The Rules of Money : 10 Rules That Will Bring You Financial Success

385
article image

অর্থের যথাযথ ব্যবস্থাপনা কোনো রকেট সাইন্স নয় যে সাধারণ মানুষ তা করতে পারবে না। বরং আমাদের আশেপাশে হরহামেশাই আমরা এমন অনেক সাধারণ মানুষ দেখতে পাই যারা সাধারণ কিছু নিয়ম অনুসরণ করার কারণে নির্দিষ্ট সময় পর আর্থিক স্বচ্ছলতা অর্জন করতে পারেন। যেমন - আর্থিক লক্ষ্য নির্ধারণ করা ও ঝুকিঁ গ্রহণ করা, দীর্ঘসময়ের অন্য পরিকল্পনা করা, আর্থিক সফলতাকে একটি গেইম হিসেবে চিন্তা করা, প্রফেশনালদের মতামত নেয়া, অতিরিক্ত কিস্তি গ্রহণ না করা, রিটায়ারমেন্ট প্ল্যান রাখা, ঋণের সঠিক ব্যবহার করা, ইনকাম সোর্স বৃদ্ধি করা ও ভুল থেকে শিক্ষা নেয়া ইত্যাদি।

Key Points

  • একটি গেইমে প্রো হয়ে উঠতে যেমন অনেকটা সময় লেগে যায়। তেমনই আর্থিকভাবে সফল হতেও প্রচুর সময় বিনিয়োগ করতে হয়।
  • দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সর্বদা পরিবর্তনশীল। তাই প্রফেশনালদের সাথে কথা না বললে আপনি আপ-টু-ডেট ইনফরমেশন যে পাবেন না সেই সম্ভাবনাই বেশি।
  • আপনি যদি ১০০ টাকা আয় করেন, তাহলে সর্বোচ্চ ৪০ টাকা মাসিক কিস্তি প্রদান করতে পারবেন। এর বেশি টাকা কিস্তি দিতে হবে, এমন আইটেম আপনার ক্রয় না করাই ভালো।
  • আয় বৃদ্ধি করার চেয়েও বেশি প্রয়োজনীয় বিষয় হচ্ছে ইনকাম সোর্স বৃধি করা।
  • 

ভূমিকা

আর্থিক জগতে এমন কোনো রুল নেই, যা ব্যবহার করলে আপনি ২ মিনিটেই অনেক টাকার মালিক হয়ে যাবেন অথবা আপনার সঞ্চিত অর্থ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে। ঐতিহাসিকভাবেই যারা বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক হয়েছেন এবং যারা স্বাচ্ছন্দ্যে নিজেদের আর্থিক প্রয়োজন মেটাতে পেরেছেন, তাদের ঐ পর্যায়ে পৌছাতে বেশ অনেক বছর সময় লেগেছে। আর্থিক স্বাধীনতা অর্জনের পূর্ব পর্যন্ত তারা সাধারণ কিছু নিয়ম মেনে চলেছেন বহু বছর। এই নিয়মগুলোর কারণে তাদের কখনোই অর্থাভাবে পরতে হয়নি, বা পরলেও খুব সহজেই তারা সেই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পেরেছেন। আপনিও যদি অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন করতে চান, তবে মেনে চলতে হবে এই ১০টি রুল।

অর্থের ১০টি রুল

১। লক্ষ্য নির্ধারণ করুন

আমরা আপনাকে অনেক নিয়মকানুন বা হ্যাক সম্পর্কে বলে দিতে পারি, তবে এগুলো থেকে কোনো লাভ হবে না যদি আপনার কোনো ধরণের লক্ষ্য না থাকে। আপনার টাকা প্রয়োজন, শুধু এতোটুকু জানা’ই যথেষ্ট নয়। আপনাকে জানতে হবে যে আপনার টাকা কেনো প্রয়োজন বা সেই টাকা দিয়ে আপনি কি করবেন। একমাত্র তখনই আপনি আর্থিক স্বাধীনতা অর্জনের পেছনে কাজ করতে পারবেন।

