21 articles
এটি Financial Leverage বিতর্কের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত পর্ব। প্রথম পর্বে দুই পক্ষের যুক্তি ও ডেটা বিশ্লেষণ দেখানো হয়েছে। এই পর্বে Warren Buffett (insurance float-এর গোপন leverage), George Soros (একদিনে $1B), Ray Dalio (risk parity) সহ বিশ্বখ্যাতদের মতামত, বাংলাদেশের বাস্তবতা (৯-১২% সুদ, NPL সংকট), একটি ব্যবহারিক Leverage Calculator (নিজের সংখ্যা বসিয়ে ঝুঁকি বুঝুন), ২০২৫-২৬ সালের বৈশ্বিক leverage পরিস্থিতি (ক্রিপ্টো বিপর্যয়, AI CapEx ঝুঁকি, উচ্চ সুদের হার), এবং চূড়ান্ত রায় দেওয়া হয়েছে।

Leverage মানে ধার করা টাকায় রিটার্ন বহুগুণ করা — কিন্তু সুদের বিল আসে লাভ-ক্ষতি নির্বিশেষে। 3:1 leverage, 10% সুদ: বাজার 20% উঠলে রিটার্ন 40%, পড়লে ইকুইটির 80% শেষ। Chamath Palihapitiya এই অস্ত্রে $100M-কে $1B+ বানিয়েছেন। Bill Hwang একই অস্ত্রে $20B হারিয়েছেন ৪৮ ঘণ্টায়। কখন গুণক, কখন গিলোটিন — সংখ্যা, কেস স্টাডি, আর leverage-এর আসল গণিত। এই পর্বে দেখবো — leverage আসলে কী, পক্ষে-বিপক্ষে কী যুক্তি, আর কোন যুক্তির ফাঁক কোথায়।

Financial Leverage বা আর্থিক লিভারেজ হলো ধার করা অর্থ ব্যবহার করে বিনিয়োগের রিটার্ন বাড়ানোর কৌশল। সহজ ভাষায়, আপনার নিজের ১ টাকার সাথে ব্যাংক থেকে আরও ৪ টাকা ধার নিয়ে ৫ টাকার বিনিয়োগ করা — এটাই লিভারেজ। বিনিয়োগ লাভজনক হলে রিটার্ন কয়েকগুণ বাড়ে, কিন্তু লোকসান হলে ক্ষতিও কয়েকগুণ বেশি হয়। রিয়েল এস্টেট, শেয়ার বাজার, কর্পোরেট ফাইন্যান্স — সর্বত্র লিভারেজ ব্যবহৃত হয়। ২০০৮ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের মূল কারণ ছিল অতিরিক্ত লিভারেজ।

৪% রুল একটি রিটায়ারম্যন্ট গাইডলাইন যেটি একটি চাকরিজীবী কে তার ব্যংকে কত টাকা থাকা উচিত রিটারামেন্ট পিরিয়ড কে সুন্দর ভাবে কাজে লাগাতে হয় সেটি নিয়ে সাহায্য করে। স্ট্রাকচারটি সাইন্টিফিক্যালী সাকসেস্ফুল এন্ড ইজি টু ইমপ্লিমেন্ট ইফ অ্যাপ্লাইড কনসিয়াসলি। ৪ স্টেপ আর সিম্পল ক্যালকুলেশন একটি বেসিক স্ট্রাকচার তৈরি করে যেটি আপনাকে আপনার কাস্টমাইজড রিটায়ারমেন্ট প্ল্যান তৈরি করে দিবে।

অনেকজন বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগের অর্থ একসাথে করে তা একাধিক খাতে বিনিয়োগ করা’ই হচ্ছে মিচুয়াল ফান্ড। এই বিনিয়োগ থেকে আসা মোট রিটার্ন বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের অনুপাতে তাদের মাঝে ভাগ করে দেয়া হয়। আবার মিচুয়াল ফান্ডে কোনো ক্ষতি হলে তা’ও বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের অনুপাতে বহন করতে হয়। মিচুয়াল ফান্ডের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এই যে অনেক কম টাকা বিনিয়োগ করে’ও বেশ ভালো একটি বিনিয়োগ পোর্টফোলিও তৈরি করা যায়। আর সবচেয়ে বড় অসুবিধা হচ্ছে এই যে মিচুয়াল ফান্ড একজন ম্যানেজার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, তাই বিনিয়োগকারী চাইলেই কোনো স্টক বা বন্ড সেই ফান্ডে যোগ বা বিয়োগ করতে পারেন না।

