A Comprehensive Guide to Mutual Funds

অনেকজন বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগের অর্থ একসাথে করে তা একাধিক খাতে বিনিয়োগ করা’ই হচ্ছে মিচুয়াল ফান্ড। এই বিনিয়োগ থেকে আসা মোট রিটার্ন বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের অনুপাতে তাদের মাঝে ভাগ করে দেয়া হয়। আবার মিচুয়াল ফান্ডে কোনো ক্ষতি হলে তা’ও বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের অনুপাতে বহন করতে হয়। মিচুয়াল ফান্ডের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এই যে অনেক কম টাকা বিনিয়োগ করে’ও বেশ ভালো একটি বিনিয়োগ পোর্টফোলিও তৈরি করা যায়। আর সবচেয়ে বড় অসুবিধা হচ্ছে এই যে মিচুয়াল ফান্ড একজন ম্যানেজার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, তাই বিনিয়োগকারী চাইলেই কোনো স্টক বা বন্ড সেই ফান্ডে যোগ বা বিয়োগ করতে পারেন না।
Key Points
- অনেক ধরণের সিকিউরিটির মিশেল থাকায় মিচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগকারীরা সাধারণত ইনডিভিজুয়াল বিনিয়োগকারীদের তুলনায় বেশি ও স্টেবল রিটার্ন পান।
- স্টক ফান্ডের টাকা স্টক ক্রয়ের জন্য ও বন্ড ফান্ডের টাকা বন্ড ক্রয়ের জন্য ব্যবহার করা হয়।
- ফান্ডের উদ্দেশ্য অনুযায়ী ম্যানেজার রিসার্চ ও নিজের অভিজ্ঞতার সাহায্যে ভালো ভালো স্টক ও বন্ড খুজে বের করেন এবং সেগুলোতে ফান্ডের টাকা বিনিয়োগ করেন।
- কোনো বিনিয়োগকারীর ফান্ডে কি পরিমাণ শেয়ার রয়েছে তা মূলত ফান্ডের নেট-অ্যাসেট ভ্যালুর ওপর নির্ভর করে নির্ধারণ করা হয়।
ভূমিকা
একজন বিনিয়োগকারীর পক্ষে ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেটে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি মূলধন বিনিয়োগ করা সম্ভব হয় না। মূলধণের পরিমাণ কম হলে শেয়ারে বিনিয়োগ করবেন নাকি বন্ডে, তা নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় পরে যান। আবার শেয়ার ও বন্ডের অনেক প্রকার থাকায় কোনগুলোতে বিনিয়োগ করা উচিত তা বুঝে ওঠা বেশ কঠিন হয়ে পরে। এমতাবস্থায় কেমন হয় যদি অনেক ধরণের সিকিউরিটিতে এক সাথেই বিনিয়োগ করার একটি সুযোগ থাকে?
জি, মিচুয়াল ফান্ডগুলো এমনই সুযোগ করে দিয়েছে ইনডিভিজুয়াল বিনিয়োগকারীদের জন্য। হাই-পারফর্মিং সিকিউরিটি ও সেইফ সিকিউরিটিগুলোর ভালো মিশেল থাকে বলে গত কয়েক দশক ধরেই মিচুয়াল ফান্ডগুলো বেশ জনপ্রিয় হয়ে চলেছে। আমরা প্রতিনিয়তই মিচুয়াল ফান্ডের কথা শুনি বা বিজ্ঞাপন দেখি, তবে মিচুয়াল ফান্ড সম্পর্কে খুব কম সংখ্যক মানুষেরই স্বচ্ছ ধারণা রয়েছে।
তাই আজকের লেখায় আমরা মিচুয়াল ফান্ডের ধরণ, সুবিধা-অসুবিধা ও মিচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।
মিচুয়াল ফান্ড কী?
