হোলিস্টিক মার্কেটিং কী? হোলেস্টিক মার্কেটিং নিয়ে বিস্তারিত

হোলিস্টিক মার্কেটিং মডেল বলতে এমন একটি স্ট্র্যাটেজিকে বোঝানো হয় যা একটি ব্যবসায়ের পুরো সিস্টেম এবং প্রতিটি চ্যানেলকে একক হিসেবে চিন্তা করে। মূলত ব্যবসায়ের বিভিন্ন কার্যক্রমকে একে অপরের সাথে ইন্টিগ্রেট করার মাধ্যমে এই মডেল কাজ করে। ব্যবসায়ের প্রতিটি প্রসেসের মাঝে সমন্বয় করে সেরা কাস্টমার এক্সপিরিয়েন্স তৈরি করাই এই মডেলের উদ্দেশ্য।
Key Points
- হোলিস্টিক মার্কেটিং-এর মাধ্যমে ভালো কাস্টমার এক্সপিরিয়েন্স প্রদান ও ইতিবাচক ব্র্যান্ড ইমেজ তৈরির উদ্দেশ্যে ব্যবসায়ের প্রতিটি প্রসেস একসাথে কাজ করে চলে।
- অ্যালাইনমেন্ট ও ইন্টিগ্রেশন - হোলিস্টিক মার্কেটিং-এ সফলতা পেতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ দুটি এলিমেন্ট।
- হোলিস্টিক মার্কেটিং-এর ৫টি নীতি রয়েছে, যথা - ইন্টিগ্রেটেড মার্কেটিং, ইন্টারনাল মার্কেটিং, রিলেশনশিপ মার্কেটিং, সোশ্যালি রেসপন্সিবল মার্কেটিং ও পারফরম্যান্স মার্কেটিং।
- ৩টি ধাপে হোলিস্টিক মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি তৈরি করা যায়, যথা - স্ট্র্যাটেজি অ্যানালিসিস, স্ট্র্যাটেজি তৈরি ও স্ট্র্যাটেজি বাস্তবায়ন।
ভূমিকা
বর্তমান সময়ে কাস্টমার মাইন্ডসেট অনেক পরিবর্তন হয়েছে। একদিকে সাধারণ মানুষের সম্পদ হ্রাস পাচ্ছে, তো উল্টোদিকে ঋণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই বর্তমান কাস্টমাররা অনেক কিছু ভেবে পণ্য ক্রয় করেন। আবার সঠিক পণ্য খুজে পেতে তারা অনলাইনে ও অফলাইনে বেশ কিছুক্ষণ গবেষণা করেন। তাই পণ্য সম্পর্কে কাস্টমারদের বেশ ভালো ধারণা থাকে এখন। মার্কেটে বা শোরুমে যাওয়ার আগেই তাই কাস্টমাররা কোন পণ্যটি ক্রয় করবেন তা ঠিক করে রাখেন। পরিস্থিতি যখন এতো জটিল, তখন কিভাবে আপনার প্রতিষ্ঠানের পণ্যকে কাস্টমারের চোখে ‘সঠিল পণ্য’ হিসেবে তুলে ধরবেন? এই জটিল পরিস্থিতিতে সফলতা পেতে তাই আপনার প্রতিষ্ঠানকে অবশ্যই একটি হোলিস্টিক মার্কেটিং অ্যাপ্রোচ ফলো করতে হবে।
হোলিস্টিক মার্কেটিং কী?
হোলিস্টিক মার্কেটিং হচ্ছে এমন একটি মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি, যা একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের সকল মার্কেটিং চ্যানেল ও ডিপার্টমেন্টকে কানেক্ট করে। মূলত প্রতিষ্ঠানের ডিপার্টমেন্টগুলো যাতে ছন্নছাড়াভাবে কাজ না করে বরং একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসারে চলে তা এনশিওর করাই এই স্ট্র্যাটেজির কাজ। এর মাধ্যমে ব্যবসায়ের কাস্টমারদের সাথে সম্পর্ক মজবুত হয় ও সার্বিকভাবে ব্যবসায়ের এফিশিয়েন্সি বৃদ্ধি পায়। আপনি যদি আপনার প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজিকে আরো বেশি এফিশিয়েন্ট করে তুলতে চান এবং মার্কেটিং টাস্কগুলোকে আরো স্ট্রিমলাইন করতে চান, তাহলে হোলিস্টিক মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি অনুসরণ করা আপনার জন্য ভালো সিদ্ধান্ত হতে পারে।
হোলিস্টিক মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজির দুটি গুরুত্বপূর্ণ এলিমেন্ট রয়েছে। যথা -
১। অ্যালাইনমেন্ট
অ্যালাইনমেন্ট বলতে আপনাকে প্রথমেই এনশিওর করতে হবে যে আপনার কোম্পানীর দেয়া ম্যাসেজের সাথে আপনার টার্গেট মার্কেট অ্যালাইন করছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যদি আপনি একটি সফট ড্রিংক বাজারে নিয়ে আসেন আর আপনার টার্গেট মার্কেট হয় বয়স্ক মানুষজন, তাহলে আপনি যেই মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি’ই ফলো করুন না কেনো, তা সফল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তাই বলা যায় যে, আপনার কোম্পানীর প্রচার করা ম্যাসেজার সাথে আপনার টার্গেট মার্কেট অ্যালাইন করছে না।
