Risk vs. Return : Navigating the Financial Highwire

407
article image

বিনিয়োগের দুনিয়ায় রিস্ক ও রিটার্নের মাঝে পজিটিভ সম্পর্ক বিদ্যমান। আপনি যতো বেশি রিস্ক নিতে প্রস্তুত থাকবেন, ততো বেশি রিটার্ন পাওয়া সম্ভাবনা থাকবে। তবে রিস্ক বেশি থাকলে ক্ষতি’ও বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই বিনিয়োগকারীদের জন্য রিস্ক ও রিটার্নের মাঝে একটি ভালো ব্যালেন্স তৈরি করা বেশ বড় চ্যালেঞ্জ।

Key Points

  • আপনার বিনিয়োগের মূল্য কমে যাওয়া বা একেবারেই নাই হয়ে যাওয়ার যে সম্ভাবনা, তাকে রিস্ক বা ঝুকিঁ বলে।
  • বেশি রিটার্ন পেতে চাইলে যে বেশি রিস্ক নিতে হচ্ছে, এই প্রিন্সিপালকেই ইংরেজিতে বলা হয় Risk-Return Tradeoff।
  • আপনার বিনিয়োগকৃত টাকা যেই পরিমাণে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তার থেকে মুদ্রাস্ফীতির হার বেশি হওয়ার যেই ঝুকিঁ, তাকে মুদ্রাস্ফীতির ঝুকিঁ বা ইনফ্লেশন রিস্ক বলা হয়।
  • সাধারণত আমরা বিনিয়োগ থেকে যেই রিটার্ন পেয়ে থাকি, তাকে নমিনাল রিটার্ন বলা হয়। আর নমিনাল রিটার্ন থেকে মুদ্রাস্ফীতির হার বাদ দিলে যেই অ্যামাউন্ট থাকে তাকে রিয়াল রিটার্ন বলা হয়।

ভূমিকা

ইনভেস্টমেন্ট ও ওয়েলথ ম্যানেজমেন্টের এই জটিল দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম। ইনভেস্টমেন্ট দুনিয়ার সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্তগুলোর মাঝে একটি হচ্ছে রিস্ক এবং রিটার্নের মাঝে ব্যালেন্স তৈরি করা। যারা এই ব্যালেন্স তৈরি করতে পারেন, তাদের জন্য খুলে যায় অপার সম্ভাবনার দুয়ার। আর যারা পারেন না, তারা নিজেদের ওয়েলথ ম্যানেজ করতে না পারার অনেক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হোন।

তাই আজকের লেখায় আপনাদের রিস্ক ও রিটার্নের মাঝে সম্পর্ক, তাদের মাঝে ব্যালেন্স তৈরি করার উপায় এবং ভালো আর্থিক সিদ্ধান্ত কিভাবে নিতে পারবেন সেই সম্পর্কে জানাবো। একটু মনোযোগ দিয়ে পড়লেই বুঝতে পারবেন যে রিস্ক ও রিটার্নের ব্যালেন্স করার কাজ শুধু বিনিয়োগের দুনিয়াতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রের জন্য এটি প্রযোজ্য।

রিস্ক ও রিটার্নের বেসিক ধারণা

আপনার বিনিয়োগের মূল্য কমে যাওয়া বা একেবারেই নাই হয়ে যাওয়ার যে সম্ভাবনা, তাকে রিস্ক বা ঝুকিঁ বলে। কোনো বিনিয়োগে রিস্কের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে, আবার কোনো বিনিয়োগে কোনো রিস্ক থাকে না। সাধারণত, যেখানে রিস্ক বেশি থাকে, সেখান থেকেই সবচেয়ে বেশি রিটার্ন পাওয়া যায়।

