পিরামিড স্কিম

পিরামিড স্কিম বলতে মূলত এমন একটি সংগঠন বোঝানো হয় যারা কোনো পণ্য বা সেবা বিক্রয় করেন না বরং নতুন নতুন মানুষদের সংগঠনে জড়ানোর মাধ্যমে তাদের আয় নিশ্চিত হয়। এখানে নতুন মেম্বার হিসেবে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি দিয়ে জয়েন করতে হয় এবং মেম্বারদের খুব অল্প সময়ের ভেতর অধিক পরিমাণ মুনাফা পাইয়ে দেয়ার লোভ দেখিয়ে আকর্ষিত করা হয়। এরপর নতুন মেম্বারদের থেকে পাওয়া টাকা থেকে পুরাতন মেম্বাররা আয় করে থাকেন।
Key Points
- পিরামিড স্কিম হলো একটি আনসাস্টেইনেবল বিজনেস মডেল যেখানে অংশগ্রহণকারীরা নতুন নতুন মানুষকে ব্যবসায়ে পার্টিসিপেট করানোর মাধ্যমে আয় করেন।
- পিরামিড স্কিমকে সচল রাখতে চাইলে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন মানুষকে জয়েন করাতে হয় এবং এভাবে পিরামিডের উপরের স্তরের মানুষরা আয় করতে থাকেন।
- কোনো ধরণের পণ্য বা সেবা উৎপাদন এবং বিক্রয় করা হয় না এবং হলেও তা কখনোই পিরামিড স্কিম কোম্পানীর মেইন ফোকাস নয়
- কোন খাত থেকে পিরামিড স্কিম কোম্পানীর আয় হচ্ছে তা জানার কোনো নির্ভরযোগ্য সোর্স থাকে না এবং থাকলেও কোম্পানী তা দেখাতে পারে না।
- মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং হচ্ছে একটি বৈধ বিজনেস মডেল যেখানে অংশগ্রহণকারীদের দ্বারা একটি নির্দিষ্ট প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রয় করানো হয় এবং সেখান থেকে কোম্পানীর মূল আয় হয়।
পিরামিড স্কিম কাকে বলে? সংজ্ঞা এবং উদাহরণ
আপনাকে যদি বলা হয় যে, ঘরেই বসেই অল্প কিছু কাজের মাধ্যমে আপনি মাসিক ১,০০,০০০ বা তারও বেশি টাকা আয় করতে পারবেন তাহলে কি আপনি সেটি করবেন? শুধু শর্ত হচ্ছে আপনাকে প্রাথমিকভাবে কাজ শুরু করার জন্য ১৫,০০০ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে এবং প্রতিমাসে আপনাকে ৫ জন করে কোম্পানীতে জয়েন করাতে হবে যারা আপনার মতো ঠিক একই কাজ করবেন। আপনার পরবর্তী ব্যক্তিরা যখন আরো ৫ জন করে জয়েন করাবেন তখনও আপনার কাছে কমিশন পৌছে যাবে।
যদি আপনি কখনো এই ধরণের অফার পেয়ে থাকেন, তাহলে বুঝে নিন সেটি ছিল একটি পিরামিড স্কিম। এই স্কিমে বিশেষ কোনো কাজ না করেই অতি অল্প বিনিয়োগে অধিক পরিমাণে লাভের আশা দেখানো হয়। বিশ্বজুড়ে প্রচুর মানুষ এই পিরামিড স্কিমের শিকার হয়ে নিঃস হয়ে গিয়েছেন, তাই কিছুদিন পরপরই নিউজ হেডলাইনে দেখা যায় এই পিরামিড স্কিমের কথা। তাই, আজকের লেখায় আমরা পিরামিড স্কিম কি, কিভাবে কাজ করে ইত্যাদি বিস্তারিত জানব।
পিরামিড স্কিম কাকে বলে?
পিরামিড স্কিম হলো একটি আনসাস্টেইনেবল বিজনেস মডেল যেখানে অংশগ্রহণকারীরা নতুন নতুন মানুষকে ব্যবসায়ে পার্টিসিপেট করানোর মাধ্যমে আয় করেন। প্রতি নতুন অংশগ্রহণকারীর এন্ট্রি ফি বাবদ একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করতে হয় এবং সে যার রেফারেন্সে অংশগ্রহণ করে তিনি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পান। এরপর নতুন অংশগ্রহণকারীরা আরো বেশি মানুষকে অংশগ্রহণ করান এবং কমিশন পান। প্রতি ধাপে অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা বাড়তেই থাকে। এভাবে একটি পিরামিড শেপের সংগঠন দাঁড়িয়ে যায় এবং সেই কারণেই এর নাম দেয়া হয়েছে পিরামিড স্কিম।
