সে'স ল' বা সে'র সূত্র ধ্রুপদী অর্থনীতির একটি মৌলিক নীতি, যা ফরাসি অর্থনীতিবিদ জঁ-ব্যাতিস্ত সে প্রবর্তন করেন। এটি বলে — 'সরবরাহ নিজেই তার চাহিদা সৃষ্টি করে।'
এই সূত্রের মূল ধারণা: যখন কোনো পণ্য বা সেবা উৎপাদন করা হয়, তখন সেই প্রক্রিয়ায় শ্রমিক ও সম্পদ মালিকদের আয় তৈরি হয়, যা তাদের অন্য পণ্য ও সেবা কেনার সক্ষমতা দেয়।
এই সূত্র ধ্রুপদী অর্থনীতিবিদদের জন্য একটি ভিত্তি ছিল যে, অর্থনীতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পূর্ণ কর্মসংস্থানের দিকে যায় এবং দীর্ঘমেয়াদী অতিরিক্ত উৎপাদন বা চাহিদার ঘাটতি হতে পারে না।
তবে, ১৯৩০-এর দশকে মহামন্দার সময় জন মেইনার্ড কীনেস এই তত্ত্বকে চ্যালেঞ্জ করেন। তিনি দেখান যে চাহিদার ঘাটতি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে এবং সরকারি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন হতে পারে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, সে'স ল এর সরাসরি প্রয়োগ সীমিত। কারণ, এখানে প্রায়শই চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে অসামঞ্জস্য দেখা যায়।