ড্রপশিপিং কি এবং কিভাবে কাজ করে?

ড্রপসিপিং একটি অন-লাইন ভিত্তিক বিজনেস মডেল, যাকে ই-কমার্স বিজনেস মডেল ও বলা যেতে পারে। তবে ই-কমার্স এরসাথে ড্রপসিপিং এর মৌলিক পার্থক্য হচ্ছে এইখানে একজন ড্রপসিপার নিজেই পণ্যের মজুদ করে না। অর্থাৎ যখন কোন পণ্যের অর্ডার আসে অর্ডারটি ড্রপসিপার অন্য আরেকটি প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠিয়ে দেয় তারা পণ্যটি গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়। এইখানে একজন ড্রপসিপার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে।
Key Points
- ড্রপশিপিং হল একটি রিটেল বিজনেস মডেল যেখানে পণ্যগুলি সরাসরি সরবরাহকারী থেকে গ্রাহকদের কাছে পাঠানো হয়।
- খুচরা বিক্রেতার স্টকিং ইনভেন্টরি ছাড়াই বিজনেস শুরু করতে পারে।
- কম ইনিশিয়াল কস্টের কারণে এটি নতুন ও মার্জিনাল উদ্যোক্তাদের জন্য একটি কার্যকরী বিজনেস মডেল।
- শুধু ইন্টারনেট অ্যাক্সেস থাকলেই যে কোনও জায়গা থেকে পরিচালনা করা যাবে।
- কম ঝুঁকিপূর্ণ বিজনেস, কারণ অগ্রিম আর বড় পরিমাণে বিনিয়োগ করার প্রয়োজন নেই।
- ওভারহেড খরচ কম যেহেতু কোনো গোডাউন বা ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট নেই
ড্রপশিপিং কি? (What Is Dropshipping?)
"ড্রপশিপিং হল একটি অনলাইন রিটেল বিজনেস মডেল, যেখানে রিটেল সেলার কে তাদের বিক্রি করা আইটেমগুলোর ইনভেন্টরি মেইনটেইন করতে হবে না।" -Shweta, Cassie Bottorff
বিস্তারিত বলতে গেলে, ড্রপশিপিং এমন একটি বিজনেস মেথড, যেখানে একজন সেলার তার পণ্যগুলিকে নিজের স্টকে রাখে না। এর পরিবর্তে, একটি তৃতীয় পক্ষ এগুলো ম্যানেজ করে এবং এটি সরাসরি গ্রাহকের কাছে পাঠানো হয়। এটি মার্জিনাল কিংবা খুচরা বিক্রেতাদের জন্য বেশ কার্যকরী কারণ তাদের বিশাল ইনভেন্টরি, স্টোরেজের স্থান, বা প্যাকিং এবং শিপিং অর্ডারের ঝামেলায় আলাদা করে সময় দিতে হয় না।
অর্থাৎ, আপনি যদি একজন সেলার হন, আর আপনি শুধু সেলস টুকু নিয়ন্ত্রণ করতে চান, কিন্তু স্টোরেজ এবং অন্যান্য ওভারহেডের সিকিউরিটি, ডেলিভারি ইত্যাদি থেকে দূরে থাকতে চান তাহলে ড্রপশিপিং আপনার জন্য।
eMarketer-এর একটি সমীক্ষা অনুসারে, 2024 সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ই-কমার্স সেলস $৬.৯ ট্রিলিয়ন এ পৌঁছানোর অনুমান করা হচ্ছে, এবং Dropshipping নিঃসন্দেহে এই মার্কেট শেয়ারের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ক্যাপচার করবে।
ড্রপশিপিং কিভাবে কাজ করে
ড্রপশিপিং কোনো সিঙ্গেল প্রোসেস নয়। এখানে পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন হয়। ড্রপশিপিং কিভাবে কাজ করে তার স্টেপ বাই স্টেপ ওভারভিউ -
নিশ সিলেকশন:
বিজনেসের অনলাইন স্টোরের জন্য একটি স্পেসিফিক নিশ বাছাই করে নিতে হয়। এক্ষেত্রে একটি প্রফিটেবল নিশ খুঁজে পেতে আপনার টার্গেটেড অডিয়েন্স এর আগ্রহ, প্রেফারেন্স, বর্তমান বাজারের অবস্থা বিবেচনা করে নিশ সিলেক্ট করা উচিত। তাছাড়া, ট্রেন্ডি কিংবা এমন কিছু যা মানুষ নিত্যদিনের কাজে আসে এমন কিছু সিলেক্ট করা বেশি কার্যকর।
মার্কেট রিসার্চ:
এবার মার্কেটে পূর্বে নির্বাচিত নিশের মধ্যে সম্ভাব্য প্রডাক্ট এবং সাপ্লায়ারদের নিয়ে গবেষণা করা হয়। বেশি চাহিদা এবং কম প্রতিযোগিতা সম্পন্ন এমন প্রোডাক্ট গুলো বাছাই করতে হয়। তাছাড়া, কম্পিটিটর রা কিভাবে মার্কেটিং করছে, প্রাইস কেমন রাখছে, কোথা থেকে ভাল পন্য আমদানি করছেন এই বিষয় গুলে খুঁজে বের করতে হয়।
স্টোর সেট আপ করা:
Dropshipping এর গুরুত্বপূর্ণ ধাপটি হল একটি অনলাইন স্টোর সেট আপ করা। সাধারণত শপিফাই, WooCommerce বা অন্যদের মতো একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে স্টোর সেট করা। এখানে আপনার বিজনেসের সকল প্রোডাক্ট গুলো প্রাইজ সহ ডিসপ্লে করা থাকবে এবং কাস্টমাররা অনলাইনে প্রোডাক্ট গুলো দেখতে পারবে।
সাপ্লায়ার নির্বাচন:
ড্রপশিপাররা মূলত যেসব পণ্য বিক্রি করতে চায় সেগুলো নির্ধারিত সাপ্লায়ার এর কাছ থেকে নিয়ে আসে৷ এক্ষেত্রে এমন সাপ্লায়ার সিলেক্ট করতে হবে যারা পন্যের কোয়ালিটি ও ক্রেডিবিলিটি ধরে রাখতে পারে। নতুবা আপনার ড্রপশিপিং বিজনেস এ নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। AliExpress, SaleHoo, এবং Oberlo এর মত জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলি আপনাকে প্রোডাক্ট এবং সাপ্লায়ার খুঁজে পেতে সাহায্য করতে পারে।
প্রোডাক্ট সিলেক্ট:
এবার নির্বাচিত সাপ্লায়ারদের ক্যাটালগ থেকে আপনি আপনার দোকানে যে পণ্যগুলি বিক্রি করতে চান সেগুলো সিলেক্ট করুন। এরপর আপনার ওয়েবসাইটে এই প্রোডাক্টের লিস্ট এড করুন। যথাসম্ভব আকর্ষণীয় এবং হাই কোয়ালিটি ইমেজ বাছাই করার চেষ্টা করুন।
মূল্য নির্ধারণ করা:
পণ্যের মূল্য, শিপিং ফি এবং প্রোফিট মার্জিন সহ আপনার মূল্য নির্ধারণের স্ট্র্যাটেজি সেট করতপ হবে। এক্ষেত্রে একটা জিনিস নিশ্চিত রাখার ট্রাই করুন যে, আপনার পণ্যের দাম আপনার টোটাল খরচ কভার করে এবং লাভের জন্য আলাদা করে ইনকাম নিয়ে আসতে পারে। পাশাপাশি অতিরিক্ত প্রাইস ও কাস্টমারদের আগ্রহ কমিয়ে ফেলে। তাই, পন্যের কোয়ালিটির সাথে তাল মিলিয়ে প্রাইস সেট করুন।
স্টোর এর মার্কেটিং:
সম্ভাব্য গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি এপ্লাই করুন। এর মধ্যে এসইও, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, কন্টেন্ট মার্কেটিং এবং পেইড অ্যাডভার্টাইজিং এর মত অপশন গুলো ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও অনলাইন ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং ও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আজকাল।
