Golden Rules of Money Management : 10 Rules for Mastering Money Management

385
article image

অর্থের সহজ কিছু নিয়ম মেনে চললেই আর্থিক ক্ষতি এড়ানো অনেক সহজ হয়ে যায়। যেমন - ইমার্জেন্সি ফান্ড রাখা, ৫০/৩০/২০ রুল মেনে চলা, ঋণের ফাদে পা না দেয়া, সর্বদা নিজের আয় বৃদ্ধির চেষ্টায় থাকা, বড় বড় খরচগুলোর জন্যা আগে থেকেই প্রস্তুত থাকা, নিজের আর্থিক জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করা, রিটায়ারমেন্ট প্ল্যান তৈরি ও কম বয়সে বিনিয়োগের অভ্যাস গড়ে তোলা, নিজের আয় ও সম্পদের বৈচিত্রায়ন করা, দায় ক্রয় না করে সম্পদ ক্রয় করা ইত্যাদি।

Key Points

  • ৬-১২ মাস চলার মতো অর্থ যদি আপনার ইমার্জেন্সি ফান্ডে থাকে, তাহলে তা যথেষ্ঠ বলা আশা করা যায়।
  • বর্তমান সময়ে আপনার যদি অনেক বড় কোনো ফাইন্যান্সিয়াল ব্যাকআপ না থাকে, তাহলে আপনার ঋণ করা একটি খারাপ সিদ্ধান্ত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকবে।
  • আপনার যদি মনে হয় যে আপনার বর্তমান ইনকাম আপনার নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ মেটানোর জন্য যথেষ্ট নয়, তাহলে নিজের স্কিলসেট বৃদ্ধি করে আয় বাড়ানোর চেষ্টা করুন।
  • দ্রুত বিনিয়োগের অভ্যাস করলে আমরা কম বয়সেই অনেক কিছু বুঝে যাব, যা কাজে লাগিয়ে আমরা পরবর্তী জীবনে আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারবো।
  • 

ভূমিকা

পূর্বের যেকোনো সময়ের তুলনায় বর্তমান সময়ের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অনেক বেশি জটিল। মুক্ত-বাজার অর্থনীতি জনপ্রিয় হওয়ার পর থেকে মানুষ এই নীতির অনেক লুপ-হোল খুজে বের করে তা দ্বারা লাভবান হয়। তবে কিছু সময় পরেই দেখা দেয় ২০০৭-০৮ সালের অর্থনৈতিক মন্দা। এই মন্দার পর বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো নিজেদের অনেক নিয়ম-কানুনে পরিবর্তন নিয়ে আসা ও অর্থনীতি হয়ে ওঠে আরো বেশি জটিল। তবে ব্যাক্তিগত জীবনে আর্থিকভাবে সফল হতে আপনার অর্থনীতিবীদ হতে হবে না। আপনাকে শুধু অর্থ সম্পর্কে সহজ কিছু নিয়ম জেনে রাখতে হবে। এই নিয়মগুলো অনুসরণ করে আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে সেই সিদ্ধান্ত সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে অনেক বেশি। তবে চলুন, দেরি না করে জেনে নেয়া যাক অর্থের এমন ১০টি রুল সম্পর্কে।

১। একটি ইমার্জেন্সি ফান্ড গঠন করুন

আর্থিক সমস্যা কখন কোন দিক থেকে চলে আসে তা কখনো বলা যায় না। নিজেই ভেবে দেখুন, করোনা মহামারীর কথা কি আমরা কেউ ভেবে দেখেছিলাম? অথচ, এই মহামারীর কারণে বিশ্বব্যাপী জীবিকা হারিয়েছেন কোটি কোটি মানুষ। তাই আমাদের সকলেরই একটি ইমার্জেন্সি ফান্ড রাখা প্রয়োজন। কখনো কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কারণে আমাদের মাসিক আয় বন্ধ হয়ে গেলে আমরা এই ফান্ড ব্যবহার করে বেচে থাকতে পারবো।

ইমার্জেন্সি ফান্ড সাধারণত মাসিক ব্যয় হিসাব করে তৈরি করা উচিত। অনেক বিশেষজ্ঞের মতো, ৩-৬ মাস নির্বিঘ্নে চলার মতো অর্থ ইমার্জেন্সি ফান্ডে রাখা উচিত। আবার অনেকে ১ বছরের জন্য ইমার্জেন্সি ফান্ড গঠন করার পরামর্শ প্রদান করে। তবে ৬-১২ মাস চলার মতো অর্থ যদি আপনার ইমার্জেন্সি ফান্ডে থাকে, তাহলে তা যথেষ্ঠ বলা আশা করা যায়।

