মার্কেটিং এ ৫ সি (5 C's Of Marketing)

মার্কেটিং এর ৫ সি হল মার্কেটিং এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি ক্ষেত্র। মার্কেটাররা যখন মার্কেটিং সিদ্ধান্ত নেয়, তখন তাদের মার্কেটিং এর পাঁচটি সি বিবেচনা করা উচিত। কোম্পানি, গ্রাহক, সহযোগী, প্রতিযোগী এবং জলবায়ু হচ্ছে পাঁচটি সি এর স্ট্যান্ড। যখন আমরা একটা মার্কেটিং পরিকল্পনা তৈরি করি বা একটি মার্কেটিং কৌশল তৈরি করি তখন পাঁচটি সি একটি নির্দেশিকা হিসাবে কাজ করে।
Key Points
- ৫ সি একটি কোম্পানির জন্য মার্কেটিং সিদ্ধান্তের সাথে জড়িত পাঁচটি মূল ক্ষেত্র বিশ্লেষণ করতে ব্যবহৃত হয় এবং এতে অন্তর্ভুক্ত: কোম্পানি, গ্রাহক, প্রতিযোগী, সহযোগী এবং জলবায়ু।"
- "সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য এবং একটি সু-সংজ্ঞায়িত মার্কেটিং পরিকল্পনা এবং কৌশল তৈরি করার জন্য ৫ সি একটি কার্যকরী নির্দেশিকা।"
- এটি আপনাকে আপনার মূল কর্মক্ষমতা সূচক (KPIs) পরিমার্জিত করতেও সাহায্য করতে পারে যখন আপনি নতুন মার্কেটিং কৌশলগুলো তৈরি করেন এবং বাস্তবায়ন করেন।
মার্কেটিং এ ৫ সি কী?
মার্কেটিং পরিস্থিতি বিশ্লেষণ পরিচালনা করার বিভিন্ন উপায় রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় একটি কার্যকরী মডেল হচ্ছে- SWOT (শক্তি, দুর্বলতা, সুযোগ, হুমকি)। তবে এটি ছাড়াও, আরও একটি অধিক কার্যকরী মডেল রয়েছে যা মার্কেটিং এর ৫ সি নামে পরিচিত।
মার্কেটিং এর ৫ সি একটি সফল এবং সু-সংজ্ঞায়িত মার্কেটিং পরিকল্পনার পাঁচটি মূল ক্ষেত্র বিশ্লেষণ করতে কার্যকর। মার্কেটিং এর ৫টি সি এর গভীরে প্রবেশ করার আগে এর ৫টি অংশের নাম জেনে নেওয়া আবশ্যক। মার্কেটিং এর ৫ সি এর অন্তর্ভুক্ত ৫টি মার্কেটিং অংশ হলোঃ
- কোম্পানি
- কোলাবরেটর (সহযোগী)
- কাস্টমার (গ্রাহক)
- কম্পিটিটর (প্রতিযোগী)
- ক্লাইমেট (জলবায়ু)
এখানে লক্ষ করে দেখবেন যে প্রত্যেকটা অংশই ইংরেজী অক্ষর C দিয়ে শুরু। আর এজন্যই মূলত একে মার্কেটিং এর ৫ সি হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
যাই হোক, মার্কেটিং এর ৫ সি’কে পরিস্থিতি বিশ্লেষণ এবং সেই বিশ্লেষণের কাঠামো হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়, যা কোনো কোম্পানি কিংবা ব্যবসা অথবা ব্র্যান্ডের শক্তি এবং দুর্বলতা সম্পর্কে বলে থাকে।
কোনো ব্র্যান্ডের মার্কেটিং কৌশলের ক্ষেত্রে একটি উন্নত পরিকল্পনা থাকার জন্য, পাঁচটি মৌলিক শর্ত রয়েছে যা কোনো কোম্পানি বা ব্যবসাকে সর্বদা বিবেচনায় রাখতে হয়। আর এই ৫টি মৌলিক শর্তই মার্কেটিং এর ৫ সি এর অন্তর্ভুক্ত।
৫ সি বিশ্লেষণ পেশাদারদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে এবং মানসম্মত মার্কেটিং কৌশল তৈরি করতে সহায়তা করে। কারণ, একটি মার্কেটিং কৌশল তখনই বিদ্যমান থাকবে যখন একটি কোম্পানি সেটার পরিকল্পনায় সমস্ত লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য একত্রিত করবে আর মার্কেটিং এর ৫ সি এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মার্কেটিং এ ৫ সি হচ্ছে একটি সাধারণভাবে ব্যবহৃত পরিস্থিতি বিশ্লেষণ কৌশল যা মার্কেটারদেরকে তথ্যপূর্ণ ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
