ডিজিটাল যুগে মার্কেটিং এর বিবর্তন (Evolution of Marketing in the Digital Age)

428
article image

ডিজিটালাইজেশন এর এই যুগে, মার্কেটিং একটি ক্রমবর্ধমান বিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। ট্রেডিশনাল মার্কেটিং এর ধারণা থেকে বেড়িয়ে, ডায়নামিক ও ডিজিটাল মার্কেটং এর উদ্ভাবন হয়েছে। বিজনেস টু কাস্টমার কনট্যাক্ট ও রিলেশনশিপ এর স্ট্র্যাটেজি এখন এডভান্স লেভেল এ চলে গেছে। সোশ্যাল মিডিয়া, ফেসবুক, ইউটিউব, লিংকডিন এর মত অনলাইন প্লাটফর্ম গুলো এখন মার্কেটিং এর বড় অংশ দখল করে নিয়েছে। Introduced হচ্ছে কন্টেন্ট, ই-মেইল, ডেটা অ্যানালাইসিস এর মত নতুন নতুন স্ট্র্যাটেজি। বিশ্বায়নের যুগান্তকারী বিপ্লবের যুগে, মার্কেটিং এর এই বিবর্তন বিজনেস ও ব্রান্ড গুলোর জন্য একটি আশীর্বাদে পরিনত হয়েছ।

Key Points

  • বহুকাল আগে থেকেই পণ্যের প্রসার ও বিক্রি বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ভাবে প্রচারণা চালানো হয়েছে
  • ট্রেডিশনাল মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি গুলো রিপ্লেস হয়েছে ডিজিটাল মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি দিয়ে
  • Internet এর কল্যানে ৯০% প্রচারণা অনলাইন ভিত্তিতে হয়ে গেছে
  • AI এর সাথে মার্কেটিং এর মেলবন্ধনে Personalized ডাটা কালেকশন ও অডিয়েন্স টার্গেটিং আরো এডভান্স হয়েছে
  • ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে আশংকা তৈরী হচ্ছে। Ethical চ্যালেঞ্জ তৈরী হচ্ছে।

মার্কেটিং এর বিবর্তন (Evolution of Marketing)

সেই প্রাচীনকাল থেকেই বণিকেরা তাদের পণ্যের প্রচারের জন্য বিভিন্ন ট্রেডিশনাল মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি ব্যবহার করেছেন। কিন্তু কালের বিবর্তনে বেড়েছে প্রয়োজন আর চাহিদা। মানব সভ্যতার সাথে পরিচয় হয়েছে প্রযুক্তির। আর তখন থেকেই শুরু মার্কেটিং এর Revolution।

২০ শতকের শুরুর দিক থেকেই ব্রান্ডিং এবং প্রোডাক্ট Differentiation এর কৌশলে পরিবর্তন এসেছে। তখন থেকে মার্কেটিং এ অডিয়েন্স টার্গেটিং এবং ইমোশনাল কানেকশন এর ট্রেন্ড শুরু হয়েছে। এবং ২০ শতকের মাঝামাঝিতে টেলিভিশন এবং রেডিও এর আবির্ভাব যেন বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। Mass media এর কল্যাণে হিউজ অডিয়েন্স এর কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।

২১ শতকে এসে ইন্টারনেট এবং সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কে আবারো ট্রান্সফর্ম করেছে। Personalized এডভার্টাইজিং, ডাটা-ড্রাইভেন এনালাইসিস, ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং এখন Business owner দের প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।

আর যখন থেকে AI এর সাথে মার্কেটিং এর মেলবন্ধন ঘটানো হয়েছে, বিজনেস প্রমোশন আর রিচ অনন্য উচ্চতায় চলে গেছে। Adobe এর একটি রিসার্চে দেখা গেছে ২০২৫ সাল নাগাদ, আন্তর্জাতিক বিজনেসের 71% ই AI এর মাইক্রো ইন্টেলিজেন্স সাহায্যে মার্কেটিং করবে। তাই ধারণা করা যায়, সুদুর ভবিষ্যতে মার্কেটিং এর লেভেল আরো বেশি এডভান্সড হতে যাচ্ছে।

