প্রতারণামূলক আর্থিক প্রতিবেদন

516
article image

এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী সারা জাগানো, ও সবচেয়ে হিস্টোরিক্যাল Fraudulent ছিল এনরোন স্ক্যান্ডাল৷ ২০০১ সালে, ভুয়া তথ্য প্রচার ও ফ্রড রিপোর্টিং এর মাধ্যমে পাম্প এন্ড ডাম্পের সবচেয়ে কুখ্যাত এই ঘটনাটি ঘটে। আর এই স্ক্যাম গুলো এখানেই থেমে থাকে নি। ২০২৩ সাল পর্যন্ত ১২ হাজারের ও অধিক Fraudulent Financial Reporting এর কেস ফাইল হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটেও থেমে নেই এর প্রকোপ।

Key Points

  • প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া ফাইনান্সিয়াল রিপোর্ট তৈরি করারই হল Fraudulent Financial Reporting
  • বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কোম্পানি ইনসাইডার কিংবা উচ্চপদস্থ ব্যক্তির মাধ্যমে ফাইনান্সিয়াল ফ্রডুলেন্ট এর ঘটনা ঘটে
  • এখানে প্রফিট ইনফ্লশন, ক্ষতি লুকানো ও কোম্পানির ফাইনান্সিয়াল হেলথ এর ভুয়া রিপোর্টিং করা হয়
  • রাজস্ব রেকর্ড কারসাজি, কস্ট ম্যানিপুলেশন ও রিজার্ভ স্ক্যামের মাধ্যমে Fraudulent Financial Reporting এর কাজ করা হয়
  • ২০০১ সালে এনরোণ কোম্পানিতে ২১ শতকের সবচেয়ে বড় Fraudulent এর ঘটনা ঘটে।

প্রতারণামূলক আর্থিক প্রতিবেদন কি?

ওয়ার্ল্ড ফাইনান্সিয়াল সিকিউরিটি হিস্টোরিতে, ফ্রড, জালিয়াতি এবং স্ক্যাম শব্দ গুলো খুব বেশি পরিচিত। অর্থ আত্মসাৎ, প্রতিষ্ঠানের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা কিংবা ইনভেস্টর দের ম্যানুপুলেট করার তেমনই একটি কমন স্ট্র্যাটেজি হচ্ছে Fraudulent Financial Reporting। অর্থাৎ, ভুয়া বা প্রতারণামূলক আর্থিক রিপোর্টিং। আর ওয়ার্ল্ডের সবচেয়ে বেশি ভূয়া আর্থিক রিপোর্ট তৈরি হয় ইনকাম ওভারস্টেটমেন্ট নিয়ে।

“প্রতারণামূলক আর্থিক প্রতিবেদন বা Fraudulent Financial Reporting (FFR) বলতে, ফাইনান্সিয়াল ইনফরমেশন এর ইচ্ছাকৃত ভুল উপস্থাপনকে বোঝায়।” - হাওয়ার্ড শিলিট, অ্যাকাউন্টিং বিশেষজ্ঞ।



সহজ ভাষায়, একটি কোম্পানি যখন ইচ্ছাকৃতভাবে বিনিয়োগকারীদের বা অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের প্রতারিত করার জন্য তাদের আর্থিক বিবৃতিগুলিকে কাজে লাগায়, সেটিই হল Fraudulent Financial Reporting। মূলত প্রফিট ইনফ্লেট করা, লস হাইড করা ও কোম্পানির ফাইনান্সিয়াল হেলথ এর একটি মডিফাইড ও ভুয়া রিপোর্ট প্রেজেন্ট করা কে বুঝায়।

অর্থাৎ, কোম্পানির ইনভেস্টর রা কোম্পানির লস কিংবা লিগ্যাল ইস্যু সম্পর্কে কিছু জানতে পারবে না। শুধু ওপর থেকে কোম্পানির ভুয়া সাফল্যের চিত্র দেখতে পারবে। এবং ইনভেস্ট করতে আগ্রহী হবে। এভাবেই Fraudulent Financial Reporting এর আড়ালে বড় বড় প্রতিষ্ঠান গুলো তাদের ইনভেস্টদের বোকা বানিয়ে যাচ্ছে।

