মোট দেশজ উৎপাদন Gross Domestic Product (GDP)

GDP এর পূর্ণরুপ হল "Gross Domestic Product'', অর্থাৎ মোট দেশজ উৎপাদন। একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে (সাধারণত ১ বছর) একটি দেশের মধ্যে উৎপাদিত (এবং বাজারে বিক্রি হওয়া) সমস্ত পণ্য ও পরিষেবার মোট আর্থিক মূল্যকে জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদন বলা হয়ে থাকে। সাধারণত কোনো একটি দেশে কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উৎপাদিত অথবা তৈরীকৃত মোট পণ্য এবং সেবার সমষ্টিকেই জিডিপি বলে।
Key Points
- জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদন হল একটি দেশের অর্থনৈতিক কার্যকলাপের পরিমাপক।
- বর্তমানে জিডিপির মাধ্যমে একটি দেশের অর্থনীতির দৃশ্যপট দেখা যায়।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে অনানুষ্ঠানিক খাতের কর্মকাণ্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় না।
- জিডিপি পরিমাপে সাধারণত তিনটি পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এগুলো হলো আয়, ব্যয় এবং উৎপাদন পদ্ধতি।
- একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জীবনযাত্রার মানের গড় সূচকই হলো মাথাপিছু জিডিপি।
মোট দেশজ উৎপাদন বা Gross Domestic Product (GDP)
আরো সহজ করে বললে কোন একটি দেশে একবছরের মধ্যে কি পরিমাণ পণ্য উৎপাদিত হয়েছে এবং কি পরিমাণ পণ্য consume বা ভোগ বা খরচ করা হয়েছে তার সমষ্টিই হলো GDP।
জিডিপির প্রথম মৌলিক ধারণাটি আঠারো শতকের শেষে উদ্ভাবিত হয়েছিল। তবে, জিডিপির আধুনিক ধারণাটি ১৯৩৪ সালে আমেরিকান অর্থনীতিবিদ সাইমন কুজনেটস দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে, ১৯৪৪ সালে ব্রেটন উডস সম্মেলনে জিডিপিকে একটি দেশের অর্থনীতির প্রধান পরিমাপ হিসাবে গ্রহণ করা হয়।
মূলত জিডিপি অর্থনীতির আকারের একটা হিসাব মাত্র। জিডিপি আমাদেরকে দেশের আর্থিক বৈষম্যের পরিমাপ জানাতে পারে না। বরং জিডিপি এর মাধ্যমে শুধুমাত্র দেশের অর্থনীতির আকার জানা যায়। জিডিপি কোনো দেশের সামগ্রিক বিষয় জানার জন্য কোনো ইনডেক্স বা সূচক নয়।
একটি উদাহরণের মাধ্যমে জিডিপি
ধরুন, কোনো এক বছরে বাংলাদেশে মোট ৫০০ কেজি চাল উৎপাদন হয়। প্রতি কেজি চালের বাজার মূল্য ৫৫ টাকা। ওই বছরেই বাংলাদেশে আরও ৩০০ কেজি গম উৎপাদন হলো এবং প্রতি কেজি গমের বাজার মূল্য ২৫ টাকা।
ওই বছর বাংলাদেশের জিডিপি হবে,
= (৫০০×৫৫) + (৩০০×২৫)
= ৩৫,০০০ টাকা
এবার ধরুন, ওই বছরে পুরো বাংলাদেশের মোট প্রয়োজন যথাক্রমে ৭০০ কেজি চাল এবং ৪৫০ কেজি গম। তাই প্রয়োজন মেটাতে বাংলাদেশ বিদেশ থেকে ৭০ টাকা দরে ২০০ কেজি চাল এবং ৩৫ টাকা দরে ১৫০ কেজি গম আমদানি করলো।
তাহলে ওই বছর বাংলাদেশের চূড়ান্ত GDP হবে,
= ১১,০০০ - {(২০০ × ৭০) + (১৫০ × ৩৫)}
= ৩৫,০০০ - ১৯,২৫০
= ১৫,৭৫০ টাকা
সুতরাং, আমরা বুঝতে পারলাম শুধুমাত্র দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত পণ্যের বাজার দরের উপর জিডিপি নির্ভর করে না, বরং অনেকটাই বিদেশ থেকে আমদানি পণ্যের মূল্যের উপরেও নির্ভর করে।
জিডিপি কিভাবে হিসাব করে এবং এর পদ্ধতিসমূহ
জিডিপি পরিমাপের সূত্র:-
জিডিপি = ব্যক্তিগত খরচ/ভোগ + (মোট ব্যক্তিগত বিনিয়োগ + সরকারি বিনিয়োগ) + সরকারি ব্যয় + (রপ্তানি - আমদানি)।
সূত্রের মাধ্যমে দেখানো হল: GDP = C + I + G + (X – M)
C= Consumption (খরচ/ভোগ)
