কোনো দেশের বাজেট ঘাটতিকে অর্থনীতির অবস্থার ওপর ভিত্তি করে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়: স্ট্রাকচারাল ডেফিসিট এবং সাইক্লিক্যাল ডেফিসিট।
স্ট্রাকচারাল ডেফিসিট বা কাঠামোগত ঘাটতি হলো সেই ঘাটতি যা অর্থনীতির অবস্থা ভালো থাকলেও বিদ্যমান থাকে। এটি সরকারের স্থায়ী নীতিগত সমস্যার ফলে তৈরি হয়, যেমন অতিরিক্ত ব্যয়, অপর্যাপ্ত কর আদায়, বা কাঠামোগত দুর্বলতা।
সাইক্লিক্যাল ডেফিসিট বা চক্রাকার ঘাটতি হলো সেই ঘাটতি যা অর্থনীতির স্বাভাবিক উত্থান-পতনের কারণে সৃষ্টি হয়। মন্দার সময় কর আদায় কমে এবং সরকারি ব্যয় বাড়ে (যেমন বেকারত্ব ভাতা), যা এই ঘাটতি তৈরি করে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, সাধারণত একটি কাঠামোগত ঘাটতির সমস্যা রয়েছে, অর্থাৎ অর্থনীতির অবস্থা ভালো থাকলেও সরকারের ব্যয় রাজস্বের চেয়ে বেশি থাকে। এর প্রধান কারণ হলো কর-জিডিপি অনুপাত খুবই কম (প্রায় ৭-৮%)।