বাজারের সাসটেইনেবলিটি এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বজায় রাখার জন্য FFR সনাক্ত করা এবং প্রতিরোধ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি পরিসংখ্যানে দেখা যায় যে বিশ্বব্যাপী কোম্পানিগুলি আর্থিক জালিয়াতির কারণে বছরে বিলিয়ন বিলিয়ন হারায়। অ্যাসোসিয়েশন অফ সার্টিফাইড ফ্রড এক্সামিনার্স (ACFE) রিপোর্ট করে যে এই সংস্থাগুলি সাধারণত প্রতি বছর জালিয়াতির জন্য তাদের রেভিনিউ এর প্রায় 5% হারায়।

এজন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় বিনিয়োগ করা অত্যাবশ্যক, কারণ গ্লোবাল ফ্রড অ্যান্ড রিস্ক রিপোর্ট ইঙ্গিত করে যে 47% প্রতিষ্ঠান গত দুই বছরে জালিয়াতির সম্মুখীন হয়েছে। শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে প্রাথমিক সনাক্তকরণ ব্যবসা এবং স্টেকহোল্ডারদের উপর FFR-এর প্রভাবকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে পারে

উদাহরণ

হাইপোথেটিক্যাল উদাহরণ -

কয়েক ধরনের ফ্রড রিপোর্টিং এর উদাহরণ এর মাধ্যমে বিষয়টি আরো ক্লিয়ারলি বোঝা সম্ভব -

উদাহরণ ১:

কোনো একটি কোম্পানী এমন একটি সেল বা প্রফিট প্রেজেন্ট করলো যা আসলে বাস্তবে ঘটেনি। কিন্তু, কাগজপত্র দেখে মনে হচ্ছে তারা অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি অর্থ উপার্জন করে ফেলেছে। উদাহরণস্বরূপ, যে পণ্যগুলি এখনও গুদামে রয়েছে এবং গ্রাহকদের কাছে বিক্রি হয়নি সেগুলিরও বিক্রয় রেকর্ড করা৷ এটি হচ্ছে Fraudulent Report এর মোস্ট কমন প্র্যাকটিস।

উদাহরণ ২:

লাভ বাড়ানোর জন্য, একটি কোম্পানি মিথ্যাভাবে রিপোর্ট করে খরচ কম দেখাতে পারে। অথবা তারা রেকর্ডিং খরচও ডিলে করে, যেমন প্রিজার্বেশনের খরচ ডিলে করা বা সম্পদের মিস ইউজ কে ছোট করে দেখায়, এবং তাদের প্রকৃত অবস্থার চেয়ে বেটার অবস্থান দেখেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে।

উদাহরণ ৩:

ব্যবসার সামগ্রিক প্রোফিট ইনফ্লেট করার জন্য একটি কোম্পানি তাদের সম্পদের মূল্য স্বাভাবিকের থেকে বাড়িয়ে দেখাতে পারে। যেমন, রিসোর্স বা সম্পত্তি। এভাবে করে ফাইনান্সিয়াল পাওয়ার এর একটি মিথ্যা কনসেপ্ট তৈরি করে এবং বিনিয়োগকারীদের বা ঋণদাতাদের আকৃষ্ট করতে পারে।

Fraudulent Reporting এর ধরন

এখানে একটি কোম্পানির আর্থিক অবস্থানকে ভুলভাবে উপস্থাপন করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে আর্থিক বিবৃতি পরিবর্তন করা হয়। এই স্ট্রাটেজি গুলোর মধ্যে আছে, ভূল রিপোর্ট করা, মিথ্যা রাজস্ব রেকর্ড, সম্পদ, বা রিসোর্স গুলো বেশি করে দেখানো ইত্যাদি। এখানে আরো বিস্তারিত বর্ণনা করা হল:

১. রাজস্ব স্বীকৃতি ম্যানিপুলেশন (Revenue Recognition Manipulation) :

রাজস্ব ত্বরান্বিত করা: হাই রেভিনিউ বা রাজস্ব দেখানোর জন্য সময়ের আগে সেল রেকর্ড করা বা বিক্রয়ের মূল্য বৃদ্ধি করা।

পিরিয়ড-এন্ড সেলস হোল্ডিং: ফাইনান্সিয়াল রেজাল্ট ম্যানিপুলেট করার জন্য পরবর্তী রিপোর্টিং পিরিয়ড পর্যন্ত সেল রিকগনিশন ডিলে করা।