২। ৫০/৩০/২০ রুল মেনে চলুন

৫০/৩০/২০ হচ্ছে একটি বাজেটিং পদ্ধতি। এই পদ্ধতি অনুসারে আমাদের মাসিক বাজেট যদি হয় ১০০ টাকা, তাহলে সেখান থেকে ৫০ টাকা আমরা আমাদের মাসিক প্রয়োজনগুলো মেটাতে ব্যয় করবো, যেমন - বাসা ভাড়া, যাতায়াত, বাজার খরচ ইত্যাদি। ৩০ টাকা আমরা আমাদের শখগুলো পূরণ করতে ব্যয় করবো, যেমন - কেনাকাটা, ভ্রমণ, আনন্দ ইত্যাদি। ২০ টাকা আমরা আমাদের সেভিংস অ্যাকাউন্টে জমা করবো। অর্থাৎ, বাজেটকে ৫০/৩০/২০ অনুসারে ভাগ করে জীবনের একেক অংশে একেক পরিমাণ অর্থ কাজে লাগানোই হচ্ছে এই বাজেটিং-এর উদ্দেশ্য।

এতে করে আমাদের মাসিক প্রয়োজন ও শখ-আহ্লাদ পূরণ করে সেভিংস’ও করা সম্ভব হচ্ছে। তবে আপনি চাইলে ‘৫০/৩০/২০’ এই সংখ্যাগুলোকে নিজের প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন করে নিতে পারেন।

৩। ঋণ করা এড়িয়ে চলুন

পৃথিবীতে এমন খুব কমই ঋণের উৎস রয়েছে, যেখান থেকে বিনাসুদে ঋণ পাওয়া যায়। আর সুদ দিতে হচ্ছে মানেই আপনি যেই পরিমাণ ঋণ নিয়েছেন, তার থেকে বেশি টাকা আপনাকে ফেরত দিতে হচ্ছে। আবার ঋণের বোঝা একটা লম্বা সময়ের জন্য আমাদের ঘাড়ে চেপে বসে থাকতে পারে। তাই কোনো ইমার্জেন্সি সিচুয়েশন ব্যাতীত ঋণ না করাই ভালো। আপনার যদি উক্ত খরচটি এককালীন মিটিয়ে ফেলার সামর্থ্য থাকে, তাহলে অবশ্যই তা করে ফেলুন।

আমরা জানি এখন আপনার মাথায় ‘রিচ ড্যাড, পুওর ড্যাড’ বইয়ের রবার্ট কিওসাকির থিওরি মাথায় আসছে হয়তো, যিনি ঋণ করার প্রতি উৎসাহ দিয়েছিলেন। তবে আমরা বলে রাখতে চাই যে, বইটি ১৯৯৭ সালে লিখা। গত ২৭ বছরে পরিস্থিতি অনেক পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমান সময়ে আপনার যদি অনেক বড় কোনো ফাইন্যান্সিয়াল ব্যাকআপ না থাকে, তাহলে আপনার ঋণ করা একটি খারাপ সিদ্ধান্ত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকবে।

৪। খরচ কমানোর তুলনায় আয় বৃদ্ধিকে প্রাধান্য দিন

আপনি যদি সবসময় খরচ কমানোর চিন্তায় থাকেন বা সব জায়গায় ডিস্কাউন্ট পেতে চান, তাহলে একে বলে স্কারসিটি (অভাব) মাইন্ডসেট। এই মাইন্ডসেটের লোকজনের সর্বদা মনে হতে থাকে যে তাদের কাছে যথেষ্ট টাকা নেই এবং আশেপাশের সকল লোক তার কাছ থেকে বেশি বেশি টাকা নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। আপনি যদি দীর্ঘদিন এইভাবে জীবনযাপন করেন, তাহলে নিজের অবস্থার উন্নতি করার থেকে অন্যদের খারাপ দিকগুলোর প্রতি আপনার ফোকাস বেড়ে যাবে।

আমরা আপনাকে বাজেট না করতে বা আজেবাজে কাজে অর্থ খরচ করতে বলছি না। বাজে খরচগুলো অবশ্যই কমানোর বা বাদ দেয়ার চেষ্টা করা উচিত। তবে তাই বলে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলোতে স্যাক্রিফাইস করা উচিত নয়। আপনার যদি মনে হয় যে আপনার বর্তমান ইনকাম আপনার নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ মেটানোর জন্য যথেষ্ট নয়, তাহলে নিজের স্কিলসেট বৃদ্ধি করে আয় বাড়ানোর চেষ্টা করুন।

