Identity Theft and Cyber Fraud

277
article image

Identity Theft-কে বলা হয়ে থাকে ডিজিটাল ডাকাতি, যেখানে আপনার পরিচয় এবং ব্যক্তিগত তথ্য অন্য একজন চুরি করে। এই চুরি করা তথ্য ব্যবহার করে অপরাধী নানা ধরনের প্রতারণামূলক কাজ করে থাকে। এবং এসব অপরাধের চূড়ান্ত লক্ষ্যই হলো প্রতারণামূলক কাজ করা। চুরির এইসব তথ্য ব্যবহার করে অপরাধীরা আপনার থেকে কয়েক থেকে কয়েকশো ডলার হাতিয়ে নিতে পারে।

Key Points

  • Identity Theft বলতে বুঝায় যখন কেউ প্রতারণা করার জন্য কারও ব্যক্তিগত তথ্যাবলী চুরি করে।
  • Identity Theft-এর বিভিন্ন ধরন রয়েছে, তবে সবচেয়ে সাধারণ হল আর্থিক। এবং চোরেরা বিভিন্ন ধরনের কৌশল করে এসব চুরি করে থাকে।
  • Identity Theft-এর ঘটনা ডিটেক্ট করা এবং তার বিরুদ্ধে যথার্থ ব্যবস্থা গ্রহণ করে সব ধরনের সমস্যাবলি সমাধান করতে অনেক সময় লেগে যায়।
  • Identity Theft সিকিউরিটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং এই সুরক্ষা ব্যবস্থা লোকজনের ক্রেডিট রিপোর্ট, ফাইনান্সিয়াল একটিভিটি, এবং সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বর ব্যবহার ট্র্যাক রাখে।

Identity Theft এবং Cyber Fraud কি

বর্তমানের যুগকে বলা হয়ে থাকে ইন্টারনেটের যুগ। ইন্টারনেটের বিস্তৃত দুনিয়ায় আজকাল কোন কিছুই যেন গোপন নয়, এখানে আমাদের ব্যক্তিগত সবকিছুই ভেসে বেড়ায় ইন্টারনেটের জটিল নেটওয়ার্কে। এই ইন্টারনেটের ব্যবহারে যেমন আমাদের জীবন হয়েছে সহজ ও সুন্দর, তেমন করেই অনেক ধরনের অপরাধের সম্মুখীন হতে হয় আমাদেরকে প্রতিনিয়তই। ইন্টারনেটের এই জগতে এমন একটি খুব সাধারণ অপরাধ হচ্ছে Identity Theft.

Identity Theft-কে বাংলায় পরিচয় চুরি বলা হয়ে থাকে। এটি মূলত বুঝায় যখন কোন এক ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া তার ব্যক্তিগত তথ্য যেমন: জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর, ব্যাংক একাউন্ট নম্বর, ক্রেডিট কার্ড নম্বর ইত্যাদি, অন্য কেউ হাতিয়ে নেয় এবং নিজের স্বার্থের জন্য সেগুলোকে ব্যবহার করে থাকে। বর্তমানে সংগঠিত খুব সাধারণ একটি সাইবার অপরাধ হচ্ছে এই Identity Theft এবং অপরাধ ও অপরাধীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে।

Identity Theft অপরাধীরা বর্তমানের আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই অপরাধমূলক কাজ করে থাকে। ডিজিটাল প্রযুক্তি বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে এসব অপরাধমূলক কাজ করাকে বলা হয়ে থাকে Cyber Fraud. এই Cyber Fraud বিভিন্নভাবে করা যায়, যেমন সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ফিশিং, ম্যালওয়্যার এবং অনেক সাইবার আক্রমণের মাধ্যমে ।

Identity Theft-এর প্রকারভেদ

Financial Identity Theft

Identity Theft এর সকল প্রকারের মধ্যে Financial Identity Theft-এর ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটে থাকে। Financial Identity Theft-এ অপরাধীরা ক্রেডিট, পণ্য, পরিষেবা বা সুবিধা পেতে অন্য ব্যক্তির পরিচয় বা তথ্য ব্যবহার করে। এসব চুরি হওয়া তথ্যাবলী আর্থিক সুবিধা অর্জনের জন্য ব্যবহার করা হয়। চুরির ঘটনা ভিকটিম তখনই টের পায় যখন সে তার ব্যালেন্স চেক করে।