২. ব্যয় কারসাজি (Expense Manipulation):

আন্ডারস্ট্যাটিং খরচ: লাভ বাড়াতে রিপোর্টে খরচ কমিয়ে দেখানো।

ক্যাপিটালাইজিং খরচ: স্বাভাবিক ম্যানেজমেন্ট ব্যয়কে দীর্ঘমেয়াদী রিসোর্স হিসাবে বিবেচনা করা যাতে খরচকে বেশ কয়েকটি মেয়াদে ভাগ করে দেওয়া যায়, এইভাবে স্বল্পমেয়াদী আর্থিক উন্নতি হয়।

৩. রিজার্ভ ম্যানিপুলেশন (Reserve Manipulation):

কুকি জার রিজার্ভস: বিভিন্ন মেয়াদে আয় স্মুথ করার জন্য অ্যাকাউন্টিং রিজার্ভ তৈরি করা এবং ম্যানিপুলেট করা, কর্মক্ষমতাকে আরও কনসিস্টেন্ট করে তোলা

ইনকাম স্মুথিং: রিজার্ভ ব্যবহার করে উপার্জনের ভ্যারিয়েশন অফসেট করে, এবং একটি মিথ্যা সাসটেইনেবল ফাইনান্সিয়াল পিকচার শো করে।

৪. কাল্পনিক লেনদেন (Fictitious Trading):

মিথ্যা লেনদেন তৈরি করা: রাজস্ব বাড়ানো বা ব্যয় হ্রাস করার জন্য জাল সেল বা বায়িং রিপোর্ট তৈরি করা।

গোস্ট কর্মচারী/বিক্রেতা: তহবিল সরাতে বা মিথ্যা খরচ তৈরি করতে অস্তিত্বহীন কর্মচারী বা বিক্রেতাদের ভুয়া তালিকা করা।

৫. প্রতারণামূলক ডিসক্লোজার (Deceptive Disclosure):

বিভ্রান্তিকর ফুটনোট: প্রকৃত আর্থিক অবস্থা থেকে মনোযোগ সরানোর জন্য ফুটনোট বা প্রকাশ্যে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করা।

অফ-ব্যালেন্স-শীট ফাইন্যান্সিং: একটি শক্তিশালী আর্থিক অবস্থান উপস্থাপন করতে ব্যালেন্স শীট থেকে কিছু Liabilities রাখা।

৬. চ্যানেল স্টাফিং (Channel Stuffing):

অতিরিক্ত ইনভেন্টরি বাধ্য করা: স্ফীত বিক্রয় পরিসংখ্যান দেখানোর জন্য চাহিদার চেয়ে বেশি পণ্য বিক্রি করা।

অবাঞ্ছিত ডিসকাউন্ট অফার করা: কৃত্রিমভাবে বিক্রয় উদ্দীপিত করার জন্য গ্রাহকদের অত্যধিক ডিসকাউন্ট প্রদান।

Case Studies

Fraudulent Financial Reporting এর কিছু ঘটনা

এনরন কেলেঙ্কারি 2001 (Enron Scandal):

এনরন, একসময় সবচেয়ে উদ্ভাবনী কোম্পানিগুলির মধ্যে অন্যতম হিসাবে বিবেচিত একটি কোম্পানি , ব্যাপক অ্যাকাউন্টিং জালিয়াতি এবং দুর্নীতির কারণে ভেঙে পড়ে। সিইও জেফরি স্কিলিং এবং সিএফও অ্যান্ড্রু ফাস্টো সহ সিইও রা তাদের ঋণ আড়াল করতে, প্রফিট ইনফ্লেট করতে এবং স্টক মূল্যের হেরফের করতে ব্যালেন্স শীট এনটিটি এর ব্যবহার করতেন। এভাবে বছরের পর বছর বিনিয়োগকারীদের বোকা বানিয়ে ২০০১ সালে জনসম্মুখে চলে আসে তাদের স্ক্যাম।

এই কেলেঙ্কারির ফলে এনরনের দেউলিয়া হয়ে যায়, হাজার হাজার লোক চাকরি হারায় এবং ইনভেস্টর রাও কর্পোরেট গভর্নেন্সের ওপর আস্থা হারায়।

ওয়ার্ল্ডকম অ্যাকাউন্টিং জালিয়াতি (2002):

