A brief description of The Economist

455
article image

গ্লোবাল জার্নালিজমের এক নতুন পথপ্রদর্শক, নতুন একটি যুগের সূচনাকারী The Economist, ১৮৪৩ সালে ব্রিটেনে James Wilson-এর হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয়। শুধুমাত্র একটি সাধারণ পত্রিকাই নয়, এটি একটি পত্রিকার চেয়ে বেশি, একটি মাস্টারমাইন্ড, সত্য প্রকাশে যেন এক অদম্য যোদ্ধা। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই বিশ্বজুড়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যাধিগুলোর বিরুদ্ধে সব সময় সোচ্চার ছিল জার্নালটি। কখনো ইংল্যান্ডের হেলথ ইস্যুতে, কখনো বা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে, কখনো বিভিন্ন ব্যাংক নীতির সমালোচনায়, আবার কখনো ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে, এমনকি বিংশ শতাব্দীতে পশ্চিমা দেশগুলোর উত্থানের মাঠেও সরব ছিল এই আইকনিক The Economist-এর কলম।

Key Points

  • ১৮৪৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্রিটেনের একটি সাপ্তাহিক সংবাদপত্র হল The Economist, যা মূলত ম্যাগাজিন ফরম্যাটে প্রকাশিত হয়।
  • ১৮১৫ সালে যুক্তরাজ্যে আমদানিকৃত খাদ্য ও ভুট্টার উপর আরোপিত Corn Laws, বাতিল করার প্রাথমিক লক্ষ্য নিয়ে James Wilson পত্রিকাটির প্রকাশ শুরু করে।
  • বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী পত্রিকা এই The Economist, আন্তর্জাতিক রাজনীতি, ব্যবসা, প্রযুক্তি এবং সংস্কৃতি ইত্যাদি দিকগুলো কভার করে সংবাদ, প্রতিবেদন, বাৎসরিক রিপোর্ট ইত্যাদি প্রকাশ করে থাকে।

The Economist কি

The Economist হল ম্যাগাজিন ফরম্যাটে প্রকাশিত ব্রিটেনভিত্তিক একটি সাপ্তাহিক সংবাদপত্র। মূলত ব্রিটেন ভাষায় প্রকাশিত সংবাদপত্রটির মূল আলোচ্য বিষয় হচ্ছে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা, রাজনীতি, প্রযুক্তি এবং সংস্কৃতি। The Economist বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানিত এবং প্রভাবশালী প্রকাশনাগুলির মধ্যে একটি যা ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপ, এশিয়া এবং মধ্য প্রাচ্যের প্রধান শহরগুলো থেকেও একযোগে প্রকাশিত হয়। ১৮৪৩ সালে স্কটল্যান্ডের বিখ্যাত ইকোনোমিস্ট James Wilson সংবাদপত্রটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং বর্তমানে এটি The Economist Group মালিকানাধীন।

১৮০ বছরের পুরনো এই The Economist, প্রিন্ট ফরম্যাটসহ ডিজিটাল ফরম্যাটেও প্রকাশিত হয়। এটি ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক খবর প্রকাশের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের সংবাদ, বিশ্লেষণ ও প্রতিবেদন প্রদান করে থাকে। এসব বিষয়ের উপর নজরদারি এবং সুন্দর প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সকল ধরনের সংবাদ পরিবেশন করা এই পত্রিকাটিকে বিশ্বমহলে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। বিখ্যাত জার্মান ইকোনোমিস্ট Karl Marx-এর মতে The Economist হল “ইউরোপিয়ান অর্গান অফ দ্যা অ্যারিস্টোক্রেসি অফ ফিনান্স’’।

ইতিহাস

১৮১৫ সালে যুক্তরাজ্যে Corn Laws নামে কতগুলো আইন জারি করা হয় যা দেশটির আমদানিকৃত খাদ্য এবং ভুট্টার উপর শুল্ক ও অন্যান্য বাণিজ্য বিধিনিষেধ আরোপ করে। এই আইনগুলোর ফলে যুক্তরাজ্যজুড়ে খাদ্যের সরবরাহ অনেক কমে গিয়েছিল এবং খাদ্যের দাম বহুগুণে বেড়ে যায়। এতে সুবিধা হয় জমির মালিক এবং রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কিন্তু, অপরদিকে সাধারণ জনগণের জীবনযাপন হুমকির মুখে পড়ে। তাই, এই আইনগুলো বাতিলের প্রাথমিক লক্ষ্য নিয়ে তৎকালীন সময়ে ১৮৪৩ সালে স্কটিশ ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদ এবং রাজনীতিবিদ James Wilson, The Economist নামে একটি সংবাদপত্র চালু করেন।

