15 Ways to Make Money Online, Offline and at Home

অনলাইনে আয় করতে চাইলে আপনাকে প্রথমেই ভ্যালু ক্রিয়েট করা শিখতে হবে। ভ্যালু ক্রিয়েট করার পর আপনি সহজেই অন্যদের থেকে সেই ভ্যালুর বিনিময় টাকা সংগ্রহ করতে পারবেন। অনলাইনে ভ্যালু ক্রিয়েট করার অন্যতম কিছু উপায় হচ্ছে - ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করা, ই-বুক পাবলিশ করা, এফ-কমার্স ব্যবসা পরিচালনা করা, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও তৈরি করা বা ব্লগ পরিচালনা করা ইত্যাদি।
Key Points
- অ্যাকাউন্ট ওপেন করার সাথে সাথেই কাজ না পেলে হতাশ হবেন না, বরং কিছুটা সময় নিয়ে নিজের অ্যাকাউন্টকে অপ্টিমাইজ করুন, আশা করি এতে কাজ হবে।
- আপনি চাইলে অন্যদের এআই টুল ব্যবহার করা শিখিয়ে’ও অর্থ আয় করতে পারবেন।
- আপনি চাইলে কোনো ট্রেন্ডি নিশ সিলেক্ট করে সেই নিশের উপর একটি ভালো ব্লগ তৈরি করে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন।
- আপনার যদি গেমিং-এর প্রতি আগ্রহ থাকে তাহলে আপনার পছন্দের গেইমের উপর একটি টুইচ চ্যানেল ওপেন করে ফেলতে পারেন।
ভূমিকা
মুদ্রাস্ফীতির কল্যাণে কিছু বছর পূর্বে যেই পরিমান মাসিক আয়কে যথেষ্ট বলা ধরা হতো, তা এখন আর যথেষ্ট নয়। বিভিন্ন কোম্পানীতে ভালো ভালো পজিশনে চাকরি করা কর্মকর্তাগণ একসময় নিজেদের বেতন দিয়েই সংসার চালিয়ে কিছু পরিমাণ সেইভ করতে পারতেন। তবে বর্তমান সময়ে সেইভ করা তো দূরের কথা, তাদের জন্য মাসিক খরচ মেটানোই হয়ে উঠেছে এক চ্যালেঞ্জ। একই অবস্থা দেখা যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের মাঝেও। তাই সবারই বারতি কিছু অর্থ আয় করার উপায় দরকার। এই সমস্যাকে পুজি করে গড়ে উঠেছে অনেক অনলাইন আয়ের স্ক্যাম ব্যবসা ও এমএলএম ব্যবসা। আমাদের উচিত নিজেদের জ্ঞান-বুদ্ধি ব্যবহার করে সেইসব স্ক্যাম এড়িয়ে চলা। তবে কিছু উপায় রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে আপনি আসলেই বারতি কিছু পরিমাণ অর্থ আয় করতে পারবেন।
কিন্তু কিভাবে? বিষয়টা বেশ সিম্পল, আপনাকে ‘ভ্যালু’ ক্রিয়েট করতে হবে। আপনি যখন কোনো ভ্যালু(নতুন কিছুই যে হতে হবে, এমন কিন্তু নয়) ক্রিয়েট করবেন, তখন সেই ভ্যালুর বিনিময়ে অর্থ আয় করতে পারবেন। যখনই দেখবেন যে এমন কোনো কাজে আপনাকে টাকার লোভ দেখানো হচ্ছে, যেখানে আপনি আসলে কোনো ধরণের ভ্যালু ক্রিয়েট করছেন না, সাথে সাথেই বুঝে নিতে হবে যে এটি একটি স্ক্যাম।
তাই আজকের লেখায় আমরা আপনার জন্য এমন ১৫টি উপায় তুলে ধরবো, যেগুলোর মাধ্যমে আপনি অনলাইনে কিছু বারতি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। তবে চলুন, শুরু করা যাক।
অনলাইনে টাকা আয় করার ১৫টি উপায়
চলুন অনলাইনে টাকা আয় করার কিছু উপায় সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক। প্রতিটি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত লিখলে যেহেতু লেখা অনেক বড় হয়ে যাবে, তাই আমরা সংক্ষেপে ধারণা দেয়ার চেষ্টা করছি। আপনার কাছে কোনো বিষয়টি ভালো লাগলে সেটি নিয়ে প্রথমেই বিস্তারিত রিসার্চ করতে ভুলবেন না যেন।
১। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করা
আপনার কি বিশেষ কোনো স্কিল আছে? যেমন - লোগো ডিজাইন করা, ভিডিও এডিট করা, কপিরাটিং, ওয়েবসাইট ডিজাইন করা ইত্যাদি। আপনার যদি এমন কোনো স্কিল থেকে থাকে, তাহলে আপনি খুব সহজেই আপওয়ার্ক, ফাইভার বা ফ্রিল্যান্সার ডট কমের মতো সাইটগুলোতে অ্যাকাউন্ট ওপেন করে কাজ করা শুরু করতে পারেন। তবে জেনে রাখা ভালো যে পূর্বের যেকোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে এসব মার্কেটপ্লেসে কম্পিটিশন অনেক বেশি। তাই অ্যাকাউন্ট ওপেন করার সাথে সাথেই কাজ না পেলে হতাশ হবেন না, বরং কিছুটা সময় নিয়ে নিজের অ্যাকাউন্টকে অপ্টিমাইজ করুন, আশা করি এতে কাজ হবে।
আর যদি আপনার কোনো স্কিল না থাকে, তবুও সমস্যা নেই। আপনার পছন্দের যেকোনো স্কিল আপনি এখন খুব অল্প টাকা খরচ করেই যেকোনো ই-লার্নিং প্লাটফর্ম থেকে শিখে নিতে পারবেন। আর টাকা খরচ করতে না চাইলে ইউটিউব তো আছেই।
২। ওয়েবসাইট ও অ্যাপ্লিকেশন টেস্টিং
অনলাইনে টাকা আয় করার আরো একটি উপায় হচ্ছে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও অ্যাপ্লিকেশন টেস্ট করে ফিডব্যাক দেয়া। এই কাজের জন্য আপনি UserTesting.com - এর মতো প্লাটফর্ম সিলেক্ট করতে পারেন। সেখানে সাধারণ কিছু টেস্ট দিয়ে আপনাকে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। অ্যাকাউন্ট খোলার পর আপনি কোন ধরণের ওয়েবসাইট বা অ্যাপ্লিকেশন টেস্ট করছেন তার উপর ভিত্তি করে আপনাকে পেমেন্ট করা হবে। তবে এই কাজ করে অনেক বেশি পরিমাণ অর্থ আয়ের আশা না করাই ভালো।
৩। এআই টুলের ব্যবহার
২০২৩ সালের শেষের দিকে ও ২০২৪ সালে এসে এআই টুল ব্যবহার করে টাকা আয় করার ট্রেন্ড শুরু হয়েছে। অনেকেই এভাবে বেশ ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করার সুযোগ করে নিয়েছেন। আপনাকে প্রথমেই কিছু ট্রেন্ডি এআই টুল ব্যবহারে পটু হতে হবে। তারপর সেগুলো ব্যবহার করে ভ্যালু জেনারেট করতে হবে। যেমন - এআই টুল দিয়ে ভিডিও এডিট করে ইউটিউবিং বা রিলস ও শর্টস তৈরি করা, এআই টুলের মাধ্যমে কপিরাইটিং, এআই টুলের মাধ্যমে ভালো ভালো ইমেজ তৈরি করে বিক্রয় করা, এআই টুলের মাধ্যমে ওয়েবসাইট তৈরি করে তা বিক্রয় করা ইত্যাদি।
বর্তমান সময়ে এআই টুলগুলোর জনপ্রিয়তা এতোটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে আপনাকে যে সেগুলো ব্যবহার করে কন্টেন্ট’ই তৈরি করতে হবে এমন কিছু নয়। আপনি চাইলে অন্যদের এআই টুল ব্যবহার করা শিখিয়ে’ও অর্থ আয় করতে পারবেন।
৪। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
গত দশকে অনলাইনে টাকা আয় করার সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় সোর্স ছিল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। তবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এখনো পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। এখনো অনেকেই এই উপায় ব্যবহার করে বেশ ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করছেন। তাই আপনি চাইলে কোনো ট্রেন্ডি নিশ সিলেক্ট করে সেই নিশের উপর একটি ভালো ব্লগ তৈরি করে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন। আপনার ব্লগ যতো ভালো করবে, দিন দিন আপনার অ্যাফিলিয়েট সেলসের পরিমাণ’ও ততো বৃদ্ধি পাবে।
