পণ্যের জীবন চক্র (Product Life Cycle)

1834
article image

পণ্য জীবন চক্র বলতে একটি পণ্যের সূচনা, উন্নতি আর পরিণতির সময়কালকে বুঝিয়ে থাকে। একটি পণ্য মার্কেটে আসলে এর চাহিদা বৃদ্ধি পেলেও ধীরে ধীরে এর জনপ্রিয়তা কমতে থাকে। উদাহরণস্বরূপ- ক্যাবল টিভি, কোকা কোলা কিংবা ক্যাসেট প্লেয়ার’কে রাখা যেতে পারে। তবে পণ্য জীবন চক্র নিয়ে জানার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলে, এর মাধ্যমে আপনি আপনার পণ্যের পর্যায় নির্বাচন করে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়ে পণ্যের চাহিদা কিংবা জনপ্রিয়তা বাড়াতে পারেন।

Key Points

  • একটি পণ্যের জীবনচক্র পণ্যের প্রবর্তন থেকে এর পতন কালকে নির্দেশ করে।
  • একটি পণ্য জীবন চক্রে ৪টি পর্যায় রয়েছে। সেগুলো হলো- প্রবর্তন, বৃদ্ধি, পরিপক্কতা, এবং পতন।
  • অর্থনীতিবিদ রেমন্ড ভার্নন ১৯৬৬ সালে সর্বপ্রথম পণ্য জীবন চক্র তৈরি করেছিলেন।
  • একটি পণ্য জীবন চক্র যেকোনো একটি পণ্য ম্যানেজম্যান্টে অত্যাধিক সহায়ক টুল হিসেবে কাজ করে।

ভূমিকা

আপনি যদি পণ্য নিয়ে কাজ করতে চান কিংবা সফল হতে চান অথবা যদি আপনি পণ্য নিয়ে মার্কেটিং করার চিন্তাভাবনা করে থাকেন, তাহলে পণ্য জীবন চক্র নিয়ে জানা আপনার জন্য আবশ্যক।

একটি পণ্যের জীবন চক্র মূলত পণ্যের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল পর্যায় বা ধাপসমূহকে বুঝিয়ে থাকে।

কিন্তু একটি পণ্যের জীবন চক্র সম্পর্কে জেনে আপনি কীভাবে উপকৃত হবেন?

আপনার কোনো পণ্য যদি বাজারে ব্যাপক সময়ের জন্য জনপ্রিয় থাকে এবং আপনি যদি বারবার শুধুমাত্র একই স্ট্রাটেজি অবলম্বন করে পণ্যের জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে চান, তবে আপনি সম্পূর্নই ভুল পথে এগুবেন। তবে সেক্ষত্রে পণ্য জীবন চক্র নিয়ে জানা জরুরি।

একটি পণ্যের জীবন চক্রে একেকটা পর্যায় একেক রকমভাবে পণ্যে প্রভাব ফেলে। আর সেই পণ্য সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য পণ্যের পর্যায় জেনে সেই অনুযায়ী স্ট্রাটেজি অবলম্বন করলে পণ্যে সফলতা লাভের আশা থাকে।

তাহলে চলুন একটি পণ্যের জীবন চক্র নিয়ে বিস্তারিত জেনে আসি!

একটি পণ্যের জীবন চক্র কী?

সহজ ভাষায় একটি পণ্যের জীবন চক্র বলতে পণ্যের জীবনের গতিপথকে বোঝানো হয়ে থাকে। কোনো পণ্যের বাজারে প্রবেশের সময়কাল থেকে বের হওয়া পর্যন্ত সময়কালকে মূলত একটি পণ্যের জীবন চক্র বলা হয়ে থাকে। অর্থ্যাৎ পণ্যের এই জীবন চক্রের শুরুটা পণ্যের বিকাশের মাধ্যমে হয়ে থাকে আর শেষটা পণ্যের পতনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে।

আর পণ্যের এই শুরু- শেষ এর জীবন চক্র সাধারণত চারটি পর্যায় যথা- প্রবর্তন, বৃদ্ধি, পরিপক্কতা, এবং পতন- এ সম্পন্ন হয়।

একটি পণ্যের জীবন চক্রে মূলত পণ্যের বিকাশ, উন্নতি আর পতন- এ সবকিছুই সম্পন্ন হয়ে যায়। যাইহোক, কিছু পণ্য যদিওবা দীর্ঘ সময়ের জন্য বাজারে পরিপক্ক অবস্থায় থাকতে পারে, তবে অবশেষে বিভিন্ন কারণের জন্য সে সব পণ্যের বাজার থেকে বের হয়ে যেতে হয় এবং পণ্যের পতন পর্ব শুরু হয়।