উদাহরণস্বরুপ, আপনি আজ থেকে ৫ বছর পর একটি ফ্ল্যাট ক্রয় করতে চান। তাহলে ফ্ল্যাটের দামের উপর নির্ভর করে আপনি জেনে যাবেন যে প্রতি মাসে আপনাকে কতো টাকা করে সঞ্চয় করতে হবে। নিজের মাসিক সঞ্চয়ের পরিমাণ জেনে গেলে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনাকে আসলে মাসে কতো টাকা করে আয় করতে হবে এবং সেখান থেকে কতো টাকা আপনি ব্যয় করতে পারবেন। এভাবেই আপনাকে নিজের ফাইন্যান্সের উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ অর্জন করতে হবে।

২। ঝুকিঁ নিতে শিখুন

ঝুকিঁ গ্রহণ ব্যাতীত আপনি কখনো লাভের আশা করতে পারেন না। তাই যেকোনো বিনিয়োগের সাথেই কম বা বেশি পরিমাণের ঝুকিঁ জড়িত থাকে। নিজের সঞ্চিত অর্থকে নিরাপদ রাখার জন্য আপনি সেগুলো ব্যাংকে জমা করে রেখে দিতে পারেন, তবে এতে করে আপনার অর্থ বৃদ্ধি পাবে না।

বরং, মুদ্রাস্ফীতির কারণে আপনার অর্থের ক্রয়ক্ষমতা দিন দিন হ্রাস পাবে। তাই আমাদের সকলের উচিত নিজেদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত সঞ্চিত অর্থ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করা। আমরা নির্দিষ্টভাবে কোনো বিনিয়োগের খাত রেফার করতে পারছি না, কারণ এটি সর্বদা আপনার বয়স, পরিস্থিতি, ঝুকিঁ গ্রহণের মানসিকতা, আর্থিক জ্ঞান ইত্যাদি ফ্যাক্টরের উপর নির্ভরশীল। তাই আপনার প্রিফারেন্স অনুযায়ী খাত সিলেক্ট করে আপনি অল্প টাকা দিয়ে বিনিয়োগের অভ্যাস গড়ে তোলা শুরু করতে পারেন।

৩। দীর্ঘসময়ের জন্য পরিকল্পনা করুন

আর্থিক সফলতা অর্জন কোনো স্বল্পমেয়াদি কাজ নয়। আপনি আজ যেসব অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, সেগুলোর দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল কি হবে তা আপনাকে অবশ্যই ভাবতে হবে। এতে করে ভবিষ্যতে আপনি আর্থিকভাবে নিরাপদ থাকবেন, আবার আপনার উপর যারা নির্ভরশীল, তারা’ও নিরাপদে থাকতে পারবে। আবার এতে করে আপনি আজ এমন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন না, যাতে করে আপনাকে ভবিষ্যতে সমস্যায় পরতে হয়।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা কিছু উদাহরণ হতে পারে - ফিক্সড ডিপোজিট, জমি ও বাড়ি ক্রয়, সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ, রিটায়ারমেন্ট প্ল্যানিং ইত্যাদি।

৪। আর্থিক সফলতাকে একটি গেইম হিসেবে ভাবুন

আমরা যখন প্রথমবার কোনো ভিডিও-গেইভ খেলি, আমরা সেই গেইম সম্পর্কে তেমন কিছুই জানি না। গেইমের কন্ট্রোল কিভাবে কাজ করে, কোথায় গেলে কি পাওয়া যাবে, কি কি সেটিংস-এ সবচেয়ে ভালো পারফরম্যান্স পাওয়া যাবে ইত্যাদি বিষয় নিয়ে থাকে প্রচুর প্রশ্ন। তবে গেইম খেলতে খেলতে ও ইউটিউব দেখে বা অন্যান্যদের থেকে জেনে আমরা ধীরে ধীরে গেইমে ভালো করা শুরু করি। আর্থিক সফলতাকেও একটি গেইম হিসেবে ভাবা উচিত।

