ফরেক্স মার্কেট ইন অ্যা নাটশেল

539
article image

ফরেক্স বা ফরেইন এক্সচেঞ্জ হলো একটি কারেন্সি এক্সচেঞ্জ মার্কেটপ্লেস যেখানে আপনি এক দেশের কারেন্সি থেকে আরেকটি দেশের কারেন্সি তে টাকা পরিবর্তন করেন। সাধারণত এই ধরনের মার্কেটে বিভিন্ন ব্যক্তি, ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠান যারা বিদেশে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে তারা ব্যবহার করে। এটি অনলাইন এবং অফলাইন ২ টি মাধ্যমেই ব্যবহার করা যায় এবং 24/7 ফরেক্স ওপেন থাকে। ফরেক্স মার্কেটে ডেইলি ৬.৬ ট্রিলিয়ন ডলারের মত অ্যামাউন্ট ট্রেড হয়। এই ফরেক্স এর সাহায্যেই বিভিন্ন দেশে বিনিয়োগ এবং ফাইন্যান্সিয়ল ট্রান্সেকশন এর মতো গুরুত্বপূর্ণ কিছু অপারেশন সংঘটিত হয়।

Key Points

  • ফরেক্স এর সাহায্যে আপনি যেকোনো দেশের কারেন্সি এক্সচেঞ্জ করতে পারবেন বিভিন্ন রেটে
  • ফরেক্স মার্কেটে ৩ টি ভাগ রয়েছে
  • ফরেক্স মার্কেট 24/7 ওপেন থাকে
  • দেশের মুদ্রার মানের উপর ভিত্তি করে ফরেক্স মার্কেটে সেটির ভ্যালু নির্ধারণ করা হয়
  • ইনফ্লেশন, এক্সপোর্ট, ইন্টারেস্ট এর মতো কিছু ফ্যাক্টর আপনার মুদ্রাকে শক্তিশালী করে তুলে
  • ফরেক্স মার্কেটে ইনভেস্টমেন্ট এর জন্য পর্যাপ্ত নলেজ প্রয়োজন।

ভূমিকা

ধরুন আপনি বাংলাদেশ এয়ারপোর্টে বসে আছেন এবং কানাডা যাচ্ছেন। আপনি যখন বাংলাদেশ ছাড়বেন তখন বাংলাদেশি টাকার আর কোন মূল্য নেই। তাই আপনি এয়ারপোর্টে কারেন্সি এক্সচেঞ্জ শপ এ গেলেন এবং সেখানে আপনি ২০,০০০ টাকা দিলেন। তখন তারা আপনাকে কানাডিয়ান টাকা অনুসারে যত ডলার হয় সেটি দিবে; যেটি দাঁড়ায় এখনকার রেটে ২৪৭.৭৮ কানাডিয়ান ডলার বর্তমান রেটে। এই যে আপনি যেই পদ্ধতি টা ব্যবহার করলেন কারেন্সি চেঞ্জ করতে এটিই হলো ফরেইন এক্সচেঞ্জ যেটিকে ফরেক্স বলেও ডাকা হয়।

এই ফরেক্স মার্কেট সম্পূর্ণ De Centralized অর্থাৎ এর কোন অফিস নেই। দেশের বর্ডার অসংখ্য জায়গায় এরকম অনেক শপ দেখবেন যারা এই ব্যবসা করে থাকে। এছাড়া ফর্মাল ওয়ে তে বিভিন্ন কমার্শিয়াল ব্যাংক, ব্রোকার, রেমিটেন্স কালেক্ট করা বিভিন্ন কোম্পানি, এমএনসি, এমনকি কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং একটি দেশের সরকার এই ফরেক্স এর সাথে যুক্ত। বিভিন্ন সরকারি যেই বড় বড় ট্রেড হয়ে থাকে বাইরের দেশের সাথে সেখানেও এই ফরেক্স ট্রেড এর থ্রু তে কারেন্সি এক্সচেঞ্জ হয়ে থাকে। একটি দেশ যদি গ্লোবালি প্রোগ্রেস করতে চায় সেখানে এই ফরেইন মার্কেট এর প্রয়োজন পড়ে।