অর্ডার রিসিভ করা:
যখন একজন গ্রাহক ড্রপশিপারের দোকানে কোনো অর্ডার দেয়, তখন ড্রপশিপার সরবরাহকারীর সাথে যোগাযোগ করে। ম্যানুয়ালি বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি API এর মাধ্যমে এটি করা হয়। তাই, যখন গ্রাহকরা আপনার ওয়েবসাইটে কোনো প্রোডাক্ট অর্ডার দেয়, তখন আপনি সেই অর্ডারগুলি আপনার সাপ্লায়ার এর কাছে ফরোয়ার্ড করুন। এখানে আপনি পণ্যের জন্য সাপ্লায়ার কে পাইকারি মূল্য পরিশোধ করবেন। আর আপনার কাস্টমার থেকে খুচরা বিক্রির পেমেন্ট নিবেন।
সাপ্লাই ফুলফিলমেন্ট
সাপ্লায়ার পণ্যটি সরাসরি গ্রাহকের ঠিকানায় পাঠিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে আপনি নির্দিষ্ট সময় পর এটা নিশ্চিত করুন যে আপনার সরবরাহকারী নির্ভরযোগ্য এবং সময়মত শিপিং কমপ্লিট করেছে। নতুবা, লেট শিপিং, প্রোডাক্ট ড্যামেজ ও ডেলিভারি সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যার জন্য আপনার স্টোর কে নেতিবাচক ভাবে দেখা হবে।
এধরণের সমস্যার সমাধান করতে বর্তমানে শিপিং ট্র্যাক করার অপশন চালু করা হয়েছে। এখানে বিজনেসের মালিক, সাপ্লায়ার, ডেলিভারিম্যান থেকে শুরু করে কাস্টমার সবার কাছে পন্য শিপিং সম্পর্কিত আপডেট থাকবে
কাস্টমার হেল্পলাইন:
কাস্টমারের যেকোনো সমস্যা, প্রশ্ন, রিভিউ এবং রিটার্ন নিজে থেকে ম্যানেজ করুন। যেহেতু স্টোর ও প্রোডাক্ট শিপিং আলাদা ভাবে থাকলেও, সব রকম একটিভিটি আপনার বিজনেস কে রিপ্রেজেন্ট করবে। সেহেতু, কাস্টমারদের যেকোনো সার্ভিস দেয়ার আগে সেগুলো ভালভাবে যাচাই করুন। এবং শিপিং এর পরেও যেকোনো সমস্যা সমাধানের জন্য পাশে থাকুন।
এক্ষেত্রে লাইভ চ্যাটবট, মেসেজ, ফোন ও ইমেল এর ব্যবস্থা রাখতে পারেন।
মনিটর এবং অপ্টিমাইজ :
নিয়মিত আপনার স্টোরের কর্মক্ষমতা অপটিমাইজ করুন। সেলস, ডেটা এনালাইসিস, মার্কেটিং কৌশল, অফার ডিসকাউন্ট, ওভারঅল প্রোফিট, বিজনেস গ্রোথ ইত্যাদি মনিটর করুন। সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিতে ট্রেন্ড ও সাম্প্রতিক বিষয় গুলো সম্পর্কে ধারনা রাখার চেষ্টা করুন।
বিজনেস গ্রো করা:
ফাইনালি, ব্যবসার ওভারঅল বৃদ্ধির সাথে সাথে পণ্যের পরিসর, মার্কেটিং কৌশল, এবং বিজনেসের অফার গুলোকে আরো ডাইভারসিফাইড করার জন্য একাধিক সাপ্লায়ারদের সাথে কাজ করার চেষ্টা করতে হবে। এতে বিজনেস এর পরিসর ও প্রোফিট দুটোই বৃদ্ধি পাবে।
ড্রপশিপিং কেন করবেন?
ড্রপশিপিং ই-কমার্স বিজনেস মডেলে আপনি কোনো ইনভেন্টরি না রেখেই গ্রাহকদের কাছে পণ্য বিক্রি করতে পারেন। ড্রপশিপিং বিজনেস কেন বেছে নিবেন তার বেশ কিছু ভ্যালিড কারণ আছে। যেমন-