কারণ, যাত্রা শুরু করার সময়ে আপনি অর্থ সম্পর্কে তেমন কিছুই জানেন না। তবে সময়ের সাথে সাথে বই পড়ে, ভিডিও দেখে, আর্থিকভাবে সফল লোকদের সাথে কথা বলে আপনি এই খেলায়’ও ভালো করা শুরু করবেন। একটি গেইমে প্রো হয়ে উঠতে যেমন অনেকটা সময় লেগে যায়। তেমনই আর্থিকভাবে সফল হতেও প্রচুর সময় বিনিয়োগ করতে হয়।

৫। প্রফেশনালদের সাথে কথা বলুন

আপনি বই, আর্টিকেল পড়ে অর্থের ইউনিভার্সাল সব রুল সম্পর্কে জেনে নিতে পারবেন। তবে দিনশেষে, বর্তমান সময়ের জটিল অর্থনৈতিক দুনিয়ার ভালো ধারণা পেতে আপনার প্রফেশনালদের কাছে যেতেই হবে। দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সর্বদা পরিবর্তনশীল। তাই প্রফেশনালদের সাথে কথা না বললে আপনি আপ-টু-ডেট ইনফরমেশন যে পাবেন না সেই সম্ভাবনাই বেশি। তাই যেকোনো বড় আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে অবশ্যই প্রফেশনালদের মতামত জেনে নিতে ভুলবেন না। এই কাজে যদি টাকা খরচ হয়, তবুও তা করা উচিত। কারণ, অল্প কিছু টাকা খরচ করলে যদি আপনি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, তাহলে এর মাধ্যমে ভবিষ্যতের বড় ধরণের ক্ষতির সম্মুখীন হওয়া থেকে বেচে যাবেন।

৬। ৪০% EMI-রুল

ঋণ না করার কথা আমরা অনেকবার বলেছি। তবে সত্য কথা হচ্ছে, বর্তমানে সবকিছু দাম এতো বেশি যে, কোনো না কোনো কাজে আপনাকে EMI অপশন ব্যবহার করতেই হবে। আবার নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস, যেমন - ফ্রিজ, ওভেন, ল্যাপটপ, মোবাইল ইত্যাদি ক্রয় করার মতো যথেষ্ঠ রিসোর্স আপনার কাছে সবসময় না’ও থাকতে পারে। তখন আপনাকে বাধ্য হয়েই EMI অপশন বেছে নিতে হবে।

এসব ক্ষেত্রে EMI নিতে অসুবিধা নেই, তবে এনশিওর করবেন যাতে করে আপনার মাসিক EMI-এর পরিমাণ আপনার আয়ের ৪০%-এর বেশি না হয়ে যায়। অর্থাৎ, আপনি যদি ১০০ টাকা আয় করেন, তাহলে সর্বোচ্চ ৪০ টাকা মাসিক কিস্তি প্রদান করতে পারবেন। এর বেশি টাকা কিস্তি দিতে হবে, এমন আইটেম আপনার ক্রয় না করাই ভালো। কারণ, এতে করে দেখা যাবে আপনার অন্যান্য মাসিক প্রয়োজনগুলো আপনি মেটাতে পারছেন না।

৭। ২৫-গুণ রিটায়ারমেন্ট রুল

বিষয়টি বেশ সহজ। আপনি একমাত্র তখনই অবসরে যাওয়ার প্ল্যান করতে পারবেন, যখন আপনার বার্ষিক ব্যয়ের ২৫-গুণ অর্থ আপনার কাছে সঞ্চিত থাকবে। এই রুলের পেছনে কারণটিও বেশ সাধারণ, ধরে নেয়া হচ্ছে যে আপনার অবসরের পর আপনি আরো ২৫ বছর জীবিত থাকবেন। তাই জীবিত থাকাকালীন সময়ে আপনার যাতে অন্য কোনো ব্যাক্তির উপর নির্ভরশীল হতে না হয়, সেই জন্যই এই ব্যবস্থা।

তবে ব্যাক্তিভেদে এই পরিমান কম-বেশি হতে পারে। যেহেতু এটি অতি-সাবজেক্টিভ একটি বিষয়, তাই ইউনিভার্সাল কোনো নিয়ম বলে দেয়া যাচ্ছে না। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে রিটায়ারমেন্ট প্ল্যানিং করা।