I= Investment (বিনিয়োগ) = (মোট ব্যক্তিগত বিনিয়োগ + সরকারি বিনিয়োগ)
G= Government Spending (সরকারী খরচ)
X - M= ( রপ্তানি - আমদানি )
জিডিপি পরিমাপের মূলত তিনটি পদ্ধতি রয়েছে
জিডিপি পরিমাপে ব্যবহৃত পদ্ধতি গুলো হলো যথা:
১| আয় পদ্ধতি (Income Method)।
২| ব্যয় পদ্ধতি (Expenditure Method)।
৩| উৎপাদন পদ্ধতি (Production Method)।
নিচে তিনটি পরিমাপ পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা উপস্থাপন করা হল
১| আয় পদ্ধতি বা Income Method:-
একটি দেশের পণ্য এবং সেবা উৎপাদনে বিভিন্ন রকম উপাদান সামগ্রী ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এসকল উপাদানকে মূলত চারটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। এগুলো হলো ভূমি, শ্রম, মূলধন এবং সংগঠন। দেশের সকল পণ্য এবং সেবা তৈরীর উপকরণ এই চারটি শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। তাই এসকল উপকরণ বিক্রয় অথবা ব্যবহার হতে প্রাপ্ত আয়ের সমষ্টিকে নীট জাতীয় আয় হিসেবে অভিহিত করা হয়। তথাপি, ভূমি হতে প্রাপ্ত ভাড়া, শ্রম হতে প্রাপ্ত মজুরি, মূলধন হতে প্রাপ্ত লাভ বা সুদ এবং সংগঠন বা শিল্প-উদ্যোগ হতে প্রাপ্ত মুনাফার সমষ্টিই হল নীট জাতীয় আয়। এই নীট জাতীয় আয়ের সাথে মূলধনের অবচয় এবং নীট বৈদেশিক উপাদান হতে আয় যোগ করার মাধ্যমে আমরা জিডিপি নির্ণয় করতে পারি।
নিন্মোক্ত সমীকরণের মাধ্যমে আয় পদ্ধতিতে জিডিপির পরিমাপ করা যায়।
জিডিপি= মজুরি + ভাড়া + সুদ + মুনাফা + অবচয় + নীট বৈদেশিক উপাদান হতে আয় + পরোক্ষ কর - ভর্তুকি
এখানে,
নীট বৈদেশিক উপাদান হতে আয়= বিদেশি উপাদান কর্তৃক নিজ দেশে আয় - নিজ দেশের উপাদান কর্তৃক বিদেশ হতে আয়।
২| ব্যয় পদ্ধতি বা Expenditure Method:-
ব্যয় পদ্ধতিতে সকল প্রকার ক্রেতা কর্তৃক ক্রয় করা সকল পণ্য ও সেবার বিপরীতে ব্যয় করা অর্থের পরিমান নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। এ পদ্ধতিতে পূর্বের পদ্ধতির মতো আয়ের হিসাব করার পরিবর্তে জিডিপি পরিমাপে ব্যয়ের হিসাব করা হয়। এক্ষেত্রে, সকল প্রকার ক্রেতা কর্তৃক ক্রয় করা ভোক্তা কর্তৃক দৈনন্দিন জীবনে প্রতিনিয়ত ব্যবহৃত পণ্য এবং সেবার জন্য ব্যয়, বিনিয়োগ ব্যয় এবং সরকার কর্তৃক ব্যয়, এই ব্যয়সমূহের সাথে নীট রপ্তানি যোগ করে আমরা জিডিপি নির্ণয় করতে পারি।
ব্যয় পদ্ধতিতে জিডিপি নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিচের সমীকরণটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
জিডিপি= সাধারণ ভোক্তা ব্যয় + বিনিয়োগ ব্যয় + সরকারি ব্যয় + নীট রপ্তানি
এখানে,
নীট রপ্তানি= মোট রপ্তানি - মোট আমদানি
৩| উৎপাদন পদ্ধতি বা Production Method:-
একটি দেশে উৎপাদিত সকল পণ্য এবং সেবার মোট বাজার মূল্যকে একত্রিত করার মাধ্যমে উৎপাদন পদ্ধতিতে জিডিপি নির্ধারণ করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে উৎপাদন এর বিভিন্ন ধাপে সংযোজিত মূল্যমান হতে প্রাপ্ত চুড়ান্ত পণ্যমূল্য টিকেই জিডিপি নির্ণয়ে ব্যবহার করা হয়। উৎপাদন পদ্ধতিতে জিডিপি পরিমাপ করার ক্ষেত্রে উৎপাদনকে তিনটি বৃহৎ ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। এগুলো হলো কৃষিকাজ হতে উৎপাদন, সেবা হতে উৎপাদন এবং শিল্প হতে উৎপাদন।
উৎপাদন পদ্ধতিতে জিডিপি নির্ণয়ের সমীকরণটি নিম্নরূপ-
জিডিপি= কৃষি উৎপাদন + শিল্প উৎপাদন + সেবা উৎপাদন + কর - ভর্তুকি
