5 articles
ভেঞ্চার ক্যাপিটাল (Venture Capital) হল উচ্চ প্রবৃদ্ধির (Growth) সম্ভাবনা রয়েছে এবং বিজনেস স্কেল করার জন্য আরো মূলধন প্রয়োজন এরকম উদীয়মান স্টার্ট-আপগুলির জন্য এক ধরণের প্রাইভেট ইক্যুইটি। এরকম ভেঞ্চার ক্যাপিটাল সংস্থাগুলি ইক্যুইটির বিনিময়ে স্টার্ট-আপদের তহবিল দেওয়ার জন্য বিনিয়োগকারীদের থেকে অর্থ জমা করে, এছাড়াও স্টার্ট-আপ বিজনেসের কৌশলসমূহ (Strategies) তৈরী করতে নিজেদের ভূমিকা ও দক্ষতাও প্রদান করে থাকে। যেসব কোম্পানির $100,000 থেকে $25million এর মতো বড় তহবিল দরকার হয় তাদের জন্য এই ভেঞ্চার ক্যাপিটাল সংস্থাগুলো ভালো একটি অপশন। তবে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বিনিয়োগ নিতে হলে এর আবেদন করার জন্য, প্রথমে অবশ্যই আপনাকে একটি সঠিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম খুঁজে বের করতে হবে, আপনার কোম্পানিকে পিচ (Pitch) করতে হবে এবং পরিশ্রমের সাথে ফার্মের যথাযথ প্রক্রিয়াটি পাশ করতে হবে। ভেঞ্চার ক্যাপিটাল এর এসব খুঁটিনাটি বিষয়গুলোই আজকে আমরা জানব।

আপনি যখন Investing বা বিনিয়োগের কথা ভাবছেন, তখন আগে থেকেই বেশ কিছু বিষয় বিবেচনা করতে হবে। একজন বিনিয়োগকারী হিসেবে আপনার আচরণ কেমন হওয়া উচিত, আপনার চিন্তা-ভাবনা কেমন হওয়া উচিত এইযে বিষয়গুলো নিয়ে আপনি যত বেশি জানবেন, আপনার ব্যক্তিগত পছন্দ (Preferences) এবং সামর্থ্যের (Abilities) সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় এমন ভালো সিদ্ধান্ত নেয়া তত সহজ হবে। একটি সফল বিনিয়োগের মাধ্যমে আপনার সফলতার দুয়ার যেমন খুলে যেতে পারে, একই সাথে বিনিয়োগ ব্যর্থ হলে আপনার আর্থিক অবস্থায় ধ্বসও নেমে আসতে পারে। প্রায়শই বিনিয়োগকারীরা এরকম কিছু ভুল করে থাকে, তাই বুঝে শুনে Investing করাটা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জীবন হয়তো অনেক সহজ হয়ে যেত যদি আমরা Point & Shoot পদ্ধতিতে বিনিয়োগ করতে পারতাম, কিন্তু বিনিয়োগের দুনিয়া তো আর এভাবে চলেনা। তাই আজকে আমরা বিনিয়োগের আগে বিবেচনা করতে হয় এমন কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।

যে কোন স্টার্টআপ (Startup) এর জন্য ফান্ডিং (Funding) একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। অতিরিক্ত ঝুঁকির সম্ভাবনা এবং স্টার্টআপ চালু করার জটিল প্রক্রিয়ার কারণে ফান্ডিং সংগ্রহ করা কোন সহজ কাজ নয়। এছাড়াও আরেকটি সমস্যা হল, আমরা অনেকে জানিই না কিভাবে সঠিক উপায়ে নিজেদের প্রকল্পে আগ্রহী ইনভেস্টরদের খুঁজে পেতে হয় ও তাদের সাথে কাজ করতে হয়। তো প্রফেশনালী এই ফান্ডিং রাউন্ডে অর্থ বা টাকা সংগ্রহের জন্য কিছু স্টেজ (Stage) রয়েছে। এই স্টেজগুলো হচ্ছে Seed Stage, Early Stage, এবং Late Stage। প্রতিটি স্টেজেই স্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট কারণে অর্থের প্রয়োজন হয়।