৮। ঋণের সঠিক ব্যবহার করুন

আপনি কি জানেন, সাধারণ মানুষ চাইলে দুই ধরণের ঋণ গ্রহণ করতে পারে, যথা - ভালো ঋণ ও খারাপ ঋণ। আমাদের আশেপাশে আমরা এমন অনেক মানুষকেই দেখি, যাদের প্রচুর টাকা ঋণ রয়েছে। তবুও আর্থিকভাবে স্বচ্ছল, এমনকি বিলাসী জীবনযাপন করছে। এখন কথা হচ্ছে, আর্থিক সফলতা অর্জনের পূর্বশর্ত যদি হয় ঋণ এড়িয়ে চলা, তাহলে তারা কিভাবে সফল হলো?

এই প্রশ্নের সহজ উত্তর হচ্ছে যে, তারা ভালো ঋণকে কাজে লাগিয়েছে এবং খারাপ ঋণকে এড়িয়ে গিয়েছে। খারাপ ঋণ বলতে সাধারণত সেই ঋণকে বোঝানো হয়, যেখানে আমরা ঋণ গ্রহণ করে এমন কোনো জিনিসে বিনিয়োগ করি, যার দাম দিন দিন হ্রাস পাবে। যেমন - ব্যাক্তিগত ব্যবহারের জন্য গাড়ি ক্রয় বা ট্যুরে যাওয়ার জন্য ঋণ করা ইত্যাদি।

অপরদিকে ভালো ঋণ বলতে ঋণের মাধ্যমে করা এমনসব বিনিয়োগকে বোঝানো হয়, যার ভ্যালু দিন দিন বৃদ্ধি পাবে। যেমন - ঋণ নিয়ে বাড়ি তৈরি, ব্যবসায় বড় করা, শিক্ষার জন্য ঋণগ্রহণ ইত্যাদি। যারা ভালো ঋণের ব্যবহার করতে পারে, তাদের আর্থিকভাবে সফল হওয়ার সম্ভাবনা আরো বেড়ে যায়।

৯। আয়ের খাত বৃদ্ধি করুন

ভালো করে লক্ষ্য করুন, আমরা কিন্তু বলছি না শুধু আয় বৃদ্ধি করতে। আমরা বলছি আয়ের খাত বৃদ্ধি করতে। অর্থাৎ, আপনার ইনকাম সোর্স যাতে শুধু একটি না হয়। এমন ক্ষেত্রে সেই একমাত্র ইনকাম সোর্স যদি কোনো কারণে বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে আপনি অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে পারেন। অপরদিকে, আপনার যদি একাধিক ইনকাম সোর্স থাকে, তাহলে একটি দিয়ে অর্থ আসা বন্ধ হয়ে গেলে অন্যটি দিয়ে আপনি চলতে পারবেন।

তাই আয় বৃদ্ধি করার চেয়েও বেশি প্রয়োজনীয় বিষয় হচ্ছে ইনকাম সোর্স বৃধি করা। আপনার যদি একটি ফুলটাইম চাকরি থাকে, আপনি অফিস থেকে এসে সাইড ইনকামের জন্য অন্য কিছু ট্রাই করতে পারেন। এটা হতে পারেন ফ্রিল্যান্সিং বা ব্যবসা। আর আপনি যদি শিক্ষার্থী হয়ে থাকেন, তাহলে টিউশনের পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং বা পার্ট-টাইম জবের চেষ্টা করতে পারেন। যেটা আপনার জন্য ভালো হয় আর কি।

১০। ভুল থেকে শিখুন

অর্থ উপার্জন একটি চলমান প্রক্রিয়া। তাই কিছু সময় পর পর আপনার দ্বারা ভুল হতে পারে। আপনি এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন যার কারণে আপনার আয় বন্ধ হয়ে যেতে পারে অথবা আপনার ব্যয় বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে এই কারণে দমে যাওয়ার কিছু নেই, এই ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে সামনে এগিয়ে চলুন।

আপনাকে মেনে নিতে হবে যে দিনশেষে আপনি একজন মানুষ। তাই আপনার আর্থিক জ্ঞান যতো বেশিই হোক না কেনো, আপনার দ্বারাও ভুল হওয়াটা স্বাভাবিক। তাই এটাকে অনেক বড় কিছু হিসেবে না দেখে পরবর্তীতে যেন এমন ভুল আর না হয়, তা এনশিওর করার চেষ্টা করুন।

