GeoRenus Editorial Team

একটি ডিজিটাল ওয়ালেট হচ্ছে এক ধরণের আর্থিক লেনদেনের অ্যাপ যা ইন্টারনেট সংযোগ আছে এমন যেকোনো ডিভাইসে ব্যবহার করা সম্ভব। এই অ্যাপ আপনার পেমেন্ট ইনফরমেশন ও পাসওয়ার্ড নিরাপদে ক্লাউডে স্টোর করে রাখে। আপনি যখন আপনার ব্যাংকের কার্ড থেকে কোথাও পেমেন্ট করতে চান বা কাউকে টাকা পাঠাতে চান, তখন ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে ঐ কার্ড ছাড়াই লেনদেনটি করা সম্ভব। ডিজিটাল ওয়ালেটের সুবিধা হচ্ছে এই যে, আপনাকে একাধিক কার্ড সাথে নিয়ে ঘুড়তে হচ্ছে না। একটি ডিজিটাল ওয়ালেটে বেশ কিছু ব্যাংকের কার্ড একসাথে আপনি স্টোর করে রাখতে পারেন।
শেষ কখন আপনি অনলাইনে পেমেন্ট করেছিলেন বা কাউকে টাকা পাঠিয়েছিলেন? হলফ করে বলতে পারি এই লেখাটি পড়া বেশিরভাগ মানুষ গত ২৪ ঘন্টার ভেতর অন্তত একবার অনলাইনে লেনদেন করেছিলেন। আমাদের আশেপাশে ডিজিটাল লেনদেনের পরিমাণ এখন এতোটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে অনলাইনে লেনদেন না করে এখন আর উপায় নেই। আর এসব লেনদেনের ক্ষেত্রে আমরা বিভিন্ন এমএফএস বা ব্যাংকের অ্যাপ ব্যবহার করলে এসব অ্যাপকে একত্রিত করতে সাহায্য করে একটি ডিজিটাল ওয়ালেট অ্যাপ। জি, ডিজিটাল ওয়ালেট হচ্ছে এমন একটি অ্যাপ যেখানে আপনি আপনার একাধিক এমএফএস অ্যাকাউন্ট ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ইনফরমেশন একসাথে স্টোর করে রাখতে পারবেন ও লেনদেন করতে পারবেন।
তাই, আজকের লেখায় আমরা ডিজিটাল ওয়ালেট কী, কি কি প্রকারের ডিজিটাল ওয়ালেট পাওয়া যায় ও এদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা করবো।
ডিজিটাল ওয়ালেট ও ইলেক্ট্রনিক ওয়ালেট বা ই-ওয়ালেট বলতে মূলত একই জিনিসকে বোঝানো হয়। ডিজিটাল ওয়ালেট হচ্ছে একটি মোবাইল বা পিসি অ্যাপ্লিকেশন যা আপনার সকল ধরণের পেমেন্ট ইনফরমেন্ট এবং পাসওয়ার্ড ক্লাউডে স্টোর করে রাখে এবং আপনাকে খুব সহজেই অনলাইনে পেমেন্ট করার সুবিধা প্রদান করে। ডিজিটাল ওয়ালেট ব্যবহার করতে চাইলে আপনার ডিভাইসে অবশ্যই ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে। ডিজিটাল ওয়ালেট বলতে মূলত মোবাইল অ্যাপকে বোঝানো হলেও মোটামুটি সকল ডিজিটাল ওয়ালেট অ্যাপের পিসি ভার্শন থাকে।
ডিজিটাল ওয়ালেট মূলত কেনাকাটা বা বিল পে করার কাজে ব্যবহার করা হয়। একজন মানুষের একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকতে পারে, আবার সেই হিসেবে একাধিক কার্ড’ও থাকে। নিজের সাথে সবসময় একাধিক কার্ড বহন করা একটি ঝামেলাকর ও অনিরাপদ বিষয়। ডিজিটাল ওয়ালেট আপনাকে এই বিপত্তি থেকে মুক্তি দেয়। ডিজিটাল ওয়ালেটগুলোতে আপনি আপনার একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা কার্ড ইনফরমেশন সেইভ করে রাখতে পারেন এবং যখন ইচ্ছা যেকোনো কার্ডের লেনদেন সম্পন্ন করতে পারেন। ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ডের পাশাপাশি ডিজিটাল ওয়ালেটগুলো গিফট কার্ড, মেম্বারশিপ কার্ড, লয়ালটি কার্ড, কুপন, ড্রাইভারস লাইসেন্স ইত্যাদি স্টোর করে রাখার সুবিধা প্রদান করে।