ট্রেডিশনাল মার্কেটিং বনাম ডিজিটাল মার্কেটিং

পুরাতন ও নতুন paradigms এর তুলনা থেকে ডিজিটাল যুগে মার্কেটিং এর বিবর্তন আরো স্পষ্টভাবে ব্যখা করা সম্ভব। বিগত বছর গুলোতে, প্রথাগত মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি এবং বর্তমান যুগের স্ট্র্যাটেজি গুলো একটি Significant ট্রান্সফর্মেশনের মধ্যে দিয়ে গেছে। যেখানে ট্রেডিশনাল মার্কেটিং এ এক সময়ে প্রিন্টেড বিজ্ঞাপন, টিভি কমার্শিয়াল এবং বিলবোর্ড ছিল Dominant মার্কেটিং কৌশল। অন্যদিকে ডিজিটাল যুগে আরো বেশি Versatile ও টার্গেটেড approach এর পরিচয় হয়েছে।

পরিসংখ্যান হাইলাইটস: 2020 সালে, প্রথমবারের মত, গ্লোবাল ডিজিটাল এড এর ব্যয়, ট্রেডিশনাল পদ্ধতির ব্যয়কে অতিক্রম করেছে। এবং $295 বিলিয়ন কে ছাড়িয়ে, $332 বিলিয়নে পৌঁছেছে। এবং এই ট্রেন্ড অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ, বিজনেস গুলো ডিজিটাল মার্কেটিং এর সুবিধাগুলিকে আরো বেশি recognise করতে পারছে।

ডিজিটাল মার্কেটিং, Google এড এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মতো টুলের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট টার্গেটিং করে। আর বিজনেস গুলোকে নির্দিষ্ট অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছানোর সহজ করে দেয়, যার ফলে আরও ভাল ROI (Return on investment)পাওয়া যায়। অন্যদিকে, ট্রেডিশনাল মার্কেটিং প্রায়শই Mass distribution এর উপর নির্ভর করে, ফলে এর effectiveness সঠিকভাবে পরিমাপ করা কঠিন।

উপরন্তু, অনলাইন শপিং এর উত্থান ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রসারকে আরো বৃদ্ধিকে করেছে। 2020 সালে, শক্তিশালী ডিজিটাল প্রেজেন্সের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়ে বিশ্বব্যাপী ই-কমার্স এর সেলস $4.28 ট্রিলিয়ন পৌঁছেছে। তবে যাইহোক, ট্রেডিশনাল মার্কেটিং এর যোগ্যতা এখনও কম নয়, বিশেষ করে স্থানীয় এবং টেকনোলজি deprived কাস্টমারদের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে।

মার্কেটিং বিবর্তনের পিছনে মূল চাবিকাঠি (Key Behind Marketing Evolution)

ইন্টারনেটের উত্থান

২০২১ সাল পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী ৪.৯ বিলিয়নেরও বেশি মানুষ ইন্টারনেটের ব্যবহার করছে যা গ্লোবাল জনসংখ্যার প্রায় ৬০%। ইন্টারনেটের এই উত্থানের পর বিজনেস গুলোর জন্য একটি গ্লোবাল প্লাটফর্ম খুলে গেছে। এক জায়গায় বসেই তারা বিশ্বব্যাপী ক্লায়েন্টদের সাথে কমিউনিকেট করতে পারছে।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং :

সোশ্যাল মিডিয়া ইউজারদের সংখ্যা প্রচুর বেড়ে গেছে। ২০২১ সালের সার্ভে অনুযায়ী ফেসবুকে ২.৮ বিলিয়ন মাসিক একটিভ ইউজার ছিল। এবং ইন্সটাগ্রামে ১ বিলিয়নেরও বেশি ও টুইটারে অলমোস্ট ৩৩০ মিলিয়ন। এই হিউজ অডিয়েন্স প্রেজেন্স কে কাজে লাগিয়ে মার্কেটিং এর ফিল্ড কে অনেক বেশি প্রশস্ত করা হয়েছে।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO):

মার্কেট এর এই যুগান্তকারী বিপ্লবের পেছনে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রোল প্লে করেছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। সার্চ ইঞ্জিন বাজারের ৯২% ই দখল করে নিয়েছ গুগল। আর তাই গুগল High ranking কে মার্কেটিং এর একটি বড় হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

Content Marketing:

হাবস্পট এর একটি রিপোর্টে দেখা যায়, যে যে কোম্পানিগুলি প্রতি মাসে 16+ ব্লগ পোস্ট পাবলিশ করেন তারা প্রায় 3.5 গুণ বেশি ট্রাফিক পান। ডিমান্ড মেট্রিকে দেখা গেছে যে কনটেন্ট মার্কেটিং ট্রেডিশনাল মার্কেটিং এর চেয়ে 62% কম খরচ করে এবং প্রায় 3 গুণ বেশি লিড তৈরি করে।