ওয়ার্ল্ডকম, একটি টেলিকমিউনিকেশন জায়ান্ট, ২০০২ সালে, মার্কিন ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অ্যাকাউন্টিং কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পরে। সিইও বার্নার্ড এবার্স অনুপযুক্ত অ্যাকাউন্টিং এন্ট্রি, ক্যাপিটাল এবং কস্ট লুকানোর মাধ্যমে প্রোফিট ইনফ্লেশন ঘটিয়েছিলেন। এই প্রতারণার পরিমাণ ছিল বিলিয়ন ডলার, যা অবশেষে ওয়ার্ল্ডকমের দেউলিয়াত্বের কারণ হয়। সাথে বিনিয়োগকারীদের উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষতি এবং কোম্পানির অডিটর আর্থার অ্যান্ডারস কে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়।

টাইকো ইন্টারন্যাশনাল কেলেঙ্কারি (2002):

টাইকো কোম্পানির সিইও ডেনিস কোজলোস্কি এবং সিএফও মার্ক সোয়ার্টজ তাদের কোম্পানির আর্থিক বিবৃতি গুলোকে এডিট করে প্রচুর পরিমাণ প্রফিট দেখাতো। এবং এগুলো উচ্চমূল্যে শেয়ার মার্কেটে বিক্রি করতো। এই কারসাজির মাধ্যমে তারা প্রায় ৬৮ বিলিয়ন ডলার আত্মসাৎ করে এবং ২০০২ সালে অ্যাকাউন্টিং জালিয়াতির কেস এ আইনের আওতায় আসতে বাধ্য হয়।

সত্যম কম্পিউটার সার্ভিসেস কেলেঙ্কারি (2009):

Satyam Computer Services, একটি স্বনামধন্য টেক কোম্পানি ছিল ২০০০ সালের দিকে। এই কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান রামালিঙ্গা রাজু উচ্চ মুনাফা এবং রিসোর্স দেখিয়ে বিনিয়োগকারীদের এক প্রকার লুট করেছে। হাজার হাজর ইনভেস্টর তাদের সর্বস্ব হারিয়েছে। অবশেষে, ২০০৯ সালে তার এই Fraudulent Financial Reporting এর কারসাজি জনসম্মুখে চলে আসে। কারণ, প্রায় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ক্ষতি হওয়ায় কোম্পানি দেউলিয়া হয়ে যায়।

হেলথসাউথ কর্পোরেশন অ্যাকাউন্টিং কেলেঙ্কারি (2003):

হেলথসাউথ কর্পোরেশন এর সিইও রিচার্ড স্ক্রু ওয়াল স্ট্রিটের প্রত্যাশা পূরণের জন্য তাদের কোম্পানির আয় বৃদ্ধি করে একটি বিশাল অ্যাকাউন্টিং জালিয়াতির আয়োজন করেছিলেন। এবং তার এই প্রতারণা প্রায় এক যুগ পর্যন্ত স্থায়ী হয়। অর্থাৎ, দীর্ঘ কয়েক বছর তিনি কোম্পানির আড়ালে কোম্পানির ক্ষতি না করেই প্রতারণা চালিয়ে গেছে। যার ফলে এই স্ক্যাম ধরা পড়তে কয়েক বছর লেগে যায়।

কিন্তু ২০০৩ সালে, কয়েক হাজার বিনিয়োগকারী একসাথে এখানে বিনিয়োগ করে ফাঁদে পরে। ক্ষতির পরিমান অবিশ্বাসভাবে বেশি হওয়ায় সকলের নজর আসে। এবং অবশেষে রিচার্ড স্ক্রু ও তা একাউন্টিং Fraudulent এর ইতি ঘটে।

পারমালত কেলেঙ্কারি (2003):

ইতালীয় একটি স্বনামধন্য ডেইরি মিল্ক ও খাদ্য কর্পোরেশন হল পারমালত। তারা তাদের নিজস্ব একাউন্টিং ডেটায় কারসাজি করে বহুদিন ধরে বিনিয়োগকারীদের বোকা বানিয়ে আসছিল। তাদের প্রোডাক্ট যতটা না বিক্রি হচ্ছিল তার থেকে বেশি দেখানো হচ্ছিল।