নাম থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে মিচুয়াল ফান্ড হচ্ছে এক ধরণের ফান্ড, যেখানে অনেকগুলো সোর্স থেকে আসা অর্থ একত্র করা হয়। আরো সহজ ভাষায় বললে, অনেকজন বিনিয়োগকারী নিজেদের অর্থ একত্র করে একটি ফান্ড গঠন করেন, তারপর সেই ফান্ডের টাকা দিয়ে বিভিন্ন ধরণের ফাইন্যান্সিয়াল সিকিউরিটিজ ক্রয় করা হয়। এতে করে অনেক বেশি পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ না করেই একজন বিনিয়োগকারী অনেক ধরণের সিকিউরিটির একটি পোর্টফোলিও পেয়ে যান। আবার অনেক ধরণের সিকিউরিটির মিশেল থাকায় মিচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগকারীরা সাধারণত ইনডিভিজুয়াল বিনিয়োগকারীদের তুলনায় বেশি ও স্টেবল রিটার্ন পান।
পুরো ফান্ডটি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একজন ফান্ড ম্যানেজার অ্যাসাইন করা হয়। তিনি বিনিয়োগকারীদের হয়ে ফান্ডের বিনিয়োগ সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে থাকেন। বর্তমানে বিভিন্ন মিচুয়াল ফান্ড কোম্পানী তৈরি হয়েছে, যাদের কাজই মূলত মিচুয়াল ফান্ড ম্যানেজ করা।
বিভিন্ন ধরণের মিচুয়াল ফান্ড
বিশ্বজুড়ে এখন অনেক ধরণের মিচুয়াল ফান্ডের দেখা পাওয়া যায়। আমরা এখানে উল্লেখযোগ্য কিছু মিচুয়াল ফান্ড সম্পর্কে তুলে ধরছি।
১। ইক্যুইটি ফান্ড
ইক্যুইটি ফান্ড বা স্টক ফান্ডের টাকা মূলত বিভিন্ন কোম্পানীর শেয়ার ক্রয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এই ফান্ডের মাধ্যমে স্টক মার্কেটে বেশ ভালো এক্সপোজার পাওয়া যায় এবং এই ফান্ডের রিটার্ন সাধারণত অন্যান্য ফান্ডের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে। ইক্যুইটি ফান্ডকে আবার কিছু সাবক্যাটাগরিতে ভাগ করা যায়, যেমন - হাই-ক্যাপ, মিড-ক্যাপ, লো-ক্যাপ ফান্ড ইত্যাদি। সাধারণত কোন ধরণের কোম্পানীতে বিনিয়োগ করা হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে এই ভাগ করা হয়।
২। বন্ড ফান্ড
বন্ড ফান্ডের টাকা মূলত বিভিন্ন ধরণের বন্ড ক্রয়ের কাজে ব্যবহার করা হয়। ইক্যুইটি ফান্ডের তুলনায় বন্ড ফান্ডের ঝুকিঁর পরিমাণ অনেক কম থাকে। আবার যেহেতু ঝুকিঁ কম, তাই স্টক ফান্ডের তুলনায় এই ফান্ডে বেশ কম রিটার্ন পাওয়া যায়। তবে কম হলেও, এই ফান্ড থেকে বেশ স্টেবল রিটার্ন আসে। বন্ড ফান্ডকে আবার বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বিভিন্ন সাবক্যাটাগরিতে ভাগ করা যায়, যেমন - করপোরেট বন্ড ফান্ড, গভর্নমেন্ট বন্ড ফান্ড, হাই-ইল্ড বন্ড ফান্ড ইত্যাদি।
৩। ইনডেক্স ফান্ড
ইনডেক্স ফান্ডের টাকা মূলত স্টক মার্কেটের বিভিন্ন ইনডেক্সে বিনিয়োগ করা হয়, যেমন - আমেরিকার S&P 500। এই ফান্ডের মাধ্যমে বিশেষ ঝুকিঁ ছাড়াই স্টক মার্কেটের সেরা পারফর্ম করা কোম্পানীগুলোর শেয়ার পাওয়া যায়। আবার ফান্ড ম্যানেজারের অভিজ্ঞতা এখানে বিশেষ একটা প্রয়োজন না হওয়ায়, এই ফান্ডের খরচ’ও অনেক কম হয়ে থাকে। ইনডেক্স ফান্ডের রিটার্ন বন্ড ফান্ডের মতোই বেশ স্টেবল হয়ে থাকে।
৪। মানি মার্কেট ফান্ড
মানি মার্কেট ফান্ডের টাকা মূলত মুদ্রাবাজারের বিভিন্ন স্বল্পমেয়াদি সিকিউরিটি যেমন - ট্রেজারি বিল ক্রয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এই ফান্ডের ঝুকিঁ বেশ কম এবং কম সময়ে বেশ স্টেবল রিটার্ন জেনারেট করে।
