Skip to main content

স্টক বাইব্যাক (Stock Buyback)

·
1 views

স্টক বাইব্যাক বা শেয়ার বাইব্যাক হলো একটি কৌশল যেখানে একটি কোম্পানি তার নিজের জারি করা শেয়ার বাজার থেকে ফেরত কেনে। এটি কোম্পানিগুলোর একটি জনপ্রিয় কৌশল যা শেয়ারহোল্ডারদের মূল্য বৃদ্ধি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

কোম্পানিগুলো বিভিন্ন কারণে স্টক বাইব্যাক করে। প্রথমত, এটি বাজারে প্রচলিত শেয়ারের সংখ্যা কমায়, যার ফলে প্রতি শেয়ারের আয় (EPS) বেড়ে যায়। দ্বিতীয়ত, কোম্পানি যদি মনে করে তার শেয়ারের বাজার মূল্য তার প্রকৃত মূল্যের চেয়ে কম, তখন বাইব্যাকের মাধ্যমে সেই অবমূল্যায়ন সংশোধন করতে পারে।

তৃতীয়ত, ডিভিডেন্ড দেওয়ার বিকল্প হিসেবে বাইব্যাক ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কর-দক্ষ রিটার্ন তৈরি করতে পারে।

চতুর্থত, কোম্পানির কাছে অতিরিক্ত নগদ অর্থ থাকলে এবং নতুন বিনিয়োগের সুযোগ সীমিত থাকলে, স্টক বাইব্যাক সেই অতিরিক্ত নগদ ব্যবহার করার একটি উপায়।

পঞ্চমত, স্টক বাইব্যাক প্রায়ই শেয়ারের দাম বাড়ায় কারণ সরবরাহ কমে কিন্তু চাহিদা একই থাকে। উদাহরণস্বরূপ, অ্যাপল, মাইক্রোসফটের মতো কোম্পানি নিয়মিত বিলিয়ন ডলার মূল্যের বাইব্যাক করে।

তবে, স্টক বাইব্যাকের কিছু সমালোচনাও আছে। কিছু বিশ্লেষক মনে করেন, কোম্পানিগুলো গবেষণা ও উন্নয়ন বা কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধিতে বিনিয়োগ না করে বাইব্যাকের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে শেয়ারের দাম বাড়ায়।

বাংলাদেশে স্টক বাইব্যাক এখনও খুব সীমিত এবং নিয়ন্ত্রক কাঠামো তুলনামূলকভাবে নতুন। তবে, বিশ্বব্যাপী এটি একটি প্রতিষ্ঠিত কর্পোরেট কৌশল।

সংক্ষেপে, স্টক বাইব্যাক হলো কোম্পানির জন্য শেয়ারহোল্ডার মূল্য বাড়ানোর একটি শক্তিশালী হাতিয়ার, যদি সঠিকভাবে এবং দায়িত্বশীলতার সাথে ব্যবহার করা হয়।

More to Read