যাইহোক, একটি ৫সি বিশ্লেষণ কোনো কোম্পানির সম্মুখীন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি মূল্যায়ন করতে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে, এটি কোনো কোম্পানির স্বাস্থ্য পরীক্ষার মতোই অনুরূপ একটি বিষয়।
কার্যকারিতা এবং সরলতা বিবেচনা নিয়ে আসলে, ৫ সি বিশ্লেষণ হবে সবচেয়ে জনপ্রিয় পরিস্থিতিগত বিশ্লেষণ মডেলগুলির মধ্যে একটি। পাশাপাশি, ছোট থেকে মাঝারি আকারের ব্যবসার জন্য এটি একটি চমৎকার এবং কার্যকরী পছন্দ হতে পারে।
কোনো কোম্পানির ক্ষেত্রে, বছরে অন্তত একবার একটি ৫ সি বিশ্লেষণ প্রয়োগ করার সুপারিশ করা হয়। কারণ এটি বেশি সময় না নেওয়ার পাশাপাশি কোনো ব্যবসা বা কোম্পানিকে প্রভাবিত করে এমন বৃহত্তম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণগুলোর উপর নজর রাখতে সাহায্য করবে৷
এক নজরে মার্কেটিং এর ৫ সি:
(১) কোম্পানি
- পণ্য,
- প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা,
- লক্ষ্য এবং
- ব্র্যান্ড
(২) কোলাবরেটর (সহযোগী)
- অংশীদার এবং বিনিয়োগকারী,
- সরবরাহকারী এবং পরিবেশক,
- পরিষেবা প্রদানকারী এবং
- বিষয়বস্তু সম্পর্ক
(৩) কাস্টমার (গ্রাহক)
- লক্ষ্য দর্শক,
- গ্রাহকদের অনুপ্রেরণা এবং আচরণ,
- যোগাযোগের চ্যানেল এবং
- গ্রাহকের উপলব্ধি
(৪) কম্পিটিটর (প্রতিযোগী)
- প্রতিষ্ঠিত এবং উদীয়মান প্রতিযোগী,
- প্রতিযোগীদের শক্তি এবং দুর্বলতা,
- প্রতিযোগীদের কৌশল এবং সক্ষমতার ফাঁক
(৫) ক্লাইমেট (জলবায়ু)
আইন এবং প্রবিধান, সামাজিক এবং আচরণগত প্রবণতা, অর্থনৈতিক প্রবণতা, প্রযুক্তি
মার্কেটিং বিশ্লেষন এর ৫ সি
(১) কোম্পানি
৫ সি এর এই অংশটি কোনো পণ্যের রেখা, সংস্কৃতি, লক্ষ্য এবং বাজারে কোম্পানির চিত্র বিশ্লেষণ করার সাথে জড়িত। আবার এটিকে কোম্পানির প্রযুক্তি এবং অভিজ্ঞতাও বিবেচনা করা যেতে পারে।
এই মার্কেটিং বিশ্লেষণের লক্ষ্য হল কোম্পানিটি বাজারে সেরা অবস্থানে আছে কিনা এবং এটি গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করতে পারে কিনা।
৫ সি এর অন্তর্ভুক্ত এই কোম্পানি বিশ্লেষণ এর ক্ষেত্রে, কোনো কোম্পানি নিচের পয়েন্টগুলো ব্যবহার করতে পারেঃ
- প্রধান পণ্যগুলোর রেখা এবং ধরনের তালিকা
- প্রতিযোগীদের থেকে পণ্যের বৈচিত্র্য
- পণ্যের স্বতন্ত্রতা অর্থ্যাৎ পণ্যকে ইউনিক রাখা
- বাজারে প্রতিযোগিতার তুলনায় কোম্পানি সম্পর্কে ইতিবাচক এবং নেতিবাচক পয়েন্ট চিহ্নিত করা
- ব্র্যান্ড বা ব্যবসার গ্রাহকদের পর্যালোচনা
- কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য (৫ বছরের লক্ষ্য)