ফরেক্স মার্কেট

সাধারণত ৩ ধরনের ফরেক্স মার্কেট আপনি দেখতে পাবেন

১. স্পট ফরেক্স মার্কেট

এই ধরনের মার্কেট এ আপনি সরাসরি কারেন্সি এক্সচেঞ্জ করতে পারবেন। এই যে কিছুক্ষণ আগে যেই এয়ারপোর্টের উদাহরণ দিলাম সেটা একটা স্পট ফরেক্স মার্কেট। আপনি সেখানে টাকা দিলেই আপনাকে সাথে সাথে কারেন্সি এক্সচেঞ্জ করে দিবে। আপনি এয়ারপোর্ট , বাস স্ট্যান্ড ( বর্ডারের ২ পাশেই এরকম অনেক দোকান দেখবেন)। এখানে যেটি মাথায় রাখতে হবে সেটি হলো তারা আপনাকে কখনো সঠিক দাম দিবে না। অর্থাৎ ১ ডলারে ৮০ টাকা হলে তারা আপনাকে এর থেকে কম দাম দিবে। পরে আরেকজনের কাছে লাভে সেটি বিক্রি করবে। সরকার এগুলো উপর অনেক নীতি প্রয়োগ এবং নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।

২. ফরোয়ার্ড ফরেক্স মার্কেট

এই ট্রেডিং টা কাজে লাগায় বিভিন্ন কোম্পানি। যেখানে আপনি আগে একটা ডিল করে রাখেন এবং একটা নির্দিষ্ট সময় পর কারেন্সিটা এক্সচেঞ্জ করেন। এতে করে আপনাকে ইনফ্লেশন রেট নিয়ে আর চিন্তা করতে হয় না। ধরুন, আপনি জানুয়ারি ১ তারিখ ডিল করলেন আর জানুয়ারি ৩১ তারিখ কারেন্সি এক্সচেঞ্জ করলেন। সেক্ষেত্রে আপনাকে ১ তারিখ যেই কারেন্সি এক্সচেঞ্জ রেট ছিল সে অনুসারে ডিল করতে হবে।

৩. ফিউচার ফরেক্স মার্কেট

এটি অনেকাংশে ফরোয়ার্ড ফরেক্স মার্কেট এর মতো। মূল পার্থক্য হলো ফিউচার ফরেক্স মার্কেট অনেক অর্গানাইজড এবং হাইলি রেগুলেটেড। এখানে প্যাকেজ সাইজ, এক্সপাইরি ডেইট সব কিছু নিয়ন্ত্রিত হয়। এখানে ক্লিয়ারিং হাউজ থাকবে যেটি ইন্টারমিডিয়ারি হিসেবে কাজ করে। এই মার্কেটে ট্রান্সপারেন্সি অনেক বেশি থাকে ফরোয়ার্ড মার্কেটের তুলনায়।

ফরেক্স মার্কেটের ফ্যাক্টরস

ফ্যাক্টরস যেগুলো ফরেক্স মার্কেটে আপনার মুদ্রার মান নির্ধারণ করবে

আমরা ছোট থাকতে প্রায় সময় চিন্তা করি ১ টাকা সমান ১ ডলার নয় কেন? অথবা ১ ডলার সমান যে ৯০ টাকা এটা কিভাবে ঠিক করা হয়। খুব সহজভাবে চিন্তা করলে আপনার দোকানে যেই জিনিসটা বেশি বিক্রি হবে সেই জিনিসটার দাম তুলনামূলক বেশি হবে । সাপ্লাই এন্ড ডিমান্ড। ঠিক একইভাবে একটি দেশের কারেন্সির ভ্যালু নির্ধারণ করা হয় সেটির ডিমান্ড এবং সাপ্লাই এর উপর। এই ২ টি বিষয় বলে দিবে ফরেক্স মার্কেটে আপনার কারেন্সির ভ্যালু কত, মার্কেটে এই বিষয়টি নির্ধারণ করে মূলত ৫ টি বিষয় এর উপর