Medical identity theft

এই ধরনের চুরিতে, প্রথমে ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এরপরে অন্য কোন রোগীর প্রেসক্রিপশন বা রিপোর্ট ভুক্তভোগীর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, যেসব রিপোর্টে তার কোন জটিল সমস্যা বা দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার কথা উল্লেখ করা হয়। তাই এই প্রতারণামূলক চিকিৎসার জন্য তাকে আলাদা করে অনেক বেশি বিল পরিশোধ করতে হয়।

Social Security Identity Theft

এই ধরনের চুরিতে চোর ভুক্তভোগীর সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর (SSN) জানতে চায়। যদি চোররা এই নম্বর পেয়ে থাকে, তাহলে তারা ভুক্তভোগীর অনেক ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে। এসব তথ্য ব্যবহার করে তারা ক্রেডিট কার্ড এবং লোনের জন্য আবেদন করে এবং তারপরে বকেয়া ব্যালেন্স পরিশোধ করে না।

Child Identity Theft

এ ধরনের চুরির ঘটনা ঘটে তখন যখন কেউ নতুন একাউন্ট খুলতে অথবা তার আগের একাউন্টগুলোর পরিচালনার যে কোন পর্যায়ে একটি শিশুর ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে। এ ধরনের চুরির ঘটনা তুলনামূলক সহজ এবং অনেক ক্ষতিকর হতে পারে কারণ এই চুরির ঘটনা আবিষ্কার এবং এর হাত থেকে বাঁচতে অনেক বেশি সময় লাগে।

Synthetic Identity Theft

এই ধরনের চুরির ঘটনা একটু অস্বাভাবিক এবং ব্যতিক্রমধর্মী। এক্ষেত্রে একজন অপরাধী, ভুক্তভোগীদের আসল (চুরি করা) এবং জাল তথ্য একত্রিত করে একটি নতুন পরিচয় তৈরি করে। এই পরিচয় ব্যবহার করে জালিয়াতি অ্যাকাউন্ট খুলে এবং প্রতারণামূলক কাজগুলো করে থাকে। এই পরিচয় ব্যবহারের ফলে সকল ভক্তিভোগীরা অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে।

Criminal identity theft

Criminal Identity Theft বলতে বুঝায় যখন একজন অপরাধী তার অপরাধের দায়ে গ্রেপ্তারের সময় নিজেকে অন্য একজন ব্যক্তি হিসাবে পুলিশের কাছে পরিচয় দেয়, যাতে তখন সে গ্রেপ্তারের হওয়া থেকে বেঁচে যেতে পারে।

Identity Theft এর কৌশল

সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ফিশিং, ম্যালওয়্যার এবং সাইবার অ্যাটাকের মাধ্যমে অপরাধীরা Identity Theft-এর মত অপরাধমূলক কাজ করে থাকে। ইন্টারনেট ব্যবহার করে এসব পদ্ধতির মাধ্যমে অপরাধমূলক কাজ করা কে Cyber Fraud বলা হয়ে থাকে। তাই এসব পদ্ধতিকে Cyber Fraud-এর প্রকারভেদ হিসেবেও বলা হয় যেতে পারে।

এছাড়াও ব্যক্তিগত তথ্য পাওয়ার জন্য অপরাধীরা পুরাতন ফেলে দেওয়া অথবা চুরি করা হার্ডডিক্স এনালাইসিস করে, কম্পিউটার ও সামাজিক নেটওয়ার্ক সাইট হ্যাক করে, কম্পিউটার ভিত্তিক পাবলিক রেকর্ড অ্যাকসেস সহ আরও অনেক ধরনের কাজ করে থাকে।