প্রায় বেশিরভাগ স্টার্টআপ বা উদ্যোক্তারই শুরুর দিকে কিছু চ্যালেঞ্জ এর মুখে পরতে হয়। যার মধ্যে অন্যতম একটি বিষয় হচ্ছে ‘ইনভেস্টমেন্ট’ বা ‘অর্থের যোগান’। ব্যবসায়ের প্রাথমিক পর্যায় থেকে শুরু করে উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন স্টেজে বিভিন্ন কারণে অর্থের প্রয়োজন হয়ে থাকে। তো বর্তমানে স্টার্টআপ বা উদ্যোক্তাদের জন্য ইনভেস্টমেন্ট নেয়ার বেশ জনপ্রিয় একটি সোর্স হল ‘অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টর (Angel Investors)’। অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টর (Angel Investors) বা দেবদূত বিনিয়োগকারীরা হলেন এমন স্বাধীন ব্যক্তি যারা ব্যবসার একটি অংশ, ইকুইটি মালিকানার বিনিময়ে প্রতিশ্রুতিশীল স্টার্টআপ (Startup) বা নতুন শুরু করা কোম্পানিকে অর্থায়ন বা অর্থ সরবরাহ করে থাকেন। অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টররা মূলত প্রতিষ্ঠিতি বিজনেসম্যান যারা স্টার্টআপের প্রাথমিক পর্যায়ে বিনিয়োগ করতে চায়। এরা স্বীকৃত কোন বিনিয়োগকারী কিনা এ নিয়ে অনেক ধরণের মতামত থাকতে পারে, তবে অত্যন্ত উচ্চ আয় এবং বিপুল পরিমাণ সম্পদের উপর ভিত্তি করে বিনিয়োগকারীদের এই শ্রেণীবিভাগ টাকে আলাদা করা হয়ে থাকে।

একটি Investment বা বিনিয়োগ হল একটি সম্পদ বা আইটেম যা আয় বৃদ্ধি বা ভবিষ্যত স্বীকৃতি তৈরীর লক্ষে অর্জিত হয়। এখানে স্বীকৃতি বলতে সময়ের সাথে সাথে একটি সম্পদের মূল্য বৃদ্ধিকে বোঝান হয়েছে। Economic বা অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে, একটি বিনিয়োগ হল এমন একটি পণ্য ক্রয় যা আজ ব্যবহার করা হবে না কিন্তু ভবিষ্যতের সম্পদ তৈরীতে ব্যবহৃত হবে। Finance বা আর্থিক সংস্থান এর ভাষায়, একটি বিনিয়োগ হল একটি সম্পদ যা এই ধারণা নিয়ে কেনা হয় যে, ভবিষ্যতে সম্পদটি আরো বেশি মূল্য অথবা লাভ প্রদান করবে বা পরবর্তীতে বেশি লাভ দিয়ে উচ্চ মূল্যে বিক্রি করা যাবে। সুতরাং, ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে নিজের অর্জিত সম্পদের উপর মুনাফা বা লাভ বৃদ্ধির আশায় বিজনেস, শেয়ার, বন্ড, সম্পত্তি; প্রভৃতি ক্রয় করাকে Investment বা বিনিয়োগ বলে।

বিনিয়োগ হলো সময়ের সাথে রিটার্ন তৈরি করতে অর্থ কাজে লাগানো। শেয়ার বাছাই ও বন্ড বিশ্লেষণ থেকে রিয়েল এস্টেট ও বিকল্প বিনিয়োগ পর্যন্ত, বিনিয়োগ নীতি বোঝা ঝুঁকি পরিচালনার সাথে সম্পদ তৈরি করতে সাহায্য করে।