Money vs Currency : What’s The Difference?

অর্থ হচ্ছে একটি লেনদেনের মাধ্যম, হিসাবের একক ও মূল্যের ধারক যার বিভিন্ন রুপ থাকতে পারে, যেমন - সরকারি কয়েন ও নোট, ক্রিপ্টোকারেন্সি, ডিজিটাল মুদ্রা ইত্যাদিত। আর মুদ্রা হচ্ছে অর্থের একটি সাবসেকশন যেখানে মূলত সরকারি নোট ও কয়েনকে ব্যবহার করা হয়। বর্তমান সময়ে মুদ্রার এই দুটো রুপই সর্বজনস্বীকৃতি। অর্থ ও মুদ্রার মাঝে মূল পার্থক্যগুলো হচ্ছে এদের প্রকৃতিতে, রুপে, কার্যক্রমে, স্বীকৃতিতে, গ্রহণযোগ্যতায় ও স্থিতিশীলতায়।
Key Points
- অর্থ হচ্ছে একটি অবাস্তব ধারণা, যা শুধু গণনা করার কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এটি ধরা বা ছোয়া যায় না।
- মুদ্রা হচ্ছে এক ধরণের অর্থ যা একটি দেশের সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইস্যু ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। বর্তমান সময়ে আমরা দুই ধরণের মুদ্রা সবচেয়ে বেশি দেখতে পাই - ব্যাংক নোট ও কয়েন।
- অর্থ যেকোনো সরকারি, বেসরকারি ও ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান ইস্যু করতে পারে। মুদ্রা মূলত সরকারি কর্তৃপক্ষের দ্বারা ইস্যু করা হয়।
- অর্থ সকল স্তরের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা না’ও পেতে পারে, এটা নির্ভর করে অর্থের রুপ এবং স্বীকৃতির উপর। কোনো স্পেসিফিক রিজিয়নের ভেতর আঈনী স্বীকৃতি দেয়ার মাধ্যমে মুদ্রার গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করা হয়।
ভূমিকা
অর্থ ও মুদ্রা, আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আমরা বার বার এই শব্দ দুটি ব্যবহার করি। নিত্যদিনের কথবার্তায় আমরা শব্দ দুটিকে একই অর্থে ব্যবহার করলেও বাস্তবিকভাবে এদের মাঝে কিছু পার্থক্য রয়েছে। কারণ, যেসব ব্যাংক নোট ও কয়েন আমরা প্রতিদিন আমাদের সাথে বহন করি, সেগুলো আসলে অর্থ নয়, সেগুলো হচ্ছে মুদ্রা। প্রাচীন ও মধ্যযুগে বিভিন্ন ধরণের কমোডিটি যেমন - স্বর্ণ ও রুপাকে মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করা হতো। মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করা না হলেও এইসব কমোডিটির নিজস্ব ভ্যালু ছিল।
তবে আধুনিক যুগে এসে আমরা মুদ্রা হিসেবে ব্যাংক নোট ও কয়েন ব্যবহার করি যেগুলোর আসলে কোনো অন্তর্নিহিত মূল্য নেই। সরকার তার গ্যারান্টি সরিয়ে নিলে কাগজি মুদ্রা শুধু কাগজের টুকরো ছাড়া আর কিছু থাকবে না আর কয়েন হয়ে পরবে তামার একটি খন্ড মাত্র। তাহলে কিভাবে আমরা অর্থ ও মুদ্রার মাঝে পার্থক্য প্রতিষ্ঠা করতে পারি। চলুন আজকের লেখায় বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।
অর্থ ও মুদ্রার বেসিক ধারণা
