।
এমাজন এর নেট ওয়ার্থ- 1.56 Trillion USD
ইন্ডাস্ট্রি- ইন্টারনেট, ই-কমার্স, টেক, সফটওয়্যার সেবা, আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স
পণ্য- সফটওয়্যার, কিন্ডল, ফায়ার টিভি, একো।
ব্যক্তি এবং ব্যবসা উভয় ক্ষেত্রে নেট ওয়ার্থ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আর্থিক অবস্থা বিশ্লেষণের জন্য এটি একটি মৌলিক পরিমাপ বা স্ন্যাপশট কিংবা সূচক।
আমি আশা রাখছি আপনারা নেট ওয়ার্থ নিয়ে বিস্তারিত এবং পরিষ্কার একটি ধারণা পেয়েছেন। আপনার কর্মজীবনকে আরও সুন্দর করে সাজাতে আপনার উচিত একটি নেট ওয়ার্থ টার্গেট ঠিক করা এবং সেই অনুযায়ী এগিয়ে যাওয়া।
পাশাপাশি, আপনার খেয়াল রাখতে হবে আপনার নেট ওয়ার্থ যেন নেতিবাচক বা ঋণাত্মকে না যায়। অন্যথায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করুন।

কাস্টমার ডেটা মনিটাইজেশন মডেলে গ্রাহকদেরকে মূল সেবাটি বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। অতঃপর সুষ্ঠু পদ্ধতিতে গ্রাহকদের যাবতীয় তথ্যাবলি সংগ্রহ করে অন্য প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রয় করা হয়। আর এই গ্রাহক তথ্য বিক্রয়ের মাধ্যমেই মূলত এই কাস্টমার ডেটা মনিটাইজেশন মডেল ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানগুলো মূল আয় করে থাকে।








