ডিজিটাল মার্কেটিং এর চ্যালেঞ্জ, এবং প্রয়োজনীয় দক্ষতা

507
article image

ডিজিটাল মার্কেটিং, প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্কিল। ডিজিটাল মার্কেটিং এর কল্যানে বিজনেস গুলো এখন খুব সহজেই পৌঁছাতে পারছে তাদের টার্গেটেড অডিয়েন্স এর কাছে। কারণ, এর সাথে ইন্টার কানেক্টেড আছে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর মত বিভিন্ন মার্কেটিং স্ট্যাটেজি গুলো। তবে, ডিজিটাল মার্কেটিং এ সাকসেসফুল হওয়া ও বিজনেস গ্রো করার জন্য দরকার হয় আপ-টু-ডেট ইনফরমেশন, ডিল করতে হয় ডাটা প্রাইভেসি ও মার্কেট কম্পিটিশনের মত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সাথে। আর এজন্য প্রয়োজন ডাটা এনালাইসিস, ক্রিটিকাল থিংকিং, ক্রিয়েটিভিটির মত ডিজিটাল স্কিলস।

Key Points

  • ব্রান্ড প্রমোশন কিংবা বিজনেস রিচ বৃদ্ধি করতে বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ডিমান্ডিং স্ট্র্যাটেজি হয়ে দাঁড়িয়েছে ডিজিটাল মার্কেটিং।
  • ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্রমবর্ধমান ইন্ডাস্ট্রির ভ্যালু বছরে ২৫-৩০% হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
  • ডিমান্ড ও কম্পিটিশনের বৃদ্ধি কারণে ডিজিটাল মার্কেটার দের ফেস করতে হচ্ছে নানা রকম চ্যালেঞ্জ, কাস্টমার দের ডাটা সিকিউরিটি নিয়ে আশংকা তৈরী হচ্ছে।
  • ডাটা এনালাইসিস, ক্রিটিকাল থিকিং, SEO এর মত ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং স্কিল আয়ত্ত করে ডিজিটাল মার্কেটার রা এই ইন্ডাস্ট্রি কে আরো এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি?

"ডিজিটাল মার্কেটিং হল ডিরেক্ট মার্কেটিং এর একটি ফর্ম, যেখানে ইমেল, ওয়েবসাইট, অনলাইন ফোরাম, টেলিভিশন কিংবা মোবাইলের মত ডিজিটাল টেকনলোজি ব্যবহার করে বিক্রেতারা তাদের কাস্টমারের সাথে কানেক্টেড থাকে।" - Kotler and Armstrong, (2009).

সহজ ভাষায়, ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে, প্রোডাক্ট, সার্ভিস বা ব্রান্ডের advertise এর জন্য ডিজিটাল চ্যানেল, প্লাটফর্ম এবং প্রযুক্তির ব্যবহার কে বোঝায়। এটি মূলত, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, Search Engine Optimization (SEO), কনটেন্ট মার্কেটিং, ই-মেইল মার্কেটিং এর মত বিভিন্ন স্ট্রাটেজির সমন্বয় কাজ করে।

বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে একটি। প্রতি বছর ২৫% থেকে 30% হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে এর ভ্যালু। Business owner রা তাদের ব্যবসার জনপ্রিয়তা আর রিচ বাড়াতে প্রায়োরিটি দিচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং কে। কারণ, এর মূল উদ্দেশ্যই হল, ব্রান্ড awareness বাড়ানো, লিড জেনারেট করা, ওয়েবসাইট ট্রাফিক ড্রাইভ করা এবং পরিশেষে বিজনেসের সেলস বৃদ্ধি করা।

ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে কাজ করে?