তাছাড়া উৎপাদিত সকল পণ্য এবং সেবার মোট বাজার মূল্যকে একত্রিত করেও জিডিপি নির্ধারণ করা যেতে পারে।
জিডিপি এর প্রবৃদ্ধি কী?
জিডিপি প্রবৃদ্ধি বলতে নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশের অর্থনীতিতে পণ্য ও সেবার উৎপাদন বৃদ্ধিকে বোঝায়। সাধারণত কোনো দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বৃদ্ধির শতকরা হারকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
সাধারণত কোনো বছরের জানুয়ারি মাস থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত কোনো দেশের যে পরিমাণ জিডিপি ছিলো, তার থেকে পরবর্তী এপ্রিল মাস থেকে জুন মাসের শেষ পর্যন্ত পাওয়া জিডিপি- এর মান বৃদ্ধি পেলে বলা যায় যে, সে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পেয়েছে।
জিডিপি প্রবৃদ্ধির খাত সমূহ
বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি আসে প্রধানত পাঁচটি খাত থেকে। সেগুলো হলো- উৎপাদন, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা, পরিবহন, নির্মাণ এবং কৃষি।
জিপিডিতে সংযুক্ত নতুন খাতসমূহ হলো-মোবাইল ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং, গরু ও হাঁস-মুরগি, নার্সারি, লটকন, ড্রাগন, স্ট্রবেরি, ক্যাপসিকাম, মাশরুম, আবাসন, ক্যাবল টেলিভিশন, ইন্টারনেট, হেলিকপ্টার।
মাথাপিছু জিডিপি কী? এবং তা নির্ণুয়ের পদ্ধতি
মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি বলতে জনপ্রতি বার্ষিক জিডিপিকে বোঝায়। কোনো নির্দিষ্ট আর্থিক বছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনকে উক্ত বছরের মধ্য সময়ের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলেই মাথাপিছু জিডিপি পাওয়া যায় ।
মাথাপিছু জিডিপি নির্ণয়ের সূত্র:
মাথাপিছু জিডিপি= কোনো নির্দিষ্ট বছরে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ÷ ঐ বছরে দেশের মোট জনসংখ্যা।
উদাহরন:
ধরুন, কোনো একটি দেশে এক বছরের মোট দেশজ উৎপাদন ১৫০০ কোটি টাকা এবং ঐ বছরের মোট জনসংখ্যা ২৫ কোটি।
তাহলে, ঐ বছরে দেশটির মাথাপিছু জিডিপি= মোট দেশজ উৎপাদন ÷ মোট জনসংখ্যা
সুতরাং, মাথাপিছু জিডিপি= (১৫০০ ÷ ২৫) = ৬০ কোটি।
একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জীবনযাত্রার মানের গড় প্রধান সূচকই হলো মাথাপিছু জিডিপি। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুসারে এ সূচক দ্বারা দেশটি কি উন্নত নাকি অনুন্নত বা উন্নয়নশীল তা নির্ণয় করা যায়। যদি মাথাপিছু জিডিপি একটি নির্দিষ্ট স্তরের বেশি হয় তবে বুঝতে হবে দেশটি উন্নত, আর যদি তা থেকে কম হয়, তবে বুঝতে হবে দেশটি অনুন্নত বা উন্নয়নশীল। তবে বর্তমানে এ ভাবে না দেখে উচ্চ আয়ের দেশ, মধ্যম আয়ের দেশ এবং নিম্ন আয়ের দেশ হিসাবে দেখার রীতি চালু হয়েছে।
জিডিপি এর নির্ধারক বা Determinants of Gross Domestic Product
মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি কত হবে তা নির্ভর করে দেশের ভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ, শ্রম, মূলধন, প্রযুক্তি, এসব সম্পদের পরিমাণ ও উৎপাদনশীলতার উপর। এ জন্য এদেরকে মোট দেশজ উৎপাদনের নির্ধারক বলা হয়ে থাকে। নিচে জিডিপির নির্ধারক গুলোর গুরুত্ব ব্যাখা করা হলো:
১| ভূমি (Land):-
