হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং কী? হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং নিয়ে বিস্তারিত

413
article image

হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং-এ একটি কোম্পানি অন্য একটি কোম্পানির পণ্য বা কোম্পানি থেকে কোনো পণ্যের আইডিয়া, সার্ভিস বা মার্কেটিং কৌশল নিজের নামে ব্যবহার করে। ব্যবসা বৃদ্ধি এবং অধিক মানুষের কাছে পৌছানোর জন্য একটি কোম্পানি মূলত হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং করে থাকে।

Key Points

  • হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং-এ পণ্যগুলো এক কোম্পানি দ্বারা তৈরি হয় এবং বিভিন্ন ব্রান্ডের নামে অন্য কোম্পানির মাধ্যমে বিক্রি হয়।
  • হোয়াইট লেবেল ব্র্যান্ডিং এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো কোম্পানির উৎপাদন এবং মার্কেটিং খরচের ক্ষেত্রে সময়, শ্রম এবং অর্থ সাশ্রয় করে।
  • হোয়াইট লেবেল পণ্যগুলো একটি থার্ড পার্টি দ্বারা তৈরি করা হয়।
  • হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং বর্তমান সময়ে মূলত বিভিন্ন সার্ভিস আউটসোর্স করার কাজে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে।

হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং কী?

হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং-এ একটি কোম্পানি অন্য একটি কোম্পানির সার্ভিস বা পরিষেবা নিজের নামে ব্যবহার করে। তবে মার্কেটিং কোম্পানি মূল কোম্পানির নাম এবং ব্র্যান্ডের অধীনে মার্কেটিং সামগ্রী তৈরি করে থাকে।

উদাহরণস্বরুপ, একটি ব্লগিং কোম্পানি কন্টেন্ট রাইটিং কিংবা গ্রাফিক ডিজাইনে বিশেষজ্ঞ হতে পারে। এক্ষেত্রে তারা হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং ব্যবহার করে অন্য একটি মার্কেটিং দলের সাথে যুক্ত হতে পারে। আর এই দল উক্ত ব্লগিং কোম্পানিকে ওয়বেসাইট ডিজাইন, এসইও গবেষণা এবং অন্যান্য সার্ভিস প্রদান করতে পারে।

অন্য আরেকটি উদাহরণ হচ্ছে, ধরুন আপনি কিছু কেনাকাটা করতে স্বপ্ন বা আগোরা’তে গেলেন। আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন এই কোম্পানি থেকে আপনি গ্রেট ভ্যালু ব্র্যান্ডের অধীনে বিক্রি হওয়া সমস্ত পণ্য কিনতে পারবেন। এর মানে কি ওয়ালমার্ট সেই সকল পণ্য উৎপাদন করছে? আসলে না! ওয়ালমার্ট এর বিভিন্ন কোম্পানি রয়েছে, যারা সেই পণ্যগুলো সরবরাহ করে এবং ওয়ালমার্ট এর পক্ষ থেকে সেইগুলো প্যাকেজিং করে।

একটি কোম্পানি তাদের মার্কেটিং পরিকল্পনার সকল দিকের জন্য অথবা নিম্নলিখিত এক বা একাধিক পরিষেবার জন্য হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং বেছে নিতে পারেঃ

  • ডিজিটাল মার্কেটিং
  • ই-মেইল মার্কেটিং
  • সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাম্পেইন
  • সোশ্যাল মিডিয়া কন্টেন্ট
  • ওয়েবসাইট ডিজাইন
  • এসইও ইত্যাদি।

কারা হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং করতে পারে?