ডিজিটাল মার্কেটিং মূলত বিভিন্ন ডিজিটাল চ্যানেলের মাধ্যমে ডিফারেন্ট মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি এপ্লাই করে এবং নির্দিষ্ট প্রোডাক্ট বা সার্ভিস কে প্রোমোট করে। এটি সাধারণত নিম্নলিখিত স্টেপ গুলো ফলো করে Marketing Strategy এবং Channel গুলো কে কাজে লাগায়:

টার্গেটেড অডিয়েন্স চেনা:

Marketing Strategy গুলোকে ইফেক্টিভলি এপ্লাই করার জন্য প্রথমেই টার্গেটেড অডিয়েন্স কে চিহ্নিত করে এবং তাদের এনালাইজ করে।

ডিজিটাল প্রেজেন্স তৈরি করা:

ওয়েবসাইট, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, ইমেল মার্কেটিং এবং অন্যান্য ডিজিটাল চ্যানেলের মাধ্যমে একটি অনলাইন প্রেজেন্স তৈরি করে।

কন্টেন্ট ক্রিয়েশন:

এক্ষেত্রে আর্টিকেল, ভিডিও, ইনফোগ্রাফিক্স সহ এমন আরও অনেক কন্টেন্টের মাধ্যমে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। এবং অডিয়েন্স ধরে রাখতে নিয়মিত ইন্টারেস্টিং ও রিলেটেবল কনটেন্ট পাবলিশ করা হয়।

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান (SEO):

সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট এ Higher rank পেতে ওয়েবসাইট এবং কনটেন্ট অপ্টিমাইজ করে অর্গানিক ট্রাফিক বৃদ্ধি করা হয়।

পেইড বিজ্ঞাপন:

আরো বেশি অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছানোর জন্য Google এ বা সোশ্যাল মিডিয়ার মত প্লাটফর্মে বিজ্ঞাপন দেয়া কিংবা Display advertising মাধ্যমে অনলাইনে পেইড প্রচার চালানো হয়।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং:

টার্গেট অডিয়েন্সের সাথে কানেকশন বাড়াতে, ব্র্যান্ড awareness তৈরি করতে এবং গ্রাহকদের সাথে সম্পর্ক ভাল করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার করা হয়।

ইমেল মার্কেটিং:

ইমেইল মার্কেটিং এ, পণ্যের প্রমোশন, আপডেট শেয়ার করা বা কাস্টমার লয়্যালিটি বাড়ানোর জন্য প্রিভিয়াস বা সম্ভাব্য কাস্টমার দের ইমেল পাঠানো হয়।

এনালাইসিস এবং ট্র্যাকিং:

সবশেষে, Data-driven ডিসিশন নেওয়ার জন্য গুগল অ্যানালিটিক্সের মতো টুলস ব্যবহার করে বিভিন্ন ডিজিটাল মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজির পারফরম্যান্স পর্যবেক্ষণ এবং বিশ্লেষণ করা হয়।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর চ্যালেঞ্জ

অডিয়েন্স টার্গেটিং এবং সেগমেন্টেশন

ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ হল টার্গেট দর্শকদের ইফেক্টিভলি Identify করা এবং তাদের প্রয়োজন বোঝা। কারণ, একদিকে Personalized ও Relevant কনটেন্ট, এড এবং অফার তৈরি করার জন্য দরকার প্রোপার অডিয়েন্স টার্গেটিং এবং সেগমেন্টেশন।

কিন্তু, অন্যদিকে অনলাইন ল্যান্ডস্কেপ ক্রমাগত বিকশিত হওয়ার সাথে সাথে Consumer দের একটিভি এবং পছন্দ গুলো খুব দ্রুত পরিবর্তিত হতে থাকে। ফলে, মার্কেটারদের জন্য এই পরিবর্তন গুলোর সাথে তাল মিলিয়ে অডিয়েন্স আলাদা করা বেশ Tough হয়ে যায়।

ডেটা প্রাইভেসি এবং সিকিউরিটি

ডিজিটালাইজেশন এর যুগে, মাইক্রো ইন্টেলিজেন্স এর মাধ্যমে মার্কেটিং এর উদ্দেশ্যে কালেক্ট করা হচ্ছে কাস্টমারদের বিভিন্ন ব্যক্তিগত ডেটা। ফলে, ডেটা প্রাইভেসি এবং সিকিউরিটি এখন একটা মেজর কনসার্নে পরিণত হয়েছে। অনেকেই এই মর্ডান ইন্টেলিজেন্স কে থ্রেট মনে করেন।