১. মূল্যস্ফীতি (Inflation)

এটি হচ্ছে সবথেকে রুট ফ্যাক্টর যেটি ফরেক্স মার্কেটে কারেন্সি ভ্যালু নির্ধারণ করে। এবং বাকি ফ্যাক্টরগুলো কোনো না কোন ভাবে এই ইনফ্লেশন এর সাথে জড়িত। ইনফ্লেশন কে সহজ একটা উদাহরণ দিয়ে বললে আপনি আগে ১০ টাকা দিয়ে যে চিপ্স কিনতেন সেটির দাম এখন ১০ টাকার থেকে বেশি। এই ইনফ্লেশনের কারণে পণ্যের দাম বেড়ে গিয়েছে এবং আপনাকে আরো বেশি টাকা আয় করতে হবে সেই চিপ্স কেনার জন্য এখন । একটি দেশের ইনফ্লেশন রেট যত বেশি হবে তার মূল্য অন্যান্য দেশের মুদ্রার তুলনায় তত কমে যাবে কারণ আপনি অনেক কম জিনিস কিনতে পারেন। এখন ফরেক্স মার্কেটে এর ইম্প্যাক্ট দেখেন

ধরুন বাংলাদেশ আর ভারত। বছরের শুরুতে দুই দেশের কারেন্সি এক্সচেঞ্জ রেট ১ঃ১ । এখন সময়ের সাথে সাথে বাংলাদেশে ইনফ্লেশন কম অর্থাৎ পণ্যের দাম তেমন বেশি উপর নিচু হয় না যেখানে ভারতে ইনফ্লেশন অনেক হাই হয়ে গেছে । এখন আপনি ১০ টাকায় যে জিনিস কিনতে পারবেন ১০ রুপি দিয়ে আরো কম জিনিস কিনতে পারবেন। ইনফ্লেশন এর কারণে ভারতকে অনেক রুপি ছাপাতে হয়েছে । আর এই রুপির সাপ্লাই যখন বেশি হয়ে গেলো তখন এই রুপির ডিমান্ড ও কমে গেলো । এই কারণে ফরেইন মার্কেটে ভারতের রূপির দাম কমে যাবে।

২. ইন্টারেস্ট রেট

আমরা টাকা ব্যাংকে জমা বা কোথাও ইনভেস্ট করার আগে যেই প্রশ্ন করি সেটি হচ্ছে “ইন্টারেস্ট রেট কত” ইন্টারেস্ট যত বেশি সেখানে ইনভেস্ট হয় ও তত বেশি। সেইম বিষয় এখানে কাজ করে। ধরুন বিনিয়োগকারীদেরই উদাহরণ। যে বিনিয়োগ করে সে চাই ম্যাক্সিমাম প্রফিট করতে। এখন যদি একটি দেশ অফার করে আমরা হাই ইন্টারেস্ট পে করি তাহলে সে দেশের কারেন্সির ডিমান্ড অনেক বেড়ে যাবে। আর এই ডিমান্ড বেড়ে যাওয়ার কারণে সেই দেশের কারেন্সির ভ্যালু ও বেড়ে যায় ফরেক্স মার্কেট এ কারণ সবাই তাদের কারেন্সি টা কিনেই সে দেশে ইনভেস্ট করতে চাবেন।