১৮৪৩ সালের ৫ আগস্ট, The Economist-এর মোট ১৩টি এজেন্ডা সেট করা হয় যাতে ফোকাস করে সংবাদ ও প্রতিবেদনগুলো প্রকাশ করা হবে। সংবাদপত্রটির প্রতিবাদী মনোভাব এর জন্য শুরুতেই ব্রিটেনসহ সারা বিশ্বজুড়ে এর সুনাম ছড়িয়ে পড়ে। এটি ১৮৪৪ সালের Bank Charter Act-এর তীব্র সমালোচনা করে, যা Currency School Policy-এর ভিত্তিতে ব্যাঙ্ক অফ ইংল্যান্ড-এর ইস্যু করা ব্যাংক নোটের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এরপর, ১৮৫৭ সালের ব্রিটেনের আর্থিক সংকটের জন্য একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীর মতবাদের উপর সমালোচনামূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যা মূলত সংকটগুলোর জন্য ব্যাংক নোটকে দায়ী করত।

১৯৭১ সালে The Economist-এর ব্রডশীটে প্রকাশ বন্ধ হয়ে, ছোট ম্যাগাজিন স্টাইলে প্রকাশিত হওয়া শুরু করে। ১৯৮১ সালে প্রকাশনাটি তাদের নর্থ আমেরিকান এডিশন চালু করে, যার প্রকাশের সংখ্যা ২০১০ সালের মধ্যে দশগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। এরপর জানুয়ারি ২০১২ সালে, The Economist মূলত চীনকে কেন্দ্র করে একটি নতুন সাপ্তাহিক প্রকাশনা চালু করে। আগস্ট ২০১৫ সালে Pearson, পত্রিকাটির ৫০% অংশীদারিত্ব ইতালিয়ান বিনিয়োগকারী কোম্পানি Exor-এর কাছে ৫৩১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে বিক্রি করে দেয়।

Content and Features

The Economist প্রথমত আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিষয়াবলীর খবর, অর্থনৈতিক সংবাদ ও আপডেট এবং বাণিজ্যিক নানা খুঁটিনাটি বিষয়ের বিশ্লেষণ প্রদান করে। কর্পোরেট ঘটনা প্রবাহ ও সমীক্ষা, ইন্ডাস্ট্রি ট্রেন্ড, বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানির স্টক মার্কেটের ও লেনদেনের আপডেট এবং এসবের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রযুক্তিগত উন্নয়ন সম্পর্কেও পাঠকদের আপ টু ডেট রাখে পত্রিকাটি। রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক সংবাদের বাইরেও বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার শিল্পের উদ্ভাবন এবং নানান দেশের সংস্কৃতিগত তথ্য প্রকাশ করে থাকে The Economist. এছাড়াও পত্রিকাটি, প্রতি তিন মাস পর পর Technology Quarterly নামে, একটি টেকনোলজি রিপোর্ট প্রকাশ করে।

২০০৯ সালের জুলাই মাস থেকে, The Economist-এর একটি অডিও ভার্সন, লন্ডনের সময় অনুযায়ী প্রতি বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় প্রচার করা হয়। এই অডিও ভার্সনে, কোম্পানিটি তাদের পত্রিকার সব খবর রেকর্ড করে প্রচার করে। পত্রিকাটির সাবস্ক্রাইবারদের জন্য সাপ্তাহিক এই অডিওটির ১৩০ MB ডাউনলোডের ফ্রি সুবিধা আছে এবং সাবস্ক্রাইবার বাদে অন্য সবাইকে এই অডিও ভার্সনটি পেতে একটি নির্দিষ্ট অ্যামাউন্টের টাকা পরিশোধ করতে হয়। এছাড়াও The Economist, প্রতি দুই সপ্তাহ পর পর তার আলোচ্য পাঁচটি মূল বিষয়ের যে কোন একটির উপর, একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে। এবং প্রতি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে সাতটা পর্যন্ত সংবাদপত্রটি প্রেস করা হয়।