পিরামিড স্কিমকে সচল রাখতে চাইলে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন মানুষকে জয়েন করাতে হয় এবং এভাবে পিরামিডের উপরের স্তরের মানুষরা আয় করতে থাকেন। যখনই মানুষ জয়েন করা বন্ধ করে দেয়, পিরামিড স্কিম অচল হয়ে পরে এবং সবার ইনকাম বন্ধ হয়ে যায়। ফলস্বরুপ, পিরামিডটি ভেঙে পরে। এই কারণেই পিরামিড স্কিম একটি আনসাস্টেইনেবল বিজনেস মডেল এবং বিশ্বের বহুদেশে এই বিজনেস মডেল অবৈধ।
পিরামিড স্কিম কীভাবে কাজ করে?
কোনো একক ব্যক্তি অথবা কোম্পানী খুব কম সময়ে অনেক বেশি রিটার্ন পাইয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ইনভেস্টরদের থেকে প্রাথমিক বিনিয়োগ সংগ্রহ করে। এরপর একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি-এর বিনিময়ে নতুন মানুষদের অংশগ্রহন করানো হয় এবং নতুনদের টাকা থেকে ইনভেস্টরদের রিটার্ন দেয়া হয়। নতুনরা যখন আরো বেশি মানুষদের অংশগ্রহণ করায়, তখন তাদের থেকে পাওয়া টাকা থেকে উপরের লেভেলের ব্যক্তিরা আয় করেন।
পিরামিড গঠন শুরু হওয়ার পর থেকেই কোম্পানীর সম্পদ এবং দায়-এর পার্থক্য বৃদ্ধি পেতে থাকে। এই সংগঠনের আয় করার একমাত্র উপায় হচ্ছে নতুন মানুষদের অনেক বেশি রিটার্ন দেয়ার লোভ দেখিয়ে অংশগ্রহণ করানো। তাই একসময় গিয়ে পিরামিড গঠন বন্ধ হয়ে যায় এবং পিরামিডটি ভেঙ্গে পরে।
পিরামিড স্কিমের উদাহরণ
একটি ছোট উদাহরণের মাধ্যমে আমরা পিরামিড স্কিম সম্পর্কে আরো ক্লিয়ার ধারণা পেতে পারি। মনে করুন, সাকিব একটি পিরামিড স্কিম চালু করলেন যেখানে মেম্বারশিপ পেতে মাসিক ১০০ টাকা ফি প্রদান করতে হবে। সাকিব তার দুই বন্ধু আবিদ এবং রাফিকে ১০০ টাকা করে ফি দিয়ে এখানে অন্তর্ভূক্ত হতে বললেন এবং জানালেন তারা যাদের অন্তর্ভূক্ত করবেন তাদের প্রতিজনের থেকে আবিদ এবং রাফি পাবেন ৯০ টাকা করে এবং বাকি ১০ টাকা পাবেন সাকিব। তাহলে প্রথম মাস শেষে সাকিবের আয় হলো ২০০ টাকা এবং আবিদ ও রাফির আয় হয়েছে ০ টাকা। দ্বিতীয় মাসে আবিদ ও রাফি প্রত্যেকে আরো দুইজন করে এখানে অন্তর্ভূক্ত করলেন। তাহলে দ্বিতীয় মাস শেষে আবিদ এবং রাফির আয় হলো ১৮০ টাকা করে আর সাকিবের আয় হলো ২৪০ টাকা।
এখন আবিদ ও রাফি যাদের অন্তর্ভূক্ত করলেন তারা যদি আর মানুষ অন্তর্ভূক্ত করতে না পারেন তাহলে তাদের আর কোনো আয় হবে না অন্যদিকে সাকিবের কোনো বিনিয়োগ ছাড়াই ২৪০ টাকা আয় হয়ে গিয়েছে। এভাবে পিরামিড গঠন যতোদিন চলতে থাকে ততোদিন উপরের লেভেলের সবার আয় হতে থাকে এবং পিরামিড গঠন যখন বন্ধ হয়ে যায় তখন পিরামিডের নিচের লেভেলের মানুষদের একেবারেই কোনো টাকা আয় হয় না। ফলস্বরুপ, বিপুল পরিমাণ মানুষ টাকা আত্মসাৎ করে পিরামিডের মূল ব্যক্তিরা লাপাত্তা হয়ে যান।
ঠিক একই বিজনেস মডেলে চলছিল “ফরচুন হাই-টেক মার্কেটিং” নামক একটি কোম্পানী। ২০১৩ সালে আমেরিকার ফেডারেল ট্রেড কমিশন তাদের পিরামিড স্কিম হিসেবে চিহ্নিত করে এবং পুরো আমেরিকা জুড়ে প্রায় ১,০০,০০০ এই কোম্পানীর সাথে জড়িয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন।