৫। টার্গেট-ডেট ফান্ড
এই ফান্ডের টাকা মূলত একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্টক ও বন্ড দ্বারা তৈরি একটি পোর্টফোলিওতে বিনিয়োগ করা হয়। টার্গেট ডেট আসা পর্যন্ত ফান্ডে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করা হয় যাতে আশানুরুপ রিটার্ন পাওয়া যায়। মূলত রিটায়ারমেন্টের জন্য যারা বিনিয়োগ করে থাকেন এই আশায় যে রিটায়ারমেন্টের পর ফান্ডের টাকা তুলে নিবেন, তাদের জন্য এই ফান্ডে বিনিয়োগ করা সর্বোত্তম।
৬। সেক্টর ফান্ড
সেক্টর ফান্ডের টাকা মূলত অর্থনীতির কোনো স্পেসিফিক সেক্টরে বিনিয়োগ করা হয়, যেমন - টেকনোলজি, স্বাস্থ্য বা এনার্জি ইত্যাদি। দেশের কোনো সেক্টর ভালো করা শুরু করলে মূলত সেই সেক্টরকে ঘিরে এমন ফান্ড গড়ে ওঠে। এই ফান্ডকে অনেক বেশি ঝুকিঁপূর্ণ ধরা হলেও এই ফান্ড থেকে রিটার্ন’ও অন্য যেকোনো ফান্ডের তুলনায় বেশি আসে।
মিচুয়াল ফান্ড কীভাবে কাজ করে?
শুরুতেই বলেছি যে মিচুয়াল ফান্ডে মূলত অনেকজন বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগ একত্র করা হয়। আর তারপর সেই ফান্ডের টাকা বিভিন্ন স্টক ও বন্ডে বিনিয়োগ করে একটি পোর্টফোলিও তৈরি করা হয়। একজন বিনিয়োগকারীর পক্ষে অনেক ধরণের সিকিউরিটির অ্যাক্সেস পাওয়া সম্ভব নয়, তাই মিচুয়াল ফান্ডের মাধ্যমে এই কাজ করা হয়।
মিচুয়াল ফান্ড দেখা-শোনা করার দায়িত্ব একজন ফান্ড ম্যানেজারকে দেয়া হয়। এটা কোনো কোম্পানী’ও হতে পারে। ফান্ডের উদ্দেশ্য অনুযায়ী ম্যানেজার রিসার্চ ও নিজের অভিজ্ঞতার সাহায্যে ভালো ভালো স্টক ও বন্ড খুজে বের করেন এবং সেগুলোতে ফান্ডের টাকা বিনিয়োগ করেন। আবার ফান্ডের পারফরম্যান্স মনিটর করার দায়িত্ব’ও তাদের কাধেই থাকে, তাই ফান্ড ভালো পারফর্ম না করলে তারা ফান্ডে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন নিয়ে আসেন।
মিচুয়াল ফান্ডের টাকা কোন ধরণের সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করা হবে তা ফান্ডের উদ্দেশ্যের ওপর নির্ভর করে। যেমন - দীর্ঘমেয়াদি রিটার্নের আশা থাকলে বেশিরভাগ অর্থ স্টকে বিনিয়োগ করা হয়, আবার স্টেবল রিটার্ন যদি প্রধান উদ্দেশ্য হয়ে থাকে তাহলে ফান্ডের বেশিরভাগ অর্থ বন্ডে বিনিয়োগ করা হয়।
কোনো বিনিয়োগকারীর ফান্ডে কি পরিমাণ শেয়ার রয়েছে তা মূলত ফান্ডের নেট-অ্যাসেট ভ্যালুর ওপর নির্ভর করে নির্ধারণ করা হয়। আর ফান্ডের নেট-অ্যাসেট ভ্যালু গণনা করা হয় ফান্ডের টাকা কোন কোন সিকিউরিটিতে বিনিয়োগ করা আছে তার ওপর নির্ভর করে। ফান্ডের নেট-অ্যাসেট ভ্যালু সাধারণত প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হতে থাকে।
মিচুয়াল ফান্ডের সাথে বেশ কিছু ধরণের ফি জড়িত থাকে, যেমন - ম্যানেজমেন্ট ফি, সেলস চার্জ, অপারেটিং চার্জ ইত্যাদি। বিনিয়োগকারীদের ফান্ডের রিটার্ন দেয়ার সময় সাধারণত এসব ফি কেটে রাখা হয়।
মিচুয়াল ফান্ডে কীভাবে বিনিয়োগ করবেন?
মিচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করার জন্য আপনাকে সহজ কিছু ধাপ অতিক্রম করতে হবে।
১। মিচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করার আগে আপনাকে মিচুয়াল ফান্ড সম্পর্কে আরো পড়াশোনা করতে হবে। বর্তমানে দেশে মিচুয়াল ফান্ডের অবস্থা কি, বিনিয়োগকারীরা মিচুয়াল ফান্ড থেকে রিটার্ন পাচ্ছেন কি না বা কি হারে পাচ্ছেন ইত্যাদি আগেই জেনে নিতে হবে।
২। এরপর আপনাকে ফাইন্যান্সিয়াল গোল সেট করতে হবে। আপনি কি দীর্ঘ সময়ের জন্য বিনিয়োগ করতে চাইছেন নাকি স্বল্প সময়ের জন্য বিনিয়োগ করতে চাইছেন সেই সম্পর্কে আপনাকে আগেই জেনে নিতে হবে।
৩। উপর থেকে আশা করি জেনে গিয়েছেন যে একেক ধরণের মিচুয়াল ফান্ডের ঝুকিঁ একেক রকম। এখন আপনাকে ঠিক করতে হবে যে আপনি ঠিক কি পরিমাণ ঝুকিঁ নিতে রাজি আছেন এবং সেই অনুযায়ী মিচুয়াল ফান্ড সিলেক্ট করতে হবে।
৪। মিচুয়াল ফান্ডগুলো সাধারণত অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানীগুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তাই আপনাকে একটি ভালো অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানী সিলেক্ট করে সেখানে ইনভেস্টমেন্ট অ্যাকাউন্ট ওপেন করতে হবে।
৫। অ্যাকাউন্টে প্রয়োজনীয় পরিমাণ টাকা জমা করে অ্যাসেট ম্যানেজারকে জানালেই তারা আপনার কাঙ্ক্ষিত ফান্ডে বিনিয়োগের কাজ সম্পাদন করে দিবে।
মিচুয়াল ফান্ডের সুবিধা
সাম্প্রতিক সময়ে মিচুয়াল ফান্ডের জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে কাজ করেছে এর একাধিক সুবিধা -
বৈচিত্রায়ন
মিচুয়াল ফান্ডের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে অল্প টাকা বিনিয়োগ না করলেও তা অনেক ধরণের সিকিউরিটির মাঝে ভাগ হয়ে যায়। ফলে বিনিয়োগকারীর অতিরিক্ত কোনো এফোর্ট দেয়া ছাড়াই একটি ভালো পোর্টফোলিও তৈরি হয়ে যায়।
প্রফেশনাল ম্যানেজমেন্ট
মিচুয়াল ফান্ডের আরো একটি সুবিধা হচ্ছে এই যে এই ফান্ড কোনো একক বিনিয়োগকারী নিয়ন্ত্রণ করেন না। বরং প্রফেশনাল ও এক্সপার্ট মানুষ দ্বারা এই ফান্ড নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তিনি অনেক রিসার্চ করে এবং নিজস্ব অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে ভালো ভালো সিকিউরিটি চিহ্নিত করেন এবং সেগুলোতে বিনিয়োগ করেন।
সুবিধা
অন্যান্য সিকিউরিটির সাথে মিচুয়াল ফান্ডের পার্থক্য হচ্ছে এই যে এই ফান্ড খুব সহজ কিছু ক্লিকেই ক্রয়-বিক্রয় করে ফেলা যায়। এতে করে বিনিয়োগকারীদের অনেক সময় বেচে যায় এবং তাদের বিনিয়োগের কেয়ার করার জন্য পরবর্তীতে অতিরিক্ত সময়’ও ব্যয় করতে হয় না।
বেশি রিটার্ন
অনেক ধরণের সিকিউরিটির মিশেল ঘটানো থাকে বলে মিচুয়াল ফান্ড থেকে দীর্ঘমেয়াদে অন্যান্য সিকিউরিটির তুলনায় বেশি রিটার্ন আসে।
তারল্য
উপরেই বলেছি যে মিচুয়াল ফান্ড খুব সহজেই ক্রয়-বিক্রয় করা যায়। এতে করে বিনিয়োগকারীদের তারল্য ঝুকিঁতে পরতে হয় না।
মিচুয়াল ফান্ডের অসুবিধা
অনেকগুলো সুবিধার পাশাপাশি মিচুয়াল ফান্ডের বেশ কিছু অসুবিধা’ও রয়েছে।