৫। জীবনের বড় ইভেন্টগুলোর জন্য আগে থেকেই প্ল্যান করুন

আমাদের প্রত্যেকের জীবনেই কিছু বড় বড় ইভেন্ট থাকে, যেমন - বাড়ি ক্রয়, বিয়ে, বিদেশ ভ্রমণ ইত্যাদি। এসব ইভেন্টগুলোর জন্য যতো আগে থেকে প্ল্যান করা শুরু করবেন, ততো বেটার। প্ল্যান করা বলতে, ফাইন্যান্সিয়াল প্ল্যানিং-এর কথা বলছি। একেবারে ইভেন্টের পূর্বমুহুর্তে অনেক বড় অ্যামাউন্ট ঋণ না করে বরং হাতে যথেষ্ঠ সময় থাকাবস্থায় অর্থ সেইভ করা শুরু করুন। চাইলে ডিপিএস-এর মাধ্যমে ব্যাংকে’ও জমাতে পারেন অথবা কোনো নিরাপদ ও লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করতে পারেন।

৬। জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করুন

একটু আগেই আমরা বললাম যে ‘রিচ ড্যাড পুওর ড্যাড’ বইয়ে বলা রবার্ট কিওসাকির অনেক রুল এখন আর বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। কেনো এমনটা হয়েছে জানেন কী? কারণ সময়ের সাথে সাথে মার্কেটে অনেক পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে ২০০৭-০৮ অর্থনৈতিক মন্দার পর বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনেক বড় বড় কিছু পরিবর্তন এসেছে, যা এখনকার পরিস্থিতিকে করে তুলেছে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং। আর এইসব পরিবর্তন সম্পর্কে যদি আপনার পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকে, তাহলে আপনার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

তাই আমাদের অনুরোধ থাকবে যে, সর্বদা নিজের আর্থিক জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করতে থাকুন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে কি ধরণের পরিবর্তন এসেছে ও সামনে আসতে চলেছে, এই বিষয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞান রাখার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারেন।

৭। রিটায়ারমেন্ট প্ল্যানিং করুন

এই কাজটি আপনি যতো আগে থেকে করা শুরু করবেন, ততোই ভালো। কারণ, আগে থেকে করা শুরু করলে আপনার অবসরের বয়স হতে হতে একটি ভালো অ্যামাউন্টের টাকা আপনার জমানো হয়ে যাবে। আপনি চাইলে বাংলাদেশ সরকারের সার্বজনীন পেনশন স্কিম’কেও এই কাজে ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে অবসরের পর আপনাকে আর কারো উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকতে হবে না।

৮। যতো দ্রুত সম্ভব বিনিয়োগ করা শুরু করুন

আমাদের বয়স যখন কম থাকে, তখন আমরা অনেক বেশি পরিমাণ ঝুকিঁ গ্রহণ করতে পারি। কারণ, তখন আমাদের উপর তেমন বিশেষ দায়িত্ব থাকে না এবং আর্থিক ক্ষতি হলেও তার প্রভাব আমাদের বাকি জীবনের উপর তেমন পরবে না। তবে আমাদের বয়স যতো বাড়তে থাকে, এই পরিস্থিতি ক্রমাগত বিপরীত দিকে মোড় নিতে থাকে। তাই আমাদের উচিত আগে থেকেই বিনিয়োগের অভ্যাস গড়ে তোলা।

দ্রুত বিনিয়োগের অভ্যাস করলে আমরা কম বয়সেই অনেক কিছু বুঝে যাব, যা কাজে লাগিয়ে আমরা পরবর্তী জীবনে আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারবো।

৯। বৈচিত্রায়ন করুন

এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পয়েন্ট। আপনার আয় ও বিনিয়োগকে সবসময় বৈচিত্রায়ন করার চেষ্টা করুন। উদাহরণস্বরুপ, আপনার যদি মাত্র একটি খাত থেকে ৫০০ টাকা আসে, অপরদিকে আপনার বন্ধুর ৫টি খাত থেকে মোট ৫০০ টাকা আসে, তাহলে কার আয়কে আপনি বেশি নিরাপদ বলে মনে করবেন? অবশ্যই আপনার বন্ধুর! কারণ তার একটি খাত থেকে আয় বন্ধ হয়ে গেলেও বাকি খাতগুলো আয় থেকে তিনি কোনোভাবে নিজেকে চালিয়ে নিবেন।

এই একই বিষয় কাজ বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও। কোনো একটি খাতে নিজের সকল অর্থ বিনিয়োগ না করে বরং একাধিক খাতে বিনিয়োগ করার চেষ্টা করুন। এতে করে আপনার বিনিয়োগকৃত অর্থের লোকসান হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।