ডিরাইভেটিভস হচ্ছে এক ধরণের ফাইন্যান্সিয়াল কন্ট্র্যাক্ট, যার মাধ্যমে দুটি পক্ষ নিজেদের মাঝে নিজের আর্থিক ঝুকিঁ বিনিময় করার চুক্তি করেন। এই ধরণের চুক্তি সাধারণত নিজস্ব কোনো মূল্য থাকে না, বরং, যেই সিকিউরিটির উপর চুক্তি করা হচ্ছে, তার মূল্যের উপর নির্ভর করে এই চুক্তির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। ডিরাইভেটিভস মার্কেটে সাধারণত ৪ ধরণের ডিরাইভেটিভ দেখা যায় - অপশনস, ফিউচারস, ফরওয়ার্ডস ও সোয়াপস।

বন্ড মার্কেট হচ্ছে এমন একটি প্লাটফর্ম, যেখানে বিভিন্ন ধরণের বন্ড ক্রয়-বিক্রয় করা হয়। বন্ড মার্কেটের সাথে বন্ড ইস্যুকারী ও বন্ডহোল্ডারগণ জড়িত থাকেন। আবার এর সাথে বিভিন্ন তৃতীয় পক্ষ যেমন ব্রোকারেজ হাউস, রেগুলেটরি প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি’ও জড়িত থাকেন। বন্ড ক্রয় করার মাধ্যমে বন্ডহোল্ডারগণ বন্ডের ইস্যুকারীদের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্দিষ্ট সুদের হারে ঋণ দিয়ে থাকেন। এই ঋণের টাকা বন্ড ইস্যুকারীগণ ব্যবসায় সম্প্রসারণ ও বিভিন্ন প্রজেক্ট বাস্তবায়নের কাজে ব্যয় করেন।

স্টক মার্কেট থেকে যেকোনো কোম্পানীর শেয়ার ক্রয় করা’ই হচ্ছে ইক্যুইটি ইনভেস্টমেন্ট। কোম্পানীর শেয়ার হচ্ছে এখানে একটি পণ্য এবং কোম্পানীর শেয়ার ক্রয় করার মাধ্যমে আপনি যেই ইক্যুইটি পাচ্ছেন সেটি হচ্ছে আপনার বিনিয়োগ। ইক্যুইটিতে ইনভেস্ট করলে আপনি বার্ষিক ডিভিডেন্ড পেতে পারেন, আবার শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি পেলে আপনি সেই শেয়ার বিক্রয় করে ক্যাপিটাল গেইন পেতে পারেন। শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করার জন্য আপনাকে অবশ্যই কোনো তালিকাভুক্ত ব্রোকারের কাছে গিয়ে বিও অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।

ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেট হচ্ছে এমন একটি স্থান যেখানে বিভিন্ন ক্রেতা ও বিক্রেতাগণ নিজেদের মাঝে বিভিন্ন ফাইন্যান্সিয়াল টুলের লেনদেন সম্পন্ন করতে পারেন। ফাইন্যান্সিয়াল টুল বিভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে, যেমন - বন্ড, শেয়ার, বৈদেশিক মুদ্রা ইত্যাদি। আবার ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেটগুলো বিনিয়োগকারীদের এমন সব মানুষের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে সাহায্য করে যাদের আসলে বিনিয়োগ দরকার। ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেটের সাহায্য একে অপরের মাঝে রিস্ক ট্রান্সফার করা সম্ভব হয় এবং দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম বুস্ট করা সম্ভব হয়।

নোবেল বিজয়ী পল স্যামুয়েলস এর মতে ফিন্যান্স হলো ভবিষ্যতে নিশ্চিত কিংবা অনিশ্চিত পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে অর্থ বিনিয়োগ করার জ্ঞান। ফিন্যান্স এর মূল কাজই হলো অর্থ বিনিয়োগ, ট্রান্সফার, খরচ এইসকল বিষয় ট্র্যাক করা। বিভিন্ন ব্যবসা, সরকারি ক্ষেত্র এমনকি একজন এর ব্যক্তিগত জীবনে ফাইন্যান্স এর ডেইলি ইউসেজ রয়েছে।

এল জে গিট্ম্যান অনুযায়ী, ফিন্যান্স হলো টাকা ম্যানেজ করার একটির আর্ট। ফিন্যান্স কাজ করে মার্কেট,ব্যবসা এবং ব্যক্তির মধ্যে টাকা ট্রান্সফার বা আদান প্রদান কে কেন্দ্র করে। ফিন্যান্স হলো অর্থ, সম্পদ এবং বিনিয়োগ নিয়ে ব্যবস্থাপনা। ফিন্যান্স এর মধ্যে বাজেটিং, বিনিয়োগ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং আর্থিক পরিকল্পনার মতো ক্রিয়াকলাপগুলি নিয়ে আলোচনা করা হয়, যা আর্থিক সিদ্ধান্ত, সম্পদ নির্মাণ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হিসাবে কাজ করে। ফিন্যান্স একজন ব্যক্তির দৈনন্দিন জীবন থেকে শুরু করে একটি কর্পোরেট লেভেল এবং সরকারি বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োজন পড়ে।