Columns

The Economist তার বৈচিত্র্যময় কলাম এবং বিভাগগুলির জন্য পরিচিত যা বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয় কভার করে। এসব কলামগুলো সমসাময়িক বিষয়, ব্যবসা, রাজনীতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মত বড় সেক্টরগুলোর বিভিন্ন বিষয়ে অ্যানালাইসিস এবং প্রতিবেদন প্রদান করে থাকে।

Bagehot: The Economist-এর ১৯ শতকের এডিটর এবং ব্রিটিশ সাংবিধানিক Walter Bagehot-এর নামানুসারে Bagehot কলামটির নামকরণ করা হয়েছে। এই কলামটিতে ব্রিটিশ রাজনীতি এবং সামাজিক বিভিন্ন বিষয়ের উপর এবং এই সংক্রান্ত বর্তমান বিষয়গুলোর অ্যানালাইসিস এবং রিপোর্ট প্রদান করা হয়।

Lexington:

এই কলামটি আমেরিকার রাজনীতি এবং বর্তমান বিষয়গুলোর উপর ফোকাস করে সমালোচনামূলক প্রতিবেদনে প্রদান করে। মূলত আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস শহরকে কেন্দ্র করে প্রকাশ করা এই কলামের বর্তমান লেখক James Bennet.

Charlemagne:

ফ্রাঙ্কিশ সাম্রাজ্যের সম্রাট Charlemagne-এর নামানুসারে নামকরণ করা এই কলামটি, ইউরোপীয় রাজনীতি এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি বিশ্লেষণ, EEU এবং এর সদস্য রাষ্ট্রগুলির উপর নজরদারি এবং প্রতিবেদন প্রদান করে।

Schumpeter:

সেপ্টেম্বর 2009 সালে প্রতিষ্ঠিত Schumpeter কলামটি, অস্ট্রিয়ান অর্থনীতিবিদ Joseph Schumpeter-এর নামে নামকরণ করা হয়। কলামটি অর্থনীতি এবং ব্যবসায়িক বিভিন্ন দিক এবং চ্যালেঞ্জগুলির সুক্ষ্ম বিশ্লেষণ এবং প্রতিবেদন প্রদান করে।

Leaders:

The Economist-এর এডিটরদের প্রকাশ করা এই কলামটি, বিশ্বের চলমান ঘটনাগুলির আলোকপাত এবং বৈশ্বিক সমস্যাগুলির উপর বিশ্লেষণ ও রিপোর্ট প্রদান করে।

Bartleby:

2018 সালে প্রতিষ্ঠিত Bartleby কলামটি Herman Melville ছোট গল্পের একটি চরিত্রের নামে নামকরণ করা হয়েছে। এই কলামটি ক্যারিয়ারের নানামুখী চ্যালেঞ্জ, ট্রেন্ড এবং নেতৃত্বের বিভিন্ন কৌশলগুলোর বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ প্রদান করে।

Buttonwood:

যে গাছের নিচে New York Stock Exchange প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তার নামানুসারে নামকরণ করা Buttonwood কলামটি মার্কেট, মার্কেট ট্রেন্ড, অর্থনৈতিক নীতি, বিনিয়োগ এবং বিনিয়োগের কৌশলের উপর প্রতিবেদন প্রদান করে থাকে।

Banyan:

এই কলামটি Banyan Tree বা বটগাছের নাম অনুসারে নামকরণ করা হয়েছে। এটি এশিয়া অঞ্চলের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক দিকগুলোর উপর প্রতিবেদন প্রদান করে।

Free Exchange:

২০১২ সালের জানুয়ারিতে অর্থনৈতিক বিষয়গুলোতে ফোকাস করতে এই কলামটির প্রতিষ্ঠা করা হয়।

এছাড়াও Chaguan, Books and Arts, Briefing, Obituary নামে আরো কিছু কলাম প্রকাশ করে The Economist.