একটি পণ্য জীবন চক্রের ৪টি পর্যায়

একটি পণ্য বিকশিত হওয়ার পর পরই এর জীবন চক্রের পর্যায়গুলো শুরু হয়। একটি পণ্য জীবন চক্রকে আমরা ৪টি পর্যায়ে ভাগ করতে পারি। আর সেই পর্যায়গুলো নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করা হবে এই অংশে। আপনার পণ্যের সাফল্য, লাভ এবং উন্নতির জন্য এই পর্যায়গুলো কীভাবে সাহায্য করবে তাও আপনি এই পর্যায়গুলোর বিস্তারিত অংশে দেখতে পাবেন। তো, চলুন শুরু করা যাক!

১। প্রবর্তন

একটি পণ্য বিকশিত হওয়ার পর পরই এর প্রবর্তন পর্যায়টি শুরু হয়। এই পর্যায়ে মূলত একটি পণ্য প্রথমবারের মতো মার্কেটে ছাড়া হয়। পণ্যের প্রচারণা এবং ট্রাফিক আকর্ষণ করার জন্য বিভিন্ন বিজ্ঞাপণ এবং মার্কেটিং ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা এই পর্যায়ের সাথেই জড়িত।

যাইহোক, পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রচারণার মাধ্যমে মানুষজন যখন পণ্যটি সম্পর্কে জানতে পারবে তখন এর গুণাগুণ নিয়ে প্রশংসা করবে, মন্তব্য জানাবে। আর এর মাধ্যমেই শুরু হয়ে যাবে পণ্য জীবন চক্রের “বৃদ্ধি” পর্যায়টি।

২। বৃদ্ধি

একটি পণ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং আকর্ষণীয় একটি পর্যায় হচ্ছে, “বৃদ্ধি”। এই পর্যায়ে মানুষজনের একটি পণ্যের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হয় এবং পণ্যটি তাদের জন্য অনেক আকর্ষণীয় হয়ে উঠে এবং তারা সেটা কিনতে শুরু করে। এভাবে পণ্যটির চাহিদা এবং লাভ বৃদ্ধি পেতে থাকে। ফলস্বরূপ, পণ্যের প্রতিযোগীতাও বেড়ে যায় এবং সেই প্রতিযোগীতা ধীরে ধীরে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠে।

৩। পরিপক্কতা

পণ্য জীবন চক্রের ৩য় পর্যায়টি হচ্ছে পরিপক্কতা। এ পর্যায়ে সাধারণত পণ্যের চাহিদা কমে যায় এবং ফলস্বরুপ বিক্রিও কমে যায়। কিন্তু প্রতিযোগীতা আগের মতোই বাড়তে থাকে। অন্যান্য প্রতিযোগী একই পণ্যের আরও ভালো কোয়ালিটি কম দামে বাজারে ছেড়ে দেয়। ফলে, পণ্যের চাহিদা কমে যায়। এক্ষেত্রে, মার্কেটে টিকে থাকার জন্য পণ্যের উন্নতি করা যেতে পারে, পণ্যের গুণাগুণ বৃদ্ধি করা যেতে পারে, দাম কমানো যেতে পারে ইত্যাদি।

৪। পতন

পণ্য জীবন চক্রের সবচাইতে ভয়াবহ পর্যায়টি হচ্ছে, “পতন”। কোনো কোম্পানি যখন তাদের পণ্যটির জন্য বাজারে একটি ভালো জায়গা তৈরি করতে না পারে, তখন তারা “পতন” পর্যায়ে প্রবেশ করে। ক্ষেত্রে পণ্যের উৎপাদন, বিক্রয়ের পরিমাণ, লাভ হ্রাস পেতে শুরু করে।

এটি কীভাবে কাজ করে?

মানুষের জীবন চক্রের ন্যায় একটি পণ্যেও জীবন চক্র বিদ্যমান, যদিওবা পার্থক্য বিশাল। যাহোক, একটি পণ্যের জীবন চক্রের চারটি পর্যায় শুরু হওয়ার আগে স্বভাবতই পণ্যটি একটি পরকল্পিত আইডিয়ার মাধ্যমে শুরু হয় এবং আধুনিক ব্যবসার সাথে সামঞ্জস্য রেখে উন্নতি লাভের চেষ্টা করে। পরবর্তীতে যদি পণ্যটি লাভজনক বলে মনে হয়, তখন পণ্যের উৎপাদন নিশ্চিত করে প্রচারণা এবং বাজারজাত করণ করা হয় আর সেই সাথেই শুরু হয়ে পণ্যের জীবনচক্রের প্রথম পর্যায় প্রবর্তন।