৩. ট্রেড ডেফিসিট

একটি দেশ চাইলে যত টাকা তত ছাপাতে পারে না। যদি ছাপাই তাহলে সেটি ইনফ্লেশনে রূপ নেয়। এখন ধরুন ২ টি দেশের মধ্যে ট্রেড হচ্ছে এবং একটি দেশ আরেকটি দেশের থেকে যত বেশি এক্সপোর্ট করেছে তার থেকে বেশি ইম্পোর্ট করেছে । এখন যার থেকে কেনা হচ্ছে তাকে পে করার জন্য অতিরিক্ত টাকা ছাপাতে হচ্ছে। এই অতিরিক্ত মুদ্রা ছাপানোতে তৈরি হবে ইনফ্লেশন। আর ইনফ্লেশন যেখানে বেশি ফরেক্স এ সেই মুদ্রার দামও কম।

৪. ঋণ

একটি দেশ যদি ভারী ঋণের আওতায় থাকে তাহলে সেটি যেকোনো সময় দেওলিয়া হওয়ার ভয় থাকে । যার কারণে সেই দেশে বিনিয়োগ অনেক কম হয় কারণ সেখানে টাকা হারানোর সুযোগ অনেক বেশি থাকে আর কেউ লোনও দিতে চাই না। সেক্ষেত্রে দেশটিকে অতিরিক্ত কারেন্সি ছাপাতে হয় এবং যার কারণে সেখানে মূল্যস্ফীতি হয়ে থাকে। শ্রীলংকা, জিম্বাবুয়ে এর মতো দেশ হলো সবথেকে ভালো উদাহরণ। আর যখনই আপনি টাকা ছাপানো শুরু করেন তখনই আপনি ইনফ্লেশনের কবলে পড়ে যান এবং একটি চক্রে আটকে যান।

৫. ইকোনোমিক পারফমেন্স

বিশ্বের সবথেকে দামী টাকা হচ্ছে কুয়েতি দিনার যেটি প্রায় ৩.৯১ ডলারের সমান। এর কারণ কি? কুয়েত বর্তমানে বিশ্বে তেল ও গ্যাসের অন্যতম বড় এক্সপোর্টার যার অর্থ তাদের ইকোনোমিক পারফমেন্স অনেক ভালো এবং সবাই যখন তাদের থেকে তেল নিয়ে থাকে তাদেরকে কুয়েতি দিনার এ পে করতে হয় । কুয়েতে কয়েক বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ ও হয়। তাই এই মুদ্রার চাহিদা ও অসম্ভব রকম বেশি। এই কারণে ফরেক্স মার্কেটে কুয়েতি দিনারের প্রাইস বেশি হয়।

ফরেক্স কেন গুরুত্বপূর্ণ

ফরেইন এক্সচেঞ্জ একটি দেশের গ্লোবাল পজিশনিং এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এর কারণ

আপনার কাছে যতবেশি ডলার আপনি তত বেশি ধনী- এখন বর্তমানে ডলার হলো গ্লোবাল ট্রেডিং এর সিম্বল। আপনি যদি ইউক্রেন এর সাথে কোন কিছু কেনা বেচা করেন তাহলে এটি ২ টি ধাপে সম্পন্ন হবে। প্রথম ধাপে, আপনার টাকাকে আপনি ডলার এ কনভার্ট করবেন এরপর ইউক্রেন কে সেই ডলার পাঠানো হলে ইউক্রেন সেটিকে ইউক্রেন এর কারেন্সি যেটি Ukrainian hryvnia বলা হয় সেটিতে কনভার্ট করবে। এভাবে গ্লোবাল ট্রেড গুলো হয়ে থাকে । এখন আপনার কারেন্সির ভ্যালু যদি বেশি হয় সেক্ষেত্রে আপনি কম টাকায় অনেকগুলো ডলার কনভার্ট করাতে পারবেন যা জন্য আপনার ডলার খরচ কম হবে। আপনার পকেটে যতবেশি ডলার থাকবে আপনি ততবেশি শক্তিশালী হবেন । আর সেটির জন্য শর্ত একটাই আর সেট হচ্ছে আপনার মুদ্রা কে শক্তিশালী হতে হবে।