প্রজেক্ট ফাইন্যান্সিং হচ্ছে একটি দীর্ঘমেয়াদি নন-রিকোর্স অথবা লিমিটেড রিকোর্স ফাইন্যান্সিং স্কিম, যার মাধ্যমে বড় বড় প্রজেক্টের জন্য ফান্ড কালেক্ট করার চেষ্টা করা হয়। একবার প্রজেক্ট কমপ্লিট হয়ে গেলে তারপর প্রজেক্ট থেকে আসা রিটার্ন থেকেই এই ফান্ডের টাকা পরিশোধ করা শুরু হয়। এতে করে ফান্ড কালেক্ট করা কোম্পানীকে নিজেদের ব্যালেন্স শিটে এই ফান্ডের পরিমাণ দেখাতে হয় না। ফলে তাদের অন্যান্য প্রজেক্টের জন্য তারা আরো ফান্ড ঋণ হিসেবে কালেক্ট করতে পারে।

একটি কোম্পানীকে মার্কেট থেকে মূলধন কালেক্ট করার জন্য যেই হারে ব্যয় করতে হয় তাকেই মূলধন ব্যয় বলা হয়। সাধারণত মূলধন ব্যয়-এর মাঝে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাং ও বন্ডহোল্ডারদের সুদ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কোম্পানী মূলধন ব্যয় ক্যালকুলেট করার মাধ্যমে বোঝার চেষ্টা করে যে তাদের বিনিয়োগকৃত প্রজেক্টগুলো থেকে সর্বনিম্ন কি পরিমাণ মুনাফা করতে হবে। কারণ, মুনাফা যদি মূলধন ব্যয়-এর তুলনাম কম হয়, তাহলে কোম্পানী তার শেয়ারহোল্ডার ও বন্ডহোল্ডারদের খুশি রাখতে পারবে না। এতে করে কোম্পানীর সুনাম ক্ষুন্ন হবে।

বিনিয়োগের দুনিয়ায় রিস্ক ও রিটার্নের মাঝে পজিটিভ সম্পর্ক বিদ্যমান। আপনি যতো বেশি রিস্ক নিতে প্রস্তুত থাকবেন, ততো বেশি রিটার্ন পাওয়া সম্ভাবনা থাকবে। তবে রিস্ক বেশি থাকলে ক্ষতি’ও বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই বিনিয়োগকারীদের জন্য রিস্ক ও রিটার্নের মাঝে একটি ভালো ব্যালেন্স তৈরি করা বেশ বড় চ্যালেঞ্জ।

ক্যাপিটাল বাজেটিং হচ্ছে এমন একটি প্রসেস যার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা কোনো প্রজেক্টের ভ্যালু বোঝার চেষ্টা করেন। ক্যাপিটাল বাজেটিং-এর সবচেয়ে বহুল পদ্ধতিগুলো হচ্ছে পে-ব্যাক পিরিয়ড, নিট বর্তমান মূল ও অভ্যন্তরীণ আয়ের হার। তবে বিভিন্ন কোয়ান্টিটেটিভ পদ্ধতির পাশাপাশি কোয়ালিটেটিভ ফ্যাক্টর যেমন - মার্কেট ডিমান্ড, সার্ভাইভাল, পরিবেশের উপর প্রভাব ইত্যাদি’ও ক্যাপিটাল বাজেটিং-এর সময় বিবেচনা করা উচিত।

স্টক ও বন্ডের ভ্যালুয়েশন বলতে মূলত স্টক বা বন্ডের প্রকৃত মূল্য বের করাকে বোঝানো হয়। অনেকসময় মার্কেটে অতিরিক্ত চাহিদা বা অন্য কোনো ফ্যাক্টরের কারণে স্টক বা বন্ড অতিরিক্ত প্রাইসে বিক্রয় হয়ে থাকে। তবে অতিরিক্ত প্রাইসে ক্রয় করলে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই এমন স্টক বা বন্ড খুজে বের করতে হয় যেগুলোর মার্কেট ভ্যালু তার প্রকৃত ভ্যালুর চেয়ে কম বা আন্ডারপ্রাইসড। আর এই কাজেই বিনিয়োগকারীদের সাহায্য করে ভ্যালুয়েশনের বিভিন্ন মেথড।