শুরুতে কম রিটার্ন
মিচুয়াল ফান্ডের রিটার্ন স্টেবল ও ঝুকিঁ কম থাকায় ইনডিভিজুয়াল স্টকের তুলনায় শুরুতে এর রিটার্ন তুলনামূলক কম হতে পারে।
অতিরিক্ত-বৈচিত্রায়ন
বৈচিত্রায়ন যেকোনো বিনিয়োগের জন্যই আশির্বাদ স্বরুপ হলেও মিচুয়াল ফান্ডের মতো অতিরিক্ত বৈচিত্রায়নের কারণে অনেক সময় তা বিনিয়োগের ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে।
নিয়ন্ত্রণ
মিচুয়াল ফান্ডের নিয়ন্ত্রণ একজন এক্সপার্টের হাতে থাকার কারণে তা একটি সুবিধা হিসেবে কাজ করে। তবে এর অসুবিধা হচ্ছে এই যে নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতে থাকে না। ফলে যদি এমন কোনো কোম্পানীতে অর্থ বিনিয়োগ করা হয় যার ফিলোসফি আপনার সাথে যায় না, সেক্ষেত্রে’ও আপনি কিছুই করতে পারবেন না।
ম্যানেজারের ভুল
মিচুয়াল ফান্ডের ম্যানেজারের অভিজ্ঞতা ফান্ডের বিনিয়োগকারীদের জন্য আশির্বাদ স্বরুপ হলেও ম্যানেজারের দ্বারা নেয়া কোনো ভুল সিদ্ধান্তের ক্ষতি’ও কিন্তু বিনিয়োগকারীদেরই বহন করতে হয়।
খরচ
মিচুয়াল ফান্ড একজন প্রফেশনাল দ্বারা ম্যানেজ করতে হয় বলে অন্যান্য বিনিয়োগের তুলনায় মিচুয়াল ফান্ডের খরচ তুলনামূলক বেশি হতে পারে।
পরিসংহার
বর্তমান বিনিয়োগ দুনিয়ায় মিচুয়াল ফান্ড বেশ জনপ্রিয় একটি মিডিয়াম। মিচুয়াল ফান্ডের অনেক ধরণের সুবিধা থাকলেও, সব টাকা মিচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ না করে নিজের একটি ভালো পোর্টফোলিও তৈরির দিকে মনোযোগী হওয়া উচিত যেখানে মিচুয়াল ফান্ড, স্টক, বন্ড সব ধরণের সিকিউরিটি থাকবে। এতে হঠাৎ করে মার্কেটে কোনো পরিবর্তন আসলেও তা থেকে হওয়া ক্ষতির পরিমাণ সর্বনিম্ন রাখা সম্ভব হবে।
- https://www.sec.gov/investor/pubs/sec-guide-to-mutual-funds.pdf
- https://money.usnews.com/investing/funds/articles/best-guide-to-mutual-funds
- https://www.adityabirlacapital.com/abc-of-money/process-of-mutual-fund-and-working
- https://cowrywise.com/blog/mutual-funds-for-beginners/
- https://www.motilaloswalmf.com/investor-education/blog/beginners-guide-to-mutual-funds-how-to-invest-in-mutual-funds/
- https://scripbox.com/mf/mutual-fund-guide/
- https://www.ici.org/doc-server/pdf%3Ag2understanding.pdf
- https://wealthyhabbit.com/mutual-funds-a-comprehensive-guide/
Next to read
সোশ্যাল বিজনেস মডেল ক্যানভাস (Social Business Model Canvas)


কাস্টমার ডাটা মনেটাইজেশন মডেল (Customer Data Monetization Model)

বিজনেস মডেল ক্যানভাস ( Business Model Canvas)

ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ? ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রসমূহ

কাস্টমার এক্সপ্লোরেশন ম্যাপ (Customer Exploration Map)

লোগোর উদাহরন (Example of Logos)

মোট মুনাফা (Gross profit) সংজ্ঞা, সূত্র এবং উদাহরণ

CSR বা Corporate Social Responsibility কী?

ইক্যুইটির সংজ্ঞা এবং অর্থ