Social engineering

Social engineering অনেকটা ইমোশনাল ব্ল্যাকমেল-এর মত। এখানে অপরাধী, ভুক্তভোগীর থেকে ব্যক্তিগত তথ্য আদায়ের জন্য, ভুক্তভোগীর আবেগকে কাজে লাগায় এবং মনস্তাত্ত্বিক ম্যানিপুলেশন করে। অতঃপর এই আবেগের বশবর্তী হয়ে লোকজন তাদের সকল তথ্য অপরাধীর কাছে ফাঁস করে দেয়। এটা অনেকটা দুর্গের দেয়াল ভাঙ্গার চেয়ে, গেট খুলে প্রবেশ করার মত অবস্থা।

Phishing

এই অপরাধ কৌশলে মূলত ব্যাংক, ক্রেডিট কার্ড কোম্পানী বা ভিকটিমের অন্যান্য বিশ্বস্ত কোন সূত্র থেকে বৈধ ইমেল বা টেক্সটের মত হুবহু একই মেসেজ পাঠানো হয়। ই-মেইলে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন এর জন্য যে কোন লিংক বা ব্যাংক লেনদেনের ভুয়া তথ্য বা কোন ভুয়া অফারের তথ্য থাকতে পারে। ভুক্তভোগী ওই লিংক বা মেইলে প্রবেশ করলে, সাথে সাথে অপরাধী তার ব্যক্তিগত তথ্যের এক্সেস পেয়ে যায়।

Malware

এটি এমন একটি সফ্টওয়্যার যা কম্পিউটারের ক্ষতি বা পুরোপুরি অকার্যকর করার জন্য তৈরী করা হয়। এটি ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে, ফাইল ডিলেট ফেলতে পারে। এমনকি কম্পিউটার বা ডিভাইসের ক্ষেত্রে একটা স্থায়ী পথ তৈরি করে দেয় যা দ্বারা অপরাধী সব সময় ভুক্তভোগীর ব্যক্তিগত তথ্য পেতে পারে।

Identity Theft-এর সম্ভাব্য লক্ষণ

আপনি যদি নিয়মিত আপনার একাউন্টের হিসাব চেক না করে থাকেন, তাহলে আপনার জন্য Identity Theft শনাক্ত করা অনেক কঠিন হতে পারে। তবে কিছু লক্ষণগুলির প্রতি নজর রাখলে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন আপনি এই অপরাধের শিকার হয়েছেন কিনা-

  • আপনার ফিনান্সিয়াল স্টেটমেন্ট বা ব্যাংকের হিসাব-নিকাশে অসঙ্গতি।
  • আপনার ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্টে অজানা কেনাকাটা ও লেনদেনের তথ্য থাকলে।
  • আপনি চালু করেননি এমন ঋন সম্পর্কে ঋণ সংগ্রহকারীদের কাছ থেকে যদি কল পেয়ে থাকেন।
  • আপনি একাধিক ট্যাক্স রিটার্ন সম্পর্কে যদি চিঠি পেয়ে থাকেন।
  • আপনি যেসব সেবা ব্যবহার করেননি তার জন্য যদি আপনি চিকিৎসা বিল পান।
  • যদি আপনার মেইলে বিলের কোন তথ্য না পেয়ে থাকেন, তখন এটি হতে পারে চোর আপনার ঠিকানা পরিবর্তন করেছে, যার ফলে আপনার মেইলটি আপনার কাছে আসছে না।
  • আপনার ভালো ক্রেডিট থাকার পরেও যদি আপনি কোন ঋণের জন্য গ্রহনযোগ্য না হন, তাহলে এটা হতে পারে, কোন অন্য ব্যক্তি আপনার নামে বারবার ঋণ নিচ্ছে।

Identity Theft সিকিউরিটি

চাইলেই অনেক ধরনের Identity Theft রোধ করা যায়। একটি খুব কার্যকরী পদ্ধতি হল বার বার নিজের ব্যক্তিগত নথি ও তথ্যাবলীর উপর নজর রাখা এবং অবিলম্বে যে কোন অসঙ্গতি দেখা দিলে তা মোকাবেলা করা। এছাড়াও আপনি নিজের কিছু সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এই অপরাধের হাত থেকে রক্ষা করতে পারেন-