যে সকল ব্যবসায়ী কিংবা কোম্পানি তাদের মার্কেটিং সার্ভিস বৃদ্ধি করতে কিংবা উন্নত করতে চায়, তারা হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং ব্যবহার করতে পারে। একটি কোম্পানি নিজের বিকাশকালের যেকোনো পর্যায়ে হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং বেছে নিতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে, কোনো অভ্যন্তরীণ মার্কেটিং দল ছাড়া একটি ক্রমবর্ধমান কোম্পানি যখন মার্কেটিং সেবার জন্য একটি প্রতিষ্ঠিত মার্কেটিং এজেন্সি বা সংস্থার সাথে যোগাযোগ করে তখন সেটি হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং হিসেবে গণ্য হবে।

পাশাপাশি একটি ক্রমবর্ধমান কোম্পানি তাদের ক্লায়েন্টদের অতিরিক্ত সার্ভিস প্রদান করতে হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং ব্যবহার করতে পারে।

একটি প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি তার মার্কেটিং পরিকল্পনার একটি অংশ উন্নত বা পরিমার্জিত করতে হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং ব্যবহার করতে পারে।

আরেকটি উদাহরণ - আপনি যদি অনলাইনে ছোট একটি ব্যবসা শুরু করেন সেক্ষেত্রে আপনার কোনো কর্মচারী নাও থাকতে পারে। তো আপনি কীভাবে একই সময় ব্যবসা চালাতে পারেন, অর্ডার পাঠাতে পারেন কিংবা ফোনের উত্তর দিতে পারেন? এর একটি সমাধান হলো অন্য কোম্পানি নিয়োগ করা। এক্ষেত্রে আপনি হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং করতে পারেন।

হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং-এর সুবিধাসমূহ

হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং এর নির্দিষ্ট কিছু সুবিধা রয়েছে যা ব্যবসা কিংবা মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে অত্যন্ত উপকারী। নিচে হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং এর কিছু সুবিধাসমূহ উল্লেখ করা হলোঃ

অন্যান্য ব্যবসায়ীক প্রজেক্টে আরও বেশি সময়

একটি কোম্পানি যখন হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে, তখন কোম্পানির মালিকরা অন্যান্য প্রজেক্টে আরও বেশি সময় দিতে পারে।

একটি হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং পরিকল্পনার মাধ্যমে বাহিরের একটি এজেন্সি মার্কেট বিশ্লেষণ করতে পারে, নতুন কোনো কৌশল নিয়ে কাজ করতে পারে এবং পণ্য ডিজাইন করতে পারে। আর এর মাধ্যমে মূল ব্যবসার অনেক সময় এবং শ্রম বেচে যায়, যা অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে।

গ্রাহকদের জন্য অতিরিক্ত সেবা

আপনি যদি একা একটি ছোট ব্যবসা শুরু করেন তাহলে গ্রাহকের চাহিদা বা প্রয়োজন যথাযথভাবে পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় কর্মচারী বা সময় না’ও থাকতে পারে।

উদাহরণস্বরুপ, আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরিতে ফোকাস করলেন। সেক্ষেত্রে আপনি কম কিংবা একই সময়ের মধ্যে কীভাবে এসইও, ব্লগ রাইটিং কিংবা ভিডিও প্রদান করে থাকবেন? হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনি এই সমস্ত কিছু অন্য কোম্পানির দ্বারা খুব সহজেই পরিচালনা করতে পারবেন এবং গ্রাহকের জন্য অতিরিক্ত সেবা এবং পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারবেন।

কম খরচ

হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং-এর মাধ্যমে একটি কোম্পানি কোনো একটি ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সির পণ্য বা সেবা আউটসোর্স করতে পারে, যা নিয়োগ, ভাড়া করা এবং প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়ার অর্থ সাশ্রয় করতে পারে।

হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং এর মাধ্যমে একটি কোম্পানি অন্য একটি কোম্পানির দক্ষতা এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করার ফলে কমাতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে, একটি মার্কেটিং কোম্পানি অন্য একটি কোম্পানির ই-মেইল মার্কেটিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে খরচ বাঁচাতে পারে।

একটি পূর্ণ টিম পাওয়া

আপনার যদি একজন কিংবা একের অধিক মার্কেটিং পার্টনার থাকে, এক্ষেত্রে আপনি বড় বড় প্রজেক্ট গ্রহণ করতে পারবেন এবং কাজ করতে পারবেন। তবে আপনার দল সাধারণত একই সময়ে শুধুমাত্র কয়েকজন গ্রাহককে সেবা দিতে পারবে। কিন্তু যদি আপনার একজন ক্লায়েন্টের শত শত সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে আপনি কীভাবে তাকে সেবা দিতে পারেন? এক্ষেত্রে হোয়াইট লেবেল এসইও পরিষেবাগুলো আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