কাস্টমার রা আশা করেন তাদের ডেটা অত্যন্ত যত্ন এবং গোপনীয়তার সাথে হ্যান্ডেল করা হবে। তাই, ব্যবহারকারীদের তথ্য সুরক্ষিত রাখতে এবং তাদের সাথে আস্থা বজায় রাখতে মার্কেটারদের অবশ্যই GDPR (জেনারেল ডেটা প্রোটেকশন রেগুলেশন) এবং CCPA (ক্যালিফোর্নিয়া কনজিউমার প্রাইভেসি অ্যাক্ট) এর মতো কঠোর ডেটা প্রোটেকশন রেগুলেশন গুলো মেনে চলতে হয়।

কনটেন্ট স্ট্র্যাটেজি এবং কোয়ালিটি

Valuable এবং engaged কন্টেন্ট তৈরি করা বর্তমান ডিজিটাল মার্কেটারদের জন্য একটি কন্টিনিউয়াস চ্যালেঞ্জ। কারণ, কনটেন্ট ল্যান্ডস্কেপ এখন অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক হয়ে গেছে, এবং অডিয়েন্সের এক্সপেকটেশনও অনেক বেড়ে গেছে।

এমন সময়ে ক্রিয়েটিভিটি ও innovation ছাড়া ব্র্যান্ডের ভয়েসের সাথে প্রাসঙ্গিক, টার্গেট কাস্টমারের সাথে রিলেটেবল, ইন্টারেস্টিং ও ইনফারমেটিভ কন্টেন্ট তৈরি করা বেশ কঠিন।

চ্যানেল ফ্র্যাগমেন্টেশন

নির্দিষ্ট কাস্টমারদের কাছে পৌঁছানোর জন্য

সোশ্যাল মিডিয়া, ইমেল, সার্চ ইঞ্জিন, ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপস কিংবা অন্য কোন মাধ্যম টি ইউজ করতে হবে তা আইডেন্টিফাই করাটা বেশ মুশকিল। কারণ, আলাদা আলাদা প্লাটফর্মের অডিয়েন্স ও মার্কেটিং স্ট্র্যাটিজিতে পার্থক্য থাকে। তাছাড়া, প্রতিটি চ্যানেলের জন্য আলাদা স্ট্র্যাটেজি এপ্লাই করতে হয়। যে কারণে, প্রোডাক্ট প্রমোশন ও পরিচালনা করা Time-consuming ও কমপ্লিকেটেড হতে পারে।

এড ব্লকিং এবং এড Fatigue

ডিজিটাল মার্কেটিং এ আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এড ব্লকিং এবং Fatigue। সাইট ভিজিটর রা অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন ব্লক করে দিচ্ছে বা ক্লোজ করে দিচ্ছে। যার ফলে মার্কেটার দের জন্য কনটেন্ট ভিজিবিলিটি ও এনগেজমেন্ট বাড়ানো কঠিন হয়ে পড়ছে। এক্ষেত্রে আরো বেশি relevant বিজ্ঞাপন তৈরীর দিকে মনযোগী হতে হবে।

আপ-টু-ডেট টেকনোলজি এবং ট্রেন্ড

ডিজিটাল মার্কেটিং এর ফিল্ড ক্রমাগত বড় হচ্ছে, নিয়মিত নতুন নতুন প্রযুক্তির আগমন ঘঠছে। একেক সময়ে একেক টপিক ট্রেন্ডিং এ থাকছে। যার ফলে কাস্টমাররা কোন সময়ে, কোন বিষয়ে ইন্টারেস্ট ফিল করছে তা বোঝা বেশ মুশকিল। একদম আপটুডেট ও ট্রেন্ডিং বিষয়বস্তুর ওপর কন্টেন্ট তৈরি করতে না পারলে, মার্কেট কম্পিটিশন এ পিছিয়ে পড়তে হচ্ছে।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রয়োজনীয় স্কিলস