আর রিটার্ন হচ্ছে আপনার বিনিয়োগ থেকে আসা মুনাফা। সাধারণত আমরা মুনাফা অর্জনের আশাতেই বিনিয়োগ করে থাকি। যেহেতু রিস্ক আর রিটার্নের মাঝে একটি নির্দিষ্ট লেভেল পর্যন্ত পজিটিভ সম্পর্কে রয়েছে, তাই বিনিয়োগের সময় ভালো ভাবে বুঝে নিতে হবে যে আমরা কি পরিয়ামণ রিস্কের বিনিময়ের কি পরিমাণ রিটার্নের আশা করছি।

রিস্ক ও রিটার্নের ভারসাম্য

আগেই বলেছি যে হাই রিটার্নের আশা করলে সেই বিনিয়োগের সাথে হাই রিস্ক জড়িত থাকবেই। বেশি রিটার্ন পেতে চাইলে যে বেশি রিস্ক নিতে হচ্ছে, এই প্রিন্সিপালকেই ইংরেজিতে বলা হয় Risk-Return Tradeoff। অর্থাৎ, আমরা নিজেদের ইচ্ছা মতো রিটার্ন আশা করতে পারি না। যেই বিনিয়োগ থেকে বেশি রিটার্ন আশা করবো, সেই বিনিয়োগে আমাদের সর্বস্ব হারানোর ঝুকিঁ ততো বেশি থাকবে।

আবার এই ক্ষেত্রে সময় বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কোনো খাতে বিনিয়োগ করার পর যদি প্রাথমিকভাবে ক্ষতি হয়, তবুও সময়ের সাথে তা রিকভার করা সম্ভব। কিন্তু অল্প সময়ের জন্য বিনিয়োগ করলে সেই ক্ষতি নিয়েই বসে থাকতে হচ্ছে বা বিনিয়োগ তুলে নিতে হচ্ছে। এই কারণেই আমরা দেখতে পারি যে স্টক মার্কেটে যারা বেশ দীর্ঘসময়ের জন্য বিনিয়োগ করেন, তারা মুনাফার মুখ দেখতে পারেন। কারণ, স্টক মার্কেটের ছোটোখাটো ক্র্যাশে তাদের ইনিশিয়ালি ক্ষতি হলেও, দীর্ঘমেয়াদে সেই টাকা উঠে আসে।

এই কারণেই বিনিয়োগকারীরা নিজেদের পোর্টফোলিও সাজানোর সময় রিস্ক ও রিটার্নের মাঝে ব্যালেন্স তৈরি করার দিকে সবচেয়ে বেশি মনোযোগী থাকেন।

বিভিন্ন প্রকারের রিস্ক

বিনিয়োগের দুনিয়ায় অনেক ধরণের ঝুকিঁ রয়েছে। তাই বিনিয়োগের ব্যাপারে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য রিস্কের প্রকারভেদ জানার কোনো বিকল্প নেই।

১। মার্কেট রিস্ক

মার্কেট রিস্ক বলতে সেই রিস্ককে বোঝায় যখন মার্কেটের সার্বিক পরিস্থিতির কারণে আপনার মুনাফা করার বা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। একে অনেক সময় সিস্টেমেটিক রিস্ক বলা হয় এবং এই রিস্ক সব ধরণের বিনিয়োগেই থাকে।

২। ক্রেডিট রিস্ক

আপনি যেই প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগে করেছেন, সেই প্রতিষ্ঠানের ব্যর্থ হওয়া বা আপনাকে রিটার্ন না দিতে পারার সাথে যেই রিস্ক জড়িত, তাকে ক্রেডিট রিস্ক বলা হয়। সাধারণত, বন্ড ক্রয় বা লোন দেয়ার সাথে এই রিস্ক জড়িত থাকে।