২। ইন্টিগ্রেশন
একটি কোম্পানী সাধারণত অনলাইন/অফলাইন অনেক ধরণের মার্কেটিং চ্যানেল ব্যবহার করে। আপনাকে এনশিওর করতে হবে যে আপনার প্রতিষ্ঠানের ব্যবহার করা প্রতিটি চ্যানেল থেকে একই ম্যাসেজ দেয়া হচ্ছে। প্রতিষ্ঠান যদি একেক চ্যানেল ব্যবহার করে একেক ম্যাসেজ দেয়, তাহলে বুঝতে হবে যে আপনার প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজিতে ইন্টিগেশনের অভাব রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যে, যদি আপনার প্রতিষ্ঠান নারী দিবস উপলক্ষে সোশ্যাল মিডিয়ায় নারীদের শুভেচ্ছা জানায়, অথচ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য অ্যাডে নারীদের অবজেক্টিফাই করা হয়, তাহলে সেখানে ইন্টিগ্রেশনের অভাব রয়েছে।
একটি হোলিস্টিক মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি তৈরির সময় আপনার প্রতিষ্ঠানের কর্মী, কাস্টমার এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের কথা বিবেচনা করা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এই প্রতিটি গ্রুপ কোনো না কোনোভাবে আপনার প্রতিষ্ঠানের সফলতাকে প্রভাবিত করতে পারে।
হোলিস্টিক মার্কেটিং কীভাবে কাজ করে?
যেকোনো মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজিকে শুধু প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টের মাঝে সীমাবদ্ধ না রেখে বরং প্রতিষ্ঠানের সবগুলো ডিপার্টমেন্টকে একত্রে নিয়ে আসা’ই হচ্ছে হোলিস্টিক মার্কেটিং-এর কাজ।
যেকোনো প্রতিষ্ঠানে অনেকগুলো ডিপার্টমেন্ট থাকে, যেমন - সেলস ও মার্কেটিং, অ্যাকাউন্টিং ও ফাইন্যান্স, আর এন্ড ডি ও প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান্স রিসোর্স ইত্যাদি। তাই একটি হোলিস্টিক মার্কেটিং কনসেপ্ট ব্যবহার করতে চাইলে আপনাকে এনশিওর করতে হবে যে, আপনার প্রতিষ্ঠানের আর এন্ড ডি ও প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্ট, আপনার প্রতিষ্ঠানের সেলস ও মার্কেটিং ডিপার্টমেন্ট থেকে পাওয়া ফিডব্যাকের উপর ভিত্তি করে নতুন প্রোডাক্ট তৈরি করছে ও পুরনো প্রোডাক্টকে রিফাইন করছে। যেহেতু সেলস ও মার্কেটিং ডিপার্টমেন্ট কাস্টমারদের সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে, তাই তাদের ফিডব্যাক অনুসারে প্রোডাক্ট ডেভেলপ করলে তা ক্লিক করার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
আবার আর এন্ড ডি ও প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টকে অ্যাকাউন্টিং ও ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের সাথে মিলে কাজ করতে হবে, যাতে তারা নতুন প্রোডাক্ট তৈরি ও পুরনো প্রোডাক্টকে আরো উন্নত করার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ বাজেট পায়।
এদিকে সেলস ও মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টকে হিউম্যান্স রিসোর্স ডিপার্টমেন্টের সাথে মিলে কাজ করতে হবে, যাতে করে মার্কেটিং-এর জন্য তারা স্কিলড কর্মী পায়। এদিকে হিউম্যান রিসোর্স ও অপারেশন্স ডিপার্টমেন্টের কাজ হবে এসব স্কিলড কর্মী খুজে বের করা ও তাদের যথাযথভাবে রিটেইন করা। কর্মীরা যাতে প্রতিষ্ঠানে প্রাপ্য সম্মান ও সুযোগ-সুবিধা পান, তা এনশিওর করা’ও এদের কাজ।