কোনো কোম্পানির ৫ সি ব্যবহারের ক্ষেত্রে উপরের পয়েন্টগুলো সৎভাবে ব্যবহার করা উচিত কারণ এগুলো কোম্পানির বাজারে অবস্থান এবং সেরা জায়গায় পৌছানো জন্য কোম্পানির পণ্যে কী পরিমাণ কাজ করতে হবে, এই গুরুত্বপূর্ণ ব্যপারগুলোর সাথে জড়িত।
এছাড়াও, কিছু উল্লেখযোগ্য প্রশ্নের মাধ্যমেও কোম্পানি বিশ্লেষণ পরিচালনা করা যায়ঃ
- কোম্পানি কি বিক্রি করে?
- কোম্পানির পণ্য প্রতিযোগীদের পণ্য থেকে পরিবর্তিত হয়? যদি তাই হয়, কি উপায়ে?
- কোম্পানির কি প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা আছে?
- কোন ব্যপারটি কোম্পানির ব্র্যান্ডকে অনন্য বা স্মরণীয় করে তোলে?
- কোম্পানি অন্যদের চেয়ে ভাল কি করে?
- কোম্পানি অন্যদের চেয়ে খারাপ কি করে?
- গ্রাহকরা কোম্পানিকে কীভাবে দেখেন?
- ব্যবসায় বিনিয়োগ করার জন্য যদি হঠাৎ করে ২০,০০০ লাভ করা হয়, তাহলে কোথায় বিনিয়োগ করা উচিত?
- এই কোম্পানির জন্য ১, ৩ এবং ৫ -বছরের লক্ষ্যগুলি কী কী?
(২) কাস্টমার (গ্রাহক)
কোনো কোম্পানি বা ব্যবসার আত্মা হচ্ছে গ্রাহক। এক্ষেত্রে, গ্রাহকদের শনাক্ত করা এবং তাদের চাহিদা কি তা বোঝে তাদের চাহিদা পুরন করে সন্তুষ্ট করা ব্যবসার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
কোনো কোম্পানিকে বাজারের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য, তার গ্রাহকদের বিশ্লেষণ করে জানতে হবে যে তারা কেন এই কোম্পানির পণ্য ক্রয় করেছে।
এক্ষেত্রে, আপনি যদি আপনার গ্রাহকদের বুঝতে পারেন, তাদের কী প্রয়োজন এবং আপনার পণ্য তাদের চাহিদা কতটা পূরণ করে, আপনার ব্র্যান্ড অনেক বেশি কার্যকর হবে এবং আপনি আপনার পণ্য সরবরাহ করতে উপভোগ করবেন।
আপনি যদি বাজারের একাধিক মার্কেটিং বিভাগকে লক্ষ্য করার পরিকল্পনা করেন, তাহলে এই পয়েন্টগুলি বিবেচনা করার চেষ্টা করুনঃ
- পণ্যের জন্য আদর্শ গ্রাহক
- যে গ্রুপটি বর্তমানে আপনার পণ্য ক্রয় করছে
- কোম্পানির উচ্চ মানের, নিম্ন মানের এবং নির্জীব পণ্য পৃথকীকরণ
- ওয়েবসাইট এবং পণ্যে গ্রাহকদের প্রতিক্রিয়া
- কার্যকর প্রচার প্রচারণা
যে পয়েন্টগুলি গ্রাহকদেরকে পণ্যের প্রতি আকৃষ্ট করে তা হল মূল্য, গুণমান, স্বতন্ত্রতা, সুবিধা ইত্যাদি।
এই পয়েন্টগুলির লক্ষ্য হল আপনার পণ্যেরর প্রতি আগ্রহী গ্রাহকদের ধরন, তাদের আচরণ এবং কোন ব্যপারটি তাদেরকে আপনার পণ্য কিনতে অনুপ্রাণিত করে তা খুঁজে বের করা।
(৩) কোলাবরেটর (সহযোগী)
কলাবরেটর বা সহযোগী হচ্ছে এমন ব্যক্তিরা যারা কোনো কোম্পানিকে তার উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করতে পারে।
ব্যবসায়িক মডেলে সহযোগীদের একটি অন্যতম উদাহরণ হচ্ছে সরবরাহকারী বা পরিবেশক। এক্ষেত্রে, প্রতিটি সহযোগী সর্বদা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নোট করার কথা মনে রাখেন যেমন প্রাথমিক যোগাযোগের ব্যক্তি, তাদের ইমেল ঠিকানা, ফোন নম্বর এবং সফল মার্কেটিং এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য বিষয়।
অন্য কোন ব্যবসার সাথে সহযোগি তৈরি করার আগে এই পয়েন্টগুলি বিবেচনায় রাখা জরুরিঃ