২০০৮ সালের মন্দার সময় কানাডায় “Business In Motion” নামক একটি কোম্পানি কানাডিয়ান নাগরিকদের বার্ষিক ১,০০,০০০ ডলার আয় করার সুযোগের কথা জানায়। এর জন্য তাদের কিছু ভ্রমণ প্যাকেজ বিক্রয় করার কাজ দেয়া হয়। এখানে কাজ করার জন্য নতুনদের থেকে ৩২০০ ডলার করে প্রবেশ ফি দিতে হয় এবং প্রতি প্যাকেজ বিক্রয়ের বিপরীতে তাদের ৫০০০ ডলার কমিশন দেয়া হবে বলে জানায় কোম্পানিটি, যা ছিল প্যাকেজের বিক্রয়মূল্য থেকেও বেশি। কিভাবে তারা এতো বেশি কমিশন অফার করছেন তার কোনো সদুত্তর দিতে না পারায় ইনভেস্টিগেটররা কোম্পানিটি বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিলেন।
আমেরিকায় ঠিক একই ধরণের ব্যবসা পরিচালনা করছিল “Vemma” নামক একটি এনার্জি ড্রিংক প্রস্তুতকারক কোম্পানি। এখানে নতুন অংশগ্রহণকারীরা ৬০০ ডলার প্রবেশ ফি হিসেবে দিয়ে পণ্য বিক্রয় করার সুযোগ পেতেন। তবে এখানেও কমিশনের হার ছিল পণ্যের বিক্রয়মূল্য থেকেও বেশি। বেশিরভাগ ডিস্ট্রিবিউটরের পক্ষে পণ্য বিক্রয় করা সম্ভব না হওয়ায় তাদের বেশ বড় ক্ষতি হয়েছিল কিন্তু তাও কোম্পানীটি বেশ ভালো ভাবেই ব্যবসায় পরিচালনা করতে পারছিল। সন্দেহ হওয়ায় ফেডারেল ট্রেড কমিশন কোম্পানীটি বন্ধ করে দেয়।
পিরামিড স্কিমের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য
কিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে আদৌ কোনো ব্যবসায় পিরামিড স্কিমে চলছে কি না তা জানা যায়।
- কোম্পানীর প্রাথমিক ফোকাস থাকে কিভাবে আরো বেশি সংখ্যক মানুষকে কোম্পানীর অন্তর্ভূক্ত করা যায়।
- কোনো ধরণের পণ্য বা সেবা উৎপাদন এবং বিক্রয় করা হয় না এবং হলেও তা কখনোই কোম্পানীর মেইন ফোকাস নয়।
- কোম্পানীর অন্তর্ভূক্ত হতে একটি নির্দিষ্ট ফি দিতে হয়।
- অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোম্পানীর কোনো বৈধ কাগজপত্র থাকে না।
- খুব কম সময়ে অনেক বেশি(দ্বিগুণ/তিনগুণ/দশগুণ) রিটার্ন পাইয়ে দেয়ার লোভ দেখানো হয়।
- কোম্পানী অনেক বড় হয়ে গেলেও স্টক মার্কেটে আইপিও লঞ্চ করে না।
- কোন খাত থেকে কোম্পানীর আয় হচ্ছে তা জানার কোনো নির্ভরযোগ্য সোর্স থাকে না এবং থাকলেও কোম্পানী তা দেখাতে পারে না।
বিভিন্ন ধরণের পিরামিড স্কিম
মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং
মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং হচ্ছে একটি বৈধ বিজনেস মডেল যেখানে অংশগ্রহণকারীদের দ্বারা একটি নির্দিষ্ট প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রয় করানো হয় এবং সেখান থেকে কোম্পানীর মূল আয় হয়। অনেক সময় অংশগ্রহণকারীদের থেকে একটি নির্দিষ্ট ফি চার্জ করা হয় তবে সেটি কোম্পানীর আয়ের মূল অংশ হয় না। মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং অবৈধ না হলেও এটিকে পিরামিড স্কিমের অন্তর্ভূক্ত করা হয় কারণ অনেক কোম্পানীই মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং এর ছদ্মবেশে পিরামিড স্কিম পরিচালনা করে থাকে।
পঞ্জি স্কিম