1843

২০১৬ সালের মার্চে, The Economist পত্রিকার একটি মূল অংশ হিসেবে ‘1843’ নামে একটি ম্যাগাজিন প্রকাশ করা শুরু হয়। Financial Times-এর FT Magazine এবং The Wall Street Journal-এর WSJ ম্যাগাজিনগুলোর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা এই 1843 ম্যাগাজিনটি সুন্দর স্টোরিটেলিং-এর মাধ্যমে, গতানুগতিক ধারার বাইরে খবর প্রকাশের জন্য বিখ্যাত এবং এর মূলমন্ত্র হচ্ছে "Stories of An Extraordinary World". The Economist পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠার বছরের স্মরণে নামকরণ করা এই ম্যাগাজিনটি, মূলত একই প্রতিষ্ঠানের, ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত একটি ত্রৈমাসিক ম্যাগাজিন, Intelligent Life-এর রি-ব্র্যান্ডেড ভার্সন।

প্রভাব

আমাদের চারপাশের বিশ্বের ছোটখাটো ঘটনার সংবাদ এবং ধারণা থেকে শুরু করে, বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনীতি এবং বিশ্বের বাণিজ্যিক সেক্টরগুলো পর্যন্ত The Economist-এর প্রভাব বিস্তৃত।

The Economist তার সৎ সাংবাদিকতা, নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ এবং বিভিন্ন ধরনের জনপ্রিয় কলামের জন্য বিখ্যাত। তাই এটি বিশ্বের বিভিন্ন কর্পোরেশন, সরকার এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য তথ্যের একটি বিশ্বস্ত উৎস হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

বিশ্ব বাজার, অর্থনৈতিক এবং ব্যবসায়িক বিভিন্ন ধরনের খবর বিশ্লেষণ এবং প্রতিবেদন প্রদান করে থাকে পত্রিকাটি, যা বৈশ্বিক অর্থনীতি, বানিজ্য ও মার্কেটের কাঠামো গঠনে সহায়তা করে।

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে The Economist মুক্ত বাণিজ্য, উন্মুক্ত বাজার ও গণতান্ত্রিক নীতির পক্ষে এবং অবৈধ নীতি ও কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে কথা বলেছে। পত্রিকাটির এইসব কার্যকলাপ বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সেক্টরে উন্নয়ন ও স্বচ্ছতা আনার পাশাপাশি, ইংল্যান্ডের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়তা করে।

পৃথিবীর দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক, রাজনৈতিক অবস্থা এবং বিশ্ব রাজনীতির বিভিন্ন বিষয়ের উপরে বিশ্লেষণ ও প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে The Economist, যা পাঠকদের এই জটিল বিষয়গুলো সম্পর্কে গ্রহণযোগ্য ধারণা প্রদান করে। এসব বিষয়ের উপর প্রতিবেদন প্রদানের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিরোধ নিস্পত্তির আহবানও করে পত্রিকাটি।

এসবের বাইরে The Economist-এর শিল্প ও প্রযুক্তিগত দিকগুলোকে কভারেজ, এই সেক্টরগুলোকে সামনে এগিয়ে নিতে এবং নতুন নতুন উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে।

সংবাদপত্রটির বিভিন্ন বিশ্লেষণ এবং প্রতিবেদন বিশ্বব্যাপী জলবায় পরিবর্তন হ্রাস, বাণিজ্য চুক্তি বৃদ্ধি এবং বানিজ্যের অগ্রগতি আনার ক্ষেত্রে সরাসরি অবদান রাখে।

Support and Criticism

The Economist-এর পুরো পথচলাটি সাধারণ আর পাঁচটি সংবাদপত্রের মতো নয়। এর প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ছিল যেমন স্বেচ্ছাচারী নীতির পতন ঘটানো, ঠিক তেমনি প্রতিষ্ঠার পর থেকে পুরোটা সময়জুড়েই সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুগুলোতে সোচ্চার ছিল জার্নালটি। এটি শুরু থেকেই Radical Centrism-এর পক্ষে ছিল যা মূলত বুঝায়, বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকের পশ্চিমা জাতিগুলোর উত্থানকে। এছাড়াও The Independent, The Guardian ইত্যাদি বড় বড় জার্নালের মত, যুক্তরাজ্যে প্রজাতন্ত্রের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে বৃহৎ আন্দোলন, সেই United Kingdom Becoming a Republic-এর পক্ষে ছিল The Economist.