১০। দায় নয়, সম্পদ ক্রয় করুন

সর্বশেষ রুল হিসেবে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরতে চাই। মার্কেটিং গিমিকের শিকার হয়ে আমরা হরহামেশাই দায় ক্রয় করি। অথচ আমরা এতো কষ্ট করে টাকা অর্জন করি সম্পদ ক্রয়ের আশায়। একটি সম্পদ আমাদের নির্দিষ্ট সময় পর পর মুনাফা প্রদান করে ও সময়ের সাথে সাথে এর মূল্য বৃদ্ধি পায়। অপরদিকে, দায় থেকে আমাদের কোনো ধরণের অর্থ আসে না, বরং আরো বেশি অর্থ খরচ করতে হয়। তাই, আমরা বলি যে, দায় না কিনে সম্পদ কিনুন।

মনে করুন আপনার কাছে ৬৫,০০০ টাকা আছে, যা দিয়ে আপনি একটি প্রিমিয়াম মোবাইল ক্রয় করতে চান। এখন, আপনি যদি একজন প্রফেশনাল গেমার, ফটোগ্রাফার বা ভিডিওগ্রাফার না হোন, তাহলে সম্ভাবনা বেশি যে এতো টাকা দিয়ে একটি মোবাইল ক্রয় করা আপনার জন্য ভালো সিদ্ধান্ত হবে না। একজন সাধারণ মোবাইল ব্যবহারকারী হিসেবে আপনার ২৫,০০০ টাকা দিয়ে কাজ চালিয়ে নেয়া সম্ভব। বাকি ৪০,০০০ টাকা দিয়ে আপনি একটি ল্যাপটপ ক্রয় করতে পারেন, এই ল্যাপটপ দিয়ে কাজ করার মাধ্যমে আপনি ভবিষ্যতে আরো টাকা আয় করতে পারবেন। এখানে আপনি ৬৫,০০০ টাকা দিয়ে একটি দায় না ক্রয় করে বরং ২৫,০০০ টাকা দিয়ে প্রয়োজন পূরণ করলেন ও বাকি ৪০,০০০ টাকা দিয়ে একটি সম্পদ ক্রয় করলেন।

পরিসংহার

আমাদের কালচারে টাকা-পয়সা নিয়ে কথা বলা অনেকটা ট্যাবু হয়ে রয়েছে এখনো। তাই অন্যান্য দেশে যেসব বিষয় অত্যান্ত সাধারণ এবং মোটামুটি সবাই সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত, সেগুলো সম্পর্কে আমাদের দেশে খুব পরিমাণ মানুষই জানেন। তাই আজকের লেখাটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আশা করি আজ আপনাদের এমন কিছু আর্থিক রুল সম্পর্কে জানাতে পেরেছি যা আপনি আগে জানতেন না।

Next to read
Marketing
ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ? ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রসমূহ
ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ? ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রসমূহ

মূলত মার্কেটিং এর যে প্রক্রিয়া বা ধারণাগুলো রয়েছে সেসব ধারণাগুলোকে প্রযুক্তির মাধ্যমে আধুনিকভাবে উপস্থাপন বা ব্যবহার করাই ডিজিটাল মার্কেটিং। ডিজিটাল মার্কেটিং-এ একদিকে যেমন ব্যয় হয় স্বল্প ঠিক তেমনই সময়’ও লাগে কম। আর তাছাড়া বয়স, লিঙ্গ, অঞ্চল ইত্যাদি বিষয় একদম নির্দিষ্ট করে দিয়ে প্রচারণা চালানো সম্ভবপর হয়ে উঠে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে।

বি-টু-বি, বি-টু-সি এবং বি-টু-জি কি? (B-to-B, B-to-C, B-to-G)
Business
বি-টু-বি, বি-টু-সি এবং বি-টু-জি কি? (B-to-B, B-to-C, B-to-G)
মোট মুনাফা (Gross profit) সংজ্ঞা, সূত্র এবং উদাহরণ
Business
মোট মুনাফা (Gross profit) সংজ্ঞা, সূত্র এবং উদাহরণ
ইক্যুইটির সংজ্ঞা এবং অর্থ
Business
ইক্যুইটির সংজ্ঞা এবং অর্থ
রিব্র্যান্ডিং (Rebranding)
Branding
রিব্র্যান্ডিং (Rebranding)
সামষ্টিক অর্থনীতি বা ম্যাক্রো ইকোমিক্স ( Macro Economics ) কী?
Economics
সামষ্টিক অর্থনীতি বা ম্যাক্রো ইকোমিক্স ( Macro Economics ) কী?
PESTLE বিশ্লেষণ
Analysis
PESTLE বিশ্লেষণ
বিক্রয় বৃদ্ধি করার ৬টি নীতি
Sales
বিক্রয় বৃদ্ধি করার ৬টি নীতি
পঞ্জি স্কিম সংজ্ঞা এবং উদাহরণ
Crime and Fraud
পঞ্জি স্কিম সংজ্ঞা এবং উদাহরণ
হিসাববিজ্ঞান পরিচিতি (What is Accounting)
Accounting
হিসাববিজ্ঞান পরিচিতি (What is Accounting)