৩। লিক্যুইডিটি রিস্ক

হঠাৎ করে আপনার অর্থের প্রয়োজন হলে, সেই মুহুর্তে বিনিয়োগ বিক্রয় করার মাধ্যমে বিনিয়োগকে ক্যাশ রুপান্তর করতে না পারার সাথে যেই ঝুকিঁ জড়িত, তাকে লিক্যুইডিটি রিস্ক বা তারল্য ঝুকিঁ বলে। এই ঝুকিঁর কারণে অনেক সময় বিনিয়োগ দ্রুত বিক্রয় করে ফেলা যায় না বা বিক্রয় করলেও খুব ক্ষতিতে বিক্রয় করতে হয়। যেমন - ফিক্সড ডিপোজিট অ্যাকাউন্টে টাকা রাখলে নির্দিষ্ট সময়ের আগে সেই টাকা তুলে ফেলা যায় না, আর তুলে ফেললে কোনো সুদ পাওয়া যায় না। এতে বিনিয়োগকারীকে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।

৪। মুদ্রাস্ফীতির ঝুকিঁ

আপনার বিনিয়োগকৃত টাকা যেই পরিমাণে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তার থেকে মুদ্রাস্ফীতির হার বেশি হওয়ার যেই ঝুকিঁ, তাকে মুদ্রাস্ফীতির ঝুকিঁ বা ইনফ্লেশন রিস্ক বলা হয়। সাধারণত মুদ্রাস্ফীতির কারণে যাতে আমাদের অর্থের মান কমে না যায়, সেই উদ্দেশ্যেই আমরা বিনিয়োগ করে থাকি। কিন্তু মুদ্রাস্ফীতির হার যদি বিনিয়োগ থেকে আসা রিটার্নের থেকে বেশি হয়, তাহলে আর বিনিয়োগ করে কোনো লাভ হয় না।

৫। কারেন্সি রিস্ক

এক্সচেঞ্জ রেটে তারতম্য হওয়ার কারণে বিনিয়োগের ভ্যালু বৃদ্ধি পাওয়া বা হ্রাস পাওয়া যেই ঝুকিঁ, তাকে কারেন্সি রিস্ক বলা হয়। সাধারণত যেসব সম্পদের ভ্যালু বৈদেশিক মুদ্রায় হিসাব করা হয় সেগুলোর সাথে এই ঝুকিঁ জড়িত থাকে।

৬। সুদের হারের ঝুকিঁ

সুদের হারে তারতম্য হওয়ার কারণে বিনিয়োগের ভ্যালু বৃদ্ধি বা হ্রাস পাওয়ার ঝুকিঁকে সুদের হারের ঝুকিঁ বলা হয়। যেসব বিনিয়োগে সুদের হারই মুখ্য, যেমন - বন্ড বা ফিক্সড ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট ইত্যাদির সাথে এই ঝুকিঁ জড়িত থাকে।

৭। বিজনেস রিস্ক

আপনার বিনিয়োগকৃত কোম্পানীর দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার কারণে আপনার বিনিয়োগের ভ্যালু কমে যাওয়ার ঝুকিঁকে বিজনেস রিস্ক বা ব্যবসায় ঝুকিঁ বলা হয়।

৮। পলিটিকাল রিস্ক

সরকারের পলিসি ও আঈনে পরিবর্তনের কারণে আপনার বিনিয়োগের মান বৃদ্ধি বা হ্রাস পাওয়ার ঝুকিঁকে পলিটিকাল রিস্ক বলা হচ্ছে। সাধারণত যেসব সেক্টর সরকার অনেক কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে যেমন - অ্যালকোহল, বার ইত্যাদির সাথে এই ঝুকিঁ জড়িত থাকে।

ঝুকিঁ পরিমাপ করার উপায়

ঝুকিঁ প্রকারভেদ সম্পর্কে জানার পর এখন আমাদের জানতে হবে যে কিভাবে ঝুকিঁ পরিমাপ করা যায়।