একটি বড় দলের সাথে কাজ করে আপনি খুব সহজেই বড় বড় অর্ডারগুলো নিয়ে কাজ করতে পারেন। এটি ব্যবসার জরুরি প্রয়োজনে সমস্যা সমাধানে সাহায্য করতে পারে।

নিজস্ব ব্যবসায় মনোযোগ দেওয়ার স্বাধীনতা

একজন কোম্পানি কিংবা ব্যবসার মালিক হিসেবে আপনাকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হয় এবং অ্যাকাউন্টিং, বিক্রয় কিংবা মার্কেটিং এর উপর নজর রাখতে হয়। পাশাপাশি আপনার বিভিন্ন কর্মী নিয়োগ করতে হয়, তাদের দক্ষতা যাচাই করতে হয়। এছাড়া তাদের কাজ সঠিক হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করতে হয়। এই সব কাজ সময় এবং শ্রম সাপেক্ষ।

এক্ষেত্রে হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং আপনাকে নিজস্ব ব্যবসায় মনোযোগ দেওয়ার স্বাধীনতা দিতে পারে।

অতিরিক্ত আয়ের সম্ভাবনা

হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং একটি ব্যবসায় অতিরিক্ত আয় বাড়াতে সাহায্য করে। এটি মার্কেটিং কৌশলের কার্যকারীতা বৃদ্ধি করে পরিষেবার সংখ্যা বাড়ায়, ক্লায়েন্টের সন্তুষ্টি বৃদ্ধি করে ইত্যাদি যা একটি কোম্পানির বিক্রি বাড়িয়ে দেয়।

উদাহরণ হিসেবে, সোশ্যাল মিডিয়া রাইটিং এর মতো নতুন পরিষেবা যোগ করার মাধ্যমে ব্যবসার জন্য নতুন ক্লায়েন্ট তৈরি হতে পারে।

হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং-এর অসুবিধা

হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজির সবই কি আসলে সুবিধা? জি না, এই স্ট্র্যাটেজির মেজর কিছু অসুবিধা’ও রয়েছে। যেমন -

প্রতিযোগিতা

হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং সাধারণত ছোট কোম্পানীগুলো করে থাকে, যাদের বাজেট খুব কম। তাই যাদের থেকে সার্ভিস বা প্রোডাক্ট আউটসোর্স করা হচ্ছে, তাদের সাথে ভালো নেগোশিয়েট করার বা একক চুক্তিতে প্রবেশ করার সামর্থ্য এই ছোট কোম্পানীগুলোর থাকে না। ফলে, যেসব এজেন্সি হোয়াইট লেবেল সার্ভিস প্রদান করে, তারা একই সার্ভিস বা প্রোডাক্ট একের অধিক কোম্পানীর কাছে বিক্রয় করে।

এতে করে হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং আউটসোর্স করা ছোট কোম্পানীগুলোর জন্য মার্কেটে প্রতিযোগিতা বেড়ে যায়। তবে আপনি যদি এজেন্সির সাথে এমন কোনো চুক্তিতে চলে যেতে পারেন, যেখানে তারা শুধু আপনার কোম্পানীর কাছেই উক্ত সার্ভিস বা প্রোডাক্ট বিক্রয় করবে, তাহলে এই অসুবিধা কাটিয়ে যাওয়া সম্ভব।

পণ্য বা সার্ভিসের মান

হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং-এর ক্ষেত্রে পণ্য বা সার্ভিসের মান নিয়ন্ত্রণ সাধারণত আপনার হাতে থাকবে না। পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে আউটসোর্স করা এজেন্সির কাছে। তারা যদি ভালো মানের পণ্য বা সেবা সরবরাহ না করে বা মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরণের অবহেলা করে, তবে নাম খারাপ হবে আপনার কোম্পানীর।