- যে ব্যক্তি কোম্পানির দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করেন
- একজন অংশীদার যিনি কোম্পানি পরিচালনায় সাহায্য করবেন
- পণ্য তৈরি করা বা সরবরাহ করা
- শিপিং প্রদানকারী
- ইকমার্স প্ল্যাটফর্ম
- মার্কেটিং বা বিজ্ঞাপন
- পণ্য বিতরণ
- সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট পরিচালনা
পয়েন্টগুলি বিবেচনা করার পরে, আপনি বুঝতে পারবেন যে, ব্যবসা বা কোম্পানি চালানোর জন্য শুরুতে যাদেরকে নিয়ে কাজ করা হয়েছিল, পরবর্তীতে তাদের চেয়ে অনেক লোকের প্রয়োজন। সহযোগীদের তালিকা আপনাকে ট্র্যাক রাখতে সাহায্য করবে কে কী দায়িত্ব ভাগ করছে বা পালন করছে।
(৪) কম্পিটিটর (প্রতিযোগী)
আপনি যদি বাজারে নিজেকে টিকিয়ে রাখতে চান তবে আপনি কার বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তা জানা গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিযোগীরা আপনার কোম্পানির জন্য হুমকিস্বরূপ বা তারা সক্রিয় প্রতিযোগী কিনা তা আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে। কারণ তারা আপনাকে একটি প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা প্রদান করবে।
বাজারে আপনার প্রতিযোগীদের সংখ্যা অবশ্যই পরীক্ষা করা উচিত। এক্ষেত্রে আপনি আপনার ব্র্যান্ডিং সিদ্ধান্তের কাজ প্রতিযোগীদের বিবেচনায় রেখে মার্কেটিং পরিকল্পনা তৈরি করতে পারেন।
প্রতিযোগিতা বিশ্লেষণ করার সময় আপনাকে এখানে কয়েকটি পয়েন্ট বিবেচনা করতে হবে -
- সরাসরি প্রতিযোগী
- প্রতিষ্ঠিত এবং উদীয়মান প্রতিযোগীদের পৃথকীকরণ
- প্রতিযোগীদের শক্তি এবং দুর্বলতা
- প্রতিযোগীদের দ্বারা তৈরি কৌশল
- প্রতিযোগীদের টার্গেটে থাকা গ্রাহক
- সামাজিক মাধ্যম উপস্থিতি
-
আপনি যদি আপনার প্রতিযোগীদের মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে জানেন, এক্ষেত্রে তাদের শক্তি এবং দুর্বলতাগুলো আপনাকে বাজারে যথাযথ ভাবে টিকে থাকার জন্য একটি ভাল সুবিধা দেবে এবং সেই অনুযায়ী আপনার কৌশলগুলি পরিকল্পনা করার চেষ্টা করবে।
(৫) ক্লাইমেট (জলবায়ু)
জলবায়ু দেখার সময়, আপনার নিজের ব্যবসার বাহ্যিক কারণগুলোর উপর ফোকাস করুন যা আপনার কাজকে প্রভাবিত করতে পারে। এর মধ্যে শিল্প প্রবণতা, সামাজিক প্রবণতা, আইনি প্রবণতা এবং নতুন বা উন্নয়নশীল প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
আপনি যখন আপনার কোম্পানির জন্য বাহ্যিক কারণ বা জলবায়ু মূল্যায়ন করছেন তখন এই পয়েন্টগুলি বিবেচনা করুন -
- প্রস্তাবিত আইন বা প্রবিধান সম্পর্কে নিজেকে আপডেট রাখুন। এটি আপনার ব্যবসাকে প্রভাবিত করতে পারে, তাই আপনাকে সমস্ত নতুন আইন মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
- বাজারে আসা সমস্ত নতুন সামাজিক প্রবণতার উপর নজর রাখুন।
- অর্থনৈতিক প্রবণতা যা ব্যবসা বা ব্র্যান্ডকে প্রভাবিত করতে পারে।
- নতুন উদীয়মান প্রযুক্তি গ্রাহকদের আচরণের উপায় পরিবর্তন করতে পারে। তাই প্রযুক্তির সঙ্গে বিকশিত হওয়া জরুরি।