অর্থাৎ, মার্কেটিং এখন আর শুধু মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টের কাজ নয়। প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি ডিপার্টমেন্ট একসাথে মিলে কাজ করে প্রতিষ্ঠানকে সফল করে তোলাই এখানে মূল লক্ষ্য। এভাবে আপনার প্রতিষ্ঠান সঠিক প্রোডাক্ট, সঠিক দামে, সঠিক স্থানে, সঠিক কর্মীদের মাধ্যমে, সঠিক চ্যানেল ফলো করে পৌছে দিতে পারবে।
হোলিস্টিক মার্কেটিং-এর প্রিন্সিপাল
হোলিস্টিক মার্কেটিং-এর ৫টি গুরুত্বপূর্ণ প্রিন্সিপাল বা নীতি রয়েছে। চলুন সংক্ষেপে সেগুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।
১। ইন্টিগ্রেটেড মার্কেটিং
প্রতিষ্ঠানের সবগুলো প্রসেসের মাঝে ইন্টিগ্রেশন সম্পর্কে আমরা উপরে বিস্তারিত উল্লেখ করেছি। তাই এই বিষয়ে আর বিস্তারিত বলছি না। তবে ইন্টিগ্রেশনের জন্য আপনার প্রতিষ্ঠানের সবগুলো চ্যানেলে, যেমন - অ্যাড, পিআর এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় একই ম্যাসেজ প্রচার করতে হবে। একইসাথে আপনার প্রোমশন, কমিউনিকেশন ও প্রাইসিং স্ট্র্যাটেজির মাঝে সামঞ্জস্য থাকা’ও বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
২। ইন্টারনাল মার্কেটিং
ইন্টারনাল মার্কেটিং মূলত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের খুশি রাখার দিকে ফোকাস করে। কর্মীদের খুশি থাকার উপরেই মূলত প্রতিষ্ঠানের কাজের মান ও সফলতা নির্ভর করে, তাই এটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কাস্টমারদের সঠিক ম্যাসেজ দেয়ার পাশাপাশি কর্মীদের’ও সঠিক ম্যাসেজ দেয়া প্রয়োজন। এই উদ্দেশ্যে আপনার প্রতিষ্ঠান কর্মীদের জন্য যথাযথ ট্রেনিং-এর ব্যবস্থা করতে পারে। এছাড়া যথাযথ যোগ্যতার উপর নির্ভর করে নিয়মিত ইনসেন্টিভ দেয়ার ব্যবস্থা’ও রাখা উচিত।
৩। রিলেশনশিপ মার্কেটিং
এই প্রিন্সিপাল অনুযায়ী আপনার কাস্টমারদের সাথে একটি দীর্ঘ সম্পর্ক তৈরি করার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। এই জন্য আপনার কাস্টমারদের সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখা প্রয়োজন, তাদের সমস্যাগুলো জানা প্রয়োজন ও তাদের চাহিদাগুলোর প্রতি গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। এভাবে ব্র্যান্ডের প্রতি কাস্টমারদের লয়ালটি বৃদ্ধি করা সম্ভব।
৪। সোশ্যালি রেসপন্সিবল মার্কেটিং
আপনার মার্কেটিং পলিসি সমাজের নীতি-নৈতিকতার সাথে ম্যাচ করছে কি না, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। এর মাধ্যমে আপনি কাস্টমারদের কাছে এই ম্যাসেজ পৌছে দিতে পারবেন যে সামাজিক বিষয়গুলোর প্রতি আপনি বেশ দায়িত্বশীল। নৈতিক আদর্শ মেনে চলা, কমিউনিটির কেয়ার করা ও সমাজের সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করার মাধ্যমে এই ম্যাসেজ কাস্টমারদের প্রতি পৌছে দেয়া সম্ভব।
৫। পারফরম্যান্স মার্কেটিং
সহজ ভাষায় বললে, আপনার মার্কেটিং-এর পেছনে কতো খরচ হবে, তা নির্ধারণ করতে হবে আপনার মার্কেটিং থেকে জেনারেট হওয়া ভ্যালুর উপর নির্ভর করে। উদাহরণ হিসেবে, আপনার অ্যাডের উপর কি পরিমাণ ক্লিক পরতেছে, সেটার উপর নির্ভর করে আপনি কোনো ওয়েবসাইটকে পে করবেন। এভাবে মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজিকে আরো এফিশিয়েন্ট ও লাভজনক করে তোলা সম্ভব।
হোলিস্টিক মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি তৈরি
হোলিস্টিক মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি তৈরির স্ট্রাকচারকে আমরা সহজ ৩টি ধাপে ভাগ করতে পারি। যথা -
১। স্ট্র্যাটেজি অ্যানালিসিস
এই স্টেজে আপনার টার্গেট কাস্টমার সম্পর্কে যথাযথ বিশ্লেষণ করতে হবে ও তাদের সম্পর্কে যতো বেশি সম্ভব জ্ঞানার্জন করতে হবে। যেমন - বয়স, পছন্দ-অপছন্দ, আয়, বৈবাহিক অবস্থা, শখ ও আগ্রহ, পেশা ইত্যাদি। একই সময়ে আপনার প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আপনার টার্গেট অডিয়েন্সের সাথে অ্যালাইন করছে কি না, সেই বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।