৫। বই পাবলিশ করা
পূর্বে বই পাবলিশ করা অনেক ঝামেলার কাজ বলে মনে করা হলেও বর্তমান সময়ে তা অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। আপনার যদি লেখার হাত ভালো থাকে বা নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে বিস্তারিত জ্ঞান থাকে, তাহলে উক্ত বিষয়ে একটি বই লিখে আপনি নিজেই পাবলিশ করতে পারেন বিভিন্ন সেলফ-পাবলিশিং প্লাটফর্মে। তবে এইক্ষেত্রে সবচেয়ে জনপ্রিয় প্লাটফর্ম হচ্ছে অ্যামাজন কিন্ডল ডিরেক্ট পাবলিশিং। এভাবে বই পাবলিশ করার পর প্রতি বই বিক্রয়ে আপনি ৭০% পর্যন্ত রয়ালটি আয় করতে পারবেন। তবে জেনে রাখা ভালো যে বই পাবলিশ করলেই যে তা বিক্রয় হবে তার কোনো গ্যারান্টি নেই। তাই নিজের সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করুন আর অবশ্যই মার্কেটিং করতে ভুলবেন না।
৬। বিজ্ঞাপন থেকে আয়
আপনার কি ভিডিও তৈরি করার শখ আছে? যদি থেকে থাকে তাহলে আপনি ভিডিও তৈরি করে ইউটিউবে আপলোড করতে পারেন। নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করার মাধ্যমে ইউটিউব আপনার ভিডিও’র শুরুতে/মাঝে/শেষ অ্যাড দেখাবে। সেই অ্যাড থেকে আসা আয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশ ইউটিউব আপনার সাথে শেয়ার করবে।
এই একই কাজ আপনি করতে পারেন ব্লগের মাধ্যমে। আপনার যদি নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে পারদর্শিতা থাকে, তাহলে সেই বিষয়ে একটি ব্লগ তৈরির মাধ্যমে আপনি গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল নিতে পারেন। অ্যাপ্রুভাল আসার পর আপনার সাইটে অ্যাড দেখানো হবে। সাইটে আসা ভিজিটররা সেই অ্যাডে ক্লিক করলে আপনি প্রতি ক্লিকের জন্য নির্দিষ্ট হারে কমিশন পাবেন।
৭। ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে আয় করা
আপনার কি ফেসবুক/এক্স ডট কম/ইন্সটাগ্রামে ভালো ফলোয়িং আছে? যদি থেকে থাকে তাহলে সেটা ব্যবহার করেও আপনি আয় করতে পারেন। বিশেষ কিছু নয়, যাস্ট এমন কিছু ব্র্যান্ডের সাথে আপনাকে যোগাযোগ করতে হবে যাদের প্রোডাক্ট আপনি নিজের প্রোফাইলে প্রোমোট করতে চান। শুরুতে পেমেন্ট হয়তো কিছুটা কম হবে, তবে আপনার ফ্যান-ফলোয়ার বৃদ্ধির সাথে সাথে আপনার পাওয়া পেমেন্টের পরিমাণ’ও বৃদ্ধি পেতে থাকবে।
৮। গেমিং-এর মাধ্যমে আয়
করোনা মহামারীর পূর্বে’ও গেমিং-কে শুধু সময় অপচয়কারী কাজ হিসেবে দেখা হতো। তবে মহামারীর সময়ে গেমাররা পৃথিবীকে দেখিয়ে দিয়েছেন যে গেমিং করেও অর্থ আয় করা সম্ভব এবং খুব ভালো পরিমাণ’ই আয় করা সম্ভব। তাই আপনার যদি গেমিং-এর প্রতি আগ্রহ থাকে তাহলে আপনার পছন্দের গেইমের উপর একটি টুইচ চ্যানেল ওপেন করে ফেলতে পারেন। টুইচ চ্যানেল ওপেন করা একদিনের কাজ হলেও সেখানে ভালো পরিমাণ ফলোয়ার তৈরি করা কিছুটা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। তাই আপনাকে দীর্ঘসময় ধরে লেগে থাকার মেন্টালিটি নিয়ে মাঠে নামতে হবে।