এই স্ট্যাটিসটিকস গুলো থেকে এটা স্পষ্ট যে কনটেন্ট মার্কেটিং আধুনিক মার্কেটিং কে পাওয়ারফুল ট্রান্সফরমেশন দিয়েছে। ব্র্যান্ড গুলোকে তাদের দর্শকদের সাথে আরও অর্থপূর্ণ এবং কার্যকর উপায়ে কানেক্টেড হতে হেল্প করছে।

Mobile Marketing:

2021 সালে, বিশ্বব্যাপী ওয়েবসাইট ট্র্যাফিকের 54.8% ই ছিল মোবাইল ইউজার। গুগলের মাইক্রো ইন্টেলিজেন্স এর পরিসংখ্যান মতে, 79% স্মার্টফোন ব্যবহারকারী গত 6 মাসে তাদের মোবাইল ডিভাইস ব্যবহার করে অনলাইনে কেনাকাটা করেছেন। তাহলে, অনুমান করাই যাচ্ছে মোবাইল মার্কেটিং কি পরিমান অডিয়েন্স কে রিচ করছে।

Influencer Marketing:

বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি হল সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও তাদের বৃহৎ ফ্যানবেজ এর ব্যবহার। Influencer Marketing Hub এর একটি জরিপ অনুযায়ী, ৪৯% ভোক্তা যেকোনো কিছু কেনার সময় পছন্দের ইনফ্লুয়েন্সার এর সিদ্ধান্ত কে বেশি Credible মনে করেন। এবং Social Media Influencer দিয়ে করানো মার্কেটিং ৮৯% বেশি ROI নিয়ে আসতে সক্ষম। (Mediakix)

Artificial Intelligence in Marketing:

কাস্টমার রা চায় ব্রান্ড গুলো তাদের পছন্দ এবং চাহিদা বুঝুক এবং সেই অনুযায়ী প্রোডাক্ট তৈরি করুক। আর AI ঠিক এই কাজ টিই খুব দক্ষতার সাথে করে। সুক্ষ্মতার সাথে কাস্টমারদের তথ্য, পছন্দ, অপছন্দ ডিটেক্ট করে এবং তাদের সামনে সেইসব প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন নিয়ে আসে।

তাছাড়া, Ai চ্যাটবটের ব্যবহারের কারনে প্রতিবছর ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সেভ হচ্ছে। মোটকথা, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স মার্কেটিং কে একটি অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

মার্কেটিং এর চ্যালেঞ্জ এবং এথিকাল কন্সিডারেশন (Challenge and Ethical Considerations)

মার্কেটিং এর বিবর্তন এ পর্যন্ত অনেক চ্যালেঞ্জ এবং নৈতিক বিবেচনার সম্মুখীন হয়েছে। মার্কেটিং কৌশলগুলো যেমন উন্নত হয়েছে, ভোক্তাদের গোপনীয়তা এবং ডেটা সুরক্ষা নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে। ডিজিটালাইজেশন মূলত ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ এবং ব্যবহার সম্পর্কিত সমস্যা নিয়ে এসেছে। ফলে ডাটা সিকিউরিটি, ডাটার অপব্যবহারের মত বিতর্কের তৈরী হয়েছে।

একদিকে টার্গেটেড অডিয়েন্স পেতে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজন পরছে অন্যদিকে ভোক্তাদের পার্সোনাল ডাটা সুরক্ষার দিকেও নজর দিতে হচ্ছে। সর্বোপরি একটা Ethical dilemma তেরি হচ্ছে।

উপরন্তু, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং এর উত্থান নতুন চ্যালেঞ্জের সূচনা করেছে। যেমন authenticity এবং credibility মেইনটেইন করা হচ্ছে না। ভুল তথ্য এবং ফেইক রিভিউ এর কারণে কাস্টমার রা আসল আর ভেজালের মধ্যে পার্থক্য করতে পারছেন না।

ভবিষ্যত, পূর্বাভাস এবং সম্ভাব্য উন্নয়ন (Future, Predictions and potential developments)

ভবিষ্যতে মার্কেটিং এর ফিল্ড আরো বেশি Significant ট্রান্সফরমেশন এর মধ্যে দিয়ে যাবে। ইতোমধ্যে, কাস্টমারদের চাহিদা, পছন্দ, অপছন্দের হিউজ পরিমাণ ডাটা সংগ্রহ করা আছে গুগল, ওয়েবসাইট, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও এডভান্স ডিজিটাল প্লাটফর্ম গুলোতে। ফলে মার্কেটার রা আরো বেশি পার্সোনালাইজড ডাটা ব্যবহার করে কাস্টমার দের আকৃষ্ট করতে পারবে।