একটি পণ্য প্রথমে প্রবর্তন পর্যায়ে থাকে এবং ধীরে ধীরে চাহিদা হ্রাস পায় এবং পরবর্তীতে বাজার থেকে সড়িয়ে নেওয়া হয়। তবে এক্ষেত্রে যদি পণ্যের পর্যায় বা চক্র জেনে নেওয়া যেতে পারে এবং পর্যায় অনুযায়ী পরিকল্পনা করা যেতে পারে তবে সফলতা লাভের আশা করা যেতে পারে।

ভোক্তাদের কাছে একটি পণ্য কীভাবে বাজারজাত করা হবে তা পণ্যের জীবন চক্রের পর্যায় ট্র্যাক করে জেনে নেওয়া যেতে পারে। তাছাড়া, পণ্যের পরিবর্তন নিয়ে অবগত থাকার জন্য নিয়মিত পণ্য জীবন চক্র ট্রাক করা দরকার।

একটি পণ্যের জীবন চক্রের পর্যায়গুলো যদি সঠিকভাবে পরিচালনা করা যায়, তবে তা পণ্যের সর্বোচ্চ আয় পেতে সাহায্য করবে। কারণ, পণ্য জীবন চক্র একটি পণ্যের ম্যানেজম্যান্ট টুল হিসেবে কাজ করে।

এটি কেন গুরুত্বএপূর্ণ?

আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহৃত পণ্যগুলো গতিশীল এবং দ্রুত পরিবর্তন হয় এবং পতনও ঘটে যায়। যাই হোক, একটি উদাহরণ এর মাধ্যমে ব্যপারটি স্পষ্ট করা যাক। ১৯৬৩ সালের দিকে, বিখ্যাত কোম্পানি ফিলিপস একটি টেপ ক্যাসেট চালু করে। পরবর্তীতে, ১৯৮০ এর দশকে এটি জনপ্রিয়তার শীর্ষে উঠেছিল এবং গান শোনার জন্য এটিই ছিল সবচাইতে সহজ এবং সুবিধাজনক মাধ্যম। কিন্তু, ২০০৫ এর দিকে সিডি বাজারে আসার পর ক্যাসেটের জনপ্রিয়তা কমে যায় আর সবকিছু বদলে যায়। এই উদাহরণের মাধ্যমে এটা স্পষ্ট যে, যেকোনো পণ্যের চাহিদা খুব সহজেই হ্রাস পেতে পারে এবং পণ্যটি পণ্যের জীবন চক্রের শেষ পর্যায়ে পৌছে যেতে পারে।

তবে কী উপায়ে এই পরিবর্তন থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে? এক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ সমাধান বা উপায় হলো পণ্য চক্র ট্র্যাক করা এবং নতুন সহায়ক কৌশল বা স্ট্রাটেজি বাস্তবায়ন করা। কারণ, পণ্য চক্র ট্র্যাক করার মাধ্যমে খুব সহজেই পণ্য নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা যায় এবং তা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।

পণ্যচক্রের যেকোনো একটি পর্যায় চিহ্নিত করার পর, মার্কেটাররা খুব সহজেই বুঝে ফেলতে পারে পরবর্তীতে তাদের কী পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। যেমন- আরও বিজ্ঞাপনের প্রয়োজন কি না, পণ্যের প্রাইস কমাতে হবে কি না কিংবা নতুন প্যাকেজ ডিজাইন প্রয়োজন কি না ইত্যাদি।

পণ্য জীবন চক্রের প্রত্যেকটি পর্যায় মার্কেটিং এর পরবর্তী গাইডলাইন বা নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করে। মার্কেটাররা যখন পণ্যচক্র নিয়ে সচেতন থাকে, তখন তারা খুব সহজেই পণ্যের বিক্রয়, চাহিদা এবং প্রাপ্যতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

পণ্য জীবন চক্রের উদাহরণ

পণ্য জীবন চক্রের এমন কিছু উদাহরণ দেওয়ার চেষ্টা করেছি যেখানে আপনি দেখতে পাবেন পণ্যগুলো একসময় বিক্রি হলেও এখন আর বিক্রি হয় না।

ক্যাবল টিভি

বিশ শতকের প্রথমার্ধে ক্যাবল টিভি’র বিকাশ পর্যায় শুরু হওয়ার পর, ১৯৫০ সালে এটি “প্রবর্তন” পর্যায়ে প্রবেশ করে। আর এ পর্যায়েই ক্যাবল টিভি জনসাধারণের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছিল।