তাছাড়াও কোম্পানিটির বিশাল বড় অংকের লোন জমা ছিল। বিনিয়োগকারদের কাছ থেকে নেয়া টাকা গুলো সব উর্ধতন কর্মকর্তাদের পকেটে যেত। ফলে, কোম্পানি কখনই লোন পরিশোধ করতে পারে নি। অবশেষে ২০০৩ সালে, কোম্পানি টি ধসে পড়ে যখন প্রকাশ পায় যে কোম্পানিটি তার ঋণ আড়াল করার জন্য জালিয়াতি করে রিসোর্স এবং প্রোফিট ইনফ্লেট করেছে।

উপসংহার

প্রতারণামূলক আর্থিক প্রতিবেদন বা Fraudulent Financial Reporting এর সমস্যাটি এখন আরো বেশি বিস্তৃত হয়েছে। আর আর্থিক বাজার এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার ওপর একটি সিগনিফিকেন্ট রিস্ক তৈরি করেছে। যেহেতু, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান ই কমবেশি জটিল ফাইনান্সিয়াল ল্যান্ডস্কেপের মুখোমুখি হচ্ছে, সেহেতু স্ট্রিক্ট কন্ট্রোল প্যানেল এবং শক্তিশালী ইন্টারনাল কন্ট্রোল প্র্যাকটিস খুব জরুরি। তাছাড়া ফ্রডুলেন্ট এর মূল উৎস খুঁজে বের করতে পারলে একে আরো ইফেক্টিভলি কন্ট্রোল করা সম্ভব।

তবে বিনিয়োগকারী, লোনদাতা, ইনডিভিজুয়ালস এবং সিকিউরিটি প্যানেল গুলোকে আরো বেশি আরো বেশি সতর্ক থাকতে হবে। ট্রাস্টেড প্রতিষ্ঠান ও ক্রেডিবিলিটি নিশ্চিত না করে কোনো রকম ফাইনান্সিয়াল লেনদেন জড়ানো যাবে না। তাহলেই Fraudulent Financial Reporting রিলেটেড অধিকাংশ সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।

  • https://www.linkedin.com/pulse/fraudulent-financial-reporting-how-catch-what-do-outsourced-cfo
  • https://www.myaccountingcourse.com/accounting-dictionary/fraudulent-financial-reporting
  • https://www.investopedia.com/terms/e/enron.asp#:~:text=What%20Did%20Enron%20Do%20That,disclosed%20financial%20position%20was%20incorrect.
Next to read
Business
নিট মুনাফা (net profit) সংজ্ঞা, সূত্র এবং কিভাবে হিসাব করবেন
নিট মুনাফা (net profit) সংজ্ঞা, সূত্র এবং কিভাবে হিসাব করবেন

একটি ব্যবসায় পরিচালনা করে প্রাপ্ত যাবতীয় আয় থেকে যাবতীয় ব্যয়গুলো বাদ দিলে নিট মুনাফা পাওয়া যায়। একটি প্রতিষ্ঠান ঠিক কতোটা লাভজনক, তা নিট মুনাফা’র মাধ্যমে আমরা জানতে পারি। প্রতিষ্ঠানের কয়েক বছরের নিট মুনাফার ট্রেন্ড দেখেই বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করার বা না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

হোরেকা (HORECA)
Business
হোরেকা (HORECA)
CSR বা Corporate Social Responsibility কী?
Business
CSR বা Corporate Social Responsibility কী?
ডিমার্কেটিং (DeMarketing)
Marketing
ডিমার্কেটিং (DeMarketing)
বিজনেস অ্যানালিসিস কী, কেনো, কীভাবে করবেন?
Analysis
বিজনেস অ্যানালিসিস কী, কেনো, কীভাবে করবেন?
General Agreement on Tariffs and Trade (GATT)
Agreement
General Agreement on Tariffs and Trade (GATT)
বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে ১০ টি বিষয়
Investment
বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে ১০ টি বিষয়
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing)
E-Commerce
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing)
মাল্টি ভেন্ডর ই-কমার্স (Multi Vendor E-commerce)
E-Commerce
মাল্টি ভেন্ডর ই-কমার্স (Multi Vendor E-commerce)
হোয়াইট লেবেল নাকি প্রাইভেট লেবেল ই কমার্স?
E-Commerce
হোয়াইট লেবেল নাকি প্রাইভেট লেবেল ই কমার্স?