কম ইনিশিয়াল ইনভেস্টমেন্ট:
ড্রপশিপিংয়ের জন্য ন্যূনতম অগ্রিম ক্যাপিটাল প্রয়োজন। কারণ এখানে আপনার ইনভেন্টরি কেনার কোনো দরকার নেই। তাই Dropshipping নতুন ও কম বাজেটের উদ্যোক্তাদের জন্য অ্যাক্সেসযোগ্য এবং বেশ কার্যকরী।
কম ঝুঁকি:
যেহেতু আপনি বিক্রয় না করা পর্যন্ত পণ্য কিনবেন না। তাই আপনি অনসোল্ড ইনভেন্টরি সমস্যায় আটকে থাকবেন না। এটি ট্রেডিশনাল খুচরা বিক্রয়ের তুলনায় আর্থিক ঝুঁকি হ্রাস করে।
বিস্তৃত প্রোডাক্ট রেঞ্জ:
আপনি কোনো ধরনের স্টোরেজ লিমিটেশন ছাড়াই বিভিন্ন ধরণের পণ্য আপনার স্টোরে অফার করতে পারবেন। যা আপনাকে বাজারের প্রতিযোগিতা এবং গ্রাহকের প্রেফারেন্স এর সাথে তাল মিলিয়ে বিজনেস গ্রো করতে সাহায্য করবে।
লোকেশন ইন্ডিপেন্ডেন্স:
আপনি পৃথিবীর যেকোনও জায়গা থেকে ইন্টারনেট সংযোগের সাহায্যে একটি ড্রপশিপিং বিজনেস ম্যানে করতে পারবেন। এখানে আপনাকে বিজনেসের জন্য আলাদা করে স্টোর সেট আপ করা, লোকেশন সিলেকশন করার ঝামেলায় পড়তে হচ্ছে না।
স্কেলেবিলিটি:
ড্রপশিপিং ব্যবসায় স্কেল করা তুলনামূলকভাবে সহজ। কারণ আপনি অনেক ঝামেলা ছাড়াই নতুন পণ্য স্টোরে এড করতে বা বিভিন্ন নিশ বৃদ্ধি করতে পারবেন।
মার্কেটিং এর উপর ফোকাস:
ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট আউটসোর্স করার কারণে, আপনি মার্কেটিং, গ্রাহক পরিষেবা এবং আপনার ব্র্যান্ড বৃদ্ধিতে বেশি ফোকাস করতে পারবেন। ফলে পণ্যের ও স্টোরের জনপ্রিয়তা, রিচ ও কাস্টমার বাড়বে।
কম ওভারহেড:
স্টোরেজ, প্যাকেজিং এবং শিপিংয়ের সাথে সম্পর্কিত আপনার খরচ হবে না। ফলে হাই প্রোফিট মার্জিনের সম্ভাবনা থাকবে।
পণ্য বা নিশ টেস্ট করা:
কোনো রকমের বিনিয়োগ না করেই আপনি একটি নতুন পন্য সম্পর্কে কিংবা নিশ সম্পর্কে আইডিয়া নিতে পারবেন। যেহেতু আপনার কোনো অগ্রিম ফি দিতে হবে না সেহেতু নতুন নতুন নিশ বা প্রোডাক্ট নিয়ে ড্রপশিপিং করে মোস্ট ইফেক্টিভ নিশ সিলেক্ট করতে পারবেন।
অর্থাৎ, আপনি কখনও জুয়েলারি নিশ, আবার কিছুদিন পর ফুড নিশ নিয়ে কাজ করে দেখতে পারেন কোনটা বেশি কাস্টমার রিচ করছে। এই পরীক্ষা করার জন্য আপনার আলাদা করে ইনভেস্ট করা বা পন্য কেনার দরকার পড়বে না।
ড্রপশিপিং এর অসুবিধা
প্রতিযোগিতা, কাস্টমার সার্ভিস, কনট্রোল এমন বিভিন্ন কারণে ড্রপ শিপিং এ বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়৷ ড্রপশিপিং এর মেজর কিছু ড্রব্যাক হল-
লো প্রোফিট মার্জিন:
বর্তমানে ড্রপশিপিং এ প্রতি-ইউনিট প্রোডাক্ট কস্ট বাড়ার কারণে প্রচলিত খুচরা বিক্রয়ের মতই প্রোফিট আসছে বা অনেক সময়ে প্রোফিট কম আসছে।
নিয়ন্ত্রণের অভাব:
আপনার ইনভেন্টরি, শিপিং এবং পণ্যের গুণমানের উপর পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ থাকে না। যার ফলে কাস্টমার স্যাটিসফেকশন এ ঘাটতি হতে পারে।
