ইএসজি ইনভেস্টিং মানে হলো পরিবেশ, সামাজিক, এবং সুশাসন - এই তিনটি বিষয়কে আর্থিক বিশ্লেষণের পাশাপাশি বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে অন্তর্ভুক্ত করা।
পরিবেশ (E): কোম্পানি পরিবেশের ওপর কেমন প্রভাব ফেলছে — কার্বন নির্গমন, শক্তি দক্ষতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা।
সামাজিক (S): কোম্পানি কর্মচারী, গ্রাহক ও সমাজের সাথে কেমন সম্পর্ক রাখে — শ্রম অধিকার, বৈচিত্র্য, সম্প্রদায়ের উন্নয়ন।
সুশাসন (G): কোম্পানির নেতৃত্ব, পরিচালনা ও অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণের স্বচ্ছতা — পরিচালনা পর্ষদের কাঠামো, নীতিমালা, দুর্নীতিবিরোধী ব্যবস্থা।
ইএসজি ইনভেস্টিং শুধু নৈতিক দিক থেকে নয়, আর্থিক দিক থেকেও লাভজনক হতে পারে। ইএসজি-সচেতন কোম্পানিগুলো দীর্ঘমেয়াদে কম ঝুঁকিপূর্ণ এবং আরও টেকসই হতে পারে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, ইএসজি ইনভেস্টিংয়ের ধারণাটি ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক 'টেকসই অর্থায়ন নীতিমালা' প্রণয়ন করেছে।