সাপ্লাই চেইনের খরচ

আপনি ভাবতে পারেন যে, যেহেতু পণ্য আপনি নিজে উৎপাদন করছেন না, তাই পণ্যের উৎপাদনের সাথে সম্পর্কিত সকল খরচ থেকে রেহাই পাচ্ছেন। আসলেও তাই। তবে উৎপাদন খরচ না থাকলেও সাপ্লাই চেইনের খরচ থাকে প্রচুর। কারণ এজেন্সির থেকে পণ্য নিজের কাছে নিয়ে এসে, তা রি-প্যাকেজিং করে আবার কাস্টমারদের পর্যন্ত আপনাকেই পৌছে দিতে হবে। এসব কাজে প্রচুর পরিমাণ অর্থ খরচ হয়।

এই খরচ থেকে রেহাই পেতে চাইলে আপনি এজেন্সির সাথে চুক্তি করতে পারেন যেন তারাই আপনার পণ্য আপনার কোম্পানীর নামে প্যাকেজিং করে কাস্টমারদের পর্যন্ত পৌছে দেয়। তবে সেই ক্ষেত্রে আপনার এজেন্সিকে বেশি অর্থ দিতে হবে। সাধারণত সার্ভিসের ক্ষেত্রে এই ধরণের ঝামেলা থাকে না। তাই মূলত বিভিন্ন ধরণের সার্ভিসের জন্যই এখন হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং ব্যবহৃত হচ্ছে।



হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কিছু টিপস

আপনি যদি আপনার কোম্পানি কিংবা ব্যবসার জন্য একটি হোয়াইট লেভেল মার্কেটিং পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চান, তাহলে নিচের টিপসগুলো বিবেচনায় রাখতে পারেন।

কোম্পানির শক্তি এবং দুর্বলতা বিবেচনা

একটি হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং পরিকল্পনা বেছে নেওয়ার সময়, প্রথমত কোম্পানির শক্তি এবং দুর্বলতা বিবেচনায় রাখা। উদাহরণ হিসেবে, একটি ওয়েবসাইট ডেভেলপিং কোম্পানিতে যদি এসইও রাইটারের অভাব থাকে সেক্ষেত্রে তারা একটি হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে পরিষেবাটি প্রদান করতে পারে।

বিশ্বস্ত পার্টনারের সাথে কাজ করা

আপনার বিশ্বস্ত এজেন্সি বা পার্টনার সবসময় আপনার কোম্পানির প্রচারণা বৃদ্ধি করার, দুর্দান্ত পরিষেবা ইত্যাদি নিয়ে পরিকল্পনা করে। যা আপনার গ্রাহকের প্রয়োজন এবং চাহিতে পূরণ করে তাদের খুশি করে তোলে।

ক্লায়েন্টদের প্রয়োজনীয় সার্ভিস নিয়ে চিন্তা

একটি হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং পরিকল্পনা বেছে নেওয়ার সময় ক্লায়েন্ট কী ধরণের সার্ভিস চায়, তা বিবেচনায় রাখা। উদাহরণ হিসেবে, আপনি যদি একটি ওয়েবসাইট কন্টেন্ট ডিজাইন করেন এবং আপনার ক্লায়েন্ট যদি কিছু সোশ্যাল মিডিয়া কন্টেন্ট’ও চায় সেক্ষেত্রে আপনি হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং ব্যবহার করে অতিরিক্ত সার্ভিসগুলো আউটসোর্স করতে পারেন।

পূর্বের মার্কেটিং ক্যাম্পেইন বিশ্লেষণ

একটি নতুন হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং পরিকল্পনা তৈরি করার সময় আপনার পূর্বের মার্কেটিং ক্যাম্পেইন বিবেচনায় রাখুন। আপনার পূর্বের মার্কেটিং ক্যাম্পেইনে কোন উপাদানগুলো সফল হয়েছিল তা বিশ্লেষণ করুন এবং বৃদ্ধির জন্য সেই ক্ষেত্রগুলি সন্ধান করুন।

উদাহরণ হিসেবে, যদি আপনার ই-মেইল মার্কেটিং ক্যাম্পেইন আপনার কোম্পানিতে অনেক অর্থ নিয়ে আসে তাহলে আপনি এটিকে বেছে নিতে পারেন।