ডিজিটাল ওয়ালেটের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে আপনার ইলেক্ট্রনিক লেনদেনের অভিজ্ঞতাকে আরো সহজ ও আরামদায়ক করে তোলা। মোবাইলে একটি ডিজিটাল ওয়ালেট অ্যাপ থাকলেই আপনার সকল ধরণের কার্ড বহন করার আর প্রয়োজন পরে না। আপনি যেকোনো স্থান থেকে খুব সহজেই মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে পেমেন্ট করে দিতে পারেন। ডিজিটাল ওয়ালেটগুলো মোবাইলের ব্লুটুথ, ওয়াইফাই এবং ম্যাগনেটিক সিগনাল ট্রান্সমিট করার ক্ষমতাকে ব্যবহার করে আপনার পেমেন্ট ইনফরমেশনকে খুব দ্রুত শপের পয়েন্ট অব সেলস ডিভাইসে পাঠিয়ে দেয়। এভাবে কোনো ফিজিকাল কার্ড ছাড়াই আপনি খুব সহজে পেমেন্ট করে দিতে পারেন।
বর্তমানে ডিজিটাল ওয়ালেটগুলো যেসব প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, সেগুলো হলো -
যেকোনো শপে একটি কিউআর কোড থাকে। সেই কিউআর কোডে উক্ত শপের পেমেন্ট রিসিভ করার ইনফরমেশন দেয়া থাকে। আপনার ডিজিটাল ওয়ালেটের স্ক্যানার ও মোবাইলের ক্যামেরা ব্যবহার করে সেই কিউআর কোড স্ক্যান করলেই দোকানের পেমেন্ট ইনফরমেশন ওয়ালেটে চলে আসে। এতে করে আপনাকে ম্যানুয়ালি নাম্বার টাইপ করতে হয় না।
এনএফসি বা নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজির মাধ্যমে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক সিগনাল ট্রান্সমিট করা হয়। এতে করে দুটি স্মার্ট ডিভাইস কাছাকাছি নিয়ে আসলেই পেমেন্ট ইনফরমেশন ট্রান্সমিট হয়ে যায়। এতে করে ম্যানুয়ালি কিউআর কোড স্ক্যান করতে হয় না। তবে পেমেন্ট ইনফরমেশন ট্রান্সমিট করার আগে ডিজিটাল ওয়ালেট অবশ্যই ইউজারের পারমিশন নিয়ে নেয়।
মূলত এভাবেই আপনার ডিজিটাল ওয়ালেট থেকে পেমেন্ট ইনফরমেশন শপের পয়েন্ট অব সেলস ডিভাইসে ট্রান্সমিট করা হয়। তারপর আপনার ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের সাথে জড়িত বিভিন্ন থার্ড-পার্টি যেমন - পেমেন্ট প্রসেসর, গেটওয়ে ইত্যাদির মাধ্যমে সেই লেনদেনের ডেটা ব্যাংক পর্যন্ত পৌছে যায় এবং ফাইনালি আপনার লেনদেন সম্পন্ন হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি বেশ বড় হলেও পুরোপুরি অটোমেটেড উপায়ে হয়ে থাকে। তাই ইন্টারনেট সংযোগ ঠিকঠাক থাকলে ১-২ সেকেন্ডের মাঝেই লেনদেন সম্পন্ন হয়ে যায়।
উন্নত বিশ্বের অনেক দেশেই ক্রিপ্টোকারেন্সির লেনদেন সাধারণ বিষয় হয়ে ওঠায় কয়েনজেজ-এর মতো কোম্পানীগুলো এখন ক্রিপ্টোকারেন্সির ডেবিট কার্ড অফার করছে। এই কার্ড আবার তৈরি করা হয়ে ‘ভিসা’ কোম্পানীর দ্বারা। অ্যাপল পে, গুগল পে-এর মতো ডিজিটাল ওয়ালেটে এখন একটি করে ক্রিপ্টো ডেবিট কার্ড অ্যাড করে রাখা যাচ্ছে। এইসব কার্ড সাধারণত ক্রিপ্টোকারেন্সিকে ঐ সময়ের ডলার ভ্যালুতে কনভার্ট করে তারপর উক্ত ডলারের মাধ্যমে লেনদেন করে।
আমরা সাধারণত ৩ ধরণের ডিজিটাল ওয়ালেটের ব্যবহার আশেপাশে দেখতে পাই।
যেকোনো ধরণের কোম্পানী এই ধরণের ডিজিটাল ওয়ালেট ইস্যু করতে পারে। ওয়ালেটের ফান্ডে টাকা জমা করে আপনি শুধু ইস্যুকারী কোম্পানীর সাথেই লেনদেন করতে পারবেন। অন্য কোথাও এই ওয়ালেটের টাকা ট্রান্সফার বা পেমেন্ট করা যাবে না। সাধারণত ই-কমার্স কোম্পানীগুলোকে এই ধরণের কার্ড ইস্যু করতে দেখা যায়। অর্ডার ক্যান্সালেশন, রিটার্ন ও রিফান্ডের টাকা এসে ওয়ালেট যোগ হয় ও তা আবার পরবর্তী সময়ে ব্যবহার করা যায়। Amazon Pay হচ্ছে এই ধরণের ওয়ালেটের একটি উদাহরণ।