সোশ্যাল মিডিয়া স্যাভিনেস:

টার্গেট দর্শকদের কাছে কার্যকরভাবে পৌঁছানো এবং তাদের সাথে কানেক্টেড হওয়ার জন্য প্রথমেই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলি ম্যানেজ করা এবং স্ট্র্যাটেজি এপ্লিকেশনে পারদর্শী হতে হবে।

কন্টেন্ট তৈরি:

অডিয়েন্স কে আকর্ষণ করা এবং ধরে রাখার জন্য টেক্সট, ফটো, ভিডিও এবং ইনফোগ্রাফিক্স সহ ইন্টারেস্টিং এবং প্রাসঙ্গিক কন্টেন্ট তৈরি করার দক্ষতা রাখতে হবে।

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান (SEO):

সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্টে High rank পেতে ওয়েবসাইট এবং কন্টেন্ট কীভাবে অপ্টিমাইজ করা হয় তা জানতে হবে। কারণ, SEO নলেজ ছাড়া অর্গানিক ট্রাফিক গ্রো করা বেশ কঠিন।

ডেটা এনালাইসিস:

প্রোমোশন প্রোগ্রামের ইফেক্টিভিটি ও পারফরম্যান্স ডিটেক্ট করার জন্য বিভিন্ন ডিজিটাল মার্কেটিং চ্যানেল থেকে কিভাবে ডেটা এনালাইসিস করা হয় তা জানতে হবে।

ইমেল মার্কেটিং:

লিড জেনারেশন এবং কাস্টমার রিলেশন বজায় রাখার জন্য ইমেল কন্টেন্ট তৈরি এবং ম্যানেজ করার দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

PPC এডভার্টাইজ:

ইফেক্টিভ এড তৈরি ও এড প্রোমোশনের জন্য Google এড এবং সোশ্যাল মিডিয়া এড এর মতো পে-পার-ক্লিক প্লাটফর্ম গুলো সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে হবে।

ওয়েব অ্যানালিটিক্স:

ওয়েবসাইট পারফরম্যান্স এবং ব্যবহারকারীর একটিভিটি ট্র্যাক করতে গুগল অ্যানালিটিক্সের মতো টুলস গুলো কীভাবে ব্যবহার করতে হয় তা অবশ্যই জানতে হবে।

কপিরাইটিং:

Advertising, পেজ ল্যান্ডিং এবং অন্যান্য মার্কেটিং ম্যাটেরিয়্যালস গুলোর জন্য আকর্ষণীয় এবং এনগেজিং কপি লিখতে জানতে হবে।

গ্রাফিক ডিজাইন:

কাস্টমার যেন এক দেখাতেই বিজনেস প্রোডাক্ট, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ইত্যাদি তে ইন্টারেস্টেড ফিল করে এজন্য বেসিক গ্রাফিক ডিজাইন স্কিল রাখা জরুরি।

মোবাইল মার্কেটিং:

মোবাইল ডিভাইসে ইউজারদের কিভাবে টার্গেট করা যায় এবং তাদের এনগেজড করা যায় সেই কৌশল গুলো আয়ত্ত করতে হবে। কারণ, কাস্টমারদের একটা মেজর অংশই মোবাইল ইউজার হয়ে থাকে।

সোশ্যাল মিডিয়া বিজ্ঞাপন:

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিতে পেইড বিজ্ঞাপন ও প্রোমোশন চালানোর স্কিল থাকতে হবে। কারণ, ডিজিটাল ডিভাইস ইউজার দের একটা বড় অংশ সোশ্যাল মিডিয়ায় একটিভ থাকেন।

ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং:

বর্তমান যুগে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার দের বিশেষ ভাবে প্রাধান্য দেয়া হয় কারণ তাদের একটা বিশাল ফ্যানবেজ থাকে। এবং তাদের ফলোয়ার রা তাদের ওপর আস্থা রাখে। তাই Influencer দের ব্যবহার করে মার্কেটিং করা, তাদের সাথে deal করার স্ট্রাটেজি আয়ত্ত করতে হবে।

