M2 মানি সাপ্লাই হলো একটি দেশের অর্থনীতিতে মোট অর্থের পরিমাণের একটি বিস্তৃত পরিমাপ। এটি M1 মানি সাপ্লাইয়ের (যা সবচেয়ে বেশি তারল্য বা লিকুইড অর্থকে বোঝায়) সাথে আরও কিছু আর্থিক সম্পদ যোগ করে গঠিত হয়, যা নগদ অর্থের মতো তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহারযোগ্য না হলেও তুলনামূলকভাবে সহজে নগদে রূপান্তর করা যায়।
M2 এর উপাদানগুলো হলো: M1 মানি সাপ্লাই (জনগণের হাতে থাকা নগদ অর্থ ও ডিমান্ড ডিপোজিট), সঞ্চয়ী আমানত, ক্ষুদ্র-মূল্যের মেয়াদী আমানত (ফিক্সড ডিপোজিট), এবং খুচরা অর্থবাজারের মিউচুয়াল ফান্ড।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং অর্থনীতিবিদরা মুদ্রাস্ফীতি, সুদের হার এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কার্যকলাপের গতিবিধি বোঝার জন্য M2-কে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।
বাংলাদেশেও বাংলাদেশ ব্যাংক M2 কে তার মুদ্রানীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী লক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করে। এপ্রিল ২০২৫-এ বাংলাদেশে M2 মানি সাপ্লাই প্রায় ২০৯৭৯.৮০ বিলিয়ন টাকা ছিল, যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় প্রায় ৭.৭৬% বেশি। M2 এর বৃদ্ধি অর্থনৈতিক কার্যকলাপের বৃদ্ধি নির্দেশ করে, কিন্তু দ্রুত হারে বাড়লে মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকিও বাড়তে পারে।