৯। ছবি বিক্রয়ের মাধ্যমে অর্থ আয়
আপনার কি ছবি তোলার নেশা রয়েছে? যদি থেকে থাকে তাহলে সেই ছবি বিক্রয় করেও আপনি অর্থ আয় করা শুরু করতে পারেন। এর জন্য আপনাকে দামী ক্যামেরা’ও ক্রয় করতে হবে না। আপনাকে যাস্ট নিজের স্মার্টফোন দিয়ে চমৎকার চমৎকার সিন ক্যাপচার করতে হবে। স্মার্টফোন দিয়ে ফটোগ্রাফি শেখার জন্য প্রচুত ভিডিও ইউটিউবে আপনি ফ্রিতেই পেয়ে যাবেন। তারপর সেই ছবিগুলো শাটারস্টকের মতো প্লাটফর্মগুলো আপলোড করার মাধ্যমে আপনি অর্থ আয় করা শুরু করতে পারবেন।
১০। ভয়েস-ওভার আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করে আয় করুন
আপনি নিজে ইউটিউবিং শুরু করতে না চাইলেও, অনেক ইউটিউবার আছেন, যাদের কাছে আপনি ভয়েস-ওভার আর্টিস্ট হিসেবে নিজের সার্ভিস বিক্রয় করতে পারবেন। অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে এখন বেশ ভালো পরিমাণ ভয়েস-ওভার আর্টিস্ট-এর কাজ দেখতে পাওয়া যায়। আবার এগুলোতে মিনিট প্রতি বা ঘন্টা প্রতি পেমেন্টের পরিমাণ’ও বেশ ভালো। ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটে যেতে না চাইলে আপনি লোকাল মার্কেটেও কাজ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনি ফেসবুক গ্রুপগুলো থেকে ক্লায়েন্ট খুজে নিতে পারেন।
১১। কোর্স বিক্রয় করে আয় করুন
কোনো নির্দিষ্ট ফিল্ডে কি আপনার অনেক বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে? যদি থেকে থাকে, তাহলে আপনার অভিজ্ঞতা থেকে অন্যদের শিখিয়েও আপনি অর্থ আয় করতে পারবেন। আপনার যদি ভালো ফলোয়ার থাকে, তাহলে নিজের ওয়েবসাইট তৈরি করেই আপনি সেখানে কোর্স বিক্রয় করতে পারেন। আর যদি ফলোয়ার না থাকে, তাহলে থার্ডপার্টি সাইটগুলোতেও আপনি কোর্স অফার করতে পারবেন। বাংলাদেশে এখন বেশ কিছু ই-লার্নিং প্লাটফর্ম গড়ে উঠেছে যারা ইনডিভিজ্যুয়াল ইন্সট্রাকটদের কোর্স অফার করে থাকে।
১২। এফ-কমার্স ব্যবসা থেকে আয় করুন
সরাসরি একটি ই-কমার্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে আপনাকে অনেক ধরণের ঝামেলা ফেইস করতে হতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনি খুব সহজে ও অল্প টাকা বিনিয়োগ করে একটি এফ-কমার্স ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এক্ষেত্রে হোলসেলারদের থেকে প্রোডাক্ট কালেক্ট করে আপনি আপনার ফেইসবুক পেইজের মাধ্যমে সেগুলো বিক্রয় করা শুরু করতে পারেন। পরবর্তীতে নিজের ওয়েবসাইটে শিফট করাও আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে।
১৩। সার্ভে কমপ্লিট করার মাধ্যমে আয়
কিছুদিন আগেও এই মাধ্যম বেশ জনপ্রিয় থাকলেও স্ক্যামিং সাইটগুলোর কারণে এখন অনেকেই এই কাজ করতে চান না। তবে এখনো ভালো কিছু সাইট রয়েছে যেখানে সার্ভে কমপ্লিট করার মাধ্যমে আপনি কিছু পরিমাণ অর্থ আয় করতে পারবেন। তবে এইক্ষেত্রে সমস্যা দুটি - প্রথমত, আপনাকে ভালো সাইটগুলো খুজে বের করতে হবে। দ্বিতীয়ত, এই উপায়ে অনেক বেশি পরিমাণ অর্থ আয় করার আশা না করাই ভালো।
১৪। ট্রান্সক্রিপশনের কাজ করে টাকা আয়