অর্থ ও মুদ্রার মাঝে পার্থক্য বুঝতে চাইলে আপনাকে প্রথমেই অর্থ ও মুদ্রার বেসিক ব্যাপারগুলো ভালো করে বুঝতে হবে।
অর্থের সংজ্ঞা
অর্থ হচ্ছে সর্বজনস্বীকৃত একটি লেনদেনের মাধ্যম যা হিসাবের একক এবং মূল্যের ধারক হিসেবে কাজ করে। অর্থ হচ্ছে একটি অবাস্তব ধারণা, যা শুধু গণনা করার কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এটি ধরা বা ছোয়া যায় না। বাস্তবজীবনে আমরা যেগুলোকে অর্থ মনে করি, সেগুলো আসলে অর্থের বিভিন্ন রুপ। অর্থের অনেক ধরণের রুপ হয়ে থাকে, যেমন - ব্যাংক নোট, কয়েন ও ডিজিটাল ফর্ম। অর্থের ভ্যালু মূলত অর্থের উপর মানুষের বিশ্বাস থেকে তৈরি হয় যেখানে মনে করা হয় যে অর্থ দিয়ে ভবিষ্যতে লেনদেন সম্পাদন করা যাবে এবং কিছু সময় পরেও অর্থ তার মূল্য ধরে রাখবে।
অর্থের ব্যবহার
মিডিয়াম অফ এক্সচেঞ্জ -
অর্থ যেকোনো লেনদেনে সর্বজনগৃহীত মাধ্যম হিসেবে কাজ করে যেখানে অর্থের বিপরীতে পণ্য বা সেবার লেনদেন করা হয়।
ইউনিট অফ অ্যাকাউন্ট -
অর্থ এক প্রকার স্ট্যান্ডার্ড হিসাবের একক হিসেবে কাজ করে যেখানে অর্থের মাধ্যমে পণ্য বা সেবার মূল্য নির্ধারণ করা হয়। এভাবে একাধিক ব্যাক্তি তাদের পণ্য বা সেবার মূল্যের তুলনা করে আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন।
স্টোর অফ ভ্যালু -
অর্থ নির্দিষ্ট সময় পরেও নিজের মূল্য ধরে রাখে। এতে করে মানুষ তাদের অর্থ সঞ্চয় করার প্রেরণা পান যা ব্যবহার করে তারা ভবিষ্যত কোনো ইচ্ছা পূরণ করতে পারবেন বা কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।
মুদ্রার সংজ্ঞা
মুদ্রা হচ্ছে এক ধরণের অর্থ যা একটি দেশের সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইস্যু ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। বর্তমান সময়ে আমরা দুই ধরণের মুদ্রা সবচেয়ে বেশি দেখতে পাই - ব্যাংক নোট ও কয়েন। একটি দেশের ব্যাংক নোট বা কয়েন শুধু ঐ দেশের ভৌগোলিক বর্ডারের ভেতরেই সর্বজনগৃহীত। কারণ, প্রতিটি দেশের সাধারণত নিজস্ব মুদ্রা থাকে এবং এক দেশের মুদ্রা অনেকে দেশে গিয়ে বলা যায় অনেকটা অচল হয়ে পরে।
বিভিন্ন ধরণের মুদ্রা
সরকারি মুদ্রা -
এই মুদ্রা সরকার ইস্যু করে থাকে এবং সরকারের উপর আস্থার ফলেই এই মুদ্রা স্বীকৃত পেয়ে থাকে। এই মুদ্রার ভ্যালু কোনো ফিজিকাল কমোডিটি থেকে ডিরাইভ করা হয় না।
ডিজিটাল মুদ্রা -
একবিংশ শতকে এসে আমরা বিভিন্ন বিকেন্দ্রীভূত মুদ্রা দেখতে পাই, যার উপর কোনো সরকারের নিয়ন্ত্রণ থাকে না। এগুলো সাধারণত সরকারি মুদ্রার অল্টারনেটিভ হিসেবে কাজ করে তবে এখনো সকল দেশে স্বীকৃত নয়। যেমন - ক্রিপ্টোকারেন্সি।
কমোডিটি মুদ্রা -
