ফিসক্যাল অস্টারিটি মেজারস বা রাজস্ব কঠোরতা ব্যবস্থা বলতে বোঝায়, যখন কোনো দেশের সরকার তার আর্থিক ঘাটতি ও ঋণ কমানোর জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেয়।
সাধারণত, এই ব্যবস্থায় নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো দেখা যায়:
সরকারি ব্যয় কমানো: বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প, উন্নয়নমূলক কাজ, ভর্তুকি এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে ব্যয় হ্রাস করা হয়।
কর্মচারী ছাঁটাই বা বেতন কমানো: সরকারি চাকরিতে লোকবল কমানো বা বেতন-ভাতা হ্রাস করা হয়।
কর বৃদ্ধি: বিভিন্ন ধরনের কর, যেমন আয়কর, মূল্য সংযোজন কর বা আমদানি শুল্ক বাড়ানো।
এই পদক্ষেপগুলো সাধারণত কঠিন সময়ে নেওয়া হয়, যখন সরকারের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে বা আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থা (যেমন IMF) শর্ত হিসেবে এসব ব্যবস্থা নিতে বলে। গ্রিস ২০১০ সালে চরম অস্টারিটি মেজারস নিয়েছিল যা ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, সরকার মাঝে মাঝে আর্থিক সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন কঠোরতা ব্যবস্থা নিয়ে থাকে, যেমন ভর্তুকি কমানো বা জ্বালানির দাম বাড়ানো।