  • আপনার সমস্ত একাউন্ট বা ডিভাইসের জন্য অনেক শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। এবং এই পাসওয়ার্ড ফোনের মাধ্যমে বা বাইরে কারও সাথে কখনোই শেয়ার করবেন না।
  • নিয়মিত আপনার এইসব পিন এবং পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন।
  • ই-মেল, ফেসবুক ইত্যাদির জন্য টু স্টেপ ভেরিফিকেশন অপশনটি অন করে রাখুন।
  • ইন্টারনেট থেকে যে কোন র‍্যান্ডম সফটওয়্যার ইন্সটল করবেন না।
  • ডাস্টবিন বা অন্য কোথাও ফেলে দেওয়ার আগে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করে এমন কোন কাগজ বা নথিগুলোতে হবে ছিড়ে ফেলে দেন।
  • আপনার ডেবিট, ক্রেডিট, সোশ্যাল সিকিউরিটি, মেডিকেয়ার এবং অন্যান্য যে কোন ধরনের কার্ড, আপনার বাড়ির একটি নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণ করুন৷
  • সন্দেহজনক কোন লিঙ্কে কখনই ক্লিক করবেন না।
  • আপনার ব্যাঙ্ক বা ক্রেডিট কার্ড কোম্পানি যাতে আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে যে কোন লেনদেনের পরে আপনাকে সতর্ক করে সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
  • ভ্রমণের সময় অপরিচিত ব্যক্তির সাথে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করবেন না।
  • আপনার সামাজিক মিডিয়া অ্যাকাউন্টের সমস্ত ব্যক্তিগত তথ্য হাইড করে রাখুন।
  • সবশেষে, Identity Theft-এর ব্যাপারে সতর্ক হোন।

Identity theft এর প্রভাব

Financial Losses: Identity Theft-এর ক্ষেত্রে অপরাধীর একটি মেইন লক্ষ্য আর্থিক স্বার্থ হাসিল করা। চোররা নানা ধরনের বৈধ বা অননুমোদিত কেনাকাটা, নতুন ক্রেডিট কার্ড খোলা, বা ভুক্তভোগীর নামে ঋণ নেওয়ার জন্য এই অপরাধ করে থাকে। কোন কোন সময় এই আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ক্ষেত্র বিশেষে অনেক বেশি হয়ে থাকে।

Credit Losses: Identity Theft একজন ভুক্তভোগীর ক্রেডিট হিস্ট্রিতে মারাত্মকভাবে ক্ষতি করতে পারে। ফেইক অ্যাকাউন্ট খোলা, অবৈধ বিল, এবং ক্রেডিট রিপোর্টে অন্যান্য নেতিবাচক লক্ষনের ফলে, ভুক্তভোগী পরবর্তীতে যখন নতুন লোনের আবেদন করে তখন গ্রহনযোগ্য হন না, অথবা উচ্চ সুদের হার এবং ঋণ সুরক্ষিত করতে অসুবিধায় পরতে পারে।

Reputational Damage: অনেক সময় ভুক্তভোগীর ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে অপরাধীরা অনেক ধরনের অপরাধমূলক কাজ করে থাকে যা ভুক্তভোগীরা সামাজিক স্ট্যাটাস বা রেপুটেশনের ক্ষতি করতে পারে। এর ফলে পরবর্তীতে ভুক্তভোগী চাকরি হারাতে পারেন বা চাকরি নাও পেতে পারেন, সামাজিকভাবে অবহেলিত এবং মনস্তাত্ত্বিকভাবে ভেঙে পড়তে পারেন।

Legal Consequences: অনেক ক্ষেত্রে Identity Theft-এর শিকার ভুক্তভোগীরা, তাদের ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধমূলক কাজের জন্য আইনি প্রক্রিয়ার সম্মুখীন হতে পারেন। এটি ভুক্তভোগীর সামাজিক ও ব্যক্তিগত জীবনে অনেক ধরনের ক্ষতি সাধন করতে পারে।