SWIFT এর পূর্ণরূপ Society for Worldwide International Financial Telecommunication যা বাংলায় সুইফট এর পূর্ণরূপ সোসাইটি ফর ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারব্যাংক ফাইন্যান্সিয়াল টেলিকমিউনিকেশন। SWIFT বা সোসাইটি ফর ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারব্যাংক ফাইন্যান্সিয়াল টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেম হচ্ছে আন্তর্জাতিক ভাবে অর্থ আদান-প্রদানের প্রক্রিয়া যা নেটওয়ার্কিং এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে।

যে সকল প্রতিষ্ঠান কোন ব্যাক্তি বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানসমূহের আর্থিক সম্পর্কিত কার্যাবলী যেমন অর্থ জমা করা,বিনিয়োগ করা ও পরিচালনা করা, ঋণ প্রদান করা সহ আর্থিক কার্যাবলী সম্পন্ন করে থাকে সেই সকল প্রতিষ্ঠানকেই আর্থিক প্রতিষ্ঠান বলা হয়।

ESOP পূর্ণ রূপ হল এমপ্লয়ি স্টক ওনারশিপ প্ল্যান বা কর্মচারী স্টক মালিকানা পরিকল্পনা। ESOP এক ধরণের কর্মচারী বেনিফিট প্ল্যান যার মাধ্যমে কোম্পানির কর্মচারীরা উক্ত কোম্পানির স্টক বা মালিকানা অর্জনের সুবিধা পায়। ESOP পরিকল্পনার মাধ্যমে কর্মীদের জন্য কোম্পানির স্টক বরাদ্দ করে। কোম্পানির শেয়ার প্রাপ্তির মাধ্যমে, কর্মচারীরা ভোটের অধিকার সহ তারা যে কোম্পানির জন্য কাজ করেন তার আংশিক মালিকানা লাভ করে।

আজকের দিনের ১০০ টাকা সবসময় আগামী দিনের ১০০ টাকার থেকে বেশি ভ্যালু বহন করে, এটাই হচ্ছে অর্থের সময়মূল্যের ধারণা। ব্যাংকে টাকা রাখা বা অন্য কোনো খাতে বিনিয়োগ করা, ঋণ পরিশোধ করা, গাড়ি/বাড়ি ক্রয় করা সর্বক্ষেত্রেই অর্থের সময়মূল্যের ধারণা প্রযোজ্য। মূলত মুদ্রাস্ফীতি ও চক্রবৃদ্ধি সুদের কনসেপ্টের কারণে আধুনিক যুগে অর্থের সময়মূল্য এতো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আমরা যদি অর্থকে কাজে না লাগিয়ে তা ফেলে রাখি, তাহলে মুদ্রাস্ফীতির কারণে তা ধীরে ধীরে ক্রয়ক্ষমতা হারায়।

দূর্ঘটনাবিহীন জীবন কল্পনা করা নিতান্তই অমূলক। তাই এই দূর্ঘটনার রেশ কিছুটা বা অনেকটা কাটিয়ে উঠার ক্ষেত্রে বীমার ভূমিকা প্রশংসনীয়। মানুষের একার পক্ষে সকল দায় গ্রহণ করা সম্ভব নয়। তাই বীমা করার মাধ্যমে ঝুঁকির দায় বীমাপ্রতিষ্ঠান থেকে গ্রহণ করে অনেকটাই দায়মুক্তি সম্ভব। এছাড়াও প্রকারভেদে বীমা নানা রকম দায়, সুবিধা এবং সুযোগ প্রদান করে থাকে যা একজন মানুষের সহজ, সরল এবং স্বাভাবিক জীবনযাপনে অত্যাবশ্যকীয় হয়ে উঠছে দিন দিন। তাই বীমার মাধ্যমে নিরাপদ, নিশ্চিন্ত এবং অনাবিল জীবন উপভোগ এখন সময়ের দাবী। তবে বীমা করার পূর্বে শর্তাবলী, ঝুঁকি এবং দায়িত্বকর্তব্য জেনে বুঝে নেয়া গ্রাহকের জন্য খুবই জরুরি। অন্যথায়, বীমা গ্রাহকের জন্য কল্যাণকর নাও হতে পারে।

ফাইন্যান্স হলো অর্থ ব্যবস্থাপনার বিজ্ঞান। ব্যক্তিগত বাজেটিং, কর্পোরেট মূলধন বরাদ্দ বা জাতীয় রাজস্ব নীতি যাই হোক, আর্থিক জ্ঞান অর্থনৈতিক স্বাধীনতার ভিত্তি।