স্ট্রেস টেস্টিং ব্যাংকগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি। এর মাধ্যমে ব্যাংকগুলো কাল্পনিক প্রতিকূল অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে কতটা টিকে থাকতে পারবে তা মূল্যায়ন করা হয়।
স্ট্রেস টেস্টের প্রধান উদ্দেশ্য হলো: ব্যাংকগুলোর দুর্বলতা চিহ্নিত করা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া উন্নত করা, এবং সংকটের সময়ও ঋণ সরবরাহ চালিয়ে যেতে পারে তা নিশ্চিত করা।
এই প্রক্রিয়ায়, নিয়ন্ত্রকরা কিছু অনুমানভিত্তিক কিন্তু সম্ভাব্য (hypothetical but plausible) প্রতিকূল পরিস্থিতি তৈরি করে। যেমন - GDP ৫% কমে গেলে কী হবে, বেকারত্ব দ্বিগুণ হলে কী হবে, বা সম্পদের দাম ৩০% কমলে কী হবে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিতভাবে স্ট্রেস টেস্টিং পরিচালনা করে ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা মূল্যায়ন করে।