কয়েক দশক পরে, ক্যাবল টিভি’র “বৃদ্ধি” পর্যায় শুরু হয় এবং জনপ্রিয়তা লাভ করে। আর এটার জনপ্রিয়তা এতই ছিল যে তখন ১৫ মিলিয়নের ও বেশি পরিবারে ক্যাবল ছিল।

পরবর্তীতে, ১৯৯০ এর দশকে ক্যাবল টিভি তার পরিপক্ক পর্যায়ে প্রবেশ করে। ২০১৫ সালের দিকে নেটফ্লিক্স যখন মানুষকে ব্যাপকভাবে আকৃষ্ট করতে শুরু করে তখনই শুরু হয়েছিল ক্যাবল টিভির পতন পর্যায়।

ক্যাবল টিভি লাইন বর্তমানে মানুষজনের কাছে পরিচিত থাকলেও এটি আর আগের মতো জনপ্রিয় নেই। এমনকি বর্তমানে অনেক বাচ্চাদের এটি সম্পর্কে না জানার অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। এর কারণ হিসেবে ইউটিউভ, নেটফ্লিক্স, এমাজন প্রাইম কিংবা হুলু’র মতো প্লাটফর্মকে ধরা যেতে পারে।

ক্যাবল টিভি বর্তমানে অনেক দেশে “পতন” পর্যায়ে চলে গেছে। আবার এর প্রতিযোগীও ব্যপক শক্তিশালী। ক্যাবল টিভি’তে যেখানে মানুষজন নিজের ইচ্ছেতে প্রোগ্রাম দেখতে পারে না, ইউটিউভ কিংবা নেটফ্লিক্সে সম্পূর্ণ তার বিপরীত প্রক্রিয়াটি ঘটে আর সেখানে তারা নিজের পছন্দমতো বাছাই করে প্রোগ্রাম দেখতে পারে। এসব কারণেই মূলত এটি জনপ্রিয়তা হারিয়েছে।

কোকা কোলা

কোকা কোলার বিকাশকাল নিয়ে খুবই কম জানা গেছে। তাই এ নিয়ে এখানে আর বেশি কিছু বলবো না।

যাই হোক, ১৮৮৬ সালে কোকা কোলা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সাথে সাথেই এটি জনপ্রিয়তা লাভ করে। যার মাধ্যমে শুরু হয় এর “প্রবর্তন” পর্যায়।

পরবর্তীতে, দশ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে মার্কিন রাজ্যের সব জায়গায় কোকা কোলা সেবন করা হয় এবং জনপ্রিয়তা লাভ করে। আর এটাই ছিল কোকা কোলার “বৃদ্ধি” পর্যায়।

কোকা কোলার “পরিপক্ক” পর্যায়ের সঠিক সময়কাল বলা না যেতে পারলেও ব্যপক সময় ধরে এটি জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিল। পরবর্তীতে বাজারে কোকা কোলার মতো আরও অন্যান্য ড্রিংকস আসায় এর জনপ্রিয়তা এবং কদর কমতে থাকে এবং চাহিদা হ্রাস পেতে শুরু করে। তাই কিছুটা হলেও এর পতন পর্ব শুরু হয়েছে বলে আমরা ধারনা করতে পারি।

কোডাক

১৮৮৮ সালে কোডাক আবিষ্কৃত হওয়ার পর এর প্রবর্তন পর্যায় শুরু হওয়ার সাথে সাথেই ব্যাপক হারে জনপ্রিয় হতে থাকে। এটি মুলত ফটোগ্রাফি পণ্যের জন্য বিশ্বব্যাপী বিখ্যাত ছিল।

২১ শতকের শুরুর দিকে এটি পণ্য জীবন চক্রের “বৃদ্ধি” পর্যায়ে প্রবেশ করে এবং বেশ সফল হয়েছিল।

কিন্তু পরবর্তীতে এটি ডিজিটাল ফটোগ্রাফির সাথে খাপ খাওয়াতে ব্যর্থ হয় এবং এর মধ্য দিয়েই এটার পতন পর্ব শুরু হয়।

তবে যদি কোডাক কোম্পানি কোডাকের পণ্য জীবন চক্র নিয়ে সতর্ক থাকতো এবং সে অনুযায়ী তাদের পণ্য ম্যানেজম্যান্ট করতো, তবে তারা তাদের সফলতা ধরে রাখতে পারতো- এটা আশা করা যায়।