ফরেক্স মার্কেট ইকোনমি তে কেন গুরুত্বপূর্ণ

ফরেক্স মার্কেট ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেট, ফাইন্যান্সিয়াল ট্রান্সেকশন, সেটেলমেন্ট এ সাহায্য করে। সহজভাবে বললে একটি দেশের গ্লোবাল ট্রেডের সাহায্যে ফরেক্স ইকোনমি তে ইমপ্যাক্ট ফেলে।

ফাইন্যান্সিয়াল ট্রান্সেকশ

একট দেশ কখনো নিজে নিজে সবকিছু করতে পারবে না। আপনাকে কোন না কোন দেশের উপর নির্ভর করতেই হবে। বাংলাদেশ এ রাশিয়া, চীন, জাপান এর মতো দেশ বিভিন্ন প্রজেক্টে এ সাহায্য করছে । এখন তাদের যদি পে করতে হয় আপনি তাদের টাকা দিতে পারবেন না। তারা আপনার থেকে এমন এক কারেন্সি নিবে যেটি তারা নিজেদের রূপি তে কনভার্ট করতে পারে। সেটিই হলো ডলার। এই ডলার যদি আপনার কাছে না থাকে আপনি দেশের বাইরে কোন ট্রেড করলে সেখানে কোন পেমেন্ট মেক করতে পারবেন না। তাই গ্লোবাল ট্রেডে এই ফরেক্স ট্রেডিং ইম্প্যাক্ট ফেলবে।

ইনভেস্টমেন্টঃ

বাংলাদেশে এখন পরযযন্ত ৬ টিরও দেশ বিভিন্ন প্রজেক্টে ইনভেস্টমেন্ট করেছে। বিভিন্ন এমএনসি, ভেনচার ক্যাপিটাল কিংবা এনজিও বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন প্রজেক্টে ইনভেস্ট করতে চায়। সেক্ষেত্রে কারেন্সি এক্সচেঞ্জ এর জন্য ফরেক্স মার্কেট এর প্রয়োজন পড়ে।

ফাইন্যান্সিয়াল সেটেলমেন্ট

২ টি দেশের ব্যাংক এর মধ্যে চেক, ড্রাফট এর মতো ইস্যুতে ফাইন্যান্সিয়াল সেটেলমেন্টে এ ২ টি দেশের এক্সচেঞ্জ রেট কত হওয়া উচিত সেটি নির্ধারণ করে। এমনকি একটি ব্যাংক যদি অন্য ব্যাংক থেকে লোন ও নিয়ে থাকে সেই ক্ষেত্রে ফরেক্স মার্কেট এর মাধ্যমে এক্সচেঞ্জ রেট ফিক্স হয়।

হেডজিং

যখন একজন রপ্তানিকারক অন্য দেশ থেকে অর্ডার পায়, তখন পণ্যটি পাঠানোর জন্য একটি নির্দিষ্ট ডেডলাইন পেয়ে থাকে। এরমধ্যে, দেশীয় মুদ্রা ডলারের বিপরীতে মান হারাতে পারে। এর মানে, রপ্তানিকারক যে টাকা পাওয়ার কথা তা নাও পেতে পারে। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে, একজন রপ্তানিকারক এমনকি ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। এই ধরনের সমস্যা এড়াতে, একজন রপ্তানিকারক লেনদেনকারী ব্যাংকের সাথে একটি চুক্তিতে প্রবেশ করে এক্সচেঞ্জ রেট লক করতে পারে, যা ফরেক্স বাজারকে অবস্থান হেজ করতে এবং তার ব্যবসা কে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচাতে সাহায্য করবে।