পঞ্জি স্কিমে সাধারণত কোনো সংগঠন থাকে না। এই ক্ষেত্রে কোনো একক ব্যক্তি বা কয়েকজন ব্যক্তি মিলে প্রাথমিকভাবে কিছু মানুষকে কম সময়ে অনেক বেশি রিটার্ন পাইয়ে দেয়ার লোভ দেখিয়ে বিনিয়োগ কালেক্ট করে এবং নতুনদের টাকা থেকে পুরাতনদের টাকা পরিশোধ করে দেয়া হয়। এভাবে একজনের থেকে টাকা নিয়ে আরেকজনকে পরিশোধ করার প্রক্রিয়া চলমান থাকে। কিন্তু সবাইকে পুরো টাকা পরিশোধ না করে বরং সবারই কিছু কিছু টাকা আটকে রাখা যায় এবং এভাবেই পরিচালনাকারীরা বিপুল পরিমাণ টাকা যোগাড় করে লাপাত্তা হয়ে যান।
এইট বল মডেল
এই মডেলে প্রতি অংশগ্রহনকারীর একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ মানুষকে তার অধীনে অংশগ্রহণ করাতে হয়। মনে করুন, প্রথমে ৪ জন মানুষ পিরামিড শুরু করলেন। সেই ৪ জনের প্রতিজন নিজের অধীনে আরো ২ জন করে মানুষকে অংশগ্রহণ করালেন এবং তারা তাদের অধীনে আরো দুইজন করে অংশগ্রহণ করালেন, এভাবেই পিরামিড গঠন হতে থাকে। অনেকে এটিকে এয়ারপ্লেইন মডেল নামেও ডেকে থাকেন।
চেইন ইমেইল
এই মডেল ব্যবহার করে ডোনেশান নেয়ার নামে মানুষদের মূলত প্রতাড়িত করা হয়ে থাকে। যারা এই ইমেইলিং শুরু করেন তারা মূলত কোনো নির্দিষ্ট কারণ দেখিয়ে অনেকজনকে একসাথে ইমেইল করেন এবং সেই ইমেইলে যাদেরকে ডোনেশান দিতে হবে তাদের নামের একটি লিস্ট দেয়া থাকে। নির্দেশনা হিসেবে বলা থাকে যেন তারা নিজেরা ডোনেট করেন এবং প্রতিটি লিস্টের প্রথম ব্যক্তির নাম কেটে দিয়ে নিজের নাম বসিয়ে তার পরিচিতদের এই ইমেইলটি ফরওয়ার্ড করে দেন। প্রতারক চক্র বিপুল পরিমাণে টাকা হাতিয়ে নেয়ার আগ পর্যন্ত এই ইমেইলিং চলতে থাকে।
পরিসংহার
পরিশেষে, আমরা বলতে পারি যে পিরামিড স্কিমের দ্বারা শুধু টপ লেভেলের ব্যক্তিগণ লাভবান হয়ে থাকেন। পিরামিডের বটম লেভেলের ব্যাক্তিগণ দিনশেষে নিঃস হয়ে পরেন। তাই কোনো কোম্পানী সাথে জড়ানোর আগে অবশ্যই ভালো ভাবে যাচাই করে নিবেন যে তারা পিরামিড স্কিমে চলছে কি না। যাচাই করার শর্টকাট? যদি কোনো কোম্পানীর কোনো ধরণের পণ্য বা সেবা না থাকে এবং সেখানে অন্তর্ভূক্ত হতে হলে আপনাকে ফি দিয়ে আরো বেশি মানুষকে অন্তর্ভূক্ত করাতে হয়, তাহলেই বুঝে নিবেন সেটি একটি পিরামিড স্কিম।
- https://www.wallstreetmojo.com/pyramid-scheme/
- https://www.forbes.com/advisor/investing/pyramid-scheme/
- https://corporatefinanceinstitute.com/resources/knowledge/other/pyramid-scheme/
- https://www.investopedia.com/terms/p/pyramidscheme.asp#
- https://www.reuters.com/article/fortunehitech-ftc-idUSL1N0AXDG620130128
- https://www.gradschools.com/get-informed/student-guide/top-10-pyramid-schemes
Next to read
মিনিমাম ভায়েবল প্রোডাক্ট (Minimum Viable Product)


সোশ্যাল বিজনেস মডেল ক্যানভাস (Social Business Model Canvas)

বিজনেস মডেল ক্যানভাস ( Business Model Canvas)

ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ? ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রসমূহ

বেইট এন্ড হুক মডেল (Bait & Hook Model)

মার্কেটিং এর ৭'পি (7P’s of Marketing)

লোগোর প্রকারভেদ (Types of Logos)

সেলস কি এবং কিভাবে তা কাজ করে?

বিনিয়োগ কি? বিনিয়োগের ধরণ এবং উদাহরণ