শেষকথা

ইন্টারনেটের জগৎ রঙিন, এটি মানুষের জীবনকে করেছে সহজ, করেছে অধিক উপভোগ্য। তবে ইন্টারনেটের কিছু কালো ছায়াও রয়েছে, যা মানুষের জীবনকে করে দিতে পারে দুর্বিষহ, এনে দিতে পারে ভয়াবহ পরিণতি। এমনই কিছু ইন্টারনেট প্রযুক্তির খারাপ ব্যবহারের উদাহরণ হল Cyber Fraud এবং Identity Theft। এইসব অপরাধের সংখ্যা এতই যে শুধুমাত্র ২০২৩ সালে FTC (Federal Trade Commission) ১.৪ মিলিয়ন Identity Theft-এর রিপোর্ট পেয়েছে। এছাড়াও সারা বিশ্বে গড়ে প্রতি ৩৯ সেকেন্ডে একটি সাইবার অ্যাটাক এবং প্রতিদিন প্রায় ২২০০ থেকে ২৩০০ এরও বেশি অ্যাটাক হয়ে থাকে।

ইন্টারনেট ভিত্তিক অপরাধ আপনার জীবনকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এমনকি আপনার সামাজিক ও ব্যক্তিগত জীবনকে চরম দুর্দশায় ফেলে দিতে পারে। তাই আপনার প্রতিদিনের হাতিয়ার ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতন হন, এবং কোন প্রকার অসঙ্গতি দেখা দিলেই সাথে সাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। এই সব অপরাধের সম্মুখীন হলে সাথে সাথে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। পাশাপাশি আমাদের সকলের উচিত, সরকার কর্তৃক জারিকৃত সাইবার সিকিউরিটির সকল আইন মেনে চলা।

  • https://www.investopedia.com/terms/i/identitytheft.asp
  • https://terranovasecurity.com/what-is-identity-theft/
  • https://www.fortinet.com/resources/cyberglossary/identity-theft
Next to read
Canvas & Methods
মিনিমাম ভায়েবল প্রোডাক্ট (Minimum Viable Product)
মিনিমাম ভায়েবল প্রোডাক্ট (Minimum Viable Product)

অধিক শ্রম ও অর্থ খরচের এই ঝুঁকি এড়াতে সৃষ্টি হয়েছে এক নতুন ধরনের বিজনেস স্ট্র‍্যাটেজি যেখানে পণ্য প্রয়োজনীয় কিছু ফিচার দিয়ে বাজারজাত করা হয়। পরবর্তীতে গ্রাহকদের চাহিদা পর্যালোচনা করে ধীরে ধীরে এই পণ্যের উন্নয়ন করা হয় এবং নতুন নতুন উপাদান/ফিচার যুক্ত করা হয়। ব্যবসায়িক জগতে একে বলা হয় মিনিমাম ভায়েবল প্রোডাক্ট।

সোশ্যাল বিজনেস মডেল ক্যানভাস (Social Business Model Canvas)
Canvas & Methods
সোশ্যাল বিজনেস মডেল ক্যানভাস (Social Business Model Canvas)
সোশ্যাল ইম্প্যাথি ম্যাপিং (Social Empathy Mapping)
Canvas & Methods
সোশ্যাল ইম্প্যাথি ম্যাপিং (Social Empathy Mapping)
লোগো ব্যবহারের সুবিধা অসুবিধা (Pros and Cons of Logo Usage)
Logo
লোগো ব্যবহারের সুবিধা অসুবিধা (Pros and Cons of Logo Usage)
মোট মুনাফা (Gross profit) সংজ্ঞা, সূত্র এবং উদাহরণ
Business
মোট মুনাফা (Gross profit) সংজ্ঞা, সূত্র এবং উদাহরণ
CSR বা Corporate Social Responsibility কী?
Business
CSR বা Corporate Social Responsibility কী?
সেলস কি এবং কিভাবে তা কাজ করে?
Sales
সেলস কি এবং কিভাবে তা কাজ করে?
সেলস ফানেল বা বিক্রয় ফানেল কি?
Sales
সেলস ফানেল বা বিক্রয় ফানেল কি?
PESTLE বিশ্লেষণ
Analysis
PESTLE বিশ্লেষণ
মার্কেটিং এ ৫ সি (5 C's Of Marketing)
Marketing
মার্কেটিং এ ৫ সি (5 C's Of Marketing)