উপসংহার

ফরেক্স মার্কেট বিভিন্ন দেশের মধ্যে ট্রেড একটি সহজ উপাইয়ে তুলে ধরেছে। ফরেক্স এর সাহায্যে এখন প্রতিদিন ট্রিলিয়ন ডলারের ডিল হয়ে থাকে। একটি দেশকে অন্য একটি দেশের সাথে কানেক্ট করার ক্ষেত্রে ফরেক্স বিশাল ভাবে অবদান রেখেছে। বর্তমান্ন পৃথিবীতে ইকোনোমি ওয়্যার চলে। যে দেশ যতবেশি উন্নত সে তত এগিয়ে যাচ্ছে। আর এই এগিয়ে যাওয়ার নির্দেসক হিসেবে ফরেক্স নিঃসন্দেহে একটি আদর্শ সিম্বল।

  • https://www.thomascook.in/blog/know-about-the-factors-affecting-foreign-exchange-rates#:~:text=These%20factors%20include%20inflation%20rates,equivalent%20to%2082.79%20Indian%20rupees.
  • https://www.managementstudyguide.com/advantages-and-disadvantages-of-forex-market.htm
  • https://www.investopedia.com/terms/forex/f/foreign-exchange-markets.asp#:~:text=There%20are%20three%20main%20forex,On%20the%20spot.
  • https://www.tbsnews.net/analysis/not-exactly-what-forex-market-needed-709342
  • https://groww.in/blog/factors-influencing-foreign-exchange-rates
  • https://www.ig.com/en/forex/how-to-trade-forex
Next to read
Canvas & Methods
মিনিমাম ভায়েবল প্রোডাক্ট (Minimum Viable Product)
মিনিমাম ভায়েবল প্রোডাক্ট (Minimum Viable Product)

অধিক শ্রম ও অর্থ খরচের এই ঝুঁকি এড়াতে সৃষ্টি হয়েছে এক নতুন ধরনের বিজনেস স্ট্র‍্যাটেজি যেখানে পণ্য প্রয়োজনীয় কিছু ফিচার দিয়ে বাজারজাত করা হয়। পরবর্তীতে গ্রাহকদের চাহিদা পর্যালোচনা করে ধীরে ধীরে এই পণ্যের উন্নয়ন করা হয় এবং নতুন নতুন উপাদান/ফিচার যুক্ত করা হয়। ব্যবসায়িক জগতে একে বলা হয় মিনিমাম ভায়েবল প্রোডাক্ট।

বেইট এন্ড হুক মডেল  (Bait & Hook Model)
Business Models
বেইট এন্ড হুক মডেল (Bait & Hook Model)
Needs, Wants, Demands (প্রয়োজন, চাওয়া এবং চাহিদা)
Business
Needs, Wants, Demands (প্রয়োজন, চাওয়া এবং চাহিদা)
লোগো ব্যবহারের সুবিধা অসুবিধা (Pros and Cons of Logo Usage)
Logo
লোগো ব্যবহারের সুবিধা অসুবিধা (Pros and Cons of Logo Usage)
লোগোর উদাহরন (Example of Logos)
Logo
লোগোর উদাহরন (Example of Logos)
নিট মুনাফা (net profit) সংজ্ঞা, সূত্র এবং কিভাবে হিসাব করবেন
Business
নিট মুনাফা (net profit) সংজ্ঞা, সূত্র এবং কিভাবে হিসাব করবেন
ইক্যুইটির সংজ্ঞা এবং অর্থ
Business
ইক্যুইটির সংজ্ঞা এবং অর্থ
ডিমার্কেটিং (DeMarketing)
Marketing
ডিমার্কেটিং (DeMarketing)
সেলস এবং মার্কেটিং কিভাবে একসাথে কাজ করে
Sales
সেলস এবং মার্কেটিং কিভাবে একসাথে কাজ করে
সেলস টার্গেট অর্জনের জন্য ১০টি বডি ল্যাঙ্গুয়েজ টিপস
Sales
সেলস টার্গেট অর্জনের জন্য ১০টি বডি ল্যাঙ্গুয়েজ টিপস