এই ধরণের ওয়ালেট ব্যবহার করে নির্দিষ্ট কিছু স্থানে পেমেন্ট করা সম্ভব। তবে এগুলোর কভারেজ এরিয়া সাধারণত অনেক কম হয়ে থাকে। অনলাইনে ও অফলাইনে, উভয় ক্ষেত্রেই এই ওয়ালেট ব্যবহার করে কেনাকাটা করা সম্ভব। তবে পেমেন্ট সংগ্রহ করার অনুমতি পাওয়ার জন্য মার্চেন্টদের ওয়ালেট ইস্যুকারী সংস্থার সাথে অ্যাগ্রিমেন্ট করে নিতে হয়।
যেকোনো ওয়ালেট ইস্যুকারী কোম্পানী যেকোনো ব্যাংকের সাথে পার্টনারশিপের মাধ্যমে এই ধরণের ওয়ালেট ইস্যু করতে পারে। সেমি-ক্লোজড ওয়ালেটের সুবিধাগুলো এই ওয়ালেটেও পাওয়া যায়। তবে অতিরিক্ত হিসেবে এই ওয়ালেটে ব্যাংকের সাথে লেনদেন করা যায় ও এটিএম থেকে টাকা তোলা যায়।
পেপাল নিজেদের রেগুলার সার্ভিসগুলোর পাশাপাশি এই ডিজিটাল ওয়ালেট সার্ভিস অফার করে। এর মাধ্যমে গ্রাহকরা লগ-ইন না করে ও পাসওয়ার্ড না দিয়েই অর্থের লেনদেন ও কেনাকাটা করতে পারেন। এই অ্যাপ ডেস্কটপ, ল্যাপটপ ও ট্যাবলেটে ব্যবহার করা সম্ভব।
এই অ্যাপ শুধু অ্যাপলের বিভিন্ন প্রোডাক্ট যেমন - আইফোন, আইপ্যাড ও অ্যাপল ওয়াচ ব্যবহার করেন এমন গ্রাহকদের জন্য তৈরি করে অ্যাপল। অর্থাৎ, অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য এই অ্যাপ নয়। নিজের একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ইনফরমেশন এই অ্যাপে স্টোর করে রাখতে পারবেন আপনি। তারপর অ্যাপ ব্যবহার করে সহজেই অনলাইন ও অফলাইনে কেনাকাটা করতে পারবেন।
অ্যাপল পে-এর সবচেয়ে বড় অল্টারনেটিভ হতে পারে গুগল পে। আপনাকে মূলত আপনার গুগল অ্যাকাউন্টে আপনার পেমেন্ট ইনফরমেশন সেইভ করে রাখতে হবে। তাহলেই আপনি গুগল পে ব্যবহার করে যেকোনো স্থানে পেমেন্ট করতে পারবেন (যদি তারা গুগল পে গ্রহণ করে)। এছাড়াও এই অ্যাপে স্টুডেন্ট আইডি, মুভি টিকেট, গিফট কুপন, পরিবহন কার্ড ইত্যাদি স্টোর করে রাখা যায়।
বাংলাদেশের এমএফএস সেক্টরের সবচেয়ে বড় প্লেয়ার এখন বিকাশ। হয়তো ডিজিটাল ওয়ালেটের সংজ্ঞা অনুযায়ী বিকাশ’কে এখনো ডিজিটাল ওয়ালেট বলা যায় না। কারণ এই অ্যাপে কার্ড টু বিকাশ ও বিকাশ টু কার্ড লেনদেন করা যায় শুধু। তবে অদূর ভবিষ্যতে বিকাশ তাদের অ্যাপ থেকে কার্ডের মাধ্যমে কেনাকাটা করার সার্ভিস চালু করলে মোটেও মন্দ হবে না।
চলুন ডিজিটাল ওয়ালেটের কিছু গুরুত্ব বা সুবিধা সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।
১। ডিজিটাল ওয়ালেট আপনার মোবাইলেই আপনার সকল পেমেন্ট ইনফরমেশন স্টোর করে রাখতে সাহায্য করে। তাই একাধিক কার্ড সাথে নিয়ে চলতে হয় না।
২। যেসব কোম্পানী নিজেদের মার্কেটিং-এর জন্য ইউজার-ডেটা সংগ্রহ করে, তারা ডিজিটাল ওয়ালেট দ্বারা বেশ উপকৃত হয়। ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে তারা গ্রাহকের কেনাকাটার অভ্যাস সম্পর্কে জানতে পারে ও নিজেদের ক্যাম্পেইনগুলোকে আরো ইফেক্টিভ উপায়ে সাজাতে পারে। তবে এটির একটি বাজে দিক হচ্ছ যে এতে করে সাধারণ মানুষের প্রাইভেসি নষ্ট হতে পারে।