কাস্টমার রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট (সিআরএম):

লিড এবং কাস্টমারের Interaction পরিচালনা এবং জেনারেট করার জন্য সিআরএম টুলস গুলোর ব্যবহারের কৌশল জানতে হবে।

বেসিক ওয়েব ডেভেলপমেন্ট:

নিজে থেকেই ওয়েব পেজে ছোটখাটো পরিবর্তন করতে, HTML, CSS এবং ওয়েবসাইট বিল্ডিং প্ল্যাটফর্মের সাথে পরিচিতি রাখা, অর্থাৎ বেসিক ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কে আইডিয়া রাখা বেটার।

উপসংহার

ডিজিটাল মার্কেটিং এর এই লার্জ এবং ডায়নামিক ফিল্ডে অপরচুনিটি এবং চ্যালেঞ্জ দুটোই আছে। তাই এই কঠিন এবং ক্রমাগত পরিবর্তনশীল সেক্টরে সাফল্য অর্জন করতে মার্কেটার দের অবশ্যই ক্রিয়েটিভিটি, রিসার্চ এবং এনালাইসিস স্কিল বাড়াতে হবে।

নিত্যনতুন বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানার তীব্র ইচ্ছা ও নিয়মিত স্কিল প্র্যাকটিস এর অভ্যাস থাকলে, ডিজিটাল মার্কেটিং এ সাফল্য লাভ করা কঠিন কিছু নয়। 
 


  • https://brainstation.io/career-guides/what-skills-do-you-need-to-be-a-digital-marketer
  • https://youtu.be/UxmEhde7MA4
  • https://www.investopedia.com/terms/d/digital-marketing.asp
  • https://youtu.be/bSMkJSfD7nI
Next to read
Canvas & Methods
মিনিমাম ভায়েবল প্রোডাক্ট (Minimum Viable Product)
মিনিমাম ভায়েবল প্রোডাক্ট (Minimum Viable Product)

অধিক শ্রম ও অর্থ খরচের এই ঝুঁকি এড়াতে সৃষ্টি হয়েছে এক নতুন ধরনের বিজনেস স্ট্র‍্যাটেজি যেখানে পণ্য প্রয়োজনীয় কিছু ফিচার দিয়ে বাজারজাত করা হয়। পরবর্তীতে গ্রাহকদের চাহিদা পর্যালোচনা করে ধীরে ধীরে এই পণ্যের উন্নয়ন করা হয় এবং নতুন নতুন উপাদান/ফিচার যুক্ত করা হয়। ব্যবসায়িক জগতে একে বলা হয় মিনিমাম ভায়েবল প্রোডাক্ট।

সোশ্যাল বিজনেস মডেল ক্যানভাস (Social Business Model Canvas)
Canvas & Methods
সোশ্যাল বিজনেস মডেল ক্যানভাস (Social Business Model Canvas)
শেয়ারিং ইকোনমি মডেল (Sharing Economy Model)
Business Models
শেয়ারিং ইকোনমি মডেল (Sharing Economy Model)
মার্কেটিং এর ৭'পি (7P’s of Marketing)
Marketing
মার্কেটিং এর ৭'পি (7P’s of Marketing)
Needs, Wants, Demands (প্রয়োজন, চাওয়া এবং চাহিদা)
Business
Needs, Wants, Demands (প্রয়োজন, চাওয়া এবং চাহিদা)
নিট মুনাফা (net profit) সংজ্ঞা, সূত্র এবং কিভাবে হিসাব করবেন
Business
নিট মুনাফা (net profit) সংজ্ঞা, সূত্র এবং কিভাবে হিসাব করবেন
হোরেকা (HORECA)
Business
হোরেকা (HORECA)
CSR বা Corporate Social Responsibility কী?
Business
CSR বা Corporate Social Responsibility কী?
ব্রান্ডিং (Branding)
Branding
ব্রান্ডিং (Branding)
সেলস কি এবং কিভাবে তা কাজ করে?
Sales
সেলস কি এবং কিভাবে তা কাজ করে?