আউটবাউন্ড মার্কেটিং কী? আউটবাউন্ড মার্কেটিং নিয়ে বিস্তারিত

আউটবাউন্ড মার্কেটিং হচ্ছে কোনো কোম্পানির সম্ভাব্য গ্রাহকের কাছে বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী মাধ্যমগুলো যেমন মেইল, বিলবোর্ডস, টেলিভিশন এড ইত্যাদির মাধ্যমে পৌছানো। অর্থ্যাৎ আউটবাউন্ড মার্কেটিং তখনই ঘটবে যখন একটি কোম্পানি সাধারণ মিডিয়া বিজ্ঞাপনের (যেমন টিভি বিজ্ঞাপন, বিলবোর্ড, সংবাদপত্র) মাধ্যমে বা সরাসরি এবং ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে (যেমন মিটিং, কোল্ড কলিং এবং ঠান্ডা ইমেল) মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করে।
Key Points
- আউটবাউন্ড মার্কেটিং হল এমন মার্কেটিং পদ্ধতি যেখানে প্রচারিত পণ্য বা পরিষেবার কোম্পানি সম্ভাব্য গ্রাহকদের কাছে সরাসরি পৌঁছায়।
- আউটবাউন্ড মার্কেটিং সাধারণত ট্র্যাক করা কঠিন।
- ইনবাউন্ড মার্কেটিং এর চেয়ে আউটবাউন্ড মার্কেটিং কম লাভজনক।
- বিভিন্ন কোম্পানি এখনও তাদের মার্কেটিং বাজেটের ৯০% আউটবাউন্ড মার্কেটিং এর জন্য ব্যয় করে।
আউটবাউন্ড মার্কেটিং কী?
আপনি কি কখনো কারো কাছ থেকে এমন কল পেয়েছেন যে আপনাকে কিছু বিক্রি করার চেষ্টা করছে? ওই ব্যক্তি আপনার কাছে অপরিচিত, কিন্তু তাদের পণ্য কেনার জন্য আপনাকে অনেক কিছু বোঝানোর চেষ্টা করছে ইত্যাদি।
এটিকে কোল্ড কলিং বলা হয় এবং এটি আউটবাউন্ড মার্কেটিং এর একটি উদাহরণ।
আউটবাউন্ড মার্কেটিং হলো মার্কেটিং জগতের একটি ঐতিহ্যবাহী রূপ যেখানে একটি কোম্পানি সম্ভাব্য গ্রাহকদের সাথে সরাসরি মেইল, ইভেন্টস, বিলবোর্ডস, টেলিভিশন, নিউসপেপার
রেডিও ইত্যাদির মাধ্যমে যোগাযোগ শুরু করে বা নেতৃত্ব দেয়।
অর্থ্যাৎ এটা স্পষ্ট যে আউটবাউন্ড মার্কেটিং এর মাধ্যমগুলো ঐতিহ্যবাহী মার্কেটিং এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে।
আউটবাউন্ড মার্কেটিং প্রায় অনেক ব্যবসার ক্ষেত্রেই মার্কেটিং বাজেটের অধিকাংশ গঠন করে। আবার, কেউ কেউ এটিকে ব্যবসা করার খরচ হিসেবেও বিবেচনা করে। আউটবাউন্ড মার্কেটিং এর সমস্যাগুলির মধ্যে রয়েছে:
ROI (রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট) ট্র্যাক করা কঠিন এবং অসুবিধের।
ব্লকিং কৌশল বাড়ায়, যেমন Do not call list, Spam filters, TiVo ইত্যাদি।
অধিক খরচ, কম ফলন।
আউটবাউন্ড মার্কেটিং কীভাবে কাজ করে
বিভিন্ন গ্রাহক বিভিন্ন ধরণের বিজ্ঞাপনে সাড়া দেয়।
পরিবারে যারা বয়স্ক বা বৃদ্ধ তাদের ফোন তোলার এবং কল শুনার বা টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন দেখার সম্ভাবনা বেশি হতে পারে এবং তাদের দ্বারা ব্লক করার সম্ভাবনা কম। অন্যদিকে, বর্তমান তরুণ প্রজন্ম তাত্ক্ষণিক পরিতৃপ্তির জগতে বেড়ে উঠেছে, ফলস্বরূপ তারা এড বা পণ্যের প্রচারণাতে তেমন মনোযোগ আসে না।
কিছু গবেষনার তথ্য অনুসারে জানা যায়, ইনবউন্ড মার্কেটিং একটি উন্নত মানের ROI অফার করে। ইনবাউন্ড মার্কেটিং প্রচেষ্টার খরচ তাদের আউটবাউন্ড সহযোগীদের তুলনায় ৬২% কম। যাইহোক, ইনবাউন্ড এর পদ্ধতি গুলো বোঝা কঠিন। লোকেদের কাছে পণ্য বিক্রির পরিবর্তে পরিবর্তে, তারা (ইনবাউন্ড মার্কেটার) ব্র্যান্ড সচেতনতা, ব্যস্ততা এবং আনুগত্য বিকাশের দিকে মনোনিবেশ করছেন।
অর্থ্যাৎ এ থেকে স্পষ্ট যে সঠিক এবং মানসম্মত আউটবাউন্ড মার্কেটিং একটি পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে যথাযথভাবে কাজ করে। কিন্তু কীভাবে কাজ করে?
আউটবাউন্ড মার্কেটিংকে প্রায়ই একটি "ঐতিহ্যবাহী" মার্কেটিং মডেল হিসেবে গণ্য করা হয়। আউটবাউন্ড মার্কেটিং এর মাধ্যমে কোনো কোম্পানি শেষ পর্যন্ত সঠিক ব্যক্তির কাছে পৌঁছাবেন- এটি আশা রাখেন এবং বিভিন্ন মাধ্যমে তাদের পণ্য সম্পর্কিত বার্তাগুলো অসংখ্য মানুষের সামনে তুলে ধরে যাতে করে অনেক সময় এবং প্রচেষ্টা প্রয়োজন পড়ে।
এখানে উল্লেখযোগ্য যে, বছরের পর বছর আউটবাউন্ড মার্কেটিং এর জনপ্রিয়তা কমতে থাকছে। এর অন্যতম কারণ হতে পারে, বেশিরভাগ গ্রাহকরা একই বিজ্ঞাপন বার বার দেখে ক্লান্ত হয়ে যায়। ফলস্বরুপ তারা এড ব্লকার টুলস ব্যবহার করে। বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ৪২.৭% এড ব্লকার টুলস ব্যবহার করছে, যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আউটবাউন্ড মার্কেটিং এর উদাহরণ
ই-মেইল
ই-মেইল মার্কেটিং সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে সক্ষম হলেও, অনেক মার্কেটাররা তাদের কৌশল আপডেট করতে ব্যর্থ হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে, এটি নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ যে মার্কেটাররা গ্রাহকদের কাছে কার্যকর এবং প্রয়োজনীয় ইমেলগুলো পাঠাচ্ছেন যা কি না গ্রাহকদের মূল্যবান সময় এবং মনোযোগের নিশ্চয়তা দেয়।
বিলবোর্ড বিজ্ঞাপন
বিলবোর্ড একটি পুরনো বিজ্ঞাপন মাধ্যম হলেও, এটিকে সঠিকভাবে ব্যবহার করলে ভালো মানের ফলাফল পাওয়া যায়।
রাস্তায় হাটা বা চলা মানুষজনের কাছে কোনো পণ্য প্রচার করতে চাইলে বিলবোর্ড বিজ্ঞাপন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায় হতে পারে।
টেলিভশন বিজ্ঞাপন
টিভিতে বিভিন্ন প্রোগ্রামের মাঝখানে অনেক পণ্যের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। এগুলো মূলত আউটবাউন্ড মার্কেটিংকে নির্দেশ করে। টেলিভিশন বিজ্ঞাপন একসময় খুবই কার্যকরী ছিল, যদিও বা সময়ের স্রোতে এখন এর জনপ্রিয়তা, কার্যকরীতা হ্রাস পাচ্ছে।
এছাড়াও-
- রেডিও এড
- কোল্ড কল
- কোল্ড ই-মেইল
- ট্রেড শো
- সেমিনার সিরিজ
- ই-মেইল স্পাম ইত্যাদি।
আউটবাউন্ড মার্কেটিং এর সুবিধা
তাৎক্ষণিক ফল দিতে পারে
ইনবাউন্ড মার্কেটিং এ অধিক সময়, প্রচেষ্টা এবং ধৈর্য্যের দরকার হয়। এক্ষেত্রে যারা তাৎক্ষণিক ফল চায় কিংবা যে সব কোম্পানি দ্রুত গ্রাহকদের কাছে তাদের পণ্য বিক্রি করতে চায়, সেক্ষেত্রে আউটবাউন্ড মার্কেটিং ব্যবহার করা যেতে পারে।
আউটবাউন্ড মার্কেটিং এর মাধ্যমে কোনো পণ্য বা সার্ভিসে আগ্রহী প্রকাশ করা গ্রাহকরা তাৎক্ষণিক ক্রয় করতে পারে।
সরাসরি গ্রাহক সংযোগ
সম্ভাব্য গ্রাহকরা সাধারণত জেনে থাকে যে একটি কোম্পানি তাদের এমন কিছু বিক্রি করার চেষ্টা করছে যা তাদের (গ্রাহকদের) দরকারী বা প্রয়োজনীয় হতে পারে। এবার একটি কোম্পানি সরাসরি মেল বা একটি ইমেল মার্কেটিং কৌশল যা- ই ব্যবহার করে না কেন, আউটবাউন্ড মার্কেটিং প্রায় মাঝেমধ্যেই একটি উচ্চ রূপান্তর হারের দিকে নিয়ে যায়।
দক্ষতা
আউটবাউন্ড মার্কেটিং এর মাধ্যমে সঠিক গবেষণা, বিভাজন এবং লক্ষ্যবস্তু মানের লিডের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
শ্রমহীন
আউটবাউন্ড মার্কেটিং এ তুলনামূলক কম শ্রমের মাধ্যমে অনেকা সফলতা অর্জন করা যেতে পারে, যদি মাধ্যম এবং কৌশলগুলো যথাযথ হয়।
দ্রুত
আউটবাউন্ড চ্যানেলগুলি সম্ভাব্য গ্রাহকদের কাছ থেকে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পেতে সাহায্য করে।
আউটবাউন্ড মার্কেটিং এর অসুবিধা
আউটবাউন্ড মার্কেটিং অসুবিধার সংখ্যা ব্যপক হলেও সঠিকভাবে আউটবাউন্ড মার্কেটিং ব্যবহার করে এই সমস্ত অসুবিধা দূর করা যেতে পারে। নিচে আউটবাউন্ড মার্কেটিং এর উল্লেখযোগ্য কিছু অসুবিধা তুলে ধরা হলোঃ
ব্যয়বহুল
ট্রেড শোতে ভ্রমণ, ব্যানার বিজ্ঞাপন এবং বিলবোর্ড এর জন্য অর্থ প্রদান- যা অনেক ব্যয়বহুল। এছাড়াও PPC (পে- পার- ক্লিক) -এর মতো অন্যান্য চ্যানেলগুলিতে বড় বিনিয়োগের প্রয়োজন পড়ে তবে ফলাফল কার্যকর নাও হতে পারে।
লোকজন সহজে এড়িয়ে চলতে পারে
অনেকই বিজ্ঞাপনের সময় টিভি নিঃশব্দ করে দেয় বা তাদের কোনো মেইল না দেখেই ডিলিট করে দেয় বাজাঙ্ক মেলটি ফেলে দেয় বা পুনর্ব্যবহার করে।
গ্রাহক বিরক্ত হতে পারে
আউটবাউন্ড মার্কেটিং এর মাধ্যমে, কোম্পানিগুলো একটি বিস্তৃত নেট কাস্ট করে এবং গ্রাহকেরা সেই বার্তাগুলো গ্রহণ করতে চায় কিনা তা না জেনেই বারবার বার্তাগুলি তাদের উপর চাপিয়ে গ্লাভের আশা করে৷
এক্ষেত্রে এটিকে সাধারণত মার্কেটিং “spray and pray" পদ্ধতি হিসাবে উল্লেখ করা যেতে পারে, যেখানে একটি কোম্পানি সেটার মনোযোগ আকর্ষণ এবং একটি বার্তা প্রচার করার জন্য একজন ব্যক্তির কার্যকলাপের প্রবাহকে ব্যাহত করে।
ব্যক্তিগত নয়
কিছু চ্যানেলের জন্য, আউটবাউন্ড মার্কেটিং এর বিজ্ঞাপনগুলো অনেক বড় সংখ্যক গ্রাহকের কাছে পৌঁছায়।
জনপ্রিয় নয়
প্রায়শই আউটবাউন্ড মার্কেটিং আশির দশকের বিক্রয়কর্মীদের সাথে জড়িত থাকে যাদের ব্যক্তিগত সীমানা নেই এবং যেকোনো মূল্যে পণ্য বিক্রি করার প্রবল ইচ্ছা।
আউটবাউন্ড মার্কেটিং এখনও কেন গুরুত্বপূর্ণ?
গত কয়েক দশকে উন্নত প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের কারণে ফলে আউটবাউন্ড মার্কেটিং ইনবাউন্ডের কয়েকটি সফল কৌশল গ্রহণ করেছে যা এটিকে আগের চেয়ে আরও বেশি কার্যকর করেছে। এই কৌশোলগুলোর মধ্যে রয়েছে লক্ষ্য নির্ধারণ, মূল্য-ভিত্তিক পরিষেবা এবং ব্যক্তিগতকরণ। নিচে ব্যাখ্যা দেওয়া হলোঃ
লক্ষ্য নির্ধারণ
ইন্টারনেটে অ্যাক্সেস এবং আধুনিক সফ্টওয়্যার একাধিক মানদণ্ড দ্বারা বড় ডেটাবেস এবং সেগমেন্ট লিডগুলির সাথে দক্ষতার সাথে কাজ করা সম্ভব করেছে। এক্ষেত্রে মার্কেটাররা অপ্রয়োজনীয় গ্রাহকের সাথে যোগাযোগ করা এড়াতে পারে যা কোম্পানি বা ব্যবসার জন্য উপযুক্ত নয়।
অযোগ্য কোনো সম্ভাবনার উপর মার্কেটিং এবং বিক্রয না করার মাধ্যমে সময় কিংবা অর্থ দুটোই বেছে যায়। আর এটি B2B কোম্পানিগুলির (যেমন Google, Zoom Video Communications, HubSpot, Skype ইত্যাদি) জন্য একটি অসাধারণ জয় যেখানে বিক্রয় চক্র অনেক বেশি দীর্ঘ।
মূল্য-ভিত্তিক পরিষেবা
আজকাল বিভিন্ন কোম্পানি তাদের কর্মীদের শিক্ষিত করে এবং তাদের সমস্যার সমাধান করে ক্লায়েন্টদের সেবা প্রদান করে থাকে। বিক্রেতারা এখন আর শুধু বিক্রির খাতিরে বিক্রি করার চেষ্টা করেন না।
প্রথম কোল্ড ইমেল পাঠানোর আগে বা প্রথম কোল্ড কল করার আগে, ব্যবসাগুলি তাদের আদর্শ গ্রাহক প্রোফাইল (ICP) এবং ক্রেতার ব্যক্তিত্ব তৈরি করে, এবং তাদের সম্ভাব্য গ্রাহকদের বিভিন্ন পয়েন্টগুলি সংজ্ঞায়িত করে। ফলস্বরুপ এই আউটবাউন্ড মার্কেটিং কৌশল অবলম্বন করা ব্যবসা বা কোম্পানিগুলো তাদের ক্লায়েন্টদের কাছে দুর্দান্ত মূল্য সরবরাহ করতে সক্ষম হচ্ছে।
ব্যক্তিগতকরণ
সম্ভাবনার সহজ বিভাজন এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে উপলব্ধ তথ্যের বিশাল মাত্রার কারণে, বিক্রয় অফারগুলো অত্যন্ত কাস্টমাইজড হয়ে উঠেছে। সেলস ডেভেলপমেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভরা (এসডিআর) এখন শুধুমাত্র সম্ভাবনার লিঙ্কডইন প্রোফাইল এবং কোম্পানির ওয়েবসাইটে গিয়ে মানসম্পন্ন লিডের মনোযোগ আকর্ষণ করতে ব্যক্তিগতকৃত বার্তা তৈরি করতে পারে।
এক্ষেত্রে, আপনি আপনার ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুযায়ী আপনার পণ্য বা পরিষেবা সামঞ্জস্য করতে পারেন।
একটি সফল আউটবাউন্ড মার্কেটিং কৌশল তৈরি
আউটবাউন্ড মার্কেটিং কৌশল তৈরি করার সময় মূলত প্রাথমিকভাবে কীভাবে যোগাযোগ স্থাপন করতে হয় এবং কীভাবেনোযোগ আকর্ষণ করতে হয়, এর পাশাপাশি একটি কোম্পানিকে কীভাবে ক্লায়েন্ট হতে রাজি করাতে হয় তার উপর ফোকাস করা।
একটি সফল আউটবাউন্ড কৌশল বাস্তবায়ন করতে, মার্কেটারদের যা খেয়াল রাখা উচিত:
মার্কেটিং এ এখনও বিক্রিই সব
স্বাভাবিকভাবেই যেকোন ব্যবসার চূড়ান্ত এবং মূল লক্ষ্য হয়ে থাক আয়, যা একজন গ্রাহক একটি নির্দিষ্ট পণ্য বা পরিষেবার জন্য আপনার কোম্পানিকে শেষ পর্যন্ত দিতে পারে।
তাই, আউটবাউন্ড মার্কেটিং কৌশল এর মাধ্যমে কোনভাবেই লিড তৈরির জন্য লিড জেনারেট করা উচিত নয়। বিপরীতে, এটিকে অবশ্যই একটি দক্ষ এবং পুনরাবৃত্তিযোগ্য চক্রের ব্যাপক বিশ্লেষণ এবং গণনা নিশ্চিত করতে হবে যাতে চুক্তি বন্ধ করা যায়।
মার্কেটিং এবং বিক্রয় সারিবদ্ধ হওয়া উচিত
মার্কেটিং দলের প্রাথমিক কাজ হল বিক্রয়ের সাথে সারিবদ্ধভাবে কাজ করা। তবে অনেক কোম্পানির ক্ষেত্রে, এটা সবসময় হয় না।
কোনো কোম্পানিতে আউটবাউন্ড মার্কেটিং প্রচেষ্টা আরও ফলাফল আনতে পারে, এক্ষেত্রে ব্যবসায়িক লক্ষ্য অর্জনের জন্য যদি বিক্রয় এবং মার্কেটিং একসাথে কাজ করে।
আউটবাউন্ড মার্কেটিং বিভিন্ন কৌশল
আউটবাউন্ড মার্কেটিং কে ইনবাউন্ড মার্কেটিং এ রুপান্তর
আউটবাউন্ড মার্কেটিং হল ইনবাউন্ড মার্কেটিং এর বিপরীত, যেখানে গ্রাহকরা যখন আপনার প্রয়োজন তখন আপনাকে খুঁজে পায়। ইনবাউন্ড মার্কেটিং এর উদাহরণগুলোর মধ্যে রয়েছে কন্টেন্ট মার্কেটিং, ব্লগিং, এসইও এবং অপ্ট-ইন ইমেল মার্কেটিং।
আউটবাউন্ড মার্কেটিং মানুষের কাছে বিরক্তি হতে পারে এবং মানুষের কাছে এ মার্কেটিং এর মাধ্যমগুলো ব্লক করার অপশন রয়েছে। এক্ষেত্রে, ইনবাউন্ড মার্কেটিং ব্যবহার করাটাই যথাযথ যেখানে লোকজন নিজ থেকে আপনার পণ্যে আগ্রহী প্রকাশ করবে।
আপনি যদি আপনার আউটবাউন্ড মার্কেটিং কে ইনবাউন্ড মার্কেটিং এ রুপান্তর করতে চান, তাহলে ইনবাউন্ড মার্কেটিং এর ৩টি মৌলিক প্রক্রিয়া “Attract, Engage, Delight”- এই প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করতে পারেন।
আউটবাউন্ড মার্কেটিংকে আরও কার্যকরী করতে, কোম্পানি, ব্যবসাগুলো ইনবাউন্ড পদ্ধতি গ্রহণ করতে শুরু করেছে৷
উপসংহার
বেশিরভাগ ব্যবসার জন্য, সবচেয়ে কার্যকর উপায়টি হবে তাদের ব্যবসা বা কোম্পানিতে একাধিক মার্কেটিং কৌশল ব্যবহার এবং তাদের সকল ফলাফল পরিমাপ করা। এক্ষেত্রে ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে নির্ধারণ করা দরকার যে কোন মার্কেটিং পদ্ধতি আপনার গ্রাহক এবং আপনার ব্র্যান্ডের জন্য সবচেয়ে উপোযোগী।
- সংজ্ঞা-
- https://www.wordstream.com/outbound-marketing
- https://www.techtarget.com/searchcustomerexperience/definition/outbound-marketing
- বিস্তারিত-
- https://sproutsocial.com/glossary/outbound-marketing/
- উদাহরণ-
- https://kinsta.com/blog/outbound-marketing/
- https://mailchimp.com/resources/outbound-marketing/
- কৌশল এবং বিস্তারিত-
- https://www.cience.com/blog/b2b-outbound-marketing-strategy
Next to read
কাস্টমার এক্সপ্লোরেশন ম্যাপ (Customer Exploration Map)


বেইট এন্ড হুক মডেল (Bait & Hook Model)

রেড ওশান এবং ব্লু ওশান স্ট্র্যাটেজি (Red Ocean & Blue Ocean Strategy with Example

মোট মুনাফা (Gross profit) সংজ্ঞা, সূত্র এবং উদাহরণ

‘SWOT’ Analysis

মার্কেটিং এ ৫ সি (5 C's Of Marketing)

পঞ্জি স্কিম সংজ্ঞা এবং উদাহরণ

ব্রেটন উডস এগ্রিমেন্ট

ভেঞ্চার ক্যাপিটাল