পরিসংহার

বিনিয়োগের জগতে সবচেয়ে জনপ্রিয় নামগুলোর ভেতর একটি হচ্ছে ওয়ারেট বাফেট। তার দীর্ঘসময় ধরে বিনিয়োগের মাধ্যমে সফল হওয়ার গল্প আমাদের অনেকেরই জানা। তার সফল হওয়ার মূল কারণ অনেক বেশি পরিমাণ বিনিয়োগ করা নয় বরং, অনেক দীর্ঘ সময় ধরে সঠিক স্থানে বিনিয়োগ করা ছিল। তবে যা আমরা জানি না তা হচ্ছে ওয়ারেন বাফেটের মতো মানুষ’ও তার বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে বেশ কিছু ভুল করেছিলেন বিভিন্ন সময়। যার মাঝে অন্যতম ভুল ছিল গুগলে বিনিয়োগ করার সুযোগ থাকা স্বত্তেও তা এড়িয়ে যাওয়া। পরবর্তী সময়ে বাফেট স্বীকার করেছিলেন যে তার টেকনিকাল নলেজের অভাবে তিনি গুগলের বিজনেস বুঝতে পারেন নি, যার কারণে তিনি গুগলকে এড়িয়ে গিয়েছিলেন।

  • https://www.linkedin.com/pulse/10-rules-money-moutaz-almohamade/
  • https://medium.com/@pavansawley/2023y-20-rules-of-money-b909ed48f467
  • https://www.investopedia.com/financial-edge/0210/buffetts-biggest-mistakes.aspx
  • https://www.amazon.com/Rules-Money-Expanded-Richard-Templars/dp/013290781X
  • https://cowrywise.com/blog/rules-of-money/
Next to read
Canvas & Methods
মিনিমাম ভায়েবল প্রোডাক্ট (Minimum Viable Product)
মিনিমাম ভায়েবল প্রোডাক্ট (Minimum Viable Product)

অধিক শ্রম ও অর্থ খরচের এই ঝুঁকি এড়াতে সৃষ্টি হয়েছে এক নতুন ধরনের বিজনেস স্ট্র‍্যাটেজি যেখানে পণ্য প্রয়োজনীয় কিছু ফিচার দিয়ে বাজারজাত করা হয়। পরবর্তীতে গ্রাহকদের চাহিদা পর্যালোচনা করে ধীরে ধীরে এই পণ্যের উন্নয়ন করা হয় এবং নতুন নতুন উপাদান/ফিচার যুক্ত করা হয়। ব্যবসায়িক জগতে একে বলা হয় মিনিমাম ভায়েবল প্রোডাক্ট।

লিন ক্যানভাস মডেল (Lean Canvas Model)
Canvas & Methods
লিন ক্যানভাস মডেল (Lean Canvas Model)
ফ্রিমিয়াম মডেল (Freemium Model)
Business Models
ফ্রিমিয়াম মডেল (Freemium Model)
কাস্টমার এক্সপ্লোরেশন ম্যাপ (Customer Exploration Map)
Canvas & Methods
কাস্টমার এক্সপ্লোরেশন ম্যাপ (Customer Exploration Map)
সারোগেট মার্কেটিং (SURROGATE MARKETING)
Marketing
সারোগেট মার্কেটিং (SURROGATE MARKETING)
Needs, Wants, Demands (প্রয়োজন, চাওয়া এবং চাহিদা)
Business
Needs, Wants, Demands (প্রয়োজন, চাওয়া এবং চাহিদা)
লোগোর প্রকারভেদ (Types of Logos)
Logo
লোগোর প্রকারভেদ (Types of Logos)
ব্রান্ডিং (Branding)
Branding
ব্রান্ডিং (Branding)
অর্থনীতি কী?
Economics
অর্থনীতি কী?
সেলস ফানেল বা বিক্রয় ফানেল কি?
Sales
সেলস ফানেল বা বিক্রয় ফানেল কি?