GeoRenus Editorial Team

ইনবাউন্ড মার্কেটিং হলো একটি ডিজিটাল মার্কেটিং কৌশল যেখানে কোনো ব্যবসা বা কোম্পানি কাস্টমার এক্সপিরিয়েন্সের বিভিন্ন পর্যায়ে (যেমন সচেতনতা, বিবেচনা এবং সিদ্ধান্ত) তার আদর্শ ক্রেতাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে এবং আউটবাউন্ড মার্কেটিং এর মাধ্যমে মনোযোগের জন্য প্রতিযোগিতা করার পরিবর্তে তাদের সাথে একটি সুসম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করে।
ধরুন আপনি টিভি চ্যানেলে আপনার সবচেয়ে প্রিয় প্রোগ্রামটি দেখছেন, এমন সময় হঠাৎ বিজ্ঞাপন! আপনি হয়তোবা কিছুটা বিরক্ত হবেন। আবার সকালে উঠে যখন ই-মেইল চেইক করতে গিয়ে দেখবেন বিভিন্ন ব্রান্ডের বিক্রয়মূলক ই-মেইল; এটাতেও বিরক্তবোধ করবেন।
সত্য বলতে এই ধরণের মার্কেটিং কৌশলগুলো এখন অনেক ক্ষেত্রেই অকার্যকর হয়ে উঠেছে। গ্রাহকরা এখন নিজেরাই সিদ্ধান্ত নেয় কি ক্রয় করবেন, কার কাছ থেকে ক্রয় করবেন এবং উক্ত পণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপন দেখতে চান কি না।
এবং ঠিক এই কারণেই কোম্পানি বা ব্যবসা ইনবাউন্ড মার্কেটিংকে আলিঙ্গন করছে।
ইনবাউন্ড মার্কেটিং হচ্ছে মূলত একটি আধুনিক মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি যার মূলভাব হচ্ছে গ্রাহকদের জন্য যথাযথ মানের কন্টেন্ট তৈরি করে তাদেরকে নিজেদের পণ্য বা সেবার প্রতি আগ্রহী করা তোলা। এর মূল এবং শেষ লক্ষ্য হচ্ছে মূলত ব্যবসায় বিক্রয় বৃদ্ধি এবং অধিক লোকজনকে আকৃষ্ট করা।
ইনবাউন্ড মার্কেটিং নির্দিষ্ট একটি কৌশল নয়, বরং অনেকগুলো কৌশলের সংমিশ্রণ। যেমন এসইও, কন্টেন্ট মার্কেটিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কিংবা ই-মেইল মার্কেটিং ইত্যাদি। তবে এর সবচেয়ে মৌলিক নীতি হলো সম্ভাব্য গ্রাহকের জন্য এমন কন্টেন্ট তৈরি করা যা তাদের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে এবং যার মাধ্যমে লোকজন আরও সহজভাবে কোনো ব্র্যান্ড খুঁজে পেতে পারে।
আপনার ব্যবসায়ের সেলস সাইকেল যদি অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ হয়ে থাকে, তবে সেক্ষেত্রে সেলস সাইকেল কমিয়ে আনতে ইনবাউন্ড মার্কেটিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
ইনবাউন্ড মার্কেটিং কে আরও ভালোভাবে বোঝার জন্য এর মৌলিক বিষয়গুলোর উপর নজর দেওয়া যেতে পারে। এর মৌলিক বিষয় সাধারণত পাঁচটি যেমনঃ ট্রাফিক আকর্ষণ, রুপান্তর, মার্কেটিং অটোমেশন, আনুগত্য এবং বিশ্লেষণ। নিচে এগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