প্রাচীন ও মধ্যযুগে বিভিন্ন কমোডিটি যেমন - স্বর্ণ বা রুপাকে মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করা হতো। এই ধরণের মুদ্রার অন্তর্নিহিত ভ্যালু ছিল। তবে আধুনিক যুগে এসে এই ধরণের মুদ্রা এখন আর ব্যবহার করা হয় না বললেই চলে।
মুদ্রার বৈশিষ্ট্য
আঈন স্বীকৃতি -
মুদ্রা সাধারণত কোনো একটি নির্দিষ্ট দেশের ভেতর আঈনগত স্বীকৃতি পেয়ে থাকে। এর মাধ্যমে ঐ দেশের ভেতর মুদ্রা সবার কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়ে থাকে।
স্থিতিশীল -
মুদ্রা হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে হলে অবশ্যই ঐ উপাদানকে স্থিতিশীল হতে হবে। এতে করে নির্দিষ্ট সময় পরেও ঐ মুদ্রা তার মান ধরে রাখে এবং ক্রয়ক্ষমতা বজায় রাখে।
পরিবহনযোগ্য -
যেকোনো মুদ্রাকে ইফেক্টিভ হতে হলে অবশ্যই তা সহজেই পরিবহনযোগ্য হতে হবে। এতে করে যেকোনো লেনদেনে তা খুব সহজেই ব্যবহার করা সম্ভব হয়।
অর্থ ও মুদ্রার মাঝে মূল পার্থক্যগুলো
অর্থ ও মুদ্রার বেসিক ধারণাগুলো পরিষ্কারভাবে জানার পর এখন আমরা পার্থক্যগুলো ভালো করে বুঝতে পারবো।
১। প্রকৃতি
অর্থ - সর্বজনস্বীকৃত লেনদেনের মাধ্যম, যা হিসাবের একক এবং মূল্যের ধারক হিসেবে কাজ অরে।
মুদ্রা - একধরণের অর্থ, যা সরকার দ্বারা ইস্যুকৃত হয়ে থাকে এবং নির্দিষ্ট দেশের মাঝে আঈনি স্বীকৃতি পেয়ে থাকে।
২। রুপ
অর্থ - অর্থের বিভিন্ন ধরণের রুপ হতে পারে, যেমন - ব্যাংক নোট, কয়েন, ডিজিটাল কারেন্সি, কমোডিটি কারেন্সি ইত্যাদি।
মুদ্রা - বর্তমান সময়ে আমরা মূলত মুদ্রার দুই ধরণের রুপ দেখতে পাই, যথা - ব্যাংক নোট ও কয়েন। অর্থাৎ, এগুলো অর্থের রুপগুলোর একটি নির্দিষ্ট সাবসেট মাত্র।
৩। কার্যক্রম
অর্থ - মিডিয়াম অফ এক্সচেঞ্জ, ইউনিট অফ অ্যাকাউন্ট ও স্টোর অফ ভ্যালু হিসেবে কাজ করে।
মুদ্রা - কোনো একটি নির্দিষ্ট জিওগ্রাফিক এরিয়ার ভেতর মিডিয়াম অফ এক্সচেঞ্জ হিসেবে কাজ করে।
৪। সমর্থন
অর্থ - অর্থের নিজস্ব অন্তর্নিহিত মূল্য থাকতে পারে যেমন - দামী স্বর্ণ ও রুপা অথবা ইস্যুকারীর উপর ভরসা দ্বারা সমর্থিত হতে পারে, যেমন - সরকারি নোট।
মুদ্রা - মুদ্রা মূলত সরকারি হয়ে থাকে এবং সরকারি ডিক্রি থেকে এর মূল্য ডিরাইভ করা হয় ও পাবলিক কনফিডেন্সের উপর এর ভ্যালু নির্ভর করে।
৫। ইস্যুকারী
অর্থ - অর্থ যেকোনো সরকারি, বেসরকারি ও ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান ইস্যু করতে পারে।
মুদ্রা - মুদ্রা মূলত সরকারি কর্তৃপক্ষের দ্বারা ইস্যু করা হয়।
৬। গ্রহণযোগ্যতা
অর্থ - অর্থ সকল স্তরের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা না’ও পেতে পারে, এটা নির্ভর করে অর্থের রুপ এবং স্বীকৃতির উপর।