১। অস্থিরতা ও আদর্শ বিচ্যুতি

একটি বিনিয়োগের মূল্য ঠিক কি পরিমাণ উপর-নিচ হয়, তা সেই বিনিয়োগের অস্থিরতার মান প্রকাশ করে। এই মান বেশি হওয়া মানে বিনিয়োগের ভ্যালু অনেক দ্রুত বাড়তে বা কমে যেতে পারে। আবার অস্থিরতা বেশি হলে ঝুকিঁর পরিমাণ’ও অনেক বেশি হয়ে থাকে। সাধারণত আদর্শ বিচ্যুতি দ্বারা এই অস্থিরতার মান প্রকাশ করা হয়। অর্থাৎ, বিনিয়োগের মান গড় থেকে কি হারে কম/বেশি হয়, তা প্রকাশ করাই হচ্ছে আদর্শ বিচ্যুতির কাজ।

সাধারণত আদর্শ বিচ্যুতির মান যতো কম হয়, ততোই ভালো। তবে আদর্শ বিচ্যুতির মান কম হলে সেই বিনিয়োগ থেকে রিটার্ন’ও কম পাওয়া যায়।

২। বিটা এবং সিস্টেমেটিক রিস্ক

মার্কেটের পরিস্থিতির সাথে বিনিয়োগের ভ্যালুর সম্পর্ককে বিটা দ্বারা প্রকাশ করা হয়। কোনো বিনিয়োগের বিটার মান ১ হলে বুঝতে হবে যে মার্কেটের সাথে উক্ত বিনিয়োগের সমান্তরাল সম্পর্ক। আর বিটার মান ১-এর বেশি হলে বুঝতে হবে যে উক্ত বিনিয়োগ মার্কেটের থেকেও বেশি অস্থির। অর্থাৎ, এই বিনিয়োগে ঝুকিঁর পরিমাণ অনেক বেশি। আবার বিটার মান ১-এর কম হলে তা কম অস্থিরতা বোঝায় এবং ঝুকিঁর পরিমান’ও কম থাকে। সাধারণত বিটার মান দ্বারা মার্কেট রিস্ক পরিমাপ করা হয়।

৩। শার্পে রেশিও

কোনো বিনিয়োগের ঝুকিঁর তুলনায় কি পরিমাণ রিটার্ন পাওয়া যাচ্ছে তা শার্পে রেশিওর মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। শার্পে রেশিও বেশি হলে বোঝায় যায় যে ঝুকিঁর তুলনায় উক্ত বিনিয়োগ থেকে বেশ ভালো রিটার্ন পাওয়া যাচ্ছে।

একের অধিক বিনিয়োগের মাঝে তুলনা করার সময় শার্পে রেশিও কাজে লাগে। কারণ এই রেশিও শুধু রিটার্নের পরিমাণই কনসিডার করে না বরং সেই সাথে উক্ত বিনিয়োগের ঝুকিঁর পরিমাণ’ও কনসিডার করে থাকে।

বিভিন্ন ধরণের রিটার্ন

বিভিন্ন প্রকার ঝুকিঁ ও তা পরিমাপ করার উপায় সম্পর্কে ধারণা রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরণের রিটার্ন সম্পর্কেও জানা প্রয়োজন।

১। ক্যাপিটাল গেইন বা মূলধনী আয়

মনে করুন, আজ আপনি স্টক মার্কেটে ১০০০ টাকা বিনিয়োগ করলেন। ১ বছর পর আপনার বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেতে ১১০০ টাকা হলো এবং আপনি তা বিক্রয় করে দিলেন। এই ১০০ টাকা’ই হচ্ছে আপনার ক্যাপিটাল গেইন। অর্থাৎ, কোথাও বিনিয়োগ করার পর বিনিয়োগের টাকা বৃদ্ধি পেলে, বিনিয়োগ বিক্রয় করে দিলে যেই অতিরিক্ত অর্থ পাওয়া যায় তা’ই হচ্ছে ক্যাপিটাল গেইন। বিনিয়োগকারীরা ক্যাপিটাল গেইনের মাধ্যমেই নিজেদের বিনিয়োগ থেকে সবচেয়ে বেশি রিটার্ন জেনারেট করে থাকেন।