৩। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ডিজিটাল ওয়ালেটের ব্যবহার বৃদ্ধি করার মাধ্যেম অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করা সম্ভব।
৪। ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে দেশের বাইরেও খুব সহজেই টাকা পাঠানো সম্ভব ও দেশের বাইরে থেকে খুব সহজেই দেশে টাকা আনা সম্ভব।
৫। ডিজিটাল ওয়ালেট ব্যবহারে কোনো ফিজিকাল ব্যাংকের প্রয়োজন হয় না। তাই গ্রামাঞ্চলের মানুষদের’ও খুব সহজেই অর্থনীতিতে অংশগ্রহণ করানো সম্ভব।
৬। সাধারণত যেকোনো ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে একটি ন্যুনতম অ্যামাউন্ট জমা রাখতে হয়। অপরিকে, ডিজিটাল ওয়ালেটে কোনো ন্যুনতম অ্যামাউন্ট নেই। অর্থাৎ, আপনি চাইলে আপনার অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স শূন্য করে ফেলতে পারবেন।
১। ডিভাইস হারিয়ে গেলে বা চুরি হয়ে গেলে গ্রাহকের সেফটি ও প্রাইভেসি নিয়ে কনসার্ন তৈরি হতে পারে। পাসওয়ার্ড শক্তিশালী না হলে হ্যাকাররা সহজেই ডিজিটাল ওয়ালেটে লগ-ইন করে অর্থ আত্মসাৎ করে নিতে পারে।
২। বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল ওয়ালেট অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও এখনো অনেক ছোট-খাটো মার্চেন্ট ডিজিটাল ওয়ালেটের পেমেন্ট গ্রহণ করেন না। তাই ডিজিটাল ওয়ালেট থাকা স্বত্তেও বাধ্য হয়ে ক্যাশ বহন করতে হয়।
৩। যাদের ক্যাশ বহন করে অভ্যাস, ডিজিটাল ওয়ালেটে অভ্যস্ত হতে তাদের কিছুটা সময় লাগতে পারে।
৪। সাথে ডিভাইস না থাকলে বা ডিভাইসের চার্জ শেষ হয়ে গেলে ডিজিটাল ওয়ালেট ব্যবহার করা যায় না।
ডিজিটাল ওয়ালেট সিলেক্ট করার সময় নিম্নোক্ত ফ্যাক্টরগুলো বিবেচনা করতে পারেন।
১। ওয়ালেটের সেফটি ও সিকিউরিটি ফিচার
২। ওয়ালেটের সার্ভিস ব্যবহারে কোনো অতিরিক্ত চার্জ বা তার পরিমাণ
৩। ওয়ালেটের রেজিস্ট্রেশন প্রসেস
৪। ওয়ালেটের ধরণ (Closed, Semi-closed, or Open)
৫। প্রতি দিনের/সপ্তাহের/মাসের লেনদেনের সীমা
৬। ওয়ালেটের ইউজার রিভিউ
৭। ওয়ালেট ডাউনলোডের সোর্স (কোনো থার্ড-পার্টি বা ঝুকিপূর্ণ ওয়েবসাইট হতে ওয়ালেট ডাউনলোড করা থেকে বিরত থাকুন।
ডিজিটাল ওয়ালেটগুলো সাধারণ মানুষদের লেনদেন করার জন্য একটি সহজ ও আরামদায়ক উপায় অফার করে যাচ্ছে। গত দশকের তুলনায় এই দশকে ডিজিটাল ওয়ালেটের ধারণা অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ও ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবুও আমাদের ফিজিকাল ওয়ালেটকে রিপ্লেস করার মতো সময় এখনো ডিজিটাল ওয়ালেটের আসেনি। তবে আশা করছি এই দশকের শেষের দিকে আমরা অনেকটাই ক্যাশলেস জীবন-যাপন শুরু করতে পারবো।

লিন ক্যানভাস মডেল মূলত একটি এক পৃষ্ঠার নয়টি ব্লকের মাধ্যমে তৈরি করা সমস্যা-সমাধান ভিত্তিক মডেল যা একটি আইডিয়াকে ব্যবসায়ে রুপান্তরিত করতে কিংবা স্টার্টআপ এর প্রসারে সহায়তা করে। এই মডেলটি মূলত স্টার্টআপ লেভেলের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য যুগান্তকারী মডেল হিসেবে কাজ করে যেকারণে অনেক বড় বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও তাদের শুরুর দিকে এই মডেলটি ব্যবহার করে নানাভাবে উপকৃত হয়েছে।