মুদ্রা - কোনো স্পেসিফিক রিজিয়নের ভেতর আঈনী স্বীকৃতি দেয়ার মাধ্যমে এর গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করা হয়। গ্রহণযোগ্যতা না পেলে তা কখনো মুদ্রা হতে পারে না।
৭। অন্তর্নিহিত মূল্য
অর্থ - অর্থের অন্তর্নিহিত মূল্য থাকতে পারে যদি স্বর্ণ ও রুপা অথবা অন্য কোনো মূল্যবান উপাদান অর্থ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
মুদ্রা - মুদ্রার সাধারণত কোনো অন্তর্নিহিত মূল্য থাকে না এবং ব্যবহারকারীদের বিশ্বাস ও ভরসার উপর এর মূল্য নির্ভর করে।
৮। স্থিতিশীলতা
অর্থ - অর্থের স্থিতিশীলতা থাকতে পারে আবার না’ও থাকতে পারে, এটা অর্থের কোন রুপ ব্যবহার করা হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে।
মুদ্রা - স্থিতিশীলতা যেকোনো মুদ্রার জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈশিষ্ট্য, কারণ মুদ্রার স্থিতিশীলতার উপর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অনেকটাই নির্ভর করে।
৯। আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা
অর্থ - অর্থের বিভিন্ন রুপের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা থাকতে পারে বিশেষ করে যদি এমন কোনো কমোডিটিকে অর্থ হিসেবে ব্যবহার করা হয় যা যেকোনো স্থানেই মূল্যবান।
মুদ্রা - মুদ্রার গ্রহণযোগ্যতা মূলত একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এরিয়ার মাঝেই সীমাবদ্ধ।
১০। ডিজিটাল রিপ্রেজেন্টেশন
অর্থ - অর্থের ডিজিটাল ফর্ম থাকতে পারে, যেমন - ডিজিটাল কারেন্সি (বিটকয়েন) বা ডিজিটাল রিপ্রেজেন্টেশন (বিভিন্ন এমএফএস’র ব্যালেন্স)।
মুদ্রা - অর্থের সকল ডিজিটাল রুপ মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃতি না’ও পেতে পারে, যেমন - ক্রিপ্টোকারেন্সি এখনো সব দেশে স্বীকৃত নয়।
অর্থ ও মুদ্রা : লেখার সময় কোনটি কখন ব্যবহার করবেন
আশা করি ইতোমধ্যেই অর্থ ও মুদ্রার বেসিক ধারণা ও পার্থক্যগুলো সম্পর্কে আমরা ভালো করে বুঝতে পেরেছি। কিন্তু দৈনন্দিন জীবনে আমরা হরহামেশাই কনফিউজড হয়ে যাই যে লেখার সময় কোনটি কোথায় ব্যবহার করবো। এই সেকশনে আমরা খুব সংক্ষেপে সেই কনফিউশন ক্লিয়ার করার চেষ্টা করবো।
অর্থের ব্যবহার
অর্থ হচ্ছে একটি শব্দ যার দ্বারা কোনো মিডিয়াম অফ এক্সচেঞ্জ বোঝানো হয়, যেমন - কয়েন, ব্যাংক নোট বা ডিজিটাল কারেন্সি, যেগুলো দ্বারা পণ্য ও সেবা ক্রয়-বিক্রয় করা যায়। উদাহরণস্বরুপ, অর্থকে আমরা নিম্নোক্ত বাক্যগুলোতে ব্যবহার করতে পারি -
- সে তার ব্যবসায় থেকে প্রচুর অর্থ আয় করেছে।
- তিনি আমাকে বাজার করার জন্য কিছু অর্থ দিয়েছিলেন।
- তারা আপন নিবাস বৃদ্ধাশ্রমে কিছু অর্থ দান করেছিলো।
- শেয়ার মার্কেটে তার বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করা আছে।