২। ডিভিডেন্ড বা লভ্যাংশ

বিনিয়োগ থেকে সুদ হিসেবে যেই অতিরিক্ত অর্থ পাওয়া যায় তাকে ডিভিডেন্ড পেমেন্ট বলে। সাধারণত স্টকের ক্ষেত্রে এই রিটার্ন পাওয়া যায়। কোম্পানী সারা বছর ব্যবসা পরিচালনা করে যেই পরিমাণ মুনাফা করে, সেই মুনাফার একটি অংশ ডিভিডেন্ড হিসেবে বিনিয়োগকারীদের দিয়ে দেয়।

৩। টোটাল রিটার্ন

সাধারণত ক্যাপিটাল গেইন ও ডিভিডেন্ড পেমেন্ট, এই দুটি কমপোনেন্ট যোগ করলে যেই অ্যামাউন্ট পাওয়া যায়, তাকে বিনিয়োগের টোটাল রিটার্ন বলা হয়।

৪। নমিনাল রিটার্ন বনাম রিয়াল রিটার্ন

সাধারণত আমরা বিনিয়োগ থেকে যেই রিটার্ন পেয়ে থাকি, তাকে নমিনাল রিটার্ন বলা হয়। আর নমিনাল রিটার্ন থেকে মুদ্রাস্ফীতির হার বাদ দিলে যেই অ্যামাউন্ট থাকে তাকে রিয়াল রিটার্ন বলা হয়।

রিস্ক ম্যানেজমেন্ট স্ট্র্যাটেজি

রিস্ক ও রিটার্নের মাঝে ব্যালেন্স তৈরি করতে চাইলে আপনি ভালোভাবে আপনার রিস্ক ম্যানেজ করতে হবে। ভালো রিস্ক ম্যানেজমেন্ট স্ট্র্যাটেজির অভাবে কেউ কেউ অনেক বেশি রিস্ক নিয়ে ফেলেন এবং পরবর্তীতে সমস্যা সম্মুখীন হোন। তাই চলুন কিছু রিস্ক ম্যানেজমেন্ট স্ট্র্যাটেজি সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।

১। অ্যাসেট অ্যালোকেশন

আপনার অর্থ কোনো নির্দিষ্ট ধরণের সম্পদে বিনিয়োগ না করে একাধিক ধরণের সম্পদে বিনিয়োগ করাকে বলা হয় অ্যাসেট অ্যালোকেশন। যেমন - স্টক, বন্ড ও গোল্ড বার ক্রয় ইত্যাদিতে একসাথে বিনিয়োগ করা। এতে করে কোনো একটি অ্যাসেট ক্লাসে ক্ষতি হলেও তা অন্য অ্যাসেট ক্লাসের মুনাফা দ্বরা পুষিয়ে নেয়া যায়।

২। ইন্সুরেন্স ও রিস্ক ট্রান্সফার

এখন বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করার পর তার ইন্সুরেন্স করে রাখা যায়। এতে করে বিনিয়োগের ক্ষতি হলেও ইন্সুরেন্সের মাধ্যমে তা পুষিয়ে নেয়া যায়।

৩। বিহেভিয়ার কন্ট্রোল করা

বিনিয়োগ করার সময় আমরা বেশি রিটার্ন পাওয়ার আশায় ঝুকিঁকে পর্যাপ্ত সম্মান দেই না। এতে করে আমাদের বিনিয়োগ কগনিটিভ বায়াসের শিকার হয়। তাই আমাদের উচিত বিনিয়োগ করার সময় কোয়ান্টিটেটিভ ডেটাকে প্রাধান্য দেয়া। এতে করে ঝুকিঁ অনেকটা কমানো সম্ভব হবে।