৫ সি মার্কেটিং বিশ্লেষণ উদাহরণ
অ্যাপল কোম্পানি
অ্যাপল একটি বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি। অ্যাপল, ম্যাক, টিভি, মিউজিক, আইফোন এবং আইপ্যাড হল প্রতিযোগীদের প্রধান কিছু পণ্য। এই পণ্যগুলি কোম্পানিকে একটি প্রতিযোগিতামূলক প্রান্ত দিয়েছে।
অ্যাপল সহযোগীরা
অ্যাপল একটি গ্লোবাল ব্র্যান্ড হিসাবে বিশ্বব্যাপী তার ব্যবসা পরিচালনা করছে, তাই, কোম্পানিকে বিশ্বব্যাপী তার ব্যবসা পরিচালনার জন্য অনেক সহযোগীর উপর নির্ভর করতে হয়। জাপানের মুরাতা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোরভো, চীনের লাক্সশেয়ার, নেদারল্যান্ডের এনএক্সপি এবং তাইওয়ানের ফক্সকন বিশ্বব্যাপী অ্যাপলের প্রধান সহযোগী।
অ্যাপল গ্রাহকরা
একটি অনুমান অনুসারে, সারা বিশ্বে অ্যাপলের প্রায় ১.৪ বিলিয়ন সক্রিয় ব্যবহারকারী এবং প্রায় ১ বিলিয়ন গ্রাহক রয়েছে [1]। কোম্পানির গ্রাহকদের একটি অত্যন্ত বিশ্বস্ত ডাটাবেস রয়েছে এবং তারা যখন কেনাকাটা করতে যায় তখন তারা সবসময় অ্যাপলের পণ্য পছন্দ করে।
অ্যাপল প্রতিযোগী
HP, Huawei, Samsung, Google, Facebook, Microsoft, DELL, Lenovo এবং Acer হল বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিতে অ্যাপলের প্রধান প্রতিযোগী।
আপেল জলবায়ু
অ্যাপলকে বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, প্রযুক্তিগত, আইনি এবং পরিবেশগত কারণগুলোর সাথে মোকাবিলা করতে হবে। প্রবিধান, আইন, বাণিজ্য শুল্ক, কর, গ্রাহক প্রবণতা এবং অন্যান্য অনেক বাহ্যিক সমস্যা কোম্পানিকে প্রভাবিত করে।
উপসংহার
আশা করি আপনি ৫ সি নিয়ে ভালো একটি ধারনা পেয়েছেন। ৫ সি এর এর বিশ্লেষণ আপনাকে অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক ব্যবসার পরিবেশ এবং এই পদ্ধতির সাথে যুক্ত সুবিধাগুলি আরও ভালভাবে বুঝতে সাহায্য করবে। এটি আপনাকে আপনার প্রতিষ্ঠানে গ্রাহক, সহযোগী, প্রতিযোগী, কোম্পানি এবং জলবায়ু বুঝতে সক্ষম করে।
- https://www.volusion.com/blog/situation-analysis-the-5-cs/
- https://www.marketing91.com/5-cs-of-marketing/
- https://marketbusinessnews.com/financial-glossary/five-cs/
- https://www.brafton.com/blog/content-marketing/5-cs-of-marketing/
- https://www.marketingtutor.net/5-cs-of-marketing-situation-analysis/
- Facts and Figure Sources
- https://www.demandsage.com/iphone-user-statistics/ [1]
Next to read
অ্যাড অন মডেল (Add On Model)


লিন ক্যানভাস মডেল (Lean Canvas Model)

শেয়ারিং ইকোনমি মডেল (Sharing Economy Model)

বেইট এন্ড হুক মডেল (Bait & Hook Model)

লোগো ব্যবহারের সুবিধা অসুবিধা (Pros and Cons of Logo Usage)

হোরেকা (HORECA)

ব্রান্ডিং (Branding)

সামষ্টিক অর্থনীতি বা ম্যাক্রো ইকোমিক্স ( Macro Economics ) কী?

General Agreement on Tariffs and Trade (GATT)