ফেসবুক, ইউটিউবে প্রতিনিয়ত ভিডিও কন্টেন্টের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এই ভিডিও কন্টেন্টের জন্য প্রয়োজন সাবটাইটেল তৈরি করা। মূলত ভিডিওতে যা যা বলা হচ্ছে, তা টেক্সট ফরম্যাটে তুলে ধরাই হচ্ছে ট্রান্সক্রিপশন। আপনি চাইলে মিনিট-প্রতি বা শব্দ-প্রতি রেইট ঠিক করে এই কাজ শুরু করতে পারেন। ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটে এই কাজ অনেক পাওয়া যায়। তবে এখন লোকাল মার্কেটেও এই কাজের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
১৫। সোশ্যাল মিডিয়া মডারেটর হিসেবে কাজ করা
অনেক কোম্পানী আছে, যারা রিমোট বা ইন-অফিস সোশ্যাল মিডিয়া মডারেটর নিয়োগ করে। কাজ খুবই সিম্পল - সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিত পোস্ট করা, কমেন্টের রিপ্লাই করা, ইনবক্সের ম্যাসেজের রিপ্লাই করা, কন্টেন্ট ক্যালেন্ডার তৈরি করা ইত্যাদি। আবার আপনাকে কাস্টমার সার্ভিস এক্সকিউটিভ হিসেবেও কাজ করতে হতে পারে। এসব কাজ খুব টেকনিকাল কিছু নয়। আপনাকে শুধু প্রফেশনালি কমিউনিকেট (মৌখিক ও লিখিত) জানতে হবে। যেসব কোম্পানী বা ব্র্যান্ড সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ অ্যাক্টিভ, তারা নিয়মিত এই ধরণের নিয়োগ দিয়ে থাকে। তাই সেগুলোতে চোখ রাখলেই আশা করি আপনি কাজ পেয়ে যাবেন। এখানে আপনাকে ঘন্টা-প্রতি বা মাসিক বেতন অফার করা হতে পারে।
পরিসংহার
একটু সময় নিয়ে সহজ কিছু স্কিল অর্জন করে নিলেই পকেট খরচ চালানোর মতো অনলাইন থেকে আয়ের ব্যবস্থা করা সম্ভব। আর আপনি যদি একটু বেশি অ্যাফোর্ট দিতে রাজি থাকেন, তাহলে বেশ ভালো পরিমাণ আয়ের ব্যবস্থাও আপনি করে ফেলতে পারবেন। তবে আমাদের অনুরোধ থাকবে এই যে, যেকোনো কাজ শুরু করার আগে ভালো করে সময় নিয়ে সেই কাজটি শিখে নিন বা কাজের সবকিছু সম্পর্কে ধারণা অর্জন করে নিন। এতে করে আপনার রিটার্নিং ক্লায়েন্টের সংখ্যা ভালো থাকবে এবং আপনাকে কখনো কাজ-ছাড়া বসে থাকতে হবে না।
- https://www.nerdwallet.com/article/finance/how-to-make-money
- https://moosend.com/blog/make-money-online/
- https://mailchimp.com/resources/make-money-online/
- https://www.thedailystar.net/tech-startup/news/here-are-10-easy-ways-earn-money-online-3275981
- https://www.iubenda.com/en/help/133977-10-legit-ways-to-make-money-online-for-beginners
- https://www.forbes.com/sites/laurabegleybloom/2023/02/22/how-to-make-money-online-33-best-ideas/
Next to read
লিন ক্যানভাস মডেল (Lean Canvas Model)


ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ? ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রসমূহ

বেইট এন্ড হুক মডেল (Bait & Hook Model)

সাবস্ক্রিপশন মডেল (Subscription Model)

এঞ্জেল বিনিয়োগ কি? এবং কিভাবে কাজ করে (What is angel investing & how does it work?)

ডিমার্কেটিং (DeMarketing)

সেলস টার্গেট অর্জনের জন্য ১০টি বডি ল্যাঙ্গুয়েজ টিপস

ব্র্যান্ড আর্কিটেকচার কী? সংজ্ঞা, মডেল এবং উদাহরণ

পঞ্জি স্কিম সংজ্ঞা এবং উদাহরণ