২। স্ট্র্যাটেজি তৈরি
এই স্টেজে এসে আপনি নির্ধারণ করবেন যে আপনার টার্গেট কাস্টমারদের আপনি কি কি ভ্যালু পৌছে দিবেন এবং কিভাবে তা পৌছে দিবেন। একই সাথে আপনার প্রতিষ্ঠানের এই ভ্যালু ক্রিয়েশনের কাজে প্রতিষ্ঠানের ভিন্ন ভিন্ন ডিপার্টমেন্ট কি কি ভূমিকা পালন করবে সেই বিষয়টিও আপনাকে নির্ধারণ করতে হবে।
৩। স্ট্র্যাটেজি বাস্তবায়ন
এবার উপরের ধাপে তৈরি করা স্ট্র্যাটেজি অনুযায়ী কাস্টমারদের কাছে ভ্যালু পৌছে দিতে হবে। যেমন - কর্মীদের জন্য ট্রেনিং-এর ব্যবস্থা করা, নতুন কমার্শিয়াল তৈরি করে কাস্টমারদের নতুন প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানানো, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে অ্যাওয়ারনেস তৈরি করা ইত্যাদি।
হোলিস্টিক মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজির সুবিধা
অন্যান্য মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজির মতো হোলিস্টিক মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজির নির্দিষ্ট কিছু সুবিধা রয়েছে। যেমন -
১। কাস্টমার এক্সপিরিয়েন্স
হোলিস্টিক মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি তৈরির মাধ্যমে আপনি আপনার কাস্টমারদের জন্য একটি সহজ ও কনসিস্টেন্ট কাস্টমার এক্সপিরিয়েন্স অফার করতে পারবেন।
২। ব্র্যান্ড তৈরি
ব্র্যান্ডের ম্যাসেজ ও ইমেজ ঢেলে সাজিয়ে এই স্ট্র্যাটেজি আপনাকে একটি প্রপার ব্র্যান্ড তৈরিতে সাহায্য করে যেখানে কাস্টমার ও স্টেকহোল্ডার, সকলের কাছেই প্রতিষ্ঠানের একটি পজিটিভ ইমেজ থাকে।
৩। এফিশিয়েন্সি বৃদ্ধি
এই স্ট্র্যাটেজি ফলো করলে আপনার মার্কেটিং খাতে খরচ অনেক কমে আসবে এবং খরচের তুলনায় রিটার্নের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।
পরিসংহার
হোলিস্টিক মার্কেটিং অ্যাপ্রোচ ফলো করলে আপনি প্রতিষ্ঠানের সকল রিসোর্স ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড স্টোরি তৈরি করতে পারবেন। এতে দীর্ঘমেয়াদে আপনার প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় বৃদ্ধি পাবে এবং কাস্টমাররা বার বার ফিরে আসবে। আবার প্রতিদ্বন্দীদের থেকে আপনার কাছে কাস্টমাররা ভালো সেবা উপভোগ করবে, তাই আপনার প্রতিষ্ঠানের মার্কেট শেয়ার’ও বৃদ্ধি পাবে। তাই বর্তমান সময়ের এতো প্রতিদ্বন্দীতামূলক বাজারে হোলিস্টিক মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই।
- https://www.simplilearn.com/holistic-marketing-concept-article
- https://www.investopedia.com/ask/answers/042715/what-holistic-marketing-and-how-can-it-be-applied-business.asp
- https://www.shiksha.com/online-courses/articles/introduction-to-the-concept-of-holistic-marketing/
- https://www.marketing91.com/holistic-marketing-concept/
- https://www.upgrad.com/blog/what-is-holistic-marketing/
- https://mailchimp.com/resources/holistic-marketing/
Next to read
ফ্রিমিয়াম মডেল (Freemium Model)


নিট মুনাফা (net profit) সংজ্ঞা, সূত্র এবং কিভাবে হিসাব করবেন

অর্থনীতি কী?

সেলস কি এবং কিভাবে তা কাজ করে?

বিক্রয়ের ১০টি ভুল যেগুলো প্রতিটি বিক্রয়কর্মীর এড়ানো উচিৎ

‘SWOT’ Analysis

অ্যাম্বুশ মার্কেটিং (Ambush Marketing)

ডিমার্কেটিং (DeMarketing)

বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে ১০ টি বিষয়