ক্যাসেট প্লেয়ার

পণ্য জীবন চক্রের উদাহরণ হিসেবে ক্যাসেট প্লেয়ারকে চমৎকার বলা যেতে পারে যেটা কি না এখন অনেটা পতন পর্যায়ের দিকে রয়েছে।

১৯৫০ সালে ক্যাসেট প্লেয়ারের বিকাশ হওয়ার পর ১৯৭৯ সালে এটি মানুষজনের কাছে তুলে ধরা হয় প্রবর্তন পর্যায়ের মধ্য দিয়ে এবং সেই সাথে শুরু হয় এর “বৃদ্ধি” পর্যায়টি।

১৯৮০ এর দশকে এটি জনপ্রিয়তার শীর্ষে উঠেছিল। কিন্তু পরবর্তীতে বিভিন্ন শক্তিশালী প্রতিযোগী, এবং আরও অন্যান্য পণ্যের জন্য এটি “পতন” পর্যায়ে প্রবেশ করে।

এ দুটি উদাহরণ ছাড়াও পণ্য জীবন চক্রে আরও অসংখ্যা গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ রয়েছে। যেমন- ক্যামেরা, ডিভিডি ইত্যাদি। তবে এ দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে কাজ করে।

উপসংহার

একটি পণ্যের জীবন চক্র নিয়ে জানার গুরুত্ব আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন। পাশাপাশি, প্রত্যেকটা পর্যায় কীভাবে কাজ করে এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ সেগুলো নিয়েও জানতে পেরেছেন। তাহলে এবার আপনি আপনার পণ্য নিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন। শুভ কামনা রইলো।

 
 


  • সংজ্ঞা, উদাহরণ এবং বিস্তারিত
  • https://sendpulse.com/support/glossary/product-life-cycle
  • সংজ্ঞা, উদাহরণ এবং বিস্তারিত
  • https://neilpatel.com/blog/product-life-cycle/
  • সংজ্ঞা এবং বিস্তারিত
  • https://gocardless.com/guides/posts/product-life-cycle-stages-examples/
  • উদাহরণ
  • https://www.eleken.co/blog-posts/product-life-cycle-in-depth-analysis-of-stages-and-success-strategies
  • ইতিহাস
  • https://www.toolshero.com/marketing/product-life-cycle-stages/
  • বিস্তারিত
  • https://www.investopedia.com/terms/p/product-life-cycle.asp
Next to read
Business Models
কাস্টমার ডাটা মনেটাইজেশন মডেল (Customer Data Monetization Model)
কাস্টমার ডাটা মনেটাইজেশন মডেল (Customer Data Monetization Model)

কাস্টমার ডেটা মনিটাইজেশন মডেলে গ্রাহকদেরকে মূল সেবাটি বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। অতঃপর সুষ্ঠু পদ্ধতিতে গ্রাহকদের যাবতীয় তথ্যাবলি সংগ্রহ করে অন্য প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রয় করা হয়। আর এই গ্রাহক তথ্য বিক্রয়ের মাধ্যমেই মূলত এই কাস্টমার ডেটা মনিটাইজেশন মডেল ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানগুলো মূল আয় করে থাকে।

কাস্টমার এক্সপ্লোরেশন ম্যাপ (Customer Exploration Map)
Canvas & Methods
কাস্টমার এক্সপ্লোরেশন ম্যাপ (Customer Exploration Map)
মার্কেটিং এর ৭'পি (7P’s of Marketing)
Marketing
মার্কেটিং এর ৭'পি (7P’s of Marketing)
লোগোর উদাহরন (Example of Logos)
Logo
লোগোর উদাহরন (Example of Logos)
নিট মুনাফা (net profit) সংজ্ঞা, সূত্র এবং কিভাবে হিসাব করবেন
Business
নিট মুনাফা (net profit) সংজ্ঞা, সূত্র এবং কিভাবে হিসাব করবেন
অর্থনীতি কী?
Economics
অর্থনীতি কী?
ব্যষ্টিক অর্থনীতি বা Micro Economics কী?
Economics
ব্যষ্টিক অর্থনীতি বা Micro Economics কী?
সেলস কি এবং কিভাবে তা কাজ করে?
Sales
সেলস কি এবং কিভাবে তা কাজ করে?
বিনিয়োগ কি? বিনিয়োগের ধরণ এবং উদাহরণ
Investment
বিনিয়োগ কি? বিনিয়োগের ধরণ এবং উদাহরণ
মার্কেটিং এ ৫ সি (5 C's Of Marketing)
Marketing
মার্কেটিং এ ৫ সি (5 C's Of Marketing)