মোট দেশজ উৎপাদন ভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদের উপর নির্ভর করে। প্রাকৃতিক সম্পদের পর্যাপ্ত ব্যবহার সম্ভব হলে এবং কৃষিপণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উর্বর ভূমি থাকলে দেশজ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। ফলে ভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ মোট দেশজ উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ নির্ধারক।
২| শ্রম (Labour):-
যেকোনো দেশের শ্রম মোট দেশজ উৎপাদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্ধারক। দক্ষ ও কর্মক্ষম শ্রম মোট দেশজ উৎপাদন বৃদ্ধির সহায়ক। শ্রমিকের সংখ্যা যদি বাড়ে এবং সে যদি প্রযুক্তির ব্যবহার জানে এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়, তবে মোট দেশজ উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।
৩| মূলধন (Capital):-
মূলধন মোট দেশজ উৎপাদন বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক নির্ধারক। আজকের উন্নত দেশসমূহে মোট দেশজ উৎপাদন বৃদ্ধির মূলে মূলধন কাজ করে। আবার অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশসমূহ মূলধনের অভাবের কারণে মোট জাতীয় আয় ও মোট দেশজ উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পারে না। সুতরাং মূলধন মোট দেশজ উৎপাদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্ধারক।
৪| প্রযুক্তি (Technology):-
প্রযুক্তির উপর মোট দেশজ উৎপাদন বহুলাংশে নির্ভর করে। প্রযুক্তির উন্নয়ন নানাভাবে হতে পারে। যেমন নতুন আবিষ্কার, যন্ত্রপাতির ডিজাইন ও দক্ষতার উন্নতি, নতুন মালামালের আবিষ্কার ইত্যাদি। উদাহরণস্বরূপ, কৃষি খাতে চিরায়ত বীজের পরিবর্তে উচ্চ ফলনশীল (উফশী) বীজ ব্যবহার করে ধানের উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। একইভাবে উন্নত জাতের বীজ ব্যবহার করে লাউ, কুমড়া, ঢেঁড়স ইত্যাদি সবজির উৎপাদনও বেড়েছে। প্রযুক্তি মূলত উৎপাদন উপকরণের উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে একই সমান উৎপাদন উপকরণ দিয়ে অধিক উৎপাদন সম্ভব হয়।
উপসংহার
বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নির্ণায়ক সূচক হিসেবে জিডিপি (Gross Domestic Product) বহুল প্রচলিত এবং সম্ভবত একমাত্র উপায়। কিন্তু জিডিপির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার সত্যিকার প্রতিফলন ঘটে না। এজন্য সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, সাধারণ মানুষের জীবনমান সত্যিকারভাবে প্রতিফলিত করার জন্য জিডিপি নির্ধারণের বর্তমান পদ্ধতির সংস্কার-আধুনিকায়ন, প্রয়োজনে পরিবর্তন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। আশাকরি খুব দ্রুতই আধুনিক অর্থনীতির সাথে মিল রেখে জিডিপি তে সকল খাত কে অন্তর্ভুক্ত করবে এবং নতুন পদ্ধতি ব্যবহার করবে দেশের নীতি-নির্ধারকরা।
- অর্থনীতি বই, প্রথম আলো, দ্য বিজনেস স্টান্ডার্ড, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
Next to read
ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ? ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রসমূহ


Needs, Wants, Demands (প্রয়োজন, চাওয়া এবং চাহিদা)

লোগোর উদাহরন (Example of Logos)

বিক্রয়ের ১০টি ভুল যেগুলো প্রতিটি বিক্রয়কর্মীর এড়ানো উচিৎ

মার্কেটিং এ ৫ সি (5 C's Of Marketing)

ব্র্যান্ড আর্কিটেকচার কী? সংজ্ঞা, মডেল এবং উদাহরণ

পঞ্জি স্কিম সংজ্ঞা এবং উদাহরণ

Startup funding Pre-seed to series A, B, C brief discussion

কর্পোরেট ট্যাক্সেশন এবং আন্তর্জাতিক সমস্যা (Corporate Tax)
