ভোলাটিলিটি বা অস্থিতিশীলতা হলো একটি বিনিয়োগের মূল্য কতো দ্রুত এবং কতোটা পরিবর্তন হয়, তা বোঝানোর একটি পরিমাপক। এটি ইনভেস্টমেন্ট মার্কেটের অস্থিরতাকে প্রকাশ করে। সাধারণত, হাই ভোলাটিলিটি মানে হচ্ছে কোনো বিনিয়োগের দাম দ্রুত এবং বেশি পরিমাণে ওঠানামা করে। অন্যদিকে, কম ভোলাটিলিটি বোঝায় যে বিনিয়োগটি তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল।
উদাহরণস্বরুপ, যদি একটি শেয়ারের দাম আজ ১০০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করে, তবে সেটি একটি হাই ভোলাটিলিটির শেয়ার। কিন্তু যদি আরেকটি শেয়ারের দাম ১০০ টাকা থেকে ১১০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তবে সেটি কম ভোলাটিলিটির শেয়ার হিসেবে বিবেচিত হবে।
ভোলাটিলিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ঝুঁকি এবং লাভের সম্ভাবনা সম্পর্কে একটি ধারণা দেয়। যারা বেশি ঝুঁকি নিতে ইচ্ছুক, তারা হাই ভোলাটিলিটি সম্পন্ন বিনিয়োগে আগ্রহী হয়ে থাকেন। কিন্তু যারা তুলনামূলক স্টেবল রিটার্ন পেতে চান, তারা কম ভোলাটিলিটির বিনিয়োগের দিকে বেশি ধাবিত হোন।
তবে মনে রাখতে হবে, ভোলাটিলিটি সব সময়ই ঝুঁকি বা ক্ষতি নির্দেশ করে না। এটি কখনো কখনো অতিরিক্ত লাভের সুযোগও সৃষ্টি করতে পারে।