ইনবাউন্ড মার্কেটিং এর প্রথম ধাপটি হচ্ছে ব্র্যান্ডের ওয়েবসাইটে ট্রাফিক আকর্ষণ করা। সাইটে কোনো বিশেষ উপায়ে ভিজিটর জেনারেট করার পরিবর্তে, স্ট্যান্ডার্ড বা মানসম্মত ব্যবহারকারী বা ট্রাফিক আনার উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত।
আর এই ট্রাফিক আকর্ষণ বৃদ্ধি করার জন্য কিছু কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে। নিচে কিছু উল্লেখ করা হলোঃ
এসইওঃ এসইও ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি আপনার সাইটকে সার্চ ইঞ্জিন এর প্রথম অবস্থানগুলোর মধ্যে রাখতে পারবেন এবং এভাবে আপনার সাইটে ট্রাফিক আকর্ষণ বৃদ্ধি করতে পারবেন।
কন্টেন্ট মার্কেটিংঃ ব্যবহারকারী বা ট্রাফিকদেরকে তাদের প্রয়োজনীয় কন্টেন্ট অফার করা, যার মাধ্যমে তারা আপনার সাইটে আসা যাওয়া বাড়াবে।
সোশ্যাল নেটওয়ার্কঃ আপনার কোম্পানীর ওয়েবসাইটে ভিজিটর নিয়ে আসার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
একজন ব্যবহারকারী যখন আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে, তখন আপনি স্বভাবতই চাইবেন তার ডাটা সংগ্রহ করতে এবং তারপর তাকে আপনার সাইট বিষয়ক বিভিন্ন কন্টেন্ট এর নোটিফিকেশন পাঠাতে।
তবে ব্যবহারকারীদের সম্ভাব্য গ্রাহক কিংবা ট্রাফিকে রুপান্তর করতে তাদের ডেটা কালেক্ট করার পাশাপাশি তাদেরকে মূল্যবান কন্টেন্ট প্রদান করা প্রয়োজন।
এই পর্যায়ে এসে আপনার ইনবাউন্ড মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজিকে অটোমেট করে ফেলার চেষ্টা করতে হবে। অর্থাৎ, এখন আপনার কাজ হবে শুধু ভালো কন্টেন্ট জেনারেট করা। অপরদিকে, এসইও এবং সোশ্যাল মিডিয়া থেকে অটোমেটিকালি আপনার সাইটে ট্রাফিক আসতে থাকবে এবং তারা কাস্টমারে কনভার্ট হতে থাকবে। আউটবাউন্ট মার্কেটিং-এর তুলনায় ইনবাউন্ড মার্কেটিং এখন বেশি অগ্রাধিকার পাচ্ছে এই কারণেই যে ইনবাউন্ড মার্কেটিং প্রক্রিয়াকে বেশ সহজেই অটোমেট করে ফেলা সম্ভব।
কোনো ব্যবহারকারী যখন গ্রাহক বা ট্রাফিকে পরিণত হবে তখন নিউজলেটার, অফার এবং ইনসেন্টিভের মতো- বিভিন্ন লোভনীয় এলিমেন্ট ব্যবহার করে তাদেরকে আপনার কাস্টমার হিসেবে ধরে রাখার চেষ্টা করতে হবে। এভাবে ধীরে ধীরে আপনার ব্র্যান্ডের প্রতি কাস্টমারের লয়ালটি বৃদ্ধি পাবে।
নতুন কাস্টমার অর্জনের পূর্বে আপনার লয়ালটি প্রোগ্রাম ভালো করে সাজিয়ে নিতে হবে। কারণ, নতুন কাস্টমার অর্জন করতে চাইলে আপনাকে অনেক বেশি খরচ করতে হবে। অপরদিকে, পুরনো কাস্টমারদের পেছনে অল্প কিছু অর্থ খরচ করলেই তাদের ধরে রাখা সম্ভব।