- আমি আমার অর্থ দিয়ে একটি বাড়ি ক্রয় করবো।
মুদ্রার ব্যবহার
মুদ্রা বলতে একটি নির্দিষ্ট দেশের ভেতর ব্যবহৃত সর্বজনস্বীকৃত অর্থকে বোঝানো হয় যেমন - আমেরিকান ডলার বা বাংলাদেশী টাকা। উদাহরণস্বরুপ, মুদ্রাকে আমরা নিম্নোক্ত বাক্যগুলোতে ব্যবহার করতে পারি -
- বাংলাদেশের মুদ্রার নাম হলো টাকা।
- তারা একটি বৈদেশিক মুদ্রা তহবিলে বিনিয়োগ করেছিল।
- সে তার আমেরিকান ডলার বিনিময় করে বাংলাদেশী টাকা নিয়েছিল।
- মার্কেটের পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে মুদ্রার মান ওঠা-নামা করে।
পরিসংহার
পরিশেষে বলা যায় যে, অর্থ হচ্ছে বিশাল একটি কনসেপ্ট, যা মূলত সংখ্যা পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। অপরদিকে, মুদ্রা হচ্ছে অর্থের একটি নির্দিষ্ট সাবসেট মাত্র যা অর্থকে রিপ্রেজেন্ট করে। বর্তমান সময়ে অর্থ ও মুদ্রার মাঝে পার্থক্য বের করা কিছুটা কঠিন কারণ, প্রতিটি দেশই মুদ্রাস্ফীতির সাথে পাল্লা দিয়ে প্রচুর পরিমাণ মুদ্রা ইস্যু করেছে। ফলে অর্থ বলতে আমরা এখন শুধু মুদ্রাকেই চিনে থাকি। তবে বর্তমান সময়ে আরো একটি কনসেপ্ট বেশ জোড়ালো হয়ে উঠছে, ক্রিপ্টোকারেন্সি। মূলত ক্রিপ্টোগ্রাফির মাধ্যমে এগুলো নিয়ন্ত্রিত হয় বলে এগুলোর নিরাপত্তা থাকে অনেক বেশি আর নিয়ন্ত্রণ থাকে পুরোপুরি বিকেন্দ্রীভূত। যদিও ক্রিপ্টোকারেন্সি এখনো মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃতি পায়নি, তবে পেয়ে গেলে আমরা গতানুগতিক মুদ্রা হিসেবে যা জানি, সেই ধারণা আবারো পরিবর্তন হওয়া শুরু হবে।
- https://www.investopedia.com/terms/c/currency.asp
- https://www.wallstreetmojo.com/money-vs-currency/
- https://www.currencytransfer.com/blog/expert-analysis/currency-vs-money
- https://www.differencebetween.com/difference-between-money-and-vs-currency/
- https://www.alectorelli.com/the-difference-between-money-and-currency/
- https://askanydifference.com/difference-between-money-and-currency/
- https://themoneymongers.com/what-is-money-currency/
- https://thecontentauthority.com/blog/money-vs-currency
Next to read
অ্যাড অন মডেল (Add On Model)


ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ? ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রসমূহ

কাস্টমার এক্সপ্লোরেশন ম্যাপ (Customer Exploration Map)

Needs, Wants, Demands (প্রয়োজন, চাওয়া এবং চাহিদা)

অর্থনীতি কী?

ব্যষ্টিক অর্থনীতি বা Micro Economics কী?

‘SWOT’ Analysis

ডিমার্কেটিং (DeMarketing)

বিক্রয় বৃদ্ধি করার ৬টি নীতি