পত্রিকাটি বিশ্বজুড়ে অনেক সামাজিক ইস্যুগুলো সমর্থন করে, যেমন সমকামী বিবাহের স্বীকৃতি, মাদকের বৈধকরণ এবং পাশাপাশি U.S. Tax Model-এর কড়া সমালোচনাও করে। প্রতিষ্ঠানটি ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে ২০০৫ সালে Labour Party-কে, ২০১০ ও ২০১৫ সালে Conservative Party-কে এবং ২০১৭ ও ২০১৯-এ Liberal Democrats-কে সমর্থন দেয়। এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান এবং ডেমোক্রেট, উভয় পার্টিকে সমর্থন দিয়ে থাকে।

শেষকথা

একটি সাধারণ সংবাদপত্র হিসেবে বিশ্বের রাজনীতি, ব্যবসা, প্রযুক্তি এবং সাংস্কৃতির মত বড় সেক্টরগুলোর খবর প্রকাশের পাশাপাশি, সামাজিক, রাজনৈতিক ইস্যুগুলোতে জনমত গঠন, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক জোরদার করনে অগ্রনী পালন করে The Economist। শুরু থেকেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আসা এই পত্রিকাটি গ্লোবাল জার্নালিজমের প্লাটফর্মে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। গতানুগতিক সংবাদ প্রকাশের বাইরে গিয়ে ম্যাগাজিন, কলাম, The World In ও The World If নামের বার্ষিক রিপোর্ট, রিলেটেড অনেক বই ও আর্টিকেল প্রকাশের মাধ্যমে সারা বিশ্বজুড়ে সুনাম কুড়িয়েছে প্রকাশনাটি। ২০২৩ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত সাপ্তাহিক The Economist-এর সর্বমোট ৫১৫২০০টি কপি প্রকাশিত হয়েছে।

Next to read
Canvas & Methods
সোশ্যাল ইম্প্যাথি ম্যাপিং (Social Empathy Mapping)
সোশ্যাল ইম্প্যাথি ম্যাপিং (Social Empathy Mapping)

ইম্প্যাথি ম্যাপিং মূলত একধরনের ট্যুলস। এটি গ্রাহকদের ভাবনা-চিন্তা, দৃষ্টিভঙ্গি, অনুভব, উপলব্ধি সহ নানাবিধ তথ্য, উপাত্ত এর সমন্বয়ে গঠিত সুশৃঙ্খল এবং সুবিন্যস্ত একটি চার্ট। উল্লেখিত বিষয় সমূহ সম্পর্কিত তথ্য উপাত্তের খুব চমৎকার একটা ভিজ্যুয়াল রিপ্রেজেন্টেশন পাওয়া যায় এই ইম্প্যাথি ম্যাপিং এর মাধ্যমে। যা মূলত আপনার কাঙ্ক্ষিত গ্রাহককে ভালভাবে বুঝতে সহায়তা করে।

ফ্রিমিয়াম মডেল (Freemium Model)
Business Models
ফ্রিমিয়াম মডেল (Freemium Model)
কাস্টমার এক্সপ্লোরেশন ম্যাপ (Customer Exploration Map)
Canvas & Methods
কাস্টমার এক্সপ্লোরেশন ম্যাপ (Customer Exploration Map)
Needs, Wants, Demands (প্রয়োজন, চাওয়া এবং চাহিদা)
Business
Needs, Wants, Demands (প্রয়োজন, চাওয়া এবং চাহিদা)
মোট মুনাফা (Gross profit) সংজ্ঞা, সূত্র এবং উদাহরণ
Business
মোট মুনাফা (Gross profit) সংজ্ঞা, সূত্র এবং উদাহরণ
CSR বা Corporate Social Responsibility কী?
Business
CSR বা Corporate Social Responsibility কী?
ইক্যুইটির সংজ্ঞা এবং অর্থ
Business
ইক্যুইটির সংজ্ঞা এবং অর্থ
PESTLE বিশ্লেষণ
Analysis
PESTLE বিশ্লেষণ
বিক্রয় বৃদ্ধি করার ৬টি নীতি
Sales
বিক্রয় বৃদ্ধি করার ৬টি নীতি
ব্র্যান্ড আর্কিটেকচার কী? সংজ্ঞা, মডেল এবং উদাহরণ
Branding
ব্র্যান্ড আর্কিটেকচার কী? সংজ্ঞা, মডেল এবং উদাহরণ