গার্টনারের গবেষণা মতে, ২০২৫ সাল নাগাদ পার্সোনালাইজড ডাটা ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠান গুলো 80% এরও বেশি ROI পাবে। এবং তার প্রেডিকশন মতে ভবিষ্যতে ৭০% অনলাইন কেনাবেচাই হবে চ্যাটবট ও Ai এর মাধ্যমে। সর্বোপরি, আধুনিকায়ন এর কারণে মার্কেটিং এর স্ট্র্যাটেজি, রিচ ও সাফল্য একদম এডভান্স লেভেল এ চলে যাবে। তবে, সাথে তৈরি হবে হিউজ পরিমাণ ডাটা সিকিউরিটি বিড়ম্বনা।

উপসংহার

মার্কেটিং এর বিবর্তন এক্সট্রাঅর্ডিনারি একটা জার্নির মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। টেকনোলজিকে খুব দক্ষতার সাথে মার্কেটিং এর সাথে কানেক্ট করা হয়েছে। বেড়েছে ট্রাফিক, সেলস এবং সম্ভাবনা। পাশাপাশি তৈরি হয়েছে বেশ কিছু এথিকাল চ্যালেঞ্জও। তবে গ্লোবালাইজেশন, প্রযুক্তি আর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কে পজিটিভ এবং নিরাপদ ভাবে ব্যবহার করলে মার্কেটিং হবে আরো বেশি এডভান্স ও ইফেক্টিভ। 
 


  • https://study.com/academy/lesson/marketing-evolution-overview-examples-history.html#:~:text=The%20evolution%20of%20marketing%20refers,revolutionized%20the%20field%20of%20marketing.
  • https://www.gktoday.in/evolution-of-marketing/amp/
  • https://sproutsocial.com/insights/ai-marketing/?amp
Next to read
Canvas & Methods
সোশ্যাল ইম্প্যাথি ম্যাপিং (Social Empathy Mapping)
সোশ্যাল ইম্প্যাথি ম্যাপিং (Social Empathy Mapping)

ইম্প্যাথি ম্যাপিং মূলত একধরনের ট্যুলস। এটি গ্রাহকদের ভাবনা-চিন্তা, দৃষ্টিভঙ্গি, অনুভব, উপলব্ধি সহ নানাবিধ তথ্য, উপাত্ত এর সমন্বয়ে গঠিত সুশৃঙ্খল এবং সুবিন্যস্ত একটি চার্ট। উল্লেখিত বিষয় সমূহ সম্পর্কিত তথ্য উপাত্তের খুব চমৎকার একটা ভিজ্যুয়াল রিপ্রেজেন্টেশন পাওয়া যায় এই ইম্প্যাথি ম্যাপিং এর মাধ্যমে। যা মূলত আপনার কাঙ্ক্ষিত গ্রাহককে ভালভাবে বুঝতে সহায়তা করে।

বিজনেস মডেল ক্যানভাস ( Business Model Canvas)
Canvas & Methods
বিজনেস মডেল ক্যানভাস ( Business Model Canvas)
শেয়ারিং ইকোনমি মডেল (Sharing Economy Model)
Business Models
শেয়ারিং ইকোনমি মডেল (Sharing Economy Model)
ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ? ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রসমূহ
Marketing
ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ? ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রসমূহ
কাস্টমার এক্সপ্লোরেশন ম্যাপ (Customer Exploration Map)
Canvas & Methods
কাস্টমার এক্সপ্লোরেশন ম্যাপ (Customer Exploration Map)
সারোগেট মার্কেটিং (SURROGATE MARKETING)
Marketing
সারোগেট মার্কেটিং (SURROGATE MARKETING)
মোট মুনাফা (Gross profit) সংজ্ঞা, সূত্র এবং উদাহরণ
Business
মোট মুনাফা (Gross profit) সংজ্ঞা, সূত্র এবং উদাহরণ
ইক্যুইটির সংজ্ঞা এবং অর্থ
Business
ইক্যুইটির সংজ্ঞা এবং অর্থ
সামষ্টিক অর্থনীতি বা ম্যাক্রো ইকোমিক্স ( Macro Economics ) কী?
Economics
সামষ্টিক অর্থনীতি বা ম্যাক্রো ইকোমিক্স ( Macro Economics ) কী?
বিক্রয়ের ১০টি ভুল যেগুলো প্রতিটি বিক্রয়কর্মীর এড়ানো উচিৎ
Sales
বিক্রয়ের ১০টি ভুল যেগুলো প্রতিটি বিক্রয়কর্মীর এড়ানো উচিৎ