পরিসংহার

অর্থাৎ, বেশি রিটার্ন পাওয়ার আশায় অতিরিক্ত ঝুকিঁ নিয়ে ফেলা যাবে না। কারণ এতে করে আমাদের অকল্পনীয় পরিমাণের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। তবে প্রথমে ঝুকিঁ পরিমাপ করে তারপর ঝুকিঁ কমানোর স্ট্র্যাটেজিগুলো ফলো করলে কার্যকর বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব। তবে ডিভিডেন্ডকেই সবসময় প্রাধান্য দেয়া উচিত না, কারণ অনেকক্ষেত্রে ডিভিডেন্ড কম আসলেও ক্যাপিটাল গেইনের মাধ্যমে তা পুষিয়ে নেয়া যায়।

  • https://www.wallstreetmojo.com/risk-and-return/
  • https://corporatefinanceinstitute.com/resources/career-map/sell-side/risk-management/risk-and-return-in-financial-management/
  • https://www.ssb.texas.gov/risk-return-you-cant-have-one-without-other
  • https://www.investopedia.com/terms/r/riskreturntradeoff.asp
Next to read
Canvas & Methods
সোশ্যাল ইম্প্যাথি ম্যাপিং (Social Empathy Mapping)
সোশ্যাল ইম্প্যাথি ম্যাপিং (Social Empathy Mapping)

ইম্প্যাথি ম্যাপিং মূলত একধরনের ট্যুলস। এটি গ্রাহকদের ভাবনা-চিন্তা, দৃষ্টিভঙ্গি, অনুভব, উপলব্ধি সহ নানাবিধ তথ্য, উপাত্ত এর সমন্বয়ে গঠিত সুশৃঙ্খল এবং সুবিন্যস্ত একটি চার্ট। উল্লেখিত বিষয় সমূহ সম্পর্কিত তথ্য উপাত্তের খুব চমৎকার একটা ভিজ্যুয়াল রিপ্রেজেন্টেশন পাওয়া যায় এই ইম্প্যাথি ম্যাপিং এর মাধ্যমে। যা মূলত আপনার কাঙ্ক্ষিত গ্রাহককে ভালভাবে বুঝতে সহায়তা করে।

সোশ্যাল বিজনেস মডেল ক্যানভাস (Social Business Model Canvas)
Canvas & Methods
সোশ্যাল বিজনেস মডেল ক্যানভাস (Social Business Model Canvas)
ফ্রিমিয়াম মডেল (Freemium Model)
Business Models
ফ্রিমিয়াম মডেল (Freemium Model)
সাবস্ক্রিপশন মডেল (Subscription Model)
Business Models
সাবস্ক্রিপশন মডেল (Subscription Model)
মার্কেটিং এর ৭'পি (7P’s of Marketing)
Marketing
মার্কেটিং এর ৭'পি (7P’s of Marketing)
রেড ওশান এবং ব্লু ওশান স্ট্র্যাটেজি (Red Ocean & Blue Ocean Strategy with Example
Business
রেড ওশান এবং ব্লু ওশান স্ট্র্যাটেজি (Red Ocean & Blue Ocean Strategy with Example
এঞ্জেল বিনিয়োগ কি? এবং কিভাবে কাজ করে (What is angel investing & how does it work?)
Investment
এঞ্জেল বিনিয়োগ কি? এবং কিভাবে কাজ করে (What is angel investing & how does it work?)
অ্যাম্বুশ মার্কেটিং (Ambush Marketing)
Marketing
অ্যাম্বুশ মার্কেটিং (Ambush Marketing)
World Trade Organization (WTO) Agreements
Agreement
World Trade Organization (WTO) Agreements
সিঙ্গেল ব্রান্ডেড ই-কমার্স (Single Branded E-commerce)
E-Commerce
সিঙ্গেল ব্রান্ডেড ই-কমার্স (Single Branded E-commerce)