ফলাফল বিশ্লেষণ ব্যতিত ইনবাউন্ড মার্কেটিং কৌশল অসম্পূর্ণ। তবে তার জন্য আপনাকে KPI (key performance indicators) সাবধানে সংজ্ঞায়িত করতে হবে। কারণ এটি হচ্ছে কোনো কৌশলের সফলতা মূল্যায়ণ করার জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক মেট্রিক।
ইনবাউন্ড মার্কেটিং হল একটি দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ যা আপনার কোম্পানির সম্পদকে বহুগুণে বৃদ্ধি করে। ইনবাউন্ড মার্কেটিং এর বহু সুবিধা আর উপকারিতা রয়েছে। কিছু সুবিধা নিচে উল্লেখ করা হলোঃ
বর্তমান ডিজিটাল সময়ে ম্যাস মিডিয়ার জন্য মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি তৈরি করা একইসাথে ব্যয়বহুল ও ঝুকিঁপূর্ণ। এটিকে তুলনা করা যেতে পারে একটি ঝুড়িতে আপনার সমস্ত ডিম রাখার মতো।
ইনবাউন্ড মার্কেটিং-এর যথাযথ ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনার মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজির খরচ অনেক কমিয়ে আনা সম্ভব এবং খরচের তুলনায় রিটার্নের মাত্রা বৃদ্ধি করা সম্ভব।
ইনবাউন্ড মার্কেটিং এর বিভিন্ন কৌশল বা পদ্ধতি যেমন সহায়ক কন্টেন্ট তৈরি করা, ও লয়াল কাস্টমারদের ধরে রাখার মাধ্যমে আপনি গ্রাহকদের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে পারবেন। এভাবে গ্রাহকরা প্রতিযোগিদের কাছে না গিয়ে আপনার পণ্য বা সেবা’ই বার বার ক্রয় করবেন।
ইনবাউন্ড মার্কেটিং শুধুমাত্র পণ্য নিয়ে সচেতনতা তৈরি করে না, বরং পাশাপাশি সঠিক এবং উন্নত লিড এবং ট্রাফিক তৈরি করে।
আবার সঠিক লিড জেনারেট হওয়ার পাশাপাশি এমন এমন মানুষদের কাছে আপনার কন্টেন্ট পৌছে যাবে, আপনার পণ্য বা সেবার প্রতি আগ্রহী হওয়ার সম্ভাবনা যাদের সবচেয়ে বেশি।
সোশ্যাল মিডিয়াতে গ্রাহকদের সাথে যুক্ত হওয়া এবং তাদের কথোপকথন, প্রশ্ন এবং প্রতিক্রিয়া শোনা আপনাকে কীভাবে আপনার পণ্য এবং সার্ভিসগুলো আরও উন্নত করতে পারেন তা আরও ভালভাবে বুঝতে এবং উন্নত করতে সাহায্য করে৷
উল্লেখযোগ্য কিছু সুবিধাসহ ইনবাউন্ড মার্কেটিং এর অসুবিধাও রয়েছে। নিচে উল্লেখ করা হলোঃ
ইনবাউন্ড মার্কেটাররা বিভিন্ন ধরণের কন্টেন্ট তৈরি এবং পরীক্ষা করার জন্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সময় এবং প্রচেষ্টা ব্যয় করে যা গ্রাহকদের অন্য কোথাও চলে যাওয়ার জন্য আগ্রহী করে তুলতে পারে।
ইনবাউন্ড মার্কেটিং এর জন্য একটি ব্যাপক কৌশল প্রয়োজন, যার অর্থ আপনাকে সমন্বিত, ক্রস-চ্যানেল ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নে সহায়তা করার জন্য টুলসগুলোতে বিনিয়োগ করতে হবে।
এসইও হচ্ছে এমন পদ্ধতি বা মেথড যা যথাযথভাবে প্রয়োগ করে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্ট পেজের প্রথম দিকে দেখাতে পারবেন।
আপনার কন্টেন্ট, ই-বুক বা ভিডিও কতটা উন্নত তা বিবেচ্য না যদি না সেগুলো সার্চ ফলাফলে খুঁজে পাওয়া না যায়। এক্ষেত্রে এসইও কাজ করে।
HubSpot-এর মতে (SaaS কোম্পানী যার মাধ্যমে "ইনবাউন্ড মার্কেটিং" শব্দটি প্রথমবারের মতো প্রায় 2006-এ জনপ্রিয় হয়েছিল)- যেসব মার্কেটাররা ব্লগিংকে অগ্রাধিকার দেয় তাদের পজিটিভ ROI পাওয়ার সম্ভাবনা ১৩ গুণ বেশি৷ [1]
যে কোম্পানিগুলি মাসে কয়েকবার তাদের ব্লগ আপডেট করে তাদের তুলনায় যারা মাসে অন্তত ১৬ বার ব্লগ কন্টেন্ট প্রকাশ করে তারা ৩.৫x বেশি ওয়েবসাইট ট্রাফিক এবং ৪.৫x বেশি লিড তৈরি করে। [2]
আপনার ব্লগ যত বেশি শিক্ষামূলক হবে এবং আপনি যত ঘন ঘন এটি নতুন বিষয়বস্তু সহ আপডেট করবেন- আপনার বিশ্বস্ত ট্রাফিক বা গ্রাহক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি।
ব্লগ কন্টেন্ট বা আর্টিকেল অনেক চমৎকার একটি উদাহরণ, কিন্তু অনেকাংশে অনেকের লম্বা সময় দিয়ে, দীর্ঘ শব্দের আর্টিকেল ব্যবহার করার সময় (বা ইচ্ছা) থাকে না। এক্ষেত্রে অনেকে লম্বা কোনো কিছু নিয়ে শুধুমাত্র সেটার একটি স্ন্যাপশট চায় যা সাধারণভাবে আনন্দদায়ক কিংবা সাবলীল ফরমেটে উপস্থাপন করা হয়।
তাই অল্প সময়ে অনেক তথ্যের মাধ্যমে গ্রাহকের সময় অপচয় না করে কোনো কন্টেন্ট প্রদর্শনের জন্য ইনবাউন্ড মার্কেটিং এর অন্তর্ভুক্ত ইনফোগ্রাফিক এর তুলনা নেই!
অন্য আরও দুটি উদাহরণঃ
ইনবাউন্ড মার্কেটিং পদ্ধতি যারা সঠিকভাবে প্রয়োগ এবং বাস্তবায়ন করেছে HubSpot সে সকল কোম্পানির মধ্যে অন্যতম এবং প্রথম ইনবাউন্ড মার্কেটিং কোম্পানি হিসেবেও পরিচিত। মার্কেটিং নিয়ে তাদের তথ্যবহুল ব্লগ, কন্টেন্টগুলো অনলাইন মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে ব্যাপক ভূমিকা রাখে।
এছাড়াও, ব্যবহারকারীদের মার্কেটিং কৌশল নিয়ে আরও জানতে সাহায্য করার জন্য তাদের রয়েছে বিভিন্ন ধরণের ব্লগ কন্টেন্ট, ইনফোগ্রাফিক্স, ভিডিও, ই-বুক ইত্যাদি।
আপনি এই ব্লগ পোস্ট পড়ছেন, জানেন কি এটি ইনবাউন্ড মার্কেটিং এর একটি উদাহরণ? যা কি না ব্লগ সাইট এর অন্তর্ভুক্ত।
আপনি হয়তোবা “ইনবাউন্ড মার্কেটিং কী? কিংবা ইনবাউন্ড মার্কেটিং এর সংজ্ঞা” এই ধরণের কিছু একটা সার্চ করে থাকবেন এবং তারপর এই ব্লগ পোস্টটি পেয়ে পড়তে আসবেন, যা (আশা করি) আপনার প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে!
ইনবাউন্ড মার্কেটিং সঠিকভাবে ব্যবহার করার জন্য উন্নত কৌশল আবশ্যক। ইনবাউন্ড মার্কেটিং কৌশল তৈরি করার সাথে মূলত গ্রাহকের চাহিদা, চাওয়া জড়িত, যাতে কোনো কোম্পানি বা ব্যবসা তাদের প্রয়োজনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং পরবর্তী স্তরে নিয়ে যাওয়া কন্টেন্ট প্রদান করতে পারেন।
ইনবাউন্ড মার্কেটিং এর বিভিন্ন কৌশল রয়েছে। নিচে কিছু উল্লেখ করা হলোঃ
ইনবাউন্ড মার্কেটিং এর সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হলো সম্ভাব্য ব্যবহারকারীকে আকর্ষণ করা ও অফার সম্পর্কে তাদের সচেতন করা। এর মধ্যে ব্যবহারকারীকে তার চাহিদা অনুযায়ী করে এমন কন্টেন্ট তৈরি করা এবং তারপর এটি নিশ্চিত করা যে এটি আপনার দর্শকদের কাছে সর্বোত্তম উপায়ে পৌছাচ্ছে। আর এক্ষেত্রে ব্যবহৃত তিনটি প্রধান কৌশল হচ্ছে কন্টেন্ট তৈরি, এসইও, সোশ্যাল মিডিয়া।
আপনার কন্টেন্টে আগ্রহী ভিজিটর কিংবা ব্যবহারকারীদের সাথে আপনি কী করবেন? আপনি তাদের আরও জানতে উৎসাহিত করুন। তাদের সামনে তুলে ধরুন আপনার কন্টেন্ট এর পজিটিভ দিকগুলো। এক্ষেত্রে ৩টি কৌশল নেওয়া যেতে পারে। যেমনঃ Landing pages, Opt-in forms এবং Calls-to-action.
এই পর্যায়ে, আপনি বিভিন্ন চ্যানেলের মাধ্যমে সম্ভাব্য গ্রাহকদের কাছে পৌঁছান এবং আপনার পণ্য বা সার্ভিসগুলো কীভাবে তাদের উপকার বা সাহায্য করতে পারে তা তাদের দেখান। এর জন্য ৩টি কৌশল অবলম্বন করতে পারেন। যেমনঃ Email marketing, Customer relationship manager (CRM) and marketing automation.
গ্রাহক পাওয়া নয়, তাদের খুশি করার ক্ষেত্রেও ইনবাউন্ড মার্কেটিং কাজ করে থাকে। আপনি আপনার গ্রাহকদের যত বেশি খুশি করবেন, তত বেশি তারা দুর্দান্ত, চমৎকার এবং পজিটিভ রিভিউ দেবে। এই পর্যায়ের উদ্দেশ্য হল শেষ পর্যন্ত আপনার ব্যবসায় আরও ট্রাফিক এবং সম্ভাব্য গ্রাহকদের আকৃষ্ট করা। ব্র্যান্ডগুলি যেভাবে তাদের গ্রাহকদের খুশি করতে পারেঃ Live events and webinars, Customer support Social listening Surveys.
মার্কেটারদের জন্য তাদের কাজগুলোতে সাহায্যকারী টুলস ব্যবহার করা অত্যন্ত সন্তোষজনক এবং প্রতিদিনকার কাজগুলিকে আরও ভাল করতে সহায়তা করে। নিচে ইনবাউন্ড মার্কেটিং এর কিছু জনপ্রিয় টুলস এর নাম তুলে ধরা হলোঃ
আপনি আশেপাশে একটু ভালো করে খেয়াল করলে দেখবেন ইনবাউন্ড মার্কেটিং ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। আশা করি ইনবাউন্ড মার্কেটিং নিয়ে এই কন্টেন্ট আপনাকে এটি নিয়ে অনেকটা বুঝতে সাহায্য করেছে এবং আপনার মার্কেটিং এ এটিকে যুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান দিতে সক্ষম হয়েছে।

সামাজিক উদ্যোক্তার প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা আরো সহজ করে দেয় সোশ্যাল বিজনেস মডেল ক্যানভাস টুল। মূলত বহুল ব্যবহৃত বিজনেস মডেল ক্যানভাস টুল থেকেই সামাজিক সংগঠনের কিংবা প্রতিষ্ঠানের জন্য উপযোগী করে এই মডেলটি তৈরি করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের সামাজিক উন্নয়নে কোনো আইডিয়া এই টুলের মাধ্যমে পর্যালোচনা করে সুনির্দিষ্ট সিন্ধান্তে আসা সম্ভব বলে আমরা বিশ্বাস করি।