শিপিং জটিলতা:
দীর্ঘ শিপিং ডিউরেশন এবং প্রোডাক্ট কোয়ালিটি নষ্ট হবার সম্ভাবনা থাকতে পারে। তখন কাস্টমার কমে যাওয়ার একটা প্রবনতা লক্ষ করা যায়।
উচ্চ প্রতিযোগিতা:
ড্রপশিপিং বাজার অত্যন্ত স্যাচুরেটেড, এবং বর্তমানে এখানে সেলারের পরিমাণ অনেক বেশি। এটি আপনার ব্রান্ড এর আলাদা করে আইডেন্টিটি তৈরি করে চ্যালেঞ্জিং করে তোলে।
ড্রপসিপিং কি ই-কমার্স?
সাধারণ ভাবে বলা যায় ড্রপসিপিং ই-কমার্স এরই একটি ধরণ। তবে ই-কমার্স এর সাথে ড্রপসিপিং এর একটি বড় পার্থক্য হল ড্রপসিপিং এ আপনি নিজেই পণ্যটি বিক্রি করছেন না। একটি ই-কমার্স ব্যেবসায় সাধারনত বিক্রয় সম্পর্কিত প্রতিটি পর্যায় নিজেরাই সম্পরন্ন করে থাকে কিন্তু ড্রপসিপিং এ তা করা হয় না।
উপসংহার
একুশ শতকে এসে, ড্রপশিপিং একটি গতিশীল এবং লাভজনক ব্যবসায়িক মডেল হিসাবে পরিচিত। এটি নতুন উদ্যোক্তা এবং বিজনেস মালিকদেরকে ট্রেডিশনাল ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্টের ঝামেলা ছাড়াই ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিচ্ছে।
অনলাইন ক্রেতাদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা, ভোক্তা এবং খুচরা বিক্রেতা উভয়ের জন্য ড্রপশিপিংয়ের সুবিধা এবং মোবাইল শপিং প্ল্যাটফর্মের সুবিধা থাকার কারণে Dropshipping এখন লিডিং বিজনেস মডেল গুলোর মধ্যে একটি৷ আর ড্রপশিপিং এর কৌশল গুলো সিস্টেমিক ভাবে প্রয়োগ করতে পারলে, এই প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকা জটিল কিছু নয়৷
- Establishing a Dropshipping ECommerce Store (Anwar Hawlader)
- https://www.forbes.com/advisor/business/what-is-dropshipping-everything-you-need-to-know/
- https://www.michigan.gov/ag/consumer-protection/consumer-alerts/consumer-alerts/shopping/before-you-buy-or-sell-online
- https://www.shopify.com/blog/what-is-dropshipping
- https://www.fiverr.com/resources/guides/business/what-is-dropshipping
- https://youtu.be/MaTs6NNNP88?si=qdC5BNJ4kOUSSaY4
Next to read
মিনিমাম ভায়েবল প্রোডাক্ট (Minimum Viable Product)


সোশ্যাল বিজনেস মডেল ক্যানভাস (Social Business Model Canvas)

কাস্টমার ডাটা মনেটাইজেশন মডেল (Customer Data Monetization Model)

ফ্রিমিয়াম মডেল (Freemium Model)

বিজনেস মডেল ক্যানভাস ( Business Model Canvas)

ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ? ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রসমূহ

বেইট এন্ড হুক মডেল (Bait & Hook Model)

সাবস্ক্রিপশন মডেল (Subscription Model)

বি-টু-বি, বি-টু-সি এবং বি-টু-জি কি? (B-to-B, B-to-C, B-to-G)
