প্রোডাক্ট লাইফসাইকেল চারটি ধাপে বিভক্ত — ইন্ট্রোডাকশন, গ্রোথ, ম্যাচিউরিটি এবং ডিক্লাইন। প্রতিটি ধাপে পণ্যের বিক্রি, মুনাফা এবং মার্কেটিং কৌশল ভিন্ন হয়।
ইন্ট্রোডাকশন পর্যায়ে বিক্রি কম থাকে এবং মার্কেটিং খরচ বেশি হয়। গ্রোথ পর্যায়ে বিক্রি দ্রুত বাড়ে। ম্যাচিউরিটি পর্যায়ে বাজার সম্পৃক্ত হয় এবং প্রতিযোগিতা বাড়ে। ডিক্লাইন পর্যায়ে বিক্রি কমতে থাকে।
যেমন, ক্যাসেট প্লেয়ার ডিক্লাইন পর্যায়ে আছে, আর স্মার্টফোন ম্যাচিউরিটি পর্যায়ে। সফল কোম্পানিরা প্রতিটি ধাপ অনুযায়ী তাদের কৌশল পরিবর্তন করে।