অভিজ্ঞতা অর্জন

অভিজ্ঞতা সবসময় ব্যবসার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে কাজ করে। সেক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা অর্জন করুন, অতীত কাজের ভুলগুলো বিশ্লেষণ করুন।

আর্থিক রেকর্ড মূল্যায়ন

আপনার কোম্পানির খরচ এবং বিক্রয় মূল্যায়ন আপনাকে আপনার হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং পরিকল্পনার জন্য একটি বাজেট তৈরি করতে সাহায্য করবে। আপনার হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং পরিকল্পনা মূল্যায়ন করতে কোম্পানির সামগ্রিক খরচ এবং বর্তমান মার্কেটিং খরচ বিবেচনায় রাখতে পারেন।

অধিক তথ্য জানা

একটি হোয়াইট লেভেল মার্কেটিং পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অধিক পরিমাণে তথ্য নিয়ে জানা এবং কাজ করা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ।

উপসংহার

ডিজিটাল মার্কেটিং-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হচ্ছে হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং। এটি বর্তমান কোম্পানীগুলোর অনেক বড় একটি অংশ দ্বারা ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষ করে নতুন ব্যবসায়ীরা এটাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে। তাই ব্যবসায় দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে চাইলে হোয়াইট লেবেল মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি ব্যবহার করতে পারেন।

  • Article Sources
  • https://www.indeed.com/career-advice/career-development/white-label-marketing
  • https://brand24.com/blog/what-is-white-label-marketing/
  • https://www.investopedia.com/terms/w/white-label-product.asp
  • https://www.bigcommerce.com/glossary/white-labeling/
  • https://www.mailmunch.com/blog/white-label-marketing
  • https://traxretail.com/blog/the-pros-and-cons-of-leveraging-white-label-branding-as-a-marketing-strategy/
Next to read
Canvas & Methods
মিনিমাম ভায়েবল প্রোডাক্ট (Minimum Viable Product)
মিনিমাম ভায়েবল প্রোডাক্ট (Minimum Viable Product)

অধিক শ্রম ও অর্থ খরচের এই ঝুঁকি এড়াতে সৃষ্টি হয়েছে এক নতুন ধরনের বিজনেস স্ট্র‍্যাটেজি যেখানে পণ্য প্রয়োজনীয় কিছু ফিচার দিয়ে বাজারজাত করা হয়। পরবর্তীতে গ্রাহকদের চাহিদা পর্যালোচনা করে ধীরে ধীরে এই পণ্যের উন্নয়ন করা হয় এবং নতুন নতুন উপাদান/ফিচার যুক্ত করা হয়। ব্যবসায়িক জগতে একে বলা হয় মিনিমাম ভায়েবল প্রোডাক্ট।

সোশ্যাল ইম্প্যাথি ম্যাপিং (Social Empathy Mapping)
Canvas & Methods
সোশ্যাল ইম্প্যাথি ম্যাপিং (Social Empathy Mapping)
লিন ক্যানভাস মডেল (Lean Canvas Model)
Canvas & Methods
লিন ক্যানভাস মডেল (Lean Canvas Model)
ফ্রিমিয়াম মডেল (Freemium Model)
Business Models
ফ্রিমিয়াম মডেল (Freemium Model)
শেয়ারিং ইকোনমি মডেল (Sharing Economy Model)
Business Models
শেয়ারিং ইকোনমি মডেল (Sharing Economy Model)
Needs, Wants, Demands (প্রয়োজন, চাওয়া এবং চাহিদা)
Business
Needs, Wants, Demands (প্রয়োজন, চাওয়া এবং চাহিদা)
বি-টু-বি, বি-টু-সি এবং বি-টু-জি কি? (B-to-B, B-to-C, B-to-G)
Business
বি-টু-বি, বি-টু-সি এবং বি-টু-জি কি? (B-to-B, B-to-C, B-to-G)
লোগো ব্যবহারের সুবিধা অসুবিধা (Pros and Cons of Logo Usage)
Logo
লোগো ব্যবহারের সুবিধা অসুবিধা (Pros and Cons of Logo Usage)
CSR বা Corporate Social Responsibility কী?
Business
CSR বা Corporate Social Responsibility কী?
অর্থনীতি কী?